সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:৩৮ পি.এম
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে ৮১৭ জনের তথ্য যাচাই-বাছাই এখনও বাকি রয়েছে। আগামী ১ অক্টোবর পর্যন্ত তাদের ঠিকানা ও প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাইয়ের কার্যক্রম চলমান থাকবে। যাচাইয়ের পর কতজনকে নিয়োগের জন্য বিবেচনা করা হবে, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এই তথ্য প্রদান করেন।
মন্ত্রী জানান, নিয়োগের জন্য সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের মধ্যে অনেকেই ঠিকানা পরিবর্তন করেছেন। আবার কিছু প্রার্থীর সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হচ্ছে না। এই কারণে নিয়োগপত্র দেওয়ার পূর্বে তাঁদের ঠিকানা ও প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই করা হচ্ছে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তারা যাচাই শেষে নিয়োগপত্র দেওয়ার কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, এখনও ৮১৭ জনের তথ্য যাচাই-বাছাই বাকি রয়েছে। এই কার্যক্রম আগামী ১ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে। এই সময়ের মধ্যে যাদের ঠিকানা ও প্রয়োজনীয় তথ্য পাওয়া যাবে, সেগুলো যাচাই করা হবে। এরপর প্রাপ্ত তথ্য ও সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়োগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
নিয়োগপ্রক্রিয়া নিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন সম্পর্কে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, কিছু গণমাধ্যমের প্রতিবেদনের কারণে প্রার্থীদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে বলে তিনি মনে করেন। কারণ, বিভিন্ন প্রতিবেদনে যাঁদের নিয়োগ নিয়ে অনিশ্চয়তার কথা বলা হয়েছিল, তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ পরবর্তী সময়ে নিয়োগপত্র পেয়েছেন।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, নিয়োগপ্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত ধাপে ধাপে নিয়োগপত্র প্রদান করা হবে। তাই যাঁরা এখনও নিয়োগপত্র পাননি, তাঁদের বিষয়ে যাচাই-বাছাই শেষ হওয়ার আগে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সঠিক হবে না।
শিক্ষামন্ত্রী স্পষ্ট করেন, যাচাই-বাছাই শেষ হওয়ার পর কতজন নিয়োগের জন্য বিবেচিত হবেন, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়। আগামী ১ অক্টোবর পর্যন্ত পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এ সময় প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেলসহ শিক্ষা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
লন্ডনে বেড়াতে গিয়ে ওয়েলসে পানিতে ডুবে মৃত্যু হয়েছে মোহাম্মদ নাঈম ইসলাম (২০) নামে এক ব্রিটিশ বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর। এই দুর্ঘটনা ঘটেছে স্থানীয় সময় ২৬ সেপ্টেম্বর।
সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, নাঈম তার দুই বাংলাদেশি বন্ধুকে নিয়ে লন্ডন থেকে ওয়েলসে বেড়াতে গিয়েছিলেন। সেখানে একটি লেকের পাড়ে ওজু করার সময় প্রবল বাতাসের কারণে তিনি ভারসাম্য হারিয়ে পানিতে পড়ে যান। সাঁতার না জানার ফলে নাঈম পানিতে ডুবে যান।
এ সময় তার পাশে থাকা এক বন্ধু তাকে উদ্ধারের জন্য পানিতে ঝাঁপ দেন। যদিও তিনি খোঁজাখুঁজি করেও নাঈমকে উদ্ধার করতে পারেননি। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে প্রায় ১৩ থেকে ১৪ ঘণ্টা অনুসন্ধানের পর নাঈমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নাঈমের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর যুক্তরাজ্য ও বাংলাদেশে তার পরিবার, স্বজন ও পরিচিতজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে।
নাঈমের মামা মাওলানা সিদ্দিকুর রহমান জানিয়েছেন, ঘটনার দিন রাত ১টার দিকে পরিবারের সদস্যরা দুর্ঘটনার খবর পান। খবর পেয়ে পূর্ব লন্ডন থেকে ওয়েলসের উদ্দেশে রওনা হন নাঈমের বাবা মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম।
জানা গেছে, নাঈমের মরদেহ ২৮ সেপ্টেম্বর ওয়েলস থেকে লন্ডনে নেওয়া হতে পারে। তবে তার জানাজার সময় ও স্থান এখনো চূড়ান্ত হয়নি। এ বিষয়ে পরে জানানো হবে।
নাঈম ইসলাম ছিলেন পরিবারের দ্বিতীয় সন্তান এবং যুক্তরাজ্যের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করতেন। তার বাবা কেন্দ্রীয় কৃষক দলের একজন সদস্য। তাদের গ্রামের বাড়ি সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার গোয়ালাবাজার ইউনিয়নে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা (এনজিও) ব্র্যাক জনবল নিয়োগের জন্য একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আবেদনকারীরা আগামী ৭ অক্টোবর পর্যন্ত আবেদন করার সুযোগ পাবেন।
পদের নাম: ডেপুটি ম্যানেজার
বিভাগ: টেক্সটাইল অডিট, ইন্টারনাল অডিট
পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়
শিক্ষাগত যোগ্যতা: টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং, টেক্সটাইল টেকনোলজি অথবা সংশ্লিষ্ট কোনো বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করতে হবে।
অন্যান্য যোগ্যতা: এনজিও সংস্থায় কাজের অভিজ্ঞতা থাকা আবশ্যক।
অভিজ্ঞতা: কমপক্ষে ২ বছর
চাকরির ধরন: ফুলটাইম
কর্মক্ষেত্র: অফিসে
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ (উভয়)
বয়সসীমা: উল্লেখ নেই
কর্মস্থল: ঢাকা
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে
অন্যান্য সুবিধা: উৎসব বোনাস, স্বাস্থ্য ও জীবন বিমা এবং প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী আরও বিভিন্ন সুবিধা প্রদান করা হবে।
আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে এখানে ক্লিক করুন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ জনের মৃত্যু ঘটেছে। ফলে চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম ও এর উপসর্গে মোট প্রাণহানি ১ হাজার ৯৯ জনে পৌঁছেছে। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৩১০ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ দেখা গেছে।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
প্রতিবেদনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত একদিনে চট্টগ্রাম বিভাগে হামের উপসর্গ নিয়ে ২ জন মারা গেছেন। এছাড়া, সিলেট বিভাগে এই সময়ে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। সবমিলিয়ে, ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম ও এর উপসর্গে মোট ১ হাজার ৯৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে ১০১ জন এবং হামের উপসর্গ নিয়ে ৯৯৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।
এদিকে, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ১ লাখ ৮৯ হাজার ২৫৫ জনের শরীরে হামের উপসর্গ দেখা গেছে। একই সময়ে মোট ২১ হাজার ৩০৮ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে।
অন্যদিকে, ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত দেশের হাসপাতালগুলোতে মোট ১ লাখ ৬৭ হাজার ৪৬৯ জন হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১ লাখ ৬০ হাজার ৭০৫ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকার গণপরিবহনের শৃঙ্খলা ও যাত্রীসেবার মান নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাস কোম্পানিগুলোকে নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দিতে চান সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। যদি এই সময়ের মধ্যে সেবার মান উন্নত করা না হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট রুটে নতুন কোম্পানি গঠন করা হবে। যদি তাতেও কাজ না হয়, তাহলে প্রয়োজন হলে রুট বাতিল করে সরকারি ব্যবস্থাপনায় বাস পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) তেজগাঁও সড়ক ভবনের অডিটরিয়ামে বাস রুট রেশনালাইজেশন কার্যক্রমের আওতায় বাসমালিকদের সঙ্গে আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন মন্ত্রী।
মন্ত্রী বাসমালিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, বাসের মান, যাত্রীসেবা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করার দায়িত্ব কোম্পানির। যদি কোনো মালিক বাসের যথাযথ সংস্কার না করেন কিংবা চালক-কর্মচারীরা নিয়ম না মানেন, তাহলে তার দায় কোম্পানিকে নিতে হবে।
শেখ রবিউল আলম বলেন, "আমি কোনো বাসমালিক চিনব না, কোম্পানি চিনব। বাসটি আপনার কোম্পানির অধীনে চলে। যদি মালিক মানসম্মতভাবে বাস সংস্কার না করেন, যাত্রীর সুবিধা নিশ্চিত না করেন, চালক কথা না শুনলে এবং কর্মচারীরা শৃঙ্খলা না মানলে সেই বাসের দায় আপনাদের নিতে হবে। তা নিশ্চিত করতে না পারলে ওই মালিকের বাস কোম্পানিতে রাখবেন না।"
তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রকে চ্যালেঞ্জ করে, ব্যবস্থাপনাকে চ্যালেঞ্জ করে ব্যবসা করার সুযোগ কারও নেই। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এসব পরিবর্তন চাইব। তা না হলে প্রয়োজনে নতুন কোম্পানি গঠন করব। তাতেও মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করা না গেলে রুট বাতিল করে সরকারি পর্যায় থেকে ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করব।
বাসমালিকদের লোকসানের যুক্তির জবাবে মন্ত্রী বলেন, আগে মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করতে হবে, তারপর ভাড়া সমন্বয়ের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। যাত্রীদের নিরাপত্তা, শৃঙ্খলা ও আরামদায়ক যাতায়াত নিশ্চিত করতে পারলে প্রয়োজন অনুযায়ী ভাড়া সমন্বয়ে সরকার আলোচনা করবে। "আপনারা মানসম্মত যাত্রী পরিবহন নিশ্চিত করুন। নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করুন। বাসে চড়তে মানুষকে আগ্রহী করার মতো পরিবেশ তৈরি করুন। প্রয়োজনে আমরা বসব। আপনাদের লোকসান হলে আমরা দেখব। উদ্যোক্তাদের টিকিয়ে রাখতে হবে, তাদের নির্দিষ্ট মাত্রার লাভেরও প্রয়োজন আছে।"
সেবার মান না বাড়িয়ে শুধু ভাড়া বাড়ানোর দাবি গ্রহণযোগ্য নয় উল্লেখ করে শেখ রবিউল আলম বলেন, "কোনো ব্যবসায় প্রত্যাশা অনুযায়ী লাভ না হলে সেই ব্যবসা চালিয়ে যেতেই হবে, এমন নিশ্চয়তা নেই। যাত্রীদের ওপর চাপ তৈরি করে ব্যবসা পরিচালনা করা যাবে না। আপনি সেবা বিক্রি করছেন, তার জন্য যুক্তিসংগত লাভ করবেন। কিন্তু সেবার মান উন্নত না করে যাত্রীদের কাছ থেকে বেশি ভাড়া চাইবেন, এটা হতে পারে না।"
ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ সড়কে চার্জিং অটোরিকশার চলাচল নিয়ন্ত্রণে নীতিমালা করা হচ্ছে বলেও জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, নির্দিষ্ট এলাকা ও নিয়মের মধ্যে এসব যান চলাচলের ব্যবস্থা করা হবে। গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও এলাকায় তাদের চলাচল নিয়ন্ত্রিত হতে পারে। এ বিষয়ে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপযুক্ত চালকদের দ্রুত ড্রাইভিং লাইসেন্স দেওয়ার বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানান শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেন, বাস কোম্পানিগুলোকে দক্ষ, প্রশিক্ষিত ও শারীরিক-মানসিকভাবে সক্ষম চালক চিহ্নিত করে বিআরটিএতে পাঠাতে হবে। চালককে সংশ্লিষ্ট যান চালানোর নিয়ম ও দক্ষতা সম্পর্কে জানতে হবে। "আপনারা উপযুক্ত চালক চিহ্নিত করে পাঠান। তিনি গাড়ি চালাতে জানেন, নিয়ম জানেন এবং শারীরিক ও মানসিকভাবে ফিট, তা নিশ্চিত করুন। আমরা পরীক্ষা নিয়ে লাইসেন্স দেওয়ার ব্যবস্থা করব।"
ঢাকার বিভিন্ন স্থানে বাসস্টপেজ চিহ্নিত করা এবং সেগুলোর মান উন্নয়নে ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষকে (ডিটিসিএ) দায়িত্ব দেওয়ার কথা জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, রুটভিত্তিক বাস কোম্পানিগুলোকে সঙ্গে নিয়ে বাসস্টপেজ চিহ্নিত করতে হবে। পরে সিটি করপোরেশনের মাধ্যমে সেগুলো যাত্রীবান্ধব করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
বাসের সেবার মান উন্নত করতে কোম্পানির ব্যয় ও মালিকদের কাছ থেকে নেওয়া বিভিন্ন অর্থের পরিমাণ কমানোর পরামর্শ দেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, নতুন বা ভালো বাস যুক্ত করতে মালিকদের কাছ থেকে নেওয়া ফি এবং অন্যান্য খরচ কমানোর বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে।
শেখ রবিউল আলম বলেন, "আপনারা হয়তো তিন-চার মাস আগের মতো আয় করতে পারবেন না। কিন্তু অনৈতিকভাবে কালেকশন করা হলে সেটা কমিয়ে দেন। মালিকের কাছ থেকে গাড়ি বুকিং ফি বেশি নেওয়া হলে, ট্রিপপ্রতি বেশি টাকা নেওয়া হলে, সেটা কমিয়ে দেন। বাসের সেবার মান বাড়ান।"
পরিবহনের মালিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, বাসের সেবার মান উন্নত করা এবং শ্রমিকদের জীবনমান পরিবর্তনে উদ্যোক্তা হিসেবে তাদের দায়িত্ব রয়েছে। সরকার পরিবহনের মালিকদের সঙ্গে নিয়েই পরিবর্তন আনতে চায়। তবে অনিয়ম, গাফিলতি ও অসহযোগিতা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না।
তিনি আরও বলেন, এক দিনে বা এক মাসে সব পরিবর্তন সম্ভব নয়। তবে এ উদ্যোগ থেকে সরে আসবে না সরকার। মালিকদের বিকশিত হওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে, কিন্তু অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা মেনে নেওয়া হবে না।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ