ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ঢাকা রয়্যাল গ্রিন লায়ন্স ক্লাবের নতুন নেতৃত্বে আবুল হাসান-আশফাক


ঢাকা রয়্যাল গ্রিন লায়ন্স ক্লাবের নতুন নেতৃত্বে আবুল হাসান-আশফাক

বিশ্বের সর্ববৃহৎ আন্তর্জাতিক সেবামূলক সংগঠন লায়ন্স ক্লাবস ইন্টারন্যাশনালের অধীনে পরিচালিত লায়ন্স ক্লাব অব ঢাকা রয়্যাল গ্রিনের ২০২৬-২৭ সেশনে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন লায়ন মো. আবুল হাসান। সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন লায়ন ইঞ্জি. আশফাক হোসেন আকন্দ। ট্রেজারার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন লায়ন ইঞ্জি. আরিফুর রহমান সোহেল।

শনিবার রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে আয়োজিত ক্লাবের মাসিক সভায় বিদায়ী পরিচালনা কমিটির পক্ষ থেকে নবনির্বাচিত কমিটির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব হস্তান্তর করা হয়েছে। এর আগে ক্লাব সদস্যদের নিয়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রিজিওন চেয়ারপারসন ক্লাব ও ক্লাব অ্যাডমিনিস্ট্রেশন লায়ন মো. নজরুল ইসলাম।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

নবগঠিত পরিচালনা কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন- ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট লায়ন শেখ কামাল পাটোয়ারী, যুগ্ম সম্পাদক লায়ন এনামুল হক মাসুম, সার্ভিস চেয়ারপারসন লায়ন মোহাম্মদ শফিকুল্লাহ, মেম্বারশিপ চেয়ারপারসন লায়ন সাইফুল ইসলাম সুমন, এল.সি.আই.এফ. চেয়ারপারসন লায়ন মিল্লাত হোসেন মিল্টন এবং পরিচালক লায়ন মো. বাহাউদ্দিন ও লায়ন উজ্জ্বল কুমার হাওলাদার।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত সদস্যরা নবগঠিত পরিচালনা কমিটিকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে ক্লাবের সেবামূলক কার্যক্রম আরও সম্প্রসারিত হবে এবং মানবসেবা, সদস্য উন্নয়ন ও সমাজকল্যাণমূলক বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়নে ক্লাব কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বালুচরে বাদাম চাষে সাফল্য, মাদারীপুরের কৃষকদের নতুন আশার আলো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৫২ পি.এম


বালুচরে বাদাম চাষে সাফল্য, মাদারীপুরের কৃষকদের নতুন আশার আলো

এক সময় পদ্মা নদীর বিস্তীর্ণ বালুকা চরটি বছর ধরে অনাবাদি অবস্থায় পড়ে ছিল। তবে এখন সেই চরটি পরিবর্তিত হয়ে বাদাম চাষের জন্য সবুজ আবহাওয়ায় পরিণত হয়েছে। মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার চরগুলোতে চলতি মৌসুমে বাদামের বাম্পার ফলন দেখা গেছে এবং চাষিরা দারুণ বাজারদরের সুবিধা পাচ্ছেন। কৃষকদের প্রত্যাশা, এবার বাদাম বিক্রির মাধ্যমে তাদের গত বছরের ক্ষতির ক্ষতিপূরণ সম্ভব হবে।

জেলার বিভিন্ন চর, যেমন চর জানাজাত, মাদবরেরচর, কাঁঠালবাড়ী, সন্ন্যাসীরচর, বন্দরখোলা, বহেরাতলা উত্তর, বহেরাতলা দক্ষিণ, নিলখী ও শিরুয়াইল ইউনিয়নের বিভিন্ন চরাঞ্চলে বাদাম চাষ করা হয়েছে। সম্প্রতি সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মাঠগুলো বাদাম ঘরে তোলার উৎসবে পরিণত হয়েছে। ভোরের আলো ফুটতেই কৃষক ও কৃষাণীদের ব্যস্ততা শুরু হয়ে যাচ্ছে। দিনভর চলতে থাকে বাদাম তোলা, গাছ থেকে বাদাম আলাদা করা এবং রোদে শুকানোর কাজ।

কৃষকরা জানান, পদ্মার বেলে মাটি বাদাম চাষের জন্য খুবই উপযুক্ত। এক বিঘা (৩৩ শতাংশ) জমিতে বাদাম চাষের জন্য খরচ পরিমাণ ১২ থেকে ১৫ হাজার টাকা হয়। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে প্রতিবিঘায় ৭ থেকে ৮ মণ পর্যন্ত বাদাম উৎপাদন করা যায়। বর্তমানে প্রতি মণ বাদামের দাম ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। উৎপাদন খরচ বাদ দিয়েও চাষিরা ভালো লাভ করছেন, তাই প্রতিবছর চরাঞ্চলে বাদাম চাষের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে। অনেক চাষি আগামী মৌসুমে আরও বেশি জমিতে বাদাম চাষ করার পরিকল্পনা করছেন।

চর জানাজাত এলাকার কৃষক রহিম শেখ মন্তব্য করেন, ‘গত বছর আবহাওয়া অনুকূল না থাকায় বাদামের ফলন তেমন ভালো ছিল না। কিন্তু এ বছর বাম্পার ফলন হয়েছে। আল্লাহর রহমতে আমরা এবার লাভের আশা করছি।’ আরেক কৃষক হালিম মোল্লা জানান, ‘এ বছর প্রতি মণ বাদামের দাম ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা। দাম উন্নত হওয়ায় আমরা অতিসুখী।’

কৃষাণী শিখা বেগম বলেন, ‘চরাঞ্চলে কৃষিকাজ ছাড়া তেমন কোনো কাজ নেই। বালুর কারণে আগে অন্য কোনো ফসল ফলাতে পারতাম না। এখন সেই বালুচর আমাদের জন্য আশীর্বাদ হয়ে উঠেছে। বালুময় মাটিতে বাদামের ফলন অনেক ভালো হচ্ছে।’

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে শিবচর উপজেলায় প্রায় ৬৯০ হেক্টর জমিতে বাদামের আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে চর জানাজাত ইউনিয়নে ১২০ হেক্টর জমিতে বাদাম চাষ করা হয়েছে। প্রতি হেক্টরে গড়ে প্রায় ২ হাজার ৩০০ কেজি বাদাম উৎপাদন হচ্ছে। স্থানীয় বাজারের পাশাপাশি আশপাশের বিভিন্ন জেলা থেকে ব্যবসায়ীরা এসে চরাঞ্চলে বাদাম কিনে নিয়ে যাচ্ছেন।

শিবচর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আলিমুজ্জামান বলেন, ‘শিবচরের বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলের অনেক জমি এক সময় অনাবাদি ছিল। কিন্তু কৃষকরা সেই জমিতে বাদাম চাষ করে সফলতা পেয়েছেন। বর্তমানে অনাবাদি জমি উৎপাদনের আওতায় এসেছে। চরাঞ্চলের বেলে মাটি বাদাম চাষের জন্য খুবই উপযোগী। বাজারে প্রতি মণ বাদামের দাম ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা, তাই কৃষকরা ভালো দাম পাচ্ছেন।’

তিনি আরও বলেন, কৃষি বিভাগের পরামর্শ মেনে আধুনিক পদ্ধতিতে বাদাম চাষ করলে উৎপাদন আরও বাড়ানো সম্ভব। কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ এবং প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিরামপুরের রেলগেটে বাঁশ ও দড়ি দিয়েই ভরসা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৫৬ পি.এম


বিরামপুরের রেলগেটে বাঁশ ও দড়ি দিয়েই ভরসা

দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ততম ঘোড়াঘাট-বিরামপুর রেলগেটের স্বয়ংক্রিয় গেটবারটি দীর্ঘদিন ধরে বিকল হয়ে রয়েছে। এর ফলে বিকল্প হিসেবে সেখানে বাঁশ ও দড়ি ব্যবহার করা হচ্ছে। এই জোড়াতালি ব্যবস্থা স্থানীয় বাসিন্দা, পথচারী এবং যানবাহন চালকদের মধ্যে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা সৃষ্টি করেছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ঢাকা-দিনাজপুর মহাসড়কের রেললাইনের উপর অবস্থিত এই রেল ক্রসিংটি দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ ও শত শত যানবাহন চলাচল করে। বিরামপুর শহরের সঙ্গে ঘোড়াঘাট উপজেলাসহ উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম এই সড়কটি। দীর্ঘদিন ধরে সিগন্যাল বার বা লোহার গেটবারটি নষ্ট হয়ে থাকায়, গেটম্যানরা ট্রেন আসার সময় ম্যানুয়ালি বাঁশ নামিয়ে এবং দড়ি দিয়ে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে আসছেন। অনেক সময় দুর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়ে যানবাহনগুলো বাঁশের নিচ দিয়েই পার হওয়ার চেষ্টা করছে।

একজন ট্রাকচালক আবিদ হাসান জানান, এই রেলগেটটি দিন-রাত ২৪ ঘণ্টা ভারী ও হালকা যানবাহন চলাচলের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে। ডিজিটাল যুগে রেলগেটের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বাঁশ আর দড়ির মাধ্যমে ট্রেন আটকানো পুরোপুরি অনুচিত। রাতের বেলায় দূর থেকে বাঁশের দৃশ্য দেখা না যাওয়ায়, যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এর আগেও এই রেলে গেটটিতে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটেছে, অনেক লোকও মারা গেছে। জনগণের আকাঙ্ক্ষা, তারা চান এই রেলগেটের কার্যকরী সমাধান হোক।

গেটম্যান আসাদুল্লাহ জানান, গেটবারটি যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে নষ্ট হয়ে যাওয়ার পর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। গত দুই মাস ধরে এই অবস্থায় পড়ে থাকার পরও এখনও স্থায়ী কোনো সমাধান হয়নি, তাই বাধ্য হয়ে দেশের এই প্রথাগত পদ্ধতি (বাঁশ-দড়ি) ব্যবহার করতে হচ্ছে। ট্রেন আসার সময় এক হাতে বিশাল বাঁশ ও দড়ি নিয়ে সড়ক যথাযথভাবে পরিচালনা করা তাদের জন্যও বেশ কষ্টকর ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।

বিরামপুর স্টেশন মাস্টার কাজী ফয়েজ আলাউদ্দীন জানান, বিরামপুর-ঘোড়াঘাট রেলগেটের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে এভাবে অবহেলা চলতে থাকলে যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরনের প্রাণহানি ঘটতে পারে। পূর্বের গেটবারটি নষ্ট হওয়ায় বাঁশ ও দড়ি ব্যবহার করা হচ্ছে, দ্রুত এই গেটবারটি মেরামত করা হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুগ্ধ ও গরুর মাংসের উন্নয়ন বিষয়ক আন্তর্জাতিক কর্মশালায় বাকৃবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৫৯ পি.এম


দুগ্ধ ও গরুর মাংসের উন্নয়ন বিষয়ক আন্তর্জাতিক কর্মশালায় বাকৃবি

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) দুগ্ধ ও গরুর মাংস উৎপাদন ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, সঠিক পুষ্টি, ফিড ব্যালেন্সিং, পশুর কল্যাণ ও টেকসই খামার ব্যবস্থাপনা নিয়ে দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক কর্মশালা শুরু হয়েছে।

সোমবার (২০ জুলাই) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ নজরুল ইসলাম কনফারেন্স হলে "ইন্টারন্যাশনাল ওয়ার্কশপ অন ডেইরি অ্যান্ড বিফ প্রোডাকশন সিস্টেমস: নিউট্রিশন, ফিড ব্যালান্সিং, ওয়েলফেয়ার অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি" শীর্ষক এ কর্মশালার উদ্বোধন করা হয়। দুই দিনব্যাপী এ কর্মশালার যৌথ আয়োজন করেছে বাকৃবির ডেইরি সায়েন্স বিভাগ ও পশু পুষ্টি বিভাগ।

দুই দিনব্যাপী এ কর্মশালার গ্লোবাল একাডেমিক পার্টনার হিসেবে রয়েছে অস্ট্রেলিয়ার মারডক বিশ্ববিদ্যালয়, যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব কানেকটিকাট এবং অস্ট্রেলিয়ার জেমস কুক বিশ্ববিদ্যালয়। কর্মশালার 'কি ইন্ডাস্ট্রিয়াল স্পন্সর' হিসেবে রয়েছে নারিশ এবং 'কি পার্টনার স্পন্সর' হিসেবে রয়েছে প্রোভেট রিসোর্সেস লিমিটেড।

কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. ফজলুল হক ভূঁইয়া। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (রুটিন দায়িত্ব) ড. মো. বয়জার রহমান। ডেইরি সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আশিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অস্ট্রেলিয়ার মারডক বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. পিয়েত্রো চেলি, যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব কানেকটিকাটের সহকারী অধ্যাপক ড. মো. ইলিয়াস উদ্দিন এবং বাকৃবির পশু পুষ্টি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. শফিকুর রহমান শিশির।

কর্মশালায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক, শিক্ষার্থী, প্রাণিসম্পদ খাতের কর্মকর্তা, উদ্যোক্তা এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, এ ধরনের আন্তর্জাতিক কর্মশালা তরুণ গবেষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য শেখা, নতুন জ্ঞান অর্জন এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবনার গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ তৈরি করে। এর মাধ্যমে তারা বুঝতে পারবে কীভাবে বাংলাদেশের ডেইরি ও বিফ উৎপাদন ব্যবস্থাকে ভবিষ্যতের চাহিদা ও বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে উন্নত করা যায়।

তিনি কর্মশালার আয়োজকদের প্রশংসা করে বলেন, এ কর্মশালায় গঠনমূলক আলোচনা ও মত বিনিময়ের মাধ্যমে গবেষণা, শিক্ষা ও শিল্প খাতের মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদার হবে। একই সঙ্গে মাঠপর্যায়ে আধুনিক প্রযুক্তি ও গবেষণার ফলাফল বাস্তবায়নের পথ সুগম হবে, যা দেশে এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দুগ্ধ ও গরুর মাংসের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের উদ্যোগ বাস্তবায়নের কাজ চলছে: বিদ্যুৎমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:০৩ পি.এম


১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের উদ্যোগ বাস্তবায়নের কাজ চলছে: বিদ্যুৎমন্ত্রী

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু জানিয়েছেন, সরকারের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে দেশে বর্তমানে ১০ হাজার মেগাওয়াট সক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ বাস্তবায়নের কাজ ইতোমধ্যে এগিয়ে চলছে।

সোমবার (২০ জুলাই) চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত ন্যাশনাল ডেভলপমেন্ট প্রোগ্রাম আয়োজিত উন্নয়ন কণ্ঠস্বর শীর্ষক কর্মশালায় তিনি এ কথা বললেন।

তিনি বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ব্যয় বৃদ্ধি বর্তমান সরকারের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর দেশের জ্বালানি আমদানিতে প্রায় ২ বিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়েছে। বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদনের খরচও বৃদ্ধি পেয়েছে, যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করছে।

তিনি আরও বলেন, আগের সরকার সমুদ্রসীমা অর্জনের সাফল্য হলেও সামুদ্রিক জ্বালানি সম্পদ অনুসন্ধান ও আহরণে কার্যকর অগ্রগতি নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়নি। অথচ এ খাতে প্রতিবেশী কয়েকটি দেশ অনেক বেশী অগ্রসর হয়েছে।

ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, একটি কল্যাণমুখী রাষ্ট্র গঠনে নবায়নযোগ্য জ্বালানির বিকাশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি নিশ্চিত করতে এ খাতে উন্নয়ন সহযোগীদের আরও বেশি বিনিয়োগ এবং কারিগরি সহযোগিতা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, সরকারের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে দেশে ১০ হাজার মেগাওয়াট সক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ বাস্তবায়নের কাজ চলছে। পাশাপাশি ব্যক্তি এবং বাণিজ্যিক পর্যায়ে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার উৎসাহিত করার জন্য চলতি বাজেটের মধ্যে ট্যাক্স শিথিল রাখার সুবিধা রাখা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%