ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ধামরাইয়ে দুই অবৈধ ইটভাটায় অভিযান, জরিমানা দেড় লাখ টাকা


ধামরাইয়ে দুই অবৈধ ইটভাটায় অভিযান, জরিমানা দেড় লাখ টাকা

পরিবেশ দূষণ রোধ এবং অবৈধ ইটভাটা বন্ধ করার উদ্দেশ্যে নিয়মতান্ত্রিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ঢাকার ধামরাই উপজেলায় দুটি অবৈধ ইটভাটায় অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন।

রোববার (১১ অক্টোবর) দুপুরে সোমভাগ ইউনিয়নের দেপাশাই কাউন্সিল এলাকায় এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়।

অভিযানটি পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন ধামরাই উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি মো. ফাহিম শাহরিয়ার।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

অভিযানের ফলে ইটভাটাদুটিকে মোট দেড় লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং একটি ভাটার আগুন দেওয়ার স্থান বা ‘কিলন’ এবং উৎপাদিত কাঁচা ইট ধ্বংস করা হয়। একই সঙ্গে ভাটার সব কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশনা প্রদান করা হয়। অভিযান চলাকালে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় মোতায়েন ছিলেন।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, লাইসেন্স এবং পরিবেশগত ছাড়পত্র না থাকার অভিযোগে সোমভাগ ইউনিয়নের কাউন্সিল এলাকায় অবস্থিত ‘মা ব্রিকস’ নামে ইটভাটাকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং এর কিলন সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে দেওয়া হয়। এছাড়া একই এলাকার ‘হালাল ব্রিকস’ নামে অপর একটি ইটভাটাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

ধামরাই উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ফাহিম শাহরিয়ার বলেন, "পরিবেশ দূষণকারী এবং বৈধ অনুমতি বা কাগজপত্র ছাড়া পরিচালিত অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে আমাদের এই ধারাবাহিক অভিযান চালানো হয়েছে।" তিনি আরও জানান, দুটি ইটভাটাকে আইন অনুযায়ী দেড় লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে এবং একটির কিলন ভেঙে দেওয়া হয়েছে।

এছাড়াও, পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য রক্ষার জন্য ধামরাইয়ের সব অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে এই ধরনের কঠোর অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলেও জানান এই কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিক্ষামন্ত্রী: উচ্চতর ডিগ্রিধারী তরুণদের কর্মসংস্থানে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৫৪ পি.এম


শিক্ষামন্ত্রী: উচ্চতর ডিগ্রিধারী তরুণদের কর্মসংস্থানে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, বর্তমান সরকার উচ্চতর ডিগ্রিধারী তরুণদের কর্মসংস্থান বৃদ্ধির পাশাপাশি গবেষণার জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

গাজীপুরে ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির (আইইউটি) ৩৮তম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে রোববার (১১ অক্টোবর) তিনি এসব মন্তব্য করেন।

অনুষ্ঠানে সমাবর্তন বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সাবেক অধ্যাপক ড. মো. কায়কোবাদ। আইইউটির ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মো. মামুন বিন ইবনে রিয়াজ স্বাগত বক্তব্য দেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সরকার উচ্চতর ডিগ্রিধারী তরুণদের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং গবেষণার জন্য বাজেট বাড়ানোর পরিকল্পনা করেছে। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের জন্য এমন মানবসম্পদ প্রয়োজন, যারা দেশের বাস্তবতা ও প্রয়োজনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রযুক্তিকে কাজে লাগাতে সক্ষম হবে।

তিনি আরও বলেন, উদ্ভাবনী শক্তি ব্যবহার করে দেশের বিভিন্ন সমস্যার কার্যকর সমাধান তৈরি করা জরুরি। যারা ব্যয়বহুল প্রযুক্তি বা সমাধানের খরচ বহন করতে পারেন না, তাদের প্রতি বিশেষ নজর দেওয়া উচিত। উন্নত প্রকৌশল ও উদ্ভাবনী প্রযুক্তির মাধ্যমে মৌলিক সেবা আরও বেশি পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব। আইইউটির শিক্ষার্থীরা নিজেদের মেধা ও মনন কাজে লাগিয়ে দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, "আপনারা এমন এক সময়ে কর্মজীবন শুরু করতে যাচ্ছেন, যখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও দ্রুত প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের ফলে প্রতিনিয়ত নতুন সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে।" এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নিজেদের নতুন নতুন প্রযুক্তি ও সরঞ্জাম ব্যবহারে দক্ষ করে গড়ে তুলতে হবে।

আইইউটির আন্তর্জাতিক পরিবেশের প্রশংসা করে তিনি বলেন, "বাংলাদেশে অবস্থিত এই বিশ্ববিদ্যালয়কে নিয়ে আমরা গর্বিত।" বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীরা এখানে এসে ভিন্ন ভিন্ন ভাষা ও সংস্কৃতি নিয়ে শিক্ষা অর্জনের জন্য একটি অভিন্ন ক্ষেত্র পান। বিশ্ববিদ্যালয়ে গড়ে ওঠা এসব সম্পর্ক ভবিষ্যতে গবেষণা, শিল্প ও শিক্ষার ক্ষেত্রে দীর্ঘস্থায়ী অংশীদারত্বে রূপ নিতে পারে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারেও এ প্রতিষ্ঠান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

শিক্ষামন্ত্রী ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি) এবং এর সদস্যরাষ্ট্রগুলোর প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতি অব্যাহত সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা জানান।

সমাবর্তন অনুষ্ঠানে মোট ৬৫৯ জন শিক্ষার্থীকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি প্রদান করা হয়। কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফলের জন্য সাতজন শিক্ষার্থীকে গোল্ড মেডেল দেওয়া হয়। তাদের মধ্যে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী সুমাইয়া আহমেদ রানী ওআইসি গোল্ড মেডেল অর্জন করেন। অন্য ছয়জন শিক্ষার্থী পান আইইউটি গোল্ড মেডেল।

শিক্ষামন্ত্রী পদকপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের গলায় পদক পরিয়ে দেন এবং তাদের হাতে সনদ তুলে দেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রী: জনগণের অর্থের প্রতিটি পয়সা দেশের স্বার্থে ব্যয় করতে হবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৫৫ পি.এম


প্রধানমন্ত্রী: জনগণের অর্থের প্রতিটি পয়সা দেশের স্বার্থে ব্যয় করতে হবে

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্দেশ দিয়েছেন যে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে বরাদ্দকৃত জনগণের অর্থের প্রতিটি পয়সা যেন সঠিকভাবে দেশের ও মানুষের স্বার্থে ব্যয় হয়। সরকারি কর্মকর্তাদের সতর্ক ও দায়িত্বশীল থাকার বিষয়ে তিনি গুরুত্ব আরোপ করেছেন।

রোববার (১১ অক্টোবর) বাংলাদেশ সচিবালয়ের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনার জন্য অনুষ্ঠিত সভায় প্রধানমন্ত্রী এসব মন্তব্য করেন।

সভায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মন্ত্রণালয়ের চলমান কার্যক্রম, গৃহীত উন্নয়ন প্রকল্প এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা ও লক্ষ্যমাত্রা সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন।

প্রধানমন্ত্রী সভায় বলেন, ‘আপনারা অনেকগুলো প্রকল্প গ্রহণ করেছেন, অনেকগুলো টার্গেট ঠিক করেছেন। সেই টার্গেটগুলো অর্জনের জন্য অবশ্যই সরকার থেকে বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হবে। কিন্তু এটা জনগণের অর্থ। আমি আশা করব, জনগণের অর্থের প্রতিটি পয়সা যাতে সঠিকভাবে দেশের স্বার্থে এবং মানুষের কল্যাণে ব্যয় হয়, সে বিষয়ে আপনারা সবাই মনোযোগ দেবেন।’

তিনি সরকারি দায়িত্বকে দেশের মানুষের জন্য কাজ করার বিশেষ সুযোগ হিসেবে দেখার আহ্বান জানিয়ে বলেন, দেশের সামগ্রিক জনসংখ্যার তুলনায় সরকারি দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা সুবিধাপ্রাপ্ত অবস্থানে রয়েছেন। এই সুযোগকে মানুষের কল্যাণে কাজে লাগানো উচিত।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা যারা এখানে আছি, বাংলাদেশের সামগ্রিক জনসংখ্যার তুলনায় আমরা সবাই সুবিধাপ্রাপ্ত। আল্লাহ তাআলা আমাদের দেশের জন্য, মানুষের জন্য কাজ করার একটা সুযোগ দিয়েছেন।’

তিনি বলেন, ‘যার যতটুকু কাজ করার সুযোগ আছে, আমরা যেন সেই কাজটি আন্তরিকভাবে করতে পারি। আমাদের সবার সেই চেষ্টা থাকতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, দায়িত্ব পালনের সুযোগ সব সময় থাকে না। তাই যে যখন যে দায়িত্বে রয়েছেন, তাকে সেই সুযোগ দেশের ও মানুষের কল্যাণে যথাযথভাবে কাজে লাগাতে হবে।

সভা শেষে প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আসুন, আমরা সবাই চেষ্টা করি, যার হাতে যত দিন সুযোগ আছে, সেই সুযোগটা যেন মানুষ ও দেশের জন্য ঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারি।’

তিনি কর্মকর্তাদের আরও সক্রিয়ভাবে মতামত দেওয়ার আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন পর্যায়ে কর্মরত কর্মকর্তাদের মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা ও পর্যবেক্ষণ সরকারের সিদ্ধান্ত গ্রহণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

ভবিষ্যতে মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আবারও আলোচনা করার কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, পরবর্তী বৈঠকগুলোতে কর্মকর্তারা আরও খোলামেলাভাবে নিজেদের অভিজ্ঞতা, পর্যবেক্ষণ ও মতামত তুলে ধরবেন।

সভায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, সচিব দেলোয়ার হোসেনসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গ্রামীণ সড়ক নির্মাণে অনিয়ম ঠেকাতে ৩ বছরের ওয়ারেন্টির সুপারিশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৫৫ পি.এম


গ্রামীণ সড়ক নির্মাণে অনিয়ম ঠেকাতে ৩ বছরের ওয়ারেন্টির সুপারিশ

টেকসই উন্নয়ন এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সারাদেশের গ্রামীণ সড়ক ও রাস্তাঘাট নির্মাণে গুণগত মান এবং স্থায়িত্ব বজায় রাখার জন্য ঠিকাদারদের কাছ থেকে তিন বছরের ওয়ারেন্টি জামানত রাখার প্রস্তাব দিয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি।

এই সুপারিশটি রোববার (১১ অক্টোবর) জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত কমিটির প্রথম বৈঠকে করা হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি এ. কে. এম. সেলিম রেজা হাবিব।

বৈঠকে, ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে দেশি-বিদেশি অর্থায়নে গৃহীত অপ্রয়োজনীয় প্রকল্পগুলোর অনিয়ম ও দুর্নীতি তদন্তে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করেছে কমিটি।

এছাড়া, এডিস মশা নিধন ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) মাধ্যমে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান তদারকি এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের সুপারিশও করা হয়েছে।

বৈঠকে কমিটির সদস্য ও মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান, প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান, আলহাজ জসীম উদ্দীন আহমেদ, শেখ ফরিদ আহমেদ, সেলিনা সুলতানা, এ টি এম আজহারুল ইসলাম ও মো. রফিকুল ইসলাম খান অংশগ্রহণ করেন।

কমিটির সদস্যরা বৈঠকে কর্মকর্তাদের সততা, নিষ্ঠা, স্বজনপ্রীতিমুক্ত আচরণ ও জবাবদিহির সঙ্গে দায়িত্ব পালনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে উপজেলা পর্যায়ে অনলাইনভিত্তিক হাজিরা নিশ্চিত করার সুপারিশও করা হয়।

অন্যদিকে, বৈঠকে দেশের বিভিন্ন স্থানে আর্সেনিকযুক্ত এলাকা চিহ্নিত করে নিরাপদ ও সুপেয় পানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রকল্প গ্রহণ এবং কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার সুপারিশ করা হয়।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী, গ্রামীণ সড়ক ও রাস্তাঘাট নির্মাণকাজের গুণগত মান, স্থায়িত্ব, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ঠিকাদারদের কাছ থেকে তিন বছরের ওয়ারেন্টি হিসেবে জামানত গ্রহণের সুপারিশ করা হয়। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের মাধ্যমে নির্মাণকাজের তদারকি জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

বৈঠকের শুরুতে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত করা হয়। এরপর কমিটির সদস্যদের পরিচিতি পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং এর আওতাধীন দপ্তর ও সংস্থাসমূহের প্রধানদের সঙ্গে কমিটির সদস্যদের পরিচিতি অনুষ্ঠিত হয়।

মন্ত্রণালয় এবং এর আওতাধীন দপ্তর ও সংস্থাসমূহের কার্যক্রম সম্পর্কে একটি প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করা হয়। একই সঙ্গে সরকারের বিগত ১৮০ দিনের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় কর্তৃক গৃহীত বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে কমিটিকে অবহিত করা হয়।

কমিটির সভাপতি তার স্বাগত বক্তব্যের শুরুতে বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী বীর শহীদদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন এবং তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন। একই সঙ্গে তিনি ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে নিহত ছাত্র-জনতাকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন এবং আন্দোলনে আহতদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

বৈঠকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সচিবদ্বয়, অতিরিক্ত সচিব ও যুগ্ম সচিবগণ, বিভিন্ন সংস্থা ও অধিদপ্তরের প্রধানগণ এবং বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গরুর মাংসের দাম ২৫০ টাকা করতে সরকারের বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৫৫ পি.এম


গরুর মাংসের দাম ২৫০ টাকা করতে সরকারের বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ

দেশের বাজারে গরুর মাংসের দাম প্রতি কেজি ২৫০ টাকায় নামিয়ে আনার জন্য সরকারকে আইনি নোটিশ প্রদান করা হয়েছে। এই উদ্দেশ্যে জীবিত গরু এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন সনদপ্রাপ্ত হালাল প্যাকেটজাত মাংস আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং আমদানি শুল্ক যৌক্তিকীকরণের দাবি করা হয়েছে।

রোববার (১১ অক্টোবর) জনস্বার্থে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান মামুন এই নোটিশটি পাঠান। নোটিশের প্রাপক হিসেবে মন্ত্রিপরিষদ সচিবসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর ও সরকারি সংস্থার ছয় কর্মকর্তাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, বর্তমানে দেশে গরুর মাংসের দাম প্রতি কেজি ৭৮০ থেকে ৮৫০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। এই অতিরিক্ত দামের কারণে দরিদ্র, নিম্নবিত্ত এবং নির্দিষ্ট আয়ের মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য গরুর মাংস ক্রয় করা কঠিন হয়ে পড়েছে। এর ফলে শিশুদের পুষ্টি ও প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণে বাধা সৃষ্টি হতে পারে।

আইনি নোটিশে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ‘তুলনামূলক সুবিধা তত্ত্ব’ উল্লেখ করে বলা হয়েছে, যেসব দেশে তুলনামূলকভাবে কম খরচে পণ্য উৎপাদন সম্ভব, সেসব দেশ থেকে আমদানি করলে ভোক্তারা কম দামে পণ্যটি পেতে পারেন। বাংলাদেশে তৈরি পোশাক রপ্তানির উদাহরণ দিয়ে বলা হয়েছে, বিদেশ থেকে কম খরচে গরুর মাংস আমদানির সুযোগ দিলে দেশের বাজারে প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

নোটিশে আরও বলা হয়েছে, বাংলাদেশে চারণভূমির অভাব, পশুখাদ্যের উচ্চমূল্য এবং গবাদিপশু পালনের ব্যয়ের কারণে মাংস উৎপাদন ব্যয়বহুল হয়ে পড়েছে। অন্যদিকে, বিশ্বের কিছু দেশে বিস্তৃত চারণভূমি ও বৃহৎ পরিসরে পশু পালনের সুবিধা থাকায় সেখান থেকে তুলনামূলক কম খরচে মাংস উৎপাদন সম্ভব।

এছাড়া সংবিধানের ১৫(ক), ১৮(১) ও ৩২ অনুচ্ছেদের উল্লেখ করে খাদ্য, পুষ্টি ও জীবনধারণের অধিকার নিশ্চিত করার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। নোটিশে বলা হয়েছে, জনগণের মৌলিক চাহিদা পূরণ, পুষ্টির মান উন্নয়ন এবং জনস্বাস্থ্য রক্ষা রাষ্ট্রের দায়িত্বের অন্তর্ভুক্ত।

নোটিশে সরকারকে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে জীবিত গরু এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন সনদপ্রাপ্ত হালাল হিমায়িত বা শীতলীকৃত মাংস আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, আমদানি শুল্ক যৌক্তিকীকরণ এবং প্রতি কেজি গরুর মাংসের দাম ২৫০ টাকার মধ্যে নামিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগে জনস্বার্থে রিট পিটিশন দায়ের করার কথা নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%