সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:৩৭ পি.এম
যুক্তরাষ্ট্রের হিউস্টনের পাঁচ বছর বয়সী শিশু ফিনিক্স জিসেল হিকস যোগব্যায়ামের প্রশিক্ষক হিসেবে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম লিখিয়েছে। ৫ বছর ৩৩৭ দিন বয়সে ২০০ ঘণ্টার প্রশিক্ষণ কোর্স সফলভাবে সম্পন্ন করে সে সবচেয়ে কম বয়সী নারী যোগব্যায়াম প্রশিক্ষক হওয়ার স্বীকৃতি অর্জন করেছে।
গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
ফিনিক্সের যোগব্যায়ামের সঙ্গে পরিচয় ঘটে মাত্র তিন মাস বয়সে। তার মা সিডনি হিকসের কোলে চড়ে ‘মামি অ্যান্ড মি’ নামের যোগব্যায়ামের ক্লাসে যাওয়া শুরু করে সে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে যোগব্যায়ামের প্রতি তার আগ্রহ বাড়তে থাকে। একপর্যায়ে প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ নিয়ে ২০০ ঘণ্টার কোর্স সম্পন্ন করে ফিনিক্স, যা তাকে প্রশিক্ষকের সনদ অর্জনে সহায়তা করে।
যোগব্যায়ামের প্রশিক্ষক হওয়ার এই যাত্রা সহজ ছিল না। প্রশিক্ষণ কোর্সে ফিনিক্স ছিল একমাত্র শিশু, বাকি সবাই ছিলেন প্রাপ্তবয়স্ক। কোর্সের অংশ হিসেবে তাকে শারীরবিদ্যা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে হয়েছে, পড়াশোনা করতে হয়েছে এবং লিখিত কাজসহ প্রশিক্ষণের বিভিন্ন ধাপ সম্পন্ন করতে হয়েছে।
বর্তমানে হিউস্টনে তার মা সিডনির সঙ্গে যোগব্যায়ামের ক্লাস নেয় ফিনিক্স। সে শিশুদের পাশাপাশি প্রাপ্তবয়স্কদেরও যোগব্যায়াম শেখায়।
নিজের অভিজ্ঞতা জানিয়ে ফিনিক্স বলে, "আমি মায়ের সঙ্গে ক্লাস নিতে ভালোবাসি। তিনিই আমাকে যোগব্যায়ামের প্রশিক্ষক হতে অনুপ্রাণিত করেছেন। তাই আমরা যখন একসঙ্গে শেখাতে পারি, তখন খুব মজা লাগে।"
প্রশিক্ষণের স্মৃতিচারণ করে সে আরও বলে, "আমি তখন ক্লাসের একমাত্র শিশু। বাকিরা সবাই প্রাপ্তবয়স্ক। আমাকে অনেক পড়াশোনা করতে হয়েছে। শারীরবিদ্যা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে হয়েছে, লিখতে হয়েছে এবং ধাপে ধাপে প্রশিক্ষণের বিভিন্ন পর্যায় পার হতে হয়েছে।"
যোগব্যায়াম শেখানোর সুযোগ পেয়ে গর্বিত ফিনিক্স। তার ভাষ্য, "কঠোর পরিশ্রমের পরই নিজের পছন্দের কাজটি করার অনুমতি পেয়েছি। যোগব্যায়াম শেখানোর সময় নিজেকে সম্মানিত ও গর্বিত মনে হয়।"
মেয়ের এই অর্জনে আনন্দিত মা সিডনি হিকসও। তার মতে, ফিনিক্সের শেখানোর দক্ষতা শুধু যোগব্যায়ামের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এর মাধ্যমে সে বৃহত্তর একটি আন্দোলনেও ভূমিকা রাখছে। গভীরভাবে শ্বাস নেওয়া, নিজের লক্ষ্য পূরণ করা এবং বিশ্বকে বদলে দেওয়ার ক্ষেত্রে বয়স যে বাধা নয়, ফিনিক্সের অর্জন তারই উদাহরণ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে ৮১৭ জনের তথ্য যাচাই-বাছাই এখনও বাকি রয়েছে। আগামী ১ অক্টোবর পর্যন্ত তাদের ঠিকানা ও প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাইয়ের কার্যক্রম চলমান থাকবে। যাচাইয়ের পর কতজনকে নিয়োগের জন্য বিবেচনা করা হবে, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এই তথ্য প্রদান করেন।
মন্ত্রী জানান, নিয়োগের জন্য সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের মধ্যে অনেকেই ঠিকানা পরিবর্তন করেছেন। আবার কিছু প্রার্থীর সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হচ্ছে না। এই কারণে নিয়োগপত্র দেওয়ার পূর্বে তাঁদের ঠিকানা ও প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই করা হচ্ছে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তারা যাচাই শেষে নিয়োগপত্র দেওয়ার কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, এখনও ৮১৭ জনের তথ্য যাচাই-বাছাই বাকি রয়েছে। এই কার্যক্রম আগামী ১ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে। এই সময়ের মধ্যে যাদের ঠিকানা ও প্রয়োজনীয় তথ্য পাওয়া যাবে, সেগুলো যাচাই করা হবে। এরপর প্রাপ্ত তথ্য ও সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়োগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
নিয়োগপ্রক্রিয়া নিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন সম্পর্কে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কিছু গণমাধ্যমের প্রতিবেদনের কারণে প্রার্থীদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে বলে তিনি মনে করেন। কারণ, বিভিন্ন প্রতিবেদনে যাঁদের নিয়োগ নিয়ে অনিশ্চয়তার কথা বলা হয়েছিল, তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ পরবর্তী সময়ে নিয়োগপত্র পেয়েছেন।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, নিয়োগপ্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত ধাপে ধাপে নিয়োগপত্র প্রদান করা হবে। তাই যাঁরা এখনও নিয়োগপত্র পাননি, তাঁদের বিষয়ে যাচাই-বাছাই শেষ হওয়ার আগে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সঠিক হবে না।
শিক্ষামন্ত্রী স্পষ্ট করেন, যাচাই-বাছাই শেষ হওয়ার পর কতজন নিয়োগের জন্য বিবেচিত হবেন, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়। আগামী ১ অক্টোবর পর্যন্ত পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেলসহ শিক্ষা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
লন্ডনে বেড়াতে গিয়ে ওয়েলসে পানিতে ডুবে মৃত্যু হয়েছে মোহাম্মদ নাঈম ইসলাম (২০) নামে এক ব্রিটিশ বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর। এই দুর্ঘটনা ঘটেছে স্থানীয় সময় ২৬ সেপ্টেম্বর।
সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, নাঈম তার দুই বাংলাদেশি বন্ধুকে নিয়ে লন্ডন থেকে ওয়েলসে বেড়াতে গিয়েছিলেন। সেখানে একটি লেকের পাড়ে ওজু করার সময় প্রবল বাতাসের কারণে তিনি ভারসাম্য হারিয়ে পানিতে পড়ে যান। সাঁতার না জানার ফলে নাঈম পানিতে ডুবে যান।
এ সময় তার পাশে থাকা এক বন্ধু তাকে উদ্ধারের জন্য পানিতে ঝাঁপ দেন। যদিও তিনি খোঁজাখুঁজি করেও নাঈমকে উদ্ধার করতে পারেননি। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে প্রায় ১৩ থেকে ১৪ ঘণ্টা অনুসন্ধানের পর নাঈমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নাঈমের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশে তার পরিবার, স্বজন ও পরিচিতজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে।
নাঈমের মামা মাওলানা সিদ্দিকুর রহমান জানিয়েছেন, ঘটনার দিন রাত ১টার দিকে পরিবারের সদস্যরা দুর্ঘটনার খবর পান। খবর পেয়ে পূর্ব লন্ডন থেকে ওয়েলসের উদ্দেশে রওনা হন নাঈমের বাবা মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম।
জানা গেছে, নাঈমের মরদেহ ২৮ সেপ্টেম্বর ওয়েলস থেকে লন্ডনে নেওয়া হতে পারে। তবে তার জানাজার সময় ও স্থান এখনো চূড়ান্ত হয়নি। এ বিষয়ে পরে জানানো হবে।
নাঈম ইসলাম ছিলেন পরিবারের দ্বিতীয় সন্তান এবং যুক্তরাজ্যের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করতেন। তার বাবা কেন্দ্রীয় কৃষক দলের একজন সদস্য। তাদের গ্রামের বাড়ি সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার গোয়ালাবাজার ইউনিয়নে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা (এনজিও) ব্র্যাক জনবল নিয়োগের জন্য একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আবেদনকারীরা আগামী ৭ অক্টোবর পর্যন্ত আবেদন করার সুযোগ পাবেন।
পদের নাম: ডেপুটি ম্যানেজার
বিভাগ: টেক্সটাইল অডিট, ইন্টারনাল অডিট
পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়
শিক্ষাগত যোগ্যতা: টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং, টেক্সটাইল টেকনোলজি অথবা সংশ্লিষ্ট কোনো বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করতে হবে।
অন্যান্য যোগ্যতা: এনজিও সংস্থায় কাজের অভিজ্ঞতা থাকা আবশ্যক।
অভিজ্ঞতা: কমপক্ষে ২ বছর
চাকরির ধরন: ফুলটাইম
কর্মক্ষেত্র: অফিসে
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ (উভয়)
বয়সসীমা: উল্লেখ নেই
কর্মস্থল: ঢাকা
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে
অন্যান্য সুবিধা: উৎসব বোনাস, স্বাস্থ্য ও জীবন বিমা এবং প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী আরও বিভিন্ন সুবিধা প্রদান করা হবে।
আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে এখানে ক্লিক করুন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ জনের মৃত্যু ঘটেছে। ফলে চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম ও এর উপসর্গে মোট প্রাণহানি ১ হাজার ৯৯ জনে পৌঁছেছে। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৩১০ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ দেখা গেছে।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
প্রতিবেদনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত একদিনে চট্টগ্রাম বিভাগে হামের উপসর্গ নিয়ে ২ জন মারা গেছেন। এছাড়া, সিলেট বিভাগে এই সময়ে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। সবমিলিয়ে, ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম ও এর উপসর্গে মোট ১ হাজার ৯৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে ১০১ জন এবং হামের উপসর্গ নিয়ে ৯৯৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।
এদিকে, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ১ লাখ ৮৯ হাজার ২৫৫ জনের শরীরে হামের উপসর্গ দেখা গেছে। একই সময়ে মোট ২১ হাজার ৩০৮ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে।
অন্যদিকে, ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত দেশের হাসপাতালগুলোতে মোট ১ লাখ ৬৭ হাজার ৪৬৯ জন হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১ লাখ ৬০ হাজার ৭০৫ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ