প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে ৮১৭ জনের তথ্য যাচাই-বাছাই এখনও বাকি রয়েছে। আগামী ১ অক্টোবর পর্যন্ত তাদের ঠিকানা ও প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাইয়ের কার্যক্রম চলমান থাকবে। যাচাইয়ের পর কতজনকে নিয়োগের জন্য বিবেচনা করা হবে, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এই তথ্য প্রদান করেন।
মন্ত্রী জানান, নিয়োগের জন্য সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের মধ্যে অনেকেই ঠিকানা পরিবর্তন করেছেন। আবার কিছু প্রার্থীর সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হচ্ছে না। এই কারণে নিয়োগপত্র দেওয়ার পূর্বে তাঁদের ঠিকানা ও প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই করা হচ্ছে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তারা যাচাই শেষে নিয়োগপত্র দেওয়ার কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, এখনও ৮১৭ জনের তথ্য যাচাই-বাছাই বাকি রয়েছে। এই কার্যক্রম আগামী ১ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে। এই সময়ের মধ্যে যাদের ঠিকানা ও প্রয়োজনীয় তথ্য পাওয়া যাবে, সেগুলো যাচাই করা হবে। এরপর প্রাপ্ত তথ্য ও সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়োগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
নিয়োগপ্রক্রিয়া নিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন সম্পর্কে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কিছু গণমাধ্যমের প্রতিবেদনের কারণে প্রার্থীদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে বলে তিনি মনে করেন। কারণ, বিভিন্ন প্রতিবেদনে যাঁদের নিয়োগ নিয়ে অনিশ্চয়তার কথা বলা হয়েছিল, তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ পরবর্তী সময়ে নিয়োগপত্র পেয়েছেন।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, নিয়োগপ্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত ধাপে ধাপে নিয়োগপত্র প্রদান করা হবে। তাই যাঁরা এখনও নিয়োগপত্র পাননি, তাঁদের বিষয়ে যাচাই-বাছাই শেষ হওয়ার আগে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সঠিক হবে না।
শিক্ষামন্ত্রী স্পষ্ট করেন, যাচাই-বাছাই শেষ হওয়ার পর কতজন নিয়োগের জন্য বিবেচিত হবেন, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়। আগামী ১ অক্টোবর পর্যন্ত পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেলসহ শিক্ষা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন