ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

তাজমিনকে ধর্ষণের পর হত্যা করেছে অটোরিকশাচালক, বিস্তারিত জানাল পুলিশ


তাজমিনকে ধর্ষণের পর হত্যা করেছে অটোরিকশাচালক, বিস্তারিত জানাল পুলিশ

কুমিল্লার লালমাটিয়ায় স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমিন হত্যার ঘটনার রহস্য উন্মোচন করেছে পুলিশ। তারা নিশ্চিত করেছে যে, অটোরিকশাচালক সুমন তাজমিনকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে।

শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টায় জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) পঙ্কজ বড়ুয়া হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত তুলে ধরেন।

তিনি জানান, ৮ অক্টোবর সকালে লালমাই উপজেলার ভোরালজগপুর (উত্তর পাড়া) গ্রামে ধানক্ষেতের আইলের পাশে একটি মেয়ের মরদেহ পড়ে থাকার খবর জাতীয় জরুরী সেবা (৯৯৯) এ আসে। লালমাই থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ভিকটিমকে শনাক্তকরণসহ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম শুরু করে। পরে, ভিকটিমের পিতা মরদেহটি শনাক্ত করেন এবং জানা যায়, ভিকটিমের নাম জান্নাতুল তাজমিন (১৫)। তার স্থায়ী ঠিকানা যশোর জেলা।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) পঙ্কজ বড়ুয়া আরও উল্লেখ করেন, ভিকটিম তার পিতার চাকরির কারণে পরিবারসহ কুমিল্লার রেসকোর্স এলাকায় বসবাস করতেন। জান্নাতুল তাজমিন (১৫) কুমিল্লা নগরীর ফরিদা বিদ্যায়তনের ৭ম শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে লালমাই থানায় একটি হত্যা মামলা রুজু করা হয়। মামলা রুজু হওয়ার পর জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ও থানা পুলিশ যৌথভাবে তদন্ত শুরু করে। তদন্তের এক পর্যায়ে সিএনজিচালক সুমন মিয়াকে (৩৫) চট্টগ্রাম থেকে আটক করা হয়।

আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ভিকটিম ৮ অক্টোবর পদুয়ার বাজার বিশ্বরোডের তিশা বাস কাউন্টারের সামনে থেকে তার বাসা রেসকোর্সে যাওয়ার জন্য একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ভাড়া করতে যায়। অটোরিকশা চালক সুমন মিয়াকে (৩৫) ৩০০ টাকা ভাড়ায় ঠিক করে তাজমিন। আসামি সুমন মিয়া তাকে শর্টকাট রাস্তা দিয়ে গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে নুরজাহান হোটেলের সামনে থেকে ইউটার্ন করে চাঁদপুরগামী রোড দিয়ে বিজরা বাজার হয়ে ঘটনাস্থলের দিকে চলে যায়।

ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুমন মিয়া তার সিএনজি বন্ধ করে দেয়। স্থানটি অন্ধকার ও নির্জন হওয়ায় ভিকটিম ভয় পায় এবং সুমন মিয়াকে জিজ্ঞাসা করে, "এটা কোন জায়গা?" তখন সুমন মিয়া বলে, "এটা রেসকোর্স না, এটা অন্য জায়গা।" এতে ভিকটিম ভয় পেয়ে সিএনজি থেকে নেমে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পালানোর সময় সিএনজিচালক সুমন মিয়া ভিকটিমকে আটকানোর চেষ্টা করলে ভিকটিম চিৎকার শুরু করে। তখন সুমন মিয়া তার গামছা ভিকটিমের গলায় পেঁচিয়ে ধরে। ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে ভিকটিম দুর্বল হয়ে পড়ে।

জিজ্ঞাসাবাদে আসামি সুমন জানায়, সে ভিকটিমকে ধর্ষণ করেছে। পরবর্তীতে, সুমন মিয়া ভিকটিমকে ধানক্ষেতে নিয়ে মাটিতে উপুড় করে রেখে তার মাথা পা দিয়ে চেপে ধরে মৃত্যু নিশ্চিত করে। পরে, ভিকটিমের ব্যবহৃত হ্যান্ডব্যাগ থেকে আইফোনটি নিয়ে নেয় এবং ব্যাগটি ধানক্ষেতে ফেলে দেয়।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

পরবর্তীতে সুমন মিয়া ঘটনাস্থলে তার সিএনজিটি রেখে কাছাকাছি মসজিদের সামনে গিয়ে পুকুরে গোসল করে এবং একটি ভাড়ায়চালিত সিএনজিতে করে ঝালমুড়ি বাজার যায়। ঝালমুড়ি বাজার এলাকায় একটি পুকুরের পাশে জঙ্গলে ভিকটিমের নিকট থেকে নেওয়া আইফোনটি লুকিয়ে রেখে চট্টগ্রাম চলে যায়। পরদিন অর্থাৎ গত ৯ অক্টোবর চট্টগ্রাম থেকে আসামি সুমন মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং তার স্বীকারোক্তি ও দেখানো মতে ঝালমুড়ি এলাকার পুকুরের পাশের জঙ্গল থেকে ভিকটিমের ব্যবহৃত আইফোনটি উদ্ধার করা হয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় ৫২৩ জন গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৪৮ পি.এম


ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় ৫২৩ জন গ্রেপ্তার

রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানের ফলে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫২৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে বিভিন্ন থানার এলাকায় মাদকদ্রব্য ও আলামত উদ্ধার করা হয়েছে এবং ৪০টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

শনিবার (১০ অক্টোবর) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন এই তথ্য প্রকাশ করেন। তিনি জানান, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ডিএমপির বিভিন্ন বিভাগ ও বিশেষায়িত ইউনিট একত্রে এই অভিযান পরিচালনা করে।

ডিএমপি সূত্রে জানা যায়, অভিযানে সর্বাধিক মিরপুর বিভাগ থেকে ৯০ জন এবং মতিঝিল বিভাগ থেকে ৮২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তেজগাঁও বিভাগে ৭৯, ওয়ারী বিভাগে ৭৫, লালবাগ বিভাগে ৫৯, গুলশান বিভাগে ৪৭, উত্তরা বিভাগে ৪৩, রমনা বিভাগে ৩৬, গোয়েন্দা বিভাগে (ডিবি) ১১ এবং সিটিটিসি ইউনিট ১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

অভিযানের সময় উদ্ধারকৃত আলামতের মধ্যে ৭৫ কেজির বেশি গাঁজা, ১ হাজার ৪৪২ পিস ইয়াবা, ৭ গ্রাম হেরোইন এবং ২ ক্যান বিয়ার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এছাড়া ১টি কাভার্ডভ্যান, ২টি মোটরসাইকেল, ৯টি মোবাইল ফোন এবং নগদ ২ হাজার ৪০০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে, সেইসাথে একজন ভিকটিমকেও উদ্ধার করা হয়েছে।

রাজধানীর বিভিন্ন থানার এলাকায় পরিচালিত এই অভিযানে গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে, জানিয়েছেন ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. আকতার হোসেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নারীদের কিডনি রোগের ঝুঁকি বাড়ছে, সতর্ক হবেন ৫ লক্ষণে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৪৯ পি.এম


নারীদের কিডনি রোগের ঝুঁকি বাড়ছে, সতর্ক হবেন ৫ লক্ষণে

নারীদের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগের ঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা এবং অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনের কারণে হতে পারে। উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবিটিস, মূত্রনালির সংক্রমণ এবং কিছু অটোইমিউন রোগ কিডনির ক্ষতির কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। তবে প্রাথমিক পর্যায়ে অনেক সময় স্পষ্ট উপসর্গের অভাব থাকায় রোগটি শনাক্ত করতে দেরি হয়ে যায়। তাই কিডনির সম্ভাব্য পাঁচটি লক্ষণ সম্পর্কে সচেতন থাকা অত্যন্ত জরুরি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ এবং ডায়াবিটিস কিডনি রোগের অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে বিবেচিত। অনেক নারী নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা না করানোর ফলে শরীরে এসব সমস্যার উপস্থিতি সম্পর্কে অবগত হতে পারেন না। এর ফলে রোগ শনাক্ত ও চিকিৎসা শুরু হতে দেরি হয়, যা কিডনির পাশাপাশি শরীরের অন্যান্য অঙ্গের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

এছাড়া নারীদের মধ্যে মূত্রনালির সংক্রমণ তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। লুপাস নেফ্রাইটিসের মতো অটোইমিউন রোগও কিডনির ক্ষতি সাধন করতে পারে। গর্ভাবস্থায় উচ্চ রক্তচাপ, বারবার মূত্রনালির সংক্রমণ এবং কিছু ক্ষেত্রে পানিশূন্যতা কিডনির স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে।

কিডনি রোগের যে ৫ লক্ষণে সতর্ক হবেন

১. সকালে চোখ-মুখ ফুলে যাওয়া

ঘুম থেকে ওঠার পর চোখ ও মুখ অস্বাভাবিকভাবে ফুলে যাওয়া কিডনির সমস্যার একটি সম্ভাব্য লক্ষণ হিসেবে চিহ্নিত করা যেতে পারে। কিডনির কার্যকারিতা কমে গেলে শরীরে অতিরিক্ত তরল জমা হতে পারে। এছাড়া প্রস্রাবের মাধ্যমে প্রোটিন বেরিয়ে গেলে শরীরে ফোলাভাব দেখা দিতে পারে। নিয়মিত এমন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

২. পা ও গোড়ালি ফুলে যাওয়া

পা, গোড়ালি কিংবা পায়ের পাতা অস্বাভাবিকভাবে ফুলে গেলে বিষয়টি অবহেলা করা উচিত নয়। কিডনির কার্যকারিতা ব্যাহত হলে শরীরে তরল জমা হওয়ার সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকা, শিরার সমস্যা বা হৃদ্‌রোগের কারণে পা ফুলতে পারে।

৩. পেশিতে ব্যথা বা খিঁচুনি

কিডনি শরীরে পানি ও বিভিন্ন খনিজের ভারসাম্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিডনির কার্যকারিতা কমে গেলে এ ভারসাম্য বিঘ্নিত হয়ে পেশিতে ব্যথা, দুর্বলতা বা খিঁচুনি দেখা দিতে পারে। দীর্ঘদিন এমন সমস্যা চলতে থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

৪. শ্বাসকষ্ট বা বুকে চাপ অনুভব করা

কিডনির গুরুতর সমস্যায় শরীরে অতিরিক্ত তরল জমে ফুসফুসে প্রভাব ফেলতে পারে। এর ফলে শ্বাসকষ্ট দেখা দিতে পারে। বুকে চাপ বা ব্যথার সঙ্গে শ্বাসকষ্ট হলে তা জরুরি অবস্থার লক্ষণ হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া প্রয়োজন।

৫. প্রস্রাবের ধরনে পরিবর্তন

প্রস্রাবের পরিমাণ বা ধরনে অস্বাভাবিক পরিবর্তন কিডনির সমস্যার ইঙ্গিত দিতে পারে। রাতে বারবার প্রস্রাব হওয়া, প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাওয়া, অতিরিক্ত ফেনাযুক্ত প্রস্রাব কিংবা প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত যাওয়া এসব লক্ষণ অবহেলা করা উচিত নয়। বিশেষ করে প্রস্রাবে রক্ত দেখা গেলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।

কিডনি সুস্থ রাখতে কী করবেন?

কিডনি রোগের ঝুঁকি কমাতে নিয়মিত রক্তচাপ ও রক্তে শর্করার মাত্রা পরীক্ষা করা, সুষম খাবার খাওয়া, শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকা এবং পর্যাপ্ত পানি পান করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি মূত্রনালির সংক্রমণ হলে যথাযথ চিকিৎসা নেওয়া উচিত। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া দীর্ঘদিন ব্যথানাশক ওষুধ সেবন থেকেও বিরত থাকা উচিত।

তবে এসব লক্ষণ দেখা দিলেই কিডনি রোগ হয়েছে, এমন নয়। অন্যান্য বিভিন্ন কারণেও একই ধরনের উপসর্গ দেখা দিতে পারে। কিডনির অবস্থা জানার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী রক্তে ক্রিয়েটিনিন ও ইজিএফআর পরীক্ষা, প্রস্রাবে অ্যালবুমিন বা প্রোটিন পরীক্ষা করা প্রয়োজন হতে পারে।

মনে রাখতে হবে, দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগের প্রাথমিক পর্যায়ে অনেক সময় কোনো লক্ষণই দেখা যায় না। তাই ঝুঁকিতে থাকা নারীদের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো এবং অস্বাভাবিক উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি।

সূত্র: আনন্দবাজার

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাসিনার আমলে গণতন্ত্রের এক ইঞ্চিও অবশিষ্ট ছিল না : রিজভী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৪৯ পি.এম


হাসিনার আমলে গণতন্ত্রের এক ইঞ্চিও অবশিষ্ট ছিল না : রিজভী

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী মন্তব্য করেছেন যে হাসিনার আমলে গণতন্ত্রের এক ইঞ্চিও অবশিষ্ট ছিল না।

শনিবার (১০ অক্টোবর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন কর্তৃক আয়োজিত 'আইডিয়া ফেস্ট' এর চূড়ান্ত পর্বে তিনি এই কথা বলেন।

তিনি উল্লেখ করেন, "যখন কথা বলা অত্যন্ত কঠিন ছিল তখন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন যে কাজ করেছে, সেটি অভূতপূর্ব।"

রিজভী আরও বলেন, "অনেক স্বৈরাচার আমলেও বিশ্ববিদ্যালয়ে ন্যূনতম কথা বলার সুযোগ ছিল। কিন্তু হাসিনার আমলে ইঞ্চি খানেকও গণতন্ত্র অবশিষ্ট ছিল না।"

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী পরিকল্পনার কথা বলেছেন। তরুণদের প্রশ্ন করার পরিসর তৈরি হলেই সেই পরিকল্পনার উপাদান পাওয়া যাবে। তরুণদের যুক্ত করতে পারলে দেশ ও সমাজ এগিয়ে যাবে।

জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের তরুণদের নিয়ে নেয়া উদ্যোগের প্রশংসা করে তিনি বলেন, "তরুণদের উদ্বুদ্ধ করতে বহুমাত্রিক কাজ করছে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন। স্বৈরাচার আমলেও নান্য বাধা পেরিয়ে সংগঠনটি তরুণদের নিয়ে কাজ করে গিয়েছে।"

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আজ বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস, সচেতনতার আহ্বান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৫০ পি.এম


আজ বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস, সচেতনতার আহ্বান

বাংলাদেশে মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছেন প্রায় তিন কোটি মানুষ। আক্রান্তদের একটি বড় অংশ প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও সহায়তা থেকে বঞ্চিত হয়ে রয়েছেন। পারিবারিক সংকট, আর্থিক চাপ, সামাজিক বৈষম্য, মাদকাসক্তি এবং প্রযুক্তির অতিরিক্ত ব্যবহারসহ বিভিন্ন কারণে মানসিক স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে। দক্ষ চিকিৎসক ও সেবাকেন্দ্রের সংকট, সামাজিক কুসংস্কার এবং চিকিৎসা নিতে অনীহা এই সমস্যাগুলোকে আরও জটিল করে তুলছে।

আজ ১০ অক্টোবর বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস। এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘জীবনের কথা শুনি, বাস্তব পরিবর্তন আনি’। যারা মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার মধ্য দিয়ে জীবন কাটাচ্ছেন, তাদের অভিজ্ঞতা ও মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া এবং নীতিনির্ধারণ ও চিকিৎসাসেবা ব্যবস্থায় তাঁদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

জাতিসংঘ মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় আক্রান্ত মানুষের বাস্তব অভিজ্ঞতা শোনা এবং তাদের মতামতের ভিত্তিতে কার্যকর নীতি ও সেবাব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে। সংস্থাটির মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেছেন, মানসিক স্বাস্থ্যসেবায় মানুষকে বাদ না দিয়ে তাদের সঙ্গে অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে হবে। আবাসন, শিক্ষা, কাজ ও সামাজিক সহায়তা নিশ্চিত করে মানুষের নিজস্ব পরিবেশে সুস্থ হয়ে ওঠার সুযোগ বাড়াতে হবে।

জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের ২০১৮-১৯ সালের জরিপ অনুযায়ী, বাংলাদেশের প্রাপ্তবয়স্কদের ১৮ দশমিক ৭ শতাংশ এবং শিশু-কিশোরদের ১২ দশমিক ৬ শতাংশ কোনো না কোনো মানসিক রোগে ভুগছেন। প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে আক্রান্তদের ৯২ দশমিক ৩ শতাংশ এবং শিশু-কিশোরদের ৯৪ দশমিক ৫ শতাংশ প্রয়োজনীয় মানসিক স্বাস্থ্যসেবা পাননি। প্রায় ১৮ কোটি মানুষের দেশে এ হিসাব অনুযায়ী, মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা প্রায় তিন কোটি।

উদ্বেগের বিষয় হলো, ২০১৯ সালের পর থেকে দেশে নতুন কোনো জাতীয় পর্যায়ের মানসিক স্বাস্থ্য জরিপ হয়নি। ফলে গত সাত বছরে মানুষের মানসিক স্বাস্থ্যের পরিস্থিতি কতটা বদলেছে, সে বিষয়ে হালনাগাদ ও নির্ভরযোগ্য পরিসংখ্যান নেই। এ সময়ে করোনা মহামারি, রাজনৈতিক অস্থিরতা, আর্থিক চাপ, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি ও নানা সামাজিক সংকটের মধ্য দিয়ে গেছে দেশের মানুষ। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এসব পরিস্থিতির প্রভাব মানসিক স্বাস্থ্যে পড়তে পারে। তবে নতুন জরিপ ছাড়া বর্তমান পরিস্থিতির সুনির্দিষ্ট চিত্র জানা সম্ভব নয়।

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় দেখা গেছে, হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের প্রায় অর্ধেকের মধ্যে অন্তত একটি মানসিক রোগ রয়েছে। ৩৪২ জন রোগীর ওপর পরিচালিত এ গবেষণায় ৪৮ দশমিক ৫৪ শতাংশের মধ্যে মানসিক রোগ শনাক্ত হয়। ক্যানসার বিভাগে ভর্তি রোগীদের ক্ষেত্রে এ হার ৮৮ দশমিক ২৪ শতাংশ। মেডিসিন বিভাগে ৫১ দশমিক ৬৪ শতাংশ, সার্জারি বিভাগে ৩৮ দশমিক ৭৫ শতাংশ এবং স্নায়ুরোগ বিভাগে ৩১ দশমিক ২৫ শতাংশ রোগীর মধ্যে মানসিক রোগ পাওয়া যায়। অথচ মানসিক স্বাস্থ্যসেবার জন্য বিশেষজ্ঞের কাছে পাঠানো হয়েছিল মাত্র ৭ শতাংশ রোগীকে।

গবেষণাটি অধ্যাপক ডা. এমএমএ সালাউদ্দিন কাউসার বিপ্লবের নেতৃত্বে পরিচালিত হয়। চলতি বছরের ৩ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক সাময়িকী ‘হেলথ সায়েন্স রিপোর্টস’-এ এটি প্রকাশিত হয়।

অধ্যাপক সালাউদ্দিন কাউসার বিপ্লব বলেন, হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের মধ্যে বিষণ্ণতা বা অন্য মানসিক সমস্যা দেখা দিলেও অনেক সময় মনোরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে পাঠানো হয় না। বরং ঘুমের ওষুধ দেওয়া হয়, যা মানসিক রোগের মূল চিকিৎসা নয়। মনোরোগবিদ্যা বিভাগ থাকা হাসপাতালেও অন্য বিভাগের চিকিৎসকদের মধ্যে মানসিক সমস্যাকে যথেষ্ট গুরুত্ব না দেওয়ার প্রবণতা রয়েছে। প্রয়োজনীয় সেবার ব্যবস্থাও অনেক হাসপাতালে নেই। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সমন্বিত উদ্যোগ, সচেতনতা বৃদ্ধি ও দক্ষ জনবল গড়ে তোলা জরুরি।

জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের তথ্য অনুযায়ী, প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে বিষণ্ণতা ও উদ্বেগজনিত রোগের পাশাপাশি শুচিবায়ু, স্মৃতিভ্রংশ, দ্বিমেরু মেজাজজনিত রোগ, সিজোফ্রেনিয়া ও মাদকাসক্তির মতো সমস্যাও রয়েছে। শিশু-কিশোরদের মধ্যে স্নায়ুবিকাশজনিত সমস্যা, উদ্বেগ ও আচরণগত সমস্যাও দেখা যায়। ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সিদের মধ্যে মাদক গ্রহণের হার দেড় শতাংশ এবং ৭ থেকে ১১ বছর বয়সিদের ক্ষেত্রে শূন্য দশমিক ২ শতাংশ।

মানসিক স্বাস্থ্যসেবার বড় বাধা হলো চিকিৎসক ও দক্ষ জনবলের ঘাটতি। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, দেশে মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ রয়েছেন প্রায় ৩৮০ জন, মনোবিজ্ঞানী ৬০০ জন এবং মনোরোগ বিষয়ে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সমাজকর্মী মাত্র ১০ জন। প্রতি এক লাখ মানুষের বিপরীতে মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞের সংখ্যা শূন্য দশমিক ১৯ জন এবং মনোবিজ্ঞানীর সংখ্যা শূন্য দশমিক ৩০ জন।

দেশে মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সাধারণ চিকিৎসক রয়েছেন ২১ হাজার ২৬৭ জন, স্বাস্থ্যকর্মী ৯ হাজার ৪০০ জন এবং নার্স ২৮ হাজার ১৬৫ জন। তবে প্রশিক্ষিত জনবল থাকলেও তাঁদের যথাযথভাবে কাজে লাগানো, প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে তোলা এবং মানুষের নাগালের মধ্যে চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দেওয়া জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

দেশের মানসিক স্বাস্থ্যসেবার বড় অংশ এখনো বিশেষায়িত হাসপাতাল ও বড় শহরকেন্দ্রিক। জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে ৪০০ শয্যা, পাবনা মানসিক হাসপাতালে ৫০০ শয্যা এবং বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোরোগবিদ্যা বিভাগে ৪০ শয্যা রয়েছে। বিভিন্ন সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মনোরোগবিদ্যা বিভাগে শয্যা রয়েছে প্রায় ১৫০টি। জনসংখ্যার তুলনায় এ ব্যবস্থাপনা সীমিত।

জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক ডা. তৈয়বুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, মানসিক স্বাস্থ্যসেবার ঘাটতি কমাতে সেবার বিকেন্দ্রীকরণ জরুরি। বর্তমানে মূলত রাজধানী ও বিভাগীয় শহরগুলোতে এ সেবা পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সরকারি সেবা সম্প্রসারণ, সরকারি-বেসরকারি মেডিকেল কলেজে মনোরোগবিদ্যা বিভাগ প্রতিষ্ঠা এবং সংশ্লিষ্ট পেশাজীবীদের পদ সৃষ্টি করতে হবে। তিনি বলেন, অন্তত পাঁচ বছর পরপর জাতীয় জরিপ হওয়া উচিত। ২০১৯ সালের পর নতুন জরিপ না হওয়ায় দেশের মানুষের বর্তমান মানসিক স্বাস্থ্য পরিস্থিতি সুনির্দিষ্টভাবে জানা যাচ্ছে না।

বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সাইকিয়াট্রিস্টসের সদস্য সচিব অধ্যাপক ডা. নিজাম উদ্দিন গণমাধ্যমকে বলেন, সচেতনতার অভাব, ভুল ধারণা, দক্ষ জনবলের সংকট, অবকাঠামোগত সমস্যা ও অপর্যাপ্ত বাজেট মানসিক স্বাস্থ্যসেবার বড় বাধা। এসব কারণে অনেক রোগী অপচিকিৎসার শিকার হন। মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা প্রতিরোধে গুরুত্ব দেওয়ার পাশাপাশি চিকিৎসাসেবা সম্প্রসারণ, মেডিকেল কলেজে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা এবং বিশেষজ্ঞদের পদ সৃষ্টির বাধা দূর করা প্রয়োজন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, মানসিক স্বাস্থ্য বলতে শুধু মানসিক রোগকে বোঝায় না। মানুষের দৈনন্দিন জীবন, সম্পর্ক, কাজ, পড়াশোনা ও সামাজিক যোগাযোগের সঙ্গেও এটি গভীরভাবে জড়িত। পারিবারিক দ্বন্দ্ব, সম্পর্কের টানাপোড়েন, বেকারত্ব, আর্থিক সংকট, প্রিয়জনের মৃত্যু, বৈষম্য ও মাদকাসক্তি মানসিক চাপ বাড়াতে পারে। ইন্টারনেট ও মুঠোফোনে অতিরিক্ত সময় কাটানো, অনলাইন জুয়া এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আসক্তি নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে।

মানসিক কষ্টকে দুর্বলতা হিসেবে দেখা, চিকিৎসা নেওয়াকে লজ্জার বিষয় মনে করা কিংবা সময়ের সঙ্গে সমস্যা নিজে থেকেই সেরে যাবে বলে ধরে নেওয়ার প্রবণতায় অনেকেই সহায়তা চান না। অথচ বিষণ্ণতা, উদ্বেগ ও অন্যান্য মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তির যথাসময়ে চিকিৎসা ও পারিবারিক সহযোগিতা পাওয়া গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘস্থায়ী মানসিক সংকট আত্মহত্যার ঝুঁকিও বাড়াতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সচেতনতা বৃদ্ধি, দ্রুত শনাক্তকরণ এবং সহজলভ্য চিকিৎসার মাধ্যমে অনেক গুরুতর পরিস্থিতি প্রতিরোধ করা সম্ভব।

এবারের বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবসে তাই শুধু আক্রান্ত ব্যক্তিদের কথা শোনার আহ্বানই জানানো হচ্ছে না; তাদের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে বাস্তব পরিবর্তন আনার ওপরও জোর দেওয়া হচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার মধ্য দিয়ে যাওয়া মানুষকে শুধু নিজেদের অভিজ্ঞতা বলার সুযোগ দিলেই হবে না। নীতি প্রণয়ন, চিকিৎসাসেবা পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন ও মূল্যায়নেও তাঁদের অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে।

বাংলাদেশেও মানসিক স্বাস্থ্যসেবাকে হাসপাতালের গণ্ডি থেকে বের করে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, পরিবার ও স্থানীয় পর্যায়ে সম্প্রসারণের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরছেন বিশেষজ্ঞরা। পাশাপাশি সামাজিক কুসংস্কার দূর করা, দক্ষ জনবল বাড়ানো, পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ এবং নিয়মিত জাতীয় জরিপের মাধ্যমে পরিস্থিতি মূল্যায়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা সরকারের জনকল্যাণমুখী স্বাস্থ্যনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তার ভাষ্য, শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি মানসিক প্রশান্তি, সামাজিক নিরাপত্তা ও জীবনমানের উন্নয়নও সমান গুরুত্বপূর্ণ। মানসিক অসুস্থতাকে ঘিরে ভয়, লজ্জা, কুসংস্কার ও বৈষম্য দূর করতে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। মানসিক স্বাস্থ্যসেবাকে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে উপজেলা ও প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পর্যায়ে সেবার পরিধি বাড়ানো, দক্ষ জনবল তৈরি, কার্যকর রোগী পাঠানোর ব্যবস্থা এবং প্রযুক্তিনির্ভর পরামর্শসেবা সম্প্রসারণের ওপরও গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।

বিশ্বজুড়ে মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে ১৯৯২ সাল থেকে প্রতিবছর ১০ অক্টোবর বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস পালিত হচ্ছে। এবারের আয়োজনের মূল বার্তা—মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যায় আক্রান্ত মানুষের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা, তাদের অভিজ্ঞতাকে সম্মান করা এবং সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে চিকিৎসা ও সহায়তাব্যবস্থায় কার্যকর পরিবর্তন আনা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%