ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নড়াইলে ডাকাত দলের ৬ সদস্য গ্রেফতার, উদ্ধার লুণ্ঠিত স্বর্ণ


নড়াইলে ডাকাত দলের ৬ সদস্য গ্রেফতার, উদ্ধার লুণ্ঠিত স্বর্ণ

নড়াইলে সংঘটিত একটি ডাকাতির ঘটনায় তিন দিনের বিশেষ অভিযানের মধ্যে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের পাঁচ সদস্য এবং লুণ্ঠিত স্বর্ণ কেনার অভিযোগে এক স্বর্ণকারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এই সময় ডাকাতির ঘটনায় লুণ্ঠিত গলিত স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া ডাকাতরা নড়াইল এবং খুলনা বিভাগের বিভিন্ন জেলায় দীর্ঘদিন ধরে ডাকাতি করে আসছিল বলে তাদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে।

রোববার (৫ জুলাই) দুপুরে জেলা পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার (কালিয়া সার্কেল) রবিন হালদার গণমাধ্যমের কাছে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন জাকির মোল্লা ওরফে জেকের আলী (৪৮), জাকির হোসেন তালুকদার ওরফে কাটাপ্পা (৫৪), পারভেজ মৃধা ওরফে দারোগা (৩৬), মফিজ খাঁ (৩৮), দীন ইসলাম মোল্লা (৪২) এবং খুলনার রূপসা উপজেলার স্বর্ণকার সরজিৎ কর (৪৫)। তাদের মধ্যে প্রথম পাঁচজন ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য এবং সরজিৎ কর ডাকাতির লুণ্ঠিত স্বর্ণ কেনার অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

পুলিশ জানায়, গত ৮ জুন দিবাগত রাত প্রায় ২টার দিকে নড়াইলের নড়াগাতী থানার পহরডাঙ্গা ইউনিয়নের পাখিমারা (মধ্যপাড়া) গ্রামের বাসিন্দা সালাহ উদ্দীন খানের বাড়িতে সংঘবদ্ধ ডাকাত দল হানা দেয়। ডাকাতরা দেশীয় ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে সালাহ উদ্দীন খানের দুই হাত পিছনে বেঁধে ফেলে এবং হত্যার ভয় দেখিয়ে আলমারির চাবি ছিনিয়ে নেয়। পরে আলমারি খুলে নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুট করে। যাওয়ার সময় তারা সালাহ উদ্দীন খান এবং তার ছোট ছেলে আশিকুর রহমানকে হাত বাঁধা অবস্থায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।

একটি ডাকাতির ঘটনায় ভুক্তভোগী সালাহ উদ্দীন খান পরের দিন (৯ জুন) নড়াগাতী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার পর জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), সিসিআইসি ও নড়াগাতী থানার একাধিক টিম যৌথ অভিযান শুরু করে।

পুলিশ আরও জানায়, গ্রেফতার ব্যক্তিরা জিজ্ঞাসাবাদে নড়াগাতীর পাখিমারা গ্রামের ওই ডাকাতির ঘটনার সঙ্গে নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন। তারা বিভিন্ন সময় নড়াইল এবং খুলনা বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় ডাকাতির সাথে জড়িত থাকার কথাও জানিয়েছেন। ডাকাতির সময় তারা নিজেদের পরিচয় গোপন রাখতে বিভিন্ন ছদ্মনাম যেমন- কাটাপ্পা, দারোগা ব্যবহার করতেন।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, গ্রেফতার হওয়া কয়েকজনের বিরুদ্ধে আগে থেকেই একাধিক ডাকাতি ও চুরির মামলা রয়েছে। এর মধ্যে জাকির মোল্লা ওরফে জেকের আলীর বিরুদ্ধে খুলনা, বাগেরহাট এবং গোপালগঞ্জ জেলায় দুটি ডাকাতি এবং তিনটি চুরির মামলা রয়েছে। এছাড়া, পারভেজ মৃধা ওরফে দারোগার বিরুদ্ধে খুলনা এবং গোপালগঞ্জে তিনটি ডাকাতি ও একটি চুরির মামলা রয়েছে। জাকির হোসেন তালুকদার ওরফে কাটাপ্পার বিরুদ্ধে নড়াইল, গোপালগঞ্জ এবং খুলনায় তিনটি ডাকাতি এবং একটি চুরির মামলা রয়েছে। মফিজ খাঁর বিরুদ্ধে নড়াইল ও গোপালগঞ্জে দুটি ডাকাতি এবং একটি চুরির মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

আরও পড়ুন: একুশে বইমেলার তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৭ ঘোষণা

সহকারী পুলিশ সুপার (কালিয়া সার্কেল) রবিন হালদার জানিয়েছেন, গত ২ জুলাই থেকে ৪ জুলাই পর্যন্ত নড়াইল, খুলনা এবং গোপালগঞ্জ জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে এই চক্রের সদস্যদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গলিত অবস্থায় থাকা লুণ্ঠিত স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেফতার আসামিদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে এবং আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রটির সঙ্গে জড়িত অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুড়িগ্রামে সেলাই মেশিন বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:২৭ পি.এম


কুড়িগ্রামে সেলাই মেশিন বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত

কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদের অর্থায়নে অসহায় ও দরিদ্র নারীদের আত্মকর্মসংস্থান এবং আর্থিক স্বাবলম্বী নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নারীকে সেলাই প্রশিক্ষণের আওতায় সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারী ২০ জন নারীদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়। 

জেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে জেলার ২০ জন অসহায় ও দরিদ্র নারীকে প্রশিক্ষণ শেষে একটি করে সেলাই মেশিন প্রদান করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ। 

কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফিরুজুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে এসময় উপস্থিত ছিলেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) জয়ন্তী রানী, জেলা পরিষদের সহকারী প্রকৌশলী মো. আবু তালহা, উপসহকারী প্রকৌশলী মিজানুর রহমান, জেলা পরিষদের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং প্রশিক্ষণার্থীরা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গ্রাম ও পল্লী উন্নয়নকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৩২ পি.এম


গ্রাম ও পল্লী উন্নয়নকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

গ্রাম ও পল্লিকেই জাতীয় উন্নয়নের ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সোমবার (৬ জুলাই) উদ্‌যাপিত হতে যাওয়া ‘জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে রোববার (৫ জুলাই) দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ মন্তব্য করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি ন্যায়ভিত্তিক, অংশগ্রহণমূলক ও জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার উন্নয়নের মূলধারায় দেশের প্রতিটি মানুষকে সম্পৃক্ত করতে চায়। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে গ্রাম ও পল্লিকেই জাতীয় উন্নয়নের ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। কারণ, উন্নত পল্লি ছাড়া সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব নয়। সেই লক্ষ্যকে আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যয়ে দেশে প্রথমবারের মতো ‘জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬’ উদ্‌যাপন একটি সময়োপযোগী উদ্যোগ।

এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য ‘উন্নত পল্লি, সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ সরকারের উন্নয়ন দর্শন, জনগণের প্রত্যাশা এবং আমাদের ভবিষ্যৎ অভিযাত্রার সঙ্গে গভীরভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যোগ করেন তিনি।

তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি, সংস্কৃতি ও সামাজিক জীবনের প্রাণকেন্দ্র হচ্ছে আমাদের পল্লি। দেশের প্রায় ৬৮ শতাংশ মানুষ গ্রামে বসবাস করে এবং কৃষি, ক্ষুদ্র উদ্যোগ, কুটিরশিল্প ও স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে জাতীয় উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। তাই পল্লি উন্নয়ন কেবল একটি খাতভিত্তিক কর্মসূচি নয়; বরং একটি সমৃদ্ধ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই বাংলাদেশ বিনির্মাণের অন্যতম প্রধান ভিত্তি।

তিনি উল্লেখ করেন, গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জীবনমানের উন্নয়ন, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং স্থানীয় সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহারের মধ্য দিয়েই দেশের সামগ্রিক উন্নয়নকে আরও গতিশীল ও স্থায়ী করা সম্ভব।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দেশ পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের পর ১৯৭৭ সালে ১৯ দফা কর্মসূচি ঘোষণার মাধ্যমে জাতীয় উন্নয়নের একটি সুদূরপ্রসারী রূপরেখা প্রণয়ন করেন। এ কর্মসূচির অন্যতম প্রধান লক্ষ্য ছিল কৃষি উন্নয়নের মাধ্যমে গ্রামীণ ও জাতীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করা, সমাজে নারীর মর্যাদা প্রতিষ্ঠা, যুবসমাজকে সুসংগঠিত করা, প্রশাসন ও উন্নয়ন কার্যক্রম বিকেন্দ্রীকরণ, স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করা এবং খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন।

পাশাপাশি কৃষক সংগঠন গঠন, সমবায়ভিত্তিক কার্যক্রম সম্প্রসারণ, খাল খনন, সেচ ও কৃষি অবকাঠামো উন্নয়ন, গ্রামীণ কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং তৃণমূল জনগণকে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে প্রবর্তিত ‘গ্রাম সরকার ব্যবস্থা’ দেশের স্থানীয় উন্নয়ন কার্যক্রমকে নতুন গতি ও প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি প্রদান করে, জানান তারেক রহমান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান কর্তৃক গৃহীত বিস্তৃত উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ধারাবাহিকতায় তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শাসনামলে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং দারিদ্র্য বিমোচনকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। তার সময়কালে গ্রামীণ সড়ক, সেতু ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, কৃষি উপকরণ সহজলভ্য করা, সেচ ব্যবস্থার সম্প্রসারণ, কৃষি ঋণ মওকুফ এবং ক্ষুদ্র ঋণ ও আয়বর্ধক কার্যক্রমে সহায়তার মাধ্যমে পল্লি অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। এসব কার্যক্রম পল্লি অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক গতিশীলতায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।

বাণীতে বলা হয়, একটি জবাবদিহিমূলক, ন্যায়ভিত্তিক ও জনকল্যাণমুখী শাসনব্যবস্থার প্রত্যয়ে দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় পর স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রপ্রিয় জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটেছে বর্তমান নির্বাচিত সরকারের মাধ্যমে। সরকার এরই মধ্যে জাতীয় প্রতিশ্রুতি (নির্বাচনি ইশতেহার-২০২৬) বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে পল্লির দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড, খাল পুনঃখনন, কৃষি ঋণ মওকুফ, পল্লি অবকাঠামো উন্নয়ন এবং নারী ও যুবসমাজের দক্ষতা বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই পল্লি গড়ে তুলতে আমি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সব দপ্তর-সংস্থা এবং পল্লি উন্নয়নে নিয়োজিত সব অংশীজনের প্রতি নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যাওয়ার আহ্বান জানাই। আমি বিশ্বাস করি, সরকারের পাশাপাশি জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ, উদ্ভাবনী উদ্যোগ এবং সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমাদের পল্লি হবে আরও আধুনিক, উৎপাদনশীল ও সমৃদ্ধ; আর সেই সমৃদ্ধ পল্লিই গড়ে তুলবে একটি উন্নত, আত্মমর্যাদাশীল ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ।

পরিশেষে, ‘জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে গৃহীত সব কর্মসূচির সার্বিক সফলতা কামনা করাসহ এ উপলক্ষে পল্লিবাসী সব জনগণকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান তিনি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিডনির হান্ড্রেড লিগের শিরোপা জিতল কুমিল্লা স্টার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৩৪ পি.এম


সিডনির হান্ড্রেড লিগের শিরোপা জিতল কুমিল্লা স্টার

দারুণ উত্তেজনার ম্যাচের মধ্যে চিটাগং কিংসকে পরাজিত করে বাংলা হান্ড্রেড লিগের প্রথম আসরের শিরোপা জিতলো কুমিল্লা সুপারস্টার। এই শ্বাসরুদ্ধকর ফাইনালে প্রতিযোগী কুমিল্লা, মাত্র ১ বল বাকি থাকতে ৫ উইকেটের দারুণ জয় নিয়ে শিরোপা উদযাপনে মাতে।

সিডনির পিটার মিলার পার্কে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে চিটাগং প্রথমে টস হারিয়ে ব্যাটিং শুরু করে। একশ বলের এই টুর্নামেন্টের শুরুটা তাদের জন্য মনের মতো হয়নি। ওপেনার মিরাজুল অপু দ্রুত আউট হয়ে যান। কিন্তু অধিনায়ক কৌরব আক্তার দলের জন্য রানের গতি বজায় রাখতে বাউন্ডারি এবং ওভার বন্ডারির মাধ্যমে চেষ্টা চালান।

কৌরবের ৮ বার বাউন্ডারি এবং তিন ওভার বাউন্ডারির সাহায্যে তিনি ৪২ বলে ৭৬ রানের ইনিংস খেলে চিটাগংকে ১৪২ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোরে পৌঁছাতে সাহায্য করেন। এই স্কোর টুর্নामেন্টে চিটাগংকে স্বপ্ন দেখায়।

কিন্তু কুমিল্লার দুই ওপেনার লাবিব এবং ইফতি তাদের সেই স্বপ্ন ভঙ্গ করে দেন। ৬০ রানের ডিউটি করে লাবিব ব্যক্তিগত ২৮ রানে আউট হন। তবে, ইফতি মূলত তার ৩০ বলে ৬৬ রান করে কুমিল্লার জয় সহজ করে দেন। শেষ ১১ বলে কুমিল্লা দ্রুত ৩ উইকেট হারালেও, ৫ বল বাকি থাকতে বাংলা হান্ড্রেড লিগের শিরোপা উদযাপনে মেতে ওঠেন কুমিল্লার ক্রিকেটাররা।

ফাইনালে ৩০ বলে ৬৬ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলে ‘ম্যান অব দ্য ফাইনাল’ পুরস্কার জিতে নেন মেহেদী হাসান ইফতি। পুরো টুর্নামেন্টে ১০ উইকেট শিকার করে সর্বোচ্চ উইকেট সংগ্রাহকের পুরস্কার লাভ করেছেন কুমিল্লা সুপার স্টারসের অধিনায়ক তানজিলুর রহমান।

এছাড়াও, দুর্দান্ত অলরাউন্ড পারফরম্যান্সের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ‘ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্ট’ পুরস্কারও জিতেছেন। সেরা ব্যাটার হয়েছেন কৌরব আক্তার। আয়োজকদের আগামী বছরের মার্চে বাংলা হান্ড্রেড লিগের দ্বিতীয় আসর শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে।

এদিকে, বিশেষ অতিথি হিসেবে খেলোয়াড়দের মাঝে পুরস্কার তুলে দেন প্রপার্টি ওয়ানের প্রিন্সিপাল সিকদার এবং উজেএস-এর নাজমুল খান ও সেলিম রেজা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নাটোরে স্কুলের ছাত্রীকে তুলে নিয়ে যৌন হয়রানি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৪১ পি.এম


নাটোরে স্কুলের ছাত্রীকে তুলে নিয়ে যৌন হয়রানি

নাটোরের সিংড়ায় ঘটে কয়েকটি ঘটনায়, যখন একটি ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীর বাড়ি ফেরার সময় তাকে তুলে নিয়ে যৌন হয়রানির ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয়রা জানান, এ সময় তারা অভিযুক্ত যুবককে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার (৫ জুলাই) দুপুরের সময়, টিফিন বিরতির সুযোগে সিংড়া পৌর শহরের বালুয়া বাসুয়া এলাকার ওই ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী স্কুল থেকে বাড়ির দিকে ফিরছিল। ঠিক তখন চৌগ্রাম এলাকার গৌতম নামের এক যুবক তাকে জোরপূর্বক টেনে নিয়ে একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে নিয়ে যায় এবং সেখানে যৌন নির্যাতনের চেষ্টা করে।

ছাত্রীটি নিজের প্রতিরোধ করতে গিয়ে অভিযুক্ত যুবককে কামড় দেয় এবং তখনই সে চিৎকার করতে করতে দৌড়ে বেরিয়ে আসে। এরপর স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্ত যুবককে আটক করে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে।

এই ঘটনার পরে সিংড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ তৎক্ষণাত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং অভিযুক্ত যুবককে আটক করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়। আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%