সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:৩৫ পি.এম
বাংলাদেশ দূতাবাস বাংলাদেশি পর্যটকদের নেপালে চলমান ভারী বৃষ্টিপাত, বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ভ্রমণের বিষয়ে সতর্কতা জারি করেছে।
স্থানীয় সময় রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাতে কাঠমান্ডুতে এক বিজ্ঞপ্তিতে দূতাবাস জানায়, সকল বাংলাদেশি পর্যটক ও ট্রেকারদের জন্য নেপালে চলমান ভারী বৃষ্টিপাত, বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ভ্রমণে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হচ্ছে। আবহাওয়া ও সার্বিক পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত ভ্রমণে বিরত থাকার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
বিশেষ করে পিসাং, চামে, মানাং এবং আশপাশের পর্যটন এলাকায় অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন। অব্যাহত বৃষ্টিপাতের কারণে ভূমিধস এবং তুষারপাতের ফলে অনেক স্থানে সড়ক যোগাযোগে বিঘ্ন ঘটেছে। দুর্গম ভূপ্রকৃতি এবং যোগাযোগব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ায় উদ্ধার কার্যক্রম অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে।
এদিকে, কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে মানাং-এর বিভিন্ন এলাকায় ট্রেকিং স্থগিত করেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো তিলিচো লেক, থরং লা পাস, আইস লেক, কাং লা এবং ভীমথাং।
এছাড়া, ভূমিধসের কারণে সড়ক যোগাযোগ এবং নিকটবর্তী ট্রেকিং গন্তব্যে যাতায়াত ব্যাহত হওয়ায় পোখারা ও আশপাশের এলাকায় ভ্রমণের জন্যও সতর্কতা অবলম্বন করার আহ্বান জানানো হচ্ছে। মুস্তাং, জমসম এবং অন্যান্য পার্বত্য এলাকার ভ্রমণের পূর্বে গান্দাকি প্রদেশের বিভিন্ন সড়ক যোগাযোগ সম্পর্কে যথেষ্ট অবগত থাকা প্রয়োজন, কারণ এসব সড়ক ব্যবস্থা তাৎক্ষণিকভাবে বিঘ্নিত হতে পারে।
এ কারণে, বাংলাদেশি নাগরিকদের অন্নপূর্ণা, মানাং, মুস্তাং ও মানাসলু অঞ্চলসহ বিভিন্ন পার্বত্য ও ভূমিধসপ্রবণ এলাকায় ট্রেকিং, পর্বতারোহণ এবং ভ্রমণের পরিকল্পনা করার আগে সকল তথ্য যাচাই করা এবং নেপাল সরকার ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নির্দেশনাগুলো ঘনিষ্ঠভাবে অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
যেসব বাংলাদেশি নাগরিক ইতোমধ্যে দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকায় ভ্রমণ করছেন, তাদের নিরাপদ স্থানে অবস্থান করা, নদীর তীর ও ভূমিধসের আশংকাযুক্ত এলাকা এড়িয়ে চলা, ভ্রমণের আগে সড়ক ও আবহাওয়া পরিস্থিতি যাচাই করা এবং ট্রাভেল অপারেটর ও দূতাবাসের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
দূতাবাস নেপালের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করছে এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজন অনুযায়ী পরবর্তী হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঝিনাইদহের মহেশপুর সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) একটি অজ্ঞাত ব্যক্তিকে অবৈধভাবে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার (পুশ-ইন) চেষ্টা করেছে। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) টহল দলের তাৎক্ষণিক কার্যক্রমের ফলে ওই প্রচেষ্টা প্রতিহত করা সম্ভব হয়েছে।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ভোররাতে মহেশপুর ব্যাটালিয়নের (৫৮ বিজিবি) আওতাধীন চুয়াডাঙ্গা জীবননগর মাধবপুর সীমান্তে বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
বিজিবি জানায়, মাধবপুর সীমান্ত পিলার ৭০/২ আর এর কাছে ভারতীয় ১৯৪ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের রামনগর ক্যাম্পের সদস্যরা ওই পুরুষকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় বিওপির বিজিবির টহল দলের নজরে আসলে তারা বাংলাদেশে প্রবেশের মুখে বাধা প্রদান করে।
৫৮ বিজিবির সহকারী পরিচালক মুন্সী ইমদাদুর রহমান এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, বিজিবির বাধার মুখে বিএসএফের অবৈধ পুশ-ইন চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। বর্তমানে ওই ব্যক্তি ভারতের অভ্যন্তরে কাঁটাতারের কাছে অবস্থান করছেন। এই বিষয়ে ইতোমধ্যে ১৯৪ বিএসএফকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, সীমান্ত সুরক্ষা, অবৈধ অনুপ্রবেশ ও পুশ-ইন প্রতিরোধে বিজিবি সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থেকে দায়িত্ব পালন করছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজারের চকরিয়ায় বাড়ি ফেরার পথে স্থানীয় কাকারা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক মোহাম্মদ ইসফাতুল ইসলাম জিসানকে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে। প্রায় চার ঘণ্টা পর মহাসড়কের পাশে আঘাতের চিহ্নসহ তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে উপজেলার কাকারা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের লোটনী এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাত ১১টার দিকে দোকান বন্ধ করে বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন জিসান। অভিযোগ রয়েছে, কাকারা সাবের সদরের একটি দোকানের সামনে থেকে সাদা রঙের একটি মাইক্রোবাসে করে দুর্বৃত্তরা তাকে তুলে নিয়ে যায়।
চার ঘণ্টা পর চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের খুটাখালী-কচ্ছপিয়া ঢালা এলাকা থেকে জিসানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। স্থানীয় লোকজনের ভাষ্য অনুযায়ী, তার গলা ও কপালসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে।
পরিবারের দাবি, অপহরণের পর জিসানকে চকরিয়া পৌরসভার সবুজবাগ এলাকার কবির টাওয়ারে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে। পরে তার মরদেহ মহাসড়কের পাশে ফেলে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। তবে এই দাবির বিষয়টি তাৎক্ষনিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। জিসানকে কারা তুলে নিয়ে গিয়েছিল, কোথায় এবং কীভাবে তার মৃত্যু হয়েছে কিংবা হত্যার পেছনে কোনো কারণ রয়েছে কি না—এসব বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হতে পারেনি তারা। চকরিয়া থানার পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার বিষয়ে তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান বলেন, জিসান হত্যার ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চার নারীকে চকরিয়া থানায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তদন্তের পর প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের হিউস্টনের পাঁচ বছর বয়সী শিশু ফিনিক্স জিসেল হিকস যোগব্যায়ামের প্রশিক্ষক হিসেবে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম লিখিয়েছে। ৫ বছর ৩৩৭ দিন বয়সে ২০০ ঘণ্টার প্রশিক্ষণ কোর্স সফলভাবে সম্পন্ন করে সে সবচেয়ে কম বয়সী নারী যোগব্যায়াম প্রশিক্ষক হওয়ার স্বীকৃতি অর্জন করেছে।
গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
ফিনিক্সের যোগব্যায়ামের সঙ্গে পরিচয় ঘটে মাত্র তিন মাস বয়সে। তার মা সিডনি হিকসের কোলে চড়ে ‘মামি অ্যান্ড মি’ নামের যোগব্যায়ামের ক্লাসে যাওয়া শুরু করে সে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে যোগব্যায়ামের প্রতি তার আগ্রহ বাড়তে থাকে। একপর্যায়ে প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ নিয়ে ২০০ ঘণ্টার কোর্স সম্পন্ন করে ফিনিক্স, যা তাকে প্রশিক্ষকের সনদ অর্জনে সহায়তা করে।
যোগব্যায়ামের প্রশিক্ষক হওয়ার এই যাত্রা সহজ ছিল না। প্রশিক্ষণ কোর্সে ফিনিক্স ছিল একমাত্র শিশু, বাকি সবাই ছিলেন প্রাপ্তবয়স্ক। কোর্সের অংশ হিসেবে তাকে শারীরবিদ্যা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে হয়েছে, পড়াশোনা করতে হয়েছে এবং লিখিত কাজসহ প্রশিক্ষণের বিভিন্ন ধাপ সম্পন্ন করতে হয়েছে।
বর্তমানে হিউস্টনে তার মা সিডনির সঙ্গে যোগব্যায়ামের ক্লাস নেয় ফিনিক্স। সে শিশুদের পাশাপাশি প্রাপ্তবয়স্কদেরও যোগব্যায়াম শেখায়।
নিজের অভিজ্ঞতা জানিয়ে ফিনিক্স বলে, "আমি মায়ের সঙ্গে ক্লাস নিতে ভালোবাসি। তিনিই আমাকে যোগব্যায়ামের প্রশিক্ষক হতে অনুপ্রাণিত করেছেন। তাই আমরা যখন একসঙ্গে শেখাতে পারি, তখন খুব মজা লাগে।"
প্রশিক্ষণের স্মৃতিচারণ করে সে আরও বলে, "আমি তখন ক্লাসের একমাত্র শিশু। বাকিরা সবাই প্রাপ্তবয়স্ক। আমাকে অনেক পড়াশোনা করতে হয়েছে। শারীরবিদ্যা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে হয়েছে, লিখতে হয়েছে এবং ধাপে ধাপে প্রশিক্ষণের বিভিন্ন পর্যায় পার হতে হয়েছে।"
যোগব্যায়াম শেখানোর সুযোগ পেয়ে গর্বিত ফিনিক্স। তার ভাষ্য, "কঠোর পরিশ্রমের পরই নিজের পছন্দের কাজটি করার অনুমতি পেয়েছি। যোগব্যায়াম শেখানোর সময় নিজেকে সম্মানিত ও গর্বিত মনে হয়।"
মেয়ের এই অর্জনে আনন্দিত মা সিডনি হিকসও। তার মতে, ফিনিক্সের শেখানোর দক্ষতা শুধু যোগব্যায়ামের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এর মাধ্যমে সে বৃহত্তর একটি আন্দোলনেও ভূমিকা রাখছে। গভীরভাবে শ্বাস নেওয়া, নিজের লক্ষ্য পূরণ করা এবং বিশ্বকে বদলে দেওয়ার ক্ষেত্রে বয়স যে বাধা নয়, ফিনিক্সের অর্জন তারই উদাহরণ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে ৮১৭ জনের তথ্য যাচাই-বাছাই এখনও বাকি রয়েছে। আগামী ১ অক্টোবর পর্যন্ত তাদের ঠিকানা ও প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাইয়ের কার্যক্রম চলমান থাকবে। যাচাইয়ের পর কতজনকে নিয়োগের জন্য বিবেচনা করা হবে, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এই তথ্য প্রদান করেন।
মন্ত্রী জানান, নিয়োগের জন্য সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের মধ্যে অনেকেই ঠিকানা পরিবর্তন করেছেন। আবার কিছু প্রার্থীর সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হচ্ছে না। এই কারণে নিয়োগপত্র দেওয়ার পূর্বে তাঁদের ঠিকানা ও প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই করা হচ্ছে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তারা যাচাই শেষে নিয়োগপত্র দেওয়ার কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, এখনও ৮১৭ জনের তথ্য যাচাই-বাছাই বাকি রয়েছে। এই কার্যক্রম আগামী ১ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে। এই সময়ের মধ্যে যাদের ঠিকানা ও প্রয়োজনীয় তথ্য পাওয়া যাবে, সেগুলো যাচাই করা হবে। এরপর প্রাপ্ত তথ্য ও সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়োগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
নিয়োগপ্রক্রিয়া নিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন সম্পর্কে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কিছু গণমাধ্যমের প্রতিবেদনের কারণে প্রার্থীদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে বলে তিনি মনে করেন। কারণ, বিভিন্ন প্রতিবেদনে যাঁদের নিয়োগ নিয়ে অনিশ্চয়তার কথা বলা হয়েছিল, তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ পরবর্তী সময়ে নিয়োগপত্র পেয়েছেন।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, নিয়োগপ্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত ধাপে ধাপে নিয়োগপত্র প্রদান করা হবে। তাই যাঁরা এখনও নিয়োগপত্র পাননি, তাঁদের বিষয়ে যাচাই-বাছাই শেষ হওয়ার আগে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সঠিক হবে না।
শিক্ষামন্ত্রী স্পষ্ট করেন, যাচাই-বাছাই শেষ হওয়ার পর কতজন নিয়োগের জন্য বিবেচিত হবেন, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়। আগামী ১ অক্টোবর পর্যন্ত পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেলসহ শিক্ষা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ