ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নাটোরে নর্থ বেঙ্গল চিনিকলের আখ মাড়াই ৩০ অক্টোবর শুরু


নাটোরে নর্থ বেঙ্গল চিনিকলের আখ মাড়াই ৩০ অক্টোবর শুরু

নাটোর, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬ : নাটোরের গোপালপুরে নর্থ বেঙ্গল চিনিকলের আখ মাড়াই কার্যক্রম আগামী ৩০ অক্টোবর থেকে শুরু হতে যাচ্ছে। চিনিকলের প্রস্তুতি হিসেবে আজ ওয়াটার ট্রায়াল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিষ্টার ফারজানা শারমীন চিনিকলের আখ মাড়াই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

চলতি মৌসুমে ১২৫ মাড়াই দিবসের কার্যক্রম চলবে। এক লাখ ৮০ হাজার টন আখ মাড়াই করে ১১ হাজার ৭’শ টন চিনি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। চিনি আহরণের হার ৬ দশমিক ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: তিস্তার ভাঙনে কৃষকরা ধান কেটে গরুকে খাওয়াচ্ছেন

আখ চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতে বর্তমান সরকার চলতি মৌসুমে আখের মূল্য কুইন্টাল প্রতি ২৬ টাকা বৃদ্ধি করেছে, যা গত মৌসুমের তুলনায়। চিনিকলের গেটে প্রতি কুইন্টাল আখের ক্রয় মূল্য ৬৫১ টাকা এবং সেন্টারগুলোতে ৬৩৭ টাকা ৪৬ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

চিনিকল এলাকায় প্রায় ১৮ হাজার একর জমিতে আখের আবাদ করা হয়েছে। সরকার পাঁচ হাজার ৪৫৪ জন আখচাষীকে উন্নত পদ্ধতিতে আগাম আখ চাষের জন্যে দুই কোটি ৭১ লক্ষ টাকার প্রণোদনা প্রদান করেছে।

চিনিকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ ফরিদ হোসেন ভূঁইয়া জানান, আখ মাড়াই কার্যক্রমের প্রস্তুতি হিসেবে আজ শনিবার কারখানার সার্বিক পরিচ্ছন্নতার জন্যে ওয়াটার ট্রায়াল অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এর আগে গত ৯ অক্টোবর কারখানার বয়লার ফায়ারিং সম্পন্ন হয়। এই আগুনের বাষ্পের মাধ্যমে পুরো মৌসুমের আখ মাড়াই কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

আরও পড়ুন: বাম্পার ফলনেও দাম নেই, পঞ্চগড়ে কৃষক ক্ষেতের লাউ গরুকে খাওয়াচ্ছেন

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুয়াকাটার পর্যটন সম্ভাবনা কাজে লাগাতে উন্নয়নের তাগিদ পর্যটনমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৫৩ পি.এম


কুয়াকাটার পর্যটন সম্ভাবনা কাজে লাগাতে উন্নয়নের তাগিদ পর্যটনমন্ত্রীর

ঢাকা, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬ : কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতকে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটনকেন্দ্রে রূপান্তরিত করার লক্ষ্যে পরিকল্পিত উন্নয়ন, আধুনিক পর্যটন সুবিধা নিশ্চিত করা এবং পরিবেশ সংরক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

মন্ত্রী বলেন, 'কুয়াকাটা বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় পর্যটনকেন্দ্রগুলোর একটি। যথাযথ পরিকল্পনা ও উন্নয়ন করা হলে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের কাছে এটি আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠতে পারে।'

আজ একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে গতকাল (শুক্রবার) পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় হোটেল খান প্যালেসে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় মন্ত্রী এসব মন্তব্য করেন।

কুয়াকাটার অনন্য পর্যটন সম্ভাবনা উল্লেখ করে তিনি বলেন, একই সমুদ্রসৈকত থেকে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দেখার সুযোগ, বিস্তীর্ণ বালুকাবেলা এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এই পর্যটনকেন্দ্রকে স্বতন্ত্র আকর্ষণ দিয়েছে।

এসময়, কুয়াকাটাকে আন্তর্জাতিক মানের সমুদ্রসৈকত হিসেবে গড়ে তুলতে পর্যটকদের নিরাপত্তা, পরিচ্ছন্নতা, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং মানসম্মত আবাসন সুবিধাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার ওপর জোর দেন তিনি।

মন্ত্রী সমুদ্রসৈকত এলাকায় আধুনিক গণশৌচাগার, নিরাপদ খাবার পানির ব্যবস্থা, বসার স্থান, পর্যটক তথ্যকেন্দ্র, গাড়ি পার্কিংয়ের সুবিধা এবং জরুরি চিকিৎসাসেবা চালুর আহ্বান জানান।

পর্যটকদের জন্য নিরাপদ ও মনোরম পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশিক্ষিত লাইফগার্ড নিয়োগ, উদ্ধার কার্যক্রম জোরদার এবং কার্যকর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা চালুর প্রয়োজনীয়তার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।

কুয়াকাটার পর্যটন সম্ভাবনাকে পুরোপুরি কাজে লাগাতে সরকার ও বেসরকারি খাতের মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, পর্যটন উন্নয়নে স্থানীয় জনগোষ্ঠী ও ব্যবসায়ীদের সম্পৃক্ত করা হলে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং স্থানীয় অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে।

পর্যটন ব্যবস্থাপনায় বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ বাড়লে সরকারের রাজস্ব আয়ও বৃদ্ধি পেতে পারে বলে জানান মন্ত্রী।

সমন্বিত পরিকল্পনা ও উন্নয়ন উদ্যোগের কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে কুয়াকাটাকে আন্তর্জাতিক মানের সমুদ্রসৈকত হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব। এর ফলে বাংলাদেশের পর্যটনশিল্পের বিকাশের পাশাপাশি দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়নেও উল্লেখযোগ্য অবদান রাখা যাবে, তিনি বলেন।

সভায় পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ও সংসদ সদস্য মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, পটুয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য এ বি এম মোশাররফ হোসেন, সংরক্ষিত নারী আসন-৪৯-এর সংসদ সদস্য সুলতানা জেসমিন জুঁই, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নূরুন্নাহার চৌধুরী এবং বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. সামীমুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।

বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদ, জেলা পরিষদের প্রশাসক আকন কুদ্দুসুর রহমান, পটুয়াখালীর জেলা প্রশাসক চৌধুরী আশরাফুল করিম, পুলিশ সুপার মো. আবু ইউসুফ এবং জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্টিও সভায় উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতা, সরকারি ও বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তা, ব্যবসায়ী নেতা এবং সাংবাদিকরা সভায় অংশ নেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সড়কের উন্নয়ন কাজ তদারকিতে এলাকাবাসীকে এগিয়ে আসতে হবে: খাদ্যমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৫৩ পি.এম


সড়কের উন্নয়ন কাজ তদারকিতে এলাকাবাসীকে এগিয়ে আসতে হবে: খাদ্যমন্ত্রী

ঢাকা, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬ : খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম মন্তব্য করেছেন, সড়কের উন্নয়ন কাজ তদারকিতে এলাকাবাসীকে সক্রিয়ভাবে এগিয়ে আসতে হবে। এলাকাবাসীকে নিশ্চিত করতে হবে যে, সড়কগুলোর কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এবং যথাযথ মান বজায় রেখে সম্পন্ন হচ্ছে কি না।

মন্ত্রী আরও বলেছেন, সংশ্লিষ্ট নির্বাহী প্রকৌশলী ও সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজের অগ্রগতি নিশ্চিত করা আবশ্যক।

শনিবার মানিকগঞ্জ সদর উপজেলায় তিনটি সড়কের উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

উদ্বোধনের পর খাদ্যমন্ত্রী উপস্থিত নেতাকর্মীদের সঙ্গে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের দরবারে দোয়া ও মোনাজাত করেন।

অনুষ্ঠানে বিএনপি এবং এর বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী ও এলাকাবাসীর উদ্দেশ্যে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, "নির্বাচনের সময় আমরা যখন মাঠে-ময়দানে ছিলাম, তখন এলাকাবাসীর অন্যতম দাবি ছিল রাস্তাঘাটের উন্নয়ন। সেই দাবি পূরণে আজ আমরা সড়ক উন্নয়নের কাজ শুরু করেছি। এজন্য মানিকগঞ্জবাসীর পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। তাঁর নির্দেশনায় এসব সড়কের উন্নয়নকাজ শুরু হচ্ছে।"

তিনি বলেন, ‘এখন আর আন্দোলনের সময় নয়, এখন দেশ গড়ার সময়, এলাকা গড়ার সময়। তাই সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে উন্নয়নকাজে সহযোগিতা করতে হবে। কোনো ধরনের দলাদলিতে জড়ানো যাবে না। এলাকাবাসীকে নিজেদের এলাকার উন্নয়নকাজের বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে এবং কাজের মান বুঝে নিতে হবে।’

উদ্বোধন করা তিনটি সড়কের মধ্যে রয়েছে, তরা ব্রিজ-গিলন্ড বাজার সড়ক, গিলন্ড জামে মসজিদ থেকে মুন্নু ফেব্রিকস হয়ে গিলন্ড জিপিএস সড়ক এবং গড়পাড়া ইউনিয়ন অফিস থেকে চান্দইর বাজার হয়ে শাহা সুফি বন্দে আলী মাজার সড়ক।

তরা ব্রিজ-গিলন্ড বাজার সড়কটির দৈর্ঘ্য ১ হাজার ৭০০ মিটার এবং প্রস্থ ১২ ফুট। সড়কটির উন্নয়নকাজে ব্যয় ধরা হয়েছে ২ কোটি ৬৭ লাখ ৮২ হাজার টাকার বেশি। আগামী ৩০ মে ২০২৭ সালের মধ্যে কাজটি শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

গিলন্ড জামে মসজিদ থেকে মুন্নু ফেব্রিকস হয়ে গিলন্ড জিপিএস সড়কের এক কিলোমিটার অংশের রক্ষণাবেক্ষণ কাজে ব্যয় হবে ৮৬ লাখ ১৪ হাজার টাকার বেশি। আগামী ২ ডিসেম্বর ২০২৬ সালের মধ্যে কাজটি সম্পন্ন করার কথা রয়েছে।

অন্যদিকে, সদর উপজেলার গড়পাড়া ইউনিয়ন অফিস থেকে চান্দইর বাজার হয়ে শাহা সুফি বন্দে আলী মাজার সড়কের রক্ষণাবেক্ষণ কাজের আওতায় ১ হাজার ৪৮০ মিটার সড়ক সংস্কার করা হবে। সড়কটির প্রস্থ ৩ দশমিক ০৫ মিটার। এ কাজে ব্যয় ধরা হয়েছে ১ কোটি ৪ লাখ ৭৩ হাজার টাকার বেশি। আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৭ সালের মধ্যে কাজটি শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

তিনটি সড়কের উন্নয়নকাজ উদ্বোধন শেষে উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম বলেন, মানিকগঞ্জের রাস্তাঘাটসহ সব এলাকার উন্নয়নকাজ পর্যায়ক্রমে সম্পন্ন করা হবে। এজন্য তিনি এলাকাবাসীকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানান।

তিনি উল্লেখ করেন, ‘বিগত ১৭ বছরে মানিকগঞ্জে তেমন কোনো উন্নয়ন হয়নি। সম্পদের সীমাবদ্ধতা থাকায় সব কাজ একসঙ্গে করা সম্ভব নয়। তবে পর্যায়ক্রমে সব উন্নয়নকাজ বাস্তবায়ন করা হবে। মানিকগঞ্জের উন্নয়নে যা যা প্রয়োজন, তা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছ থেকে আমি নিয়ে আসব। আপনারা প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আস্থা রাখুন। ইনশাল্লাহ , মানিকগঞ্জের সব প্রয়োজনীয় উন্নয়নকাজ বাস্তবায়ন করা হবে।’

অনুষ্ঠানে বিএনপি এবং এর বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের স্থানীয় নেতাকর্মী, সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তা ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খুলনা শিপইয়ার্ডে নৌবাহিনীর তৃতীয় এলসিটি-১০৪ এর লঞ্চিং সম্পন্ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৫৪ পি.এম


খুলনা শিপইয়ার্ডে নৌবাহিনীর তৃতীয় এলসিটি-১০৪ এর লঞ্চিং সম্পন্ন

খুলনা, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬ : বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে খুলনা শিপইয়ার্ডে নির্মাণাধীন তিনটি ল্যান্ডিং ক্রাফট ট্যাংকের (এলসিটি) মধ্যে তৃতীয়টির লঞ্চিং সম্পন্ন হয়েছে।

আজ শনিবার সকালে খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেডে (খুশিলি) এলসিটি-১০৪ নামের জাহাজটির লঞ্চিং অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন সহকারী নৌবাহিনী প্রধান (ম্যাটেরিয়াল) রিয়ার অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ মাকসুদ আলম।

জাহাজগুলো নৌবাহিনীর আধুনিকায়ন ও ত্রিমাত্রিক সক্ষমতা বৃদ্ধির অংশ হিসেবে নির্মিত হচ্ছে।

এ অনুষ্ঠানে সামরিক ও বেসামরিক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

খুলনা শিপইয়ার্ডের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিটি এলসিটিতে ৩শ’ ৫০ জন সেনাসদস্য, ৬টি ট্যাংক, ১২টি সাঁজোয়া যান (এপিসি) অথবা ১৮টি সামরিক যান বহন করা সম্ভব হবে। সেনা ও নৌবাহিনীর সমন্বিত উভচর অভিযান পরিচালনা, বিশেষ বাহিনী পরিবহন এবং উপকূলীয় ও দ্বীপাঞ্চলে ভারী সামরিক সরঞ্জাম স্থানান্তরে জাহাজগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সামরিক ব্যবহারের পাশাপাশি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, উদ্ধার অভিযান, মানবিক সহায়তা, প্রশিক্ষণ এবং দুর্গম উপকূলীয় এলাকায় রসদ সরবরাহেও এসব জাহাজ কাজে লাগানো যাবে।

নির্মাণাধীন তিনটি এলসিটি বাংলাদেশ নৌবাহিনীর বর্তমান বহরের সবচেয়ে বড় এ ধরনের জাহাজ হবে বলে জানিয়েছে শিপইয়ার্ড কর্তৃপক্ষ।

কানাডীয় নকশা অনুসরণ করে বিশেষায়িত এএইচ ৩৬ স্টিল দিয়ে জাহাজগুলো নির্মাণ করা হচ্ছে। এতে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাটারপিলার ইঞ্জিন এবং পশ্চিমা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের জেনারেটর ও ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম ব্যবহার করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, প্রকল্পটি দেশের জাহাজ নির্মাণশিল্পের কারিগরি সক্ষমতা ও প্রতিরক্ষা শিল্পের অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

রূপসা নদীর তীরে ৬৯ একর জমির ওপর অবস্থিত খুলনা শিপইয়ার্ড ১৯৫৭ সালে পশ্চিম জার্মানির কারিগরি সহায়তায় প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৯৯ সালের ৩ অক্টোবর প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়।

শিপইয়ার্ডের তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটি ৮শ’টির বেশি জাহাজ ও জলযান নির্মাণ এবং ২ হাজার ৫শ’টির বেশি জাহাজ ও জলযান মেরামত করেছে। নৌবাহিনী, সেনাবাহিনী ও কোস্ট গার্ডসহ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের জন্য জাহাজ নির্মাণ ও মেরামত করে আসছে এ প্রতিষ্ঠানটি।

এলসিটি-১০৪-এর লঞ্চিংকে দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং স্থানীয় জাহাজ নির্মাণশিল্পের অগ্রগতির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৫ ফুটবল দলের বিশ্বকাপ শুরু গোলশূন্য ড্র দিয়ে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৫৪ পি.এম


বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৫ ফুটবল দলের বিশ্বকাপ শুরু গোলশূন্য ড্র দিয়ে

ঢাকা, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬ : আজ (শনিবার) ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপ ও ফেস্টিভ্যাল ২০২৬-এর উদ্বোধনী ম্যাচে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৫ জাতীয় ফুটবল দল গোলশূন্য ড্র করেছে ওয়েলস অনূর্ধ্ব-১৫ দলের সঙ্গে, যা আজারবাইজানের বাকুর হোভসান কমপ্লেক্সে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

দুই দলের পক্ষ থেকে গোল করার জন্য বেশ কিছু সুযোগ তৈরি করা হয়েছিল। কিন্তু কেউই গোলের দেখা পায়নি, ফলে উভয় দল পয়েন্ট ভাগাভাগি করে মাঠ ছাড়ে।

বাংলাদেশ ‘জি’ গ্রুপে অবস্থান করছে। এই গ্রুপে অন্যান্য দলগুলো হলো ফিজি, বুরুন্ডি, ইন্দোনেশিয়া, পর্তুগাল ও ওয়েলস।

আগামীকাল রোববার বাংলাদেশ পর্তুগাল ও ইন্দোনেশিয়ার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ম্যাচ খেলবে। এরপর সোমবার ২৬ অক্টোবর বুরুন্ডি ও ফিজির বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের বাকি দুটি ম্যাচে অংশগ্রহণ করবে লাল সবুজের প্রতিনিধিরা।

এবারই প্রথমবারের মত অনূর্ধ্ব-১৫ বয়সভিত্তিক বিশ্বকাপের আয়োজন করেছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রন সংস্থা ফিফা। এবারের আসরে ১৯১টি দেশ অংশ নিচ্ছে। তরুণদের মধ্যে ফুটবলের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি এবং সব দেশকে বিশ্বকাপের আমেজে নিয়ে আসার লক্ষ্য নিয়ে এই টুর্ণামেন্টটি আয়োজন করা হয়েছে। এই কারণে ম্যাচের সময় কমিয়ে ৪০ মিনিট করা হয়েছে এবং মাঠে খেলোয়াড়ের সংখ্যা আটজনে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে।

ওয়েলসের বিপক্ষে ড্র বাংলাদেশের ফুটবলের জন্য আশাব্যাঞ্জক হলেও, অ-১৫ দলের কোচ আকবর হোসেন রিদন তার দলের পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট নন। আজারবাইজানে বাফুফের দেওয়া ভিডিও বার্তায় তিনি মন্তব্য করেন, ‘পারফরম্যান্সে আমি তেমন খুশি নই। আমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী খেলতে পারিনি। তারা শারীরিক ও টেকনিক্যালি অনেক শক্তিশালী। বিশেষ করে আমরা বিল্ড আপে অনেক ভুল করেছি। ম্যাচের সবচেয়ে সহজ সুযোগ আমরাই মিস করেছি।’

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%