ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

প্রধানমন্ত্রী: জনগণের অর্থের প্রতিটি পয়সা দেশের স্বার্থে ব্যয় করতে হবে


প্রধানমন্ত্রী: জনগণের অর্থের প্রতিটি পয়সা দেশের স্বার্থে ব্যয় করতে হবে

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্দেশ দিয়েছেন যে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে বরাদ্দকৃত জনগণের অর্থের প্রতিটি পয়সা যেন সঠিকভাবে দেশের ও মানুষের স্বার্থে ব্যয় হয়। সরকারি কর্মকর্তাদের সতর্ক ও দায়িত্বশীল থাকার বিষয়ে তিনি গুরুত্ব আরোপ করেছেন।

রোববার (১১ অক্টোবর) বাংলাদেশ সচিবালয়ের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনার জন্য অনুষ্ঠিত সভায় প্রধানমন্ত্রী এসব মন্তব্য করেন।

সভায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মন্ত্রণালয়ের চলমান কার্যক্রম, গৃহীত উন্নয়ন প্রকল্প এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা ও লক্ষ্যমাত্রা সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

প্রধানমন্ত্রী সভায় বলেন, ‘আপনারা অনেকগুলো প্রকল্প গ্রহণ করেছেন, অনেকগুলো টার্গেট ঠিক করেছেন। সেই টার্গেটগুলো অর্জনের জন্য অবশ্যই সরকার থেকে বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হবে। কিন্তু এটা জনগণের অর্থ। আমি আশা করব, জনগণের অর্থের প্রতিটি পয়সা যাতে সঠিকভাবে দেশের স্বার্থে এবং মানুষের কল্যাণে ব্যয় হয়, সে বিষয়ে আপনারা সবাই মনোযোগ দেবেন।’

তিনি সরকারি দায়িত্বকে দেশের মানুষের জন্য কাজ করার বিশেষ সুযোগ হিসেবে দেখার আহ্বান জানিয়ে বলেন, দেশের সামগ্রিক জনসংখ্যার তুলনায় সরকারি দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা সুবিধাপ্রাপ্ত অবস্থানে রয়েছেন। এই সুযোগকে মানুষের কল্যাণে কাজে লাগানো উচিত।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা যারা এখানে আছি, বাংলাদেশের সামগ্রিক জনসংখ্যার তুলনায় আমরা সবাই সুবিধাপ্রাপ্ত। আল্লাহ তাআলা আমাদের দেশের জন্য, মানুষের জন্য কাজ করার একটা সুযোগ দিয়েছেন।’

তিনি বলেন, ‘যার যতটুকু কাজ করার সুযোগ আছে, আমরা যেন সেই কাজটি আন্তরিকভাবে করতে পারি। আমাদের সবার সেই চেষ্টা থাকতে হবে।’

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, দায়িত্ব পালনের সুযোগ সব সময় থাকে না। তাই যে যখন যে দায়িত্বে রয়েছেন, তাকে সেই সুযোগ দেশের ও মানুষের কল্যাণে যথাযথভাবে কাজে লাগাতে হবে।

সভা শেষে প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আসুন, আমরা সবাই চেষ্টা করি, যার হাতে যত দিন সুযোগ আছে, সেই সুযোগটা যেন মানুষ ও দেশের জন্য ঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারি।’

তিনি কর্মকর্তাদের আরও সক্রিয়ভাবে মতামত দেওয়ার আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন পর্যায়ে কর্মরত কর্মকর্তাদের মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা ও পর্যবেক্ষণ সরকারের সিদ্ধান্ত গ্রহণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

ভবিষ্যতে মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আবারও আলোচনা করার কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, পরবর্তী বৈঠকগুলোতে কর্মকর্তারা আরও খোলামেলাভাবে নিজেদের অভিজ্ঞতা, পর্যবেক্ষণ ও মতামত তুলে ধরবেন।

আরও পড়ুন: ক্ষমা চাইলেন ‘পাপের লাশ বাংলাদেশে আসুক চাই না’ বলা এমপি রতন

সভায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, সচিব দেলোয়ার হোসেনসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গ্রামীণ সড়ক নির্মাণে অনিয়ম ঠেকাতে ৩ বছরের ওয়ারেন্টির সুপারিশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৫৫ পি.এম


গ্রামীণ সড়ক নির্মাণে অনিয়ম ঠেকাতে ৩ বছরের ওয়ারেন্টির সুপারিশ

টেকসই উন্নয়ন এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সারাদেশের গ্রামীণ সড়ক ও রাস্তাঘাট নির্মাণে গুণগত মান এবং স্থায়িত্ব বজায় রাখার জন্য ঠিকাদারদের কাছ থেকে তিন বছরের ওয়ারেন্টি জামানত রাখার প্রস্তাব দিয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি।

এই সুপারিশটি রোববার (১১ অক্টোবর) জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত কমিটির প্রথম বৈঠকে করা হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি এ. কে. এম. সেলিম রেজা হাবিব।

বৈঠকে, ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে দেশি-বিদেশি অর্থায়নে গৃহীত অপ্রয়োজনীয় প্রকল্পগুলোর অনিয়ম ও দুর্নীতি তদন্তে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করেছে কমিটি।

এছাড়া, এডিস মশা নিধন ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) মাধ্যমে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান তদারকি এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের সুপারিশও করা হয়েছে।

বৈঠকে কমিটির সদস্য ও মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান, প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান, আলহাজ জসীম উদ্দীন আহমেদ, শেখ ফরিদ আহমেদ, সেলিনা সুলতানা, এ টি এম আজহারুল ইসলাম ও মো. রফিকুল ইসলাম খান অংশগ্রহণ করেন।

কমিটির সদস্যরা বৈঠকে কর্মকর্তাদের সততা, নিষ্ঠা, স্বজনপ্রীতিমুক্ত আচরণ ও জবাবদিহির সঙ্গে দায়িত্ব পালনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে উপজেলা পর্যায়ে অনলাইনভিত্তিক হাজিরা নিশ্চিত করার সুপারিশও করা হয়।

অন্যদিকে, বৈঠকে দেশের বিভিন্ন স্থানে আর্সেনিকযুক্ত এলাকা চিহ্নিত করে নিরাপদ ও সুপেয় পানির ব্যবস্থা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রকল্প গ্রহণ এবং কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার সুপারিশ করা হয়।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী, গ্রামীণ সড়ক ও রাস্তাঘাট নির্মাণকাজের গুণগত মান, স্থায়িত্ব, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ঠিকাদারদের কাছ থেকে তিন বছরের ওয়ারেন্টি হিসেবে জামানত গ্রহণের সুপারিশ করা হয়। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের মাধ্যমে নির্মাণকাজের তদারকি জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

বৈঠকের শুরুতে পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত করা হয়। এরপর কমিটির সদস্যদের পরিচিতি পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং এর আওতাধীন দপ্তর ও সংস্থাসমূহের প্রধানদের সঙ্গে কমিটির সদস্যদের পরিচিতি অনুষ্ঠিত হয়।

মন্ত্রণালয় এবং এর আওতাধীন দপ্তর ও সংস্থাসমূহের কার্যক্রম সম্পর্কে একটি প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করা হয়। একই সঙ্গে সরকারের বিগত ১৮০ দিনের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় কর্তৃক গৃহীত বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে কমিটিকে অবহিত করা হয়।

কমিটির সভাপতি তার স্বাগত বক্তব্যের শুরুতে বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী বীর শহীদদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন এবং তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন। একই সঙ্গে তিনি ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে নিহত ছাত্র-জনতাকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন এবং আন্দোলনে আহতদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

বৈঠকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সচিবদ্বয়, অতিরিক্ত সচিব ও যুগ্ম সচিবগণ, বিভিন্ন সংস্থা ও অধিদপ্তরের প্রধানগণ এবং বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গরুর মাংসের দাম ২৫০ টাকা করতে সরকারের বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৫৫ পি.এম


গরুর মাংসের দাম ২৫০ টাকা করতে সরকারের বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ

দেশের বাজারে গরুর মাংসের দাম প্রতি কেজি ২৫০ টাকায় নামিয়ে আনার জন্য সরকারকে আইনি নোটিশ প্রদান করা হয়েছে। এই উদ্দেশ্যে জীবিত গরু এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন সনদপ্রাপ্ত হালাল প্যাকেটজাত মাংস আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং আমদানি শুল্ক যৌক্তিকীকরণের দাবি করা হয়েছে।

রোববার (১১ অক্টোবর) জনস্বার্থে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসান মামুন এই নোটিশটি পাঠান। নোটিশের প্রাপক হিসেবে মন্ত্রিপরিষদ সচিবসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর ও সরকারি সংস্থার ছয় কর্মকর্তাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, বর্তমানে দেশে গরুর মাংসের দাম প্রতি কেজি ৭৮০ থেকে ৮৫০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। এই অতিরিক্ত দামের কারণে দরিদ্র, নিম্নবিত্ত এবং নির্দিষ্ট আয়ের মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য গরুর মাংস ক্রয় করা কঠিন হয়ে পড়েছে। এর ফলে শিশুদের পুষ্টি ও প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণে বাধা সৃষ্টি হতে পারে।

আইনি নোটিশে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ‘তুলনামূলক সুবিধা তত্ত্ব’ উল্লেখ করে বলা হয়েছে, যেসব দেশে তুলনামূলকভাবে কম খরচে পণ্য উৎপাদন সম্ভব, সেসব দেশ থেকে আমদানি করলে ভোক্তারা কম দামে পণ্যটি পেতে পারেন। বাংলাদেশে তৈরি পোশাক রপ্তানির উদাহরণ দিয়ে বলা হয়েছে, বিদেশ থেকে কম খরচে গরুর মাংস আমদানির সুযোগ দিলে দেশের বাজারে প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

নোটিশে আরও বলা হয়েছে, বাংলাদেশে চারণভূমির অভাব, পশুখাদ্যের উচ্চমূল্য এবং গবাদিপশু পালনের ব্যয়ের কারণে মাংস উৎপাদন ব্যয়বহুল হয়ে পড়েছে। অন্যদিকে, বিশ্বের কিছু দেশে বিস্তৃত চারণভূমি ও বৃহৎ পরিসরে পশু পালনের সুবিধা থাকায় সেখান থেকে তুলনামূলক কম খরচে মাংস উৎপাদন সম্ভব।

এছাড়া সংবিধানের ১৫(ক), ১৮(১) ও ৩২ অনুচ্ছেদের উল্লেখ করে খাদ্য, পুষ্টি ও জীবনধারণের অধিকার নিশ্চিত করার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। নোটিশে বলা হয়েছে, জনগণের মৌলিক চাহিদা পূরণ, পুষ্টির মান উন্নয়ন এবং জনস্বাস্থ্য রক্ষা রাষ্ট্রের দায়িত্বের অন্তর্ভুক্ত।

নোটিশে সরকারকে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে জীবিত গরু এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন সনদপ্রাপ্ত হালাল হিমায়িত বা শীতলীকৃত মাংস আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, আমদানি শুল্ক যৌক্তিকীকরণ এবং প্রতি কেজি গরুর মাংসের দাম ২৫০ টাকার মধ্যে নামিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগে জনস্বার্থে রিট পিটিশন দায়ের করার কথা নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের আবারও অপচেষ্টা, বিজিবির প্রতিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৫৩ পি.এম


কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের আবারও অপচেষ্টা, বিজিবির প্রতিহত

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) আবারও পুশ-ইনের চেষ্টা চালিয়েছে। তবে বিজিবি সদস্যদের বাধার কারণে বিএসএফ দুইজন নারী ও দুজন পুরুষকে ভারতের অভ্যন্তরে ফেরত নিতে বাধ্য হয়েছে।

রোববার (১১ অক্টোবর) সকালে বিজিবির অধীনে দৌলতপুরের ঠোটার পাড়া বিওপির সীমান্ত ১৫৩/৯ এস পিলার এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

বিজিবি জানায়, সকাল সাড়ে সাতটার দিকে ১৪৬ ব্যাটালিয়ন বিএসএফের উদয় কিষাণ ক্যাম্পের সদস্যরা অজ্ঞাত পরিচয়ের চারজনকে বাংলাদেশে পুশইন করার চেষ্টা করে। তবে বিজিবির তাৎক্ষণিক প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা এবং কার্যকর তৎপরতার কারণে বিএসএফের পুশইনের চেষ্টা ব্যর্থ হয়। পরে সকাল ৮টার পরে ওই চারজনকে বিএসএফ ভারতের অভ্যন্তরে ফিরিয়ে নিয়ে যায়।

৪৭ বিজিবি কুষ্টিয়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক কর্নেল রাশেদ কামাল রনি বলেন, "এর আগেও কয়েকবার পুশইনের চেষ্টা ব্যর্থ করেছেন তারা। সীমান্তে টহল জোরদার রয়েছে। সব ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড রোধে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বিজিবি।"

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রিমার্ক সুপার প্যাকের আধুনিক প্যাকেজিংয়ে নতুন দিগন্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৫৩ পি.এম


রিমার্ক সুপার প্যাকের আধুনিক প্যাকেজিংয়ে নতুন দিগন্ত

দেশের হোম ও পার্সোনাল কেয়ার শিল্পের বিকাশে শিল্পসংশ্লিষ্টরা উন্নত প্যাকেজিং, কাঁচামালের সহজলভ্যতা ও নীতিসহায়তার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন। তাদের মতে, পণ্যের সুরক্ষা ও গুণগত মান নিশ্চিত করা থেকে শুরু করে ব্র্যান্ডের পরিচিতি তৈরি এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতার সক্ষমতা অর্জন—সব ক্ষেত্রেই প্যাকেজিং একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই খাতের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে কাঁচামাল আমদানিতে করের চাপ কমানো, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো এবং দেশীয় উৎপাদকদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।

শনিবার (১০ অক্টোবর) রাজধানীর ঢাকা ক্লাবে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ হোম অ্যান্ড পার্সোনাল কেয়ার ইন্ডাস্ট্রি কনফারেন্স’-এ এসব বিষয় আলোচনার জন্য উপস্থাপন করা হয়। এইচপিসি ও রিমসের আয়োজিত দিনব্যাপী সম্মেলনে রিমার্ক এইচবি লিমিটেডের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ও সুপার প্যাক চ্যানেলের প্রধান জয়ন্ত সরকার, রিমার্কের পরিচালক (ফার্মা) সুকান্ত দাস, রিমেক্স করপোরেশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহরিয়ার ত্বাহা, রিমসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক চান মোহন সাহা এবং কাঁচামাল ও প্রযুক্তি সরবরাহকারীসহ অন্যান্য পেশাজীবীরা অংশগ্রহণ করেন।

প্যাকেজিংয়ের গুরুত্ব তুলে ধরে রিমার্ক সুপার প্যাকের প্রধান জয়ন্ত সরকার জানান, কসমেটিকস, স্কিনকেয়ার, পার্সোনাল ও হোমকেয়ার পণ্যের জন্য আন্তর্জাতিক মানের প্যাকেজিং সমাধান নিয়ে দেশের বাজারে কাজ করছে রিমার্ক সুপার প্যাক। আধুনিক প্রযুক্তি, নিজস্ব উৎপাদন সক্ষমতা এবং কাস্টমাইজড প্যাকেজিং সুবিধার মাধ্যমে দেশীয় উদ্যোক্তাদের জন্য আমদানিনির্ভরতা কমিয়ে স্থানীয়ভাবে বিশ্বমানের প্যাকেজিং তৈরির সুযোগ তৈরি করছে প্রতিষ্ঠানটি। কসমেটিকস ও স্কিন কেয়ার টেকনোলজি জায়ান্ট কোম্পানি রিমার্ক এইচবি লিমিটেডের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান হিসেবে রিমার্ক সুপার প্যাক ইতোমধ্যে দেশের শীর্ষ প্যাকেজিং কোম্পানি হিসেবে একটি শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে।

তিনি আরও বলেন, প্যাকেজিং শিল্পের টেকসই বিকাশের জন্য কাঁচামাল আমদানিতে করের চাপ পর্যালোচনা, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার উৎসাহিত করা এবং উৎপাদক ও সরবরাহকারীদের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানো প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে সরকারের নীতিসহায়তা দেশীয় শিল্পের উৎপাদন সক্ষমতা ও প্রতিযোগিতার শক্তি বৃদ্ধিতে সহায়ক হতে পারে।

সম্মেলনে কসমেটিকস ও পার্সোনাল কেয়ার শিল্পের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনায় অংশ নিয়ে রিমার্কের পরিচালক (ফার্মা) সুকান্ত দাস পণ্যের গুণগত মান, নিরাপত্তা ও নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি বলেন, এ শিল্পের দীর্ঘমেয়াদি বিকাশে ভোক্তাদের আস্থা অর্জন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য মানহীন ও নকল পণ্যের বিস্তার রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

সুকান্ত দাসের মতে, হোম ও পার্সোনাল কেয়ার এবং কসমেটিকস শিল্পের জন্য আগামী পাঁচ বছরের একটি সুস্পষ্ট পরিকল্পনা গ্রহণ করা গেলে তা দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক অবদান রাখতে পারে। এ জন্য দেশীয় উৎপাদকদের সক্ষমতা বিবেচনায় নিয়ে নীতিমালার উন্নয়ন, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি এবং কাঁচামাল আমদানিতে করের চাপ কমানোর প্রয়োজন রয়েছে।

সরবরাহব্যবস্থা, উৎপাদনশিল্প এবং ভবিষ্যৎ বাজারের প্রবণতা নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে রিমেক্স করপোরেশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহরিয়ার ত্বাহা হোম ও পার্সোনাল কেয়ার খাতে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। উৎপাদন, সরবরাহ, বাজার বিশ্লেষণ ও বিপণনে ডিজিটাইজেশনের ব্যবহার বাড়ানো গেলে ব্যবসার দক্ষতা উন্নত করার পাশাপাশি ভোক্তাদের পরিবর্তিত চাহিদা সম্পর্কে দ্রুত ধারণা পাওয়া সম্ভব বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।

সম্মেলনে অনলাইন বাজারে নকল ও মানহীন পণ্য বিক্রির বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। এ ধরনের পণ্য ভোক্তাদের আস্থা ক্ষুণ্ন করার পাশাপাশি মানসম্পন্ন পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য অসম প্রতিযোগিতা সৃষ্টি করে। এজন্য বাজার তদারকি, মান নিয়ন্ত্রণ এবং ভোক্তা সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর বক্তারা গুরুত্ব আরোপ করেন।

বক্তারা মনে করেন, উৎপাদক, কাঁচামাল সরবরাহকারী, প্যাকেজিং প্রতিষ্ঠান, প্রযুক্তি সেবাদাতা ও নীতিনির্ধারকদের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানো গেলে হোম ও পার্সোনাল কেয়ার শিল্পের প্রবৃদ্ধি আরও গতিশীল হবে। পরিকল্পিত উদ্যোগ ও কার্যকর নীতিসহায়তার মাধ্যমে ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের এ খাতকে আরও শক্তিশালী ও প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানে নেওয়া সম্ভব।

দিনব্যাপী এ সম্মেলনের ইভেন্ট পার্টনার ছিল রিমার্ক এইচবি লিমিটেড, আইএফএফ, কেভা, রিমেক্স ও সানআন লিমিটেড। গিফট পার্টনার ছিল লিলি ও স্কিনো। আয়োজনে আমন্ত্রিত অতিথিদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন রিমসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক চান মোহন সাহা.

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%