ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কুড়িগ্রামে সেলাই মেশিন বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত


কুড়িগ্রামে সেলাই মেশিন বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত

কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদের অর্থায়নে অসহায় ও দরিদ্র নারীদের আত্মকর্মসংস্থান এবং আর্থিক স্বাবলম্বী নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নারীকে সেলাই প্রশিক্ষণের আওতায় সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারী ২০ জন নারীদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়। 

জেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে জেলার ২০ জন অসহায় ও দরিদ্র নারীকে প্রশিক্ষণ শেষে একটি করে সেলাই মেশিন প্রদান করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ। 

কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফিরুজুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে এসময় উপস্থিত ছিলেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) জয়ন্তী রানী, জেলা পরিষদের সহকারী প্রকৌশলী মো. আবু তালহা, উপসহকারী প্রকৌশলী মিজানুর রহমান, জেলা পরিষদের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং প্রশিক্ষণার্থীরা।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গ্রাম ও পল্লী উন্নয়নকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৩২ পি.এম


গ্রাম ও পল্লী উন্নয়নকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

গ্রাম ও পল্লিকেই জাতীয় উন্নয়নের ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সোমবার (৬ জুলাই) উদ্‌যাপিত হতে যাওয়া ‘জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে রোববার (৫ জুলাই) দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ মন্তব্য করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি ন্যায়ভিত্তিক, অংশগ্রহণমূলক ও জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার উন্নয়নের মূলধারায় দেশের প্রতিটি মানুষকে সম্পৃক্ত করতে চায়। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে গ্রাম ও পল্লিকেই জাতীয় উন্নয়নের ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। কারণ, উন্নত পল্লি ছাড়া সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব নয়। সেই লক্ষ্যকে আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যয়ে দেশে প্রথমবারের মতো ‘জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬’ উদ্‌যাপন একটি সময়োপযোগী উদ্যোগ।

এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য ‘উন্নত পল্লি, সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ সরকারের উন্নয়ন দর্শন, জনগণের প্রত্যাশা এবং আমাদের ভবিষ্যৎ অভিযাত্রার সঙ্গে গভীরভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যোগ করেন তিনি।

তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি, সংস্কৃতি ও সামাজিক জীবনের প্রাণকেন্দ্র হচ্ছে আমাদের পল্লি। দেশের প্রায় ৬৮ শতাংশ মানুষ গ্রামে বসবাস করে এবং কৃষি, ক্ষুদ্র উদ্যোগ, কুটিরশিল্প ও স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে জাতীয় উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। তাই পল্লি উন্নয়ন কেবল একটি খাতভিত্তিক কর্মসূচি নয়; বরং একটি সমৃদ্ধ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই বাংলাদেশ বিনির্মাণের অন্যতম প্রধান ভিত্তি।

তিনি উল্লেখ করেন, গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জীবনমানের উন্নয়ন, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং স্থানীয় সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহারের মধ্য দিয়েই দেশের সামগ্রিক উন্নয়নকে আরও গতিশীল ও স্থায়ী করা সম্ভব।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দেশ পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের পর ১৯৭৭ সালে ১৯ দফা কর্মসূচি ঘোষণার মাধ্যমে জাতীয় উন্নয়নের একটি সুদূরপ্রসারী রূপরেখা প্রণয়ন করেন। এ কর্মসূচির অন্যতম প্রধান লক্ষ্য ছিল কৃষি উন্নয়নের মাধ্যমে গ্রামীণ ও জাতীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করা, সমাজে নারীর মর্যাদা প্রতিষ্ঠা, যুবসমাজকে সুসংগঠিত করা, প্রশাসন ও উন্নয়ন কার্যক্রম বিকেন্দ্রীকরণ, স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করা এবং খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন।

পাশাপাশি কৃষক সংগঠন গঠন, সমবায়ভিত্তিক কার্যক্রম সম্প্রসারণ, খাল খনন, সেচ ও কৃষি অবকাঠামো উন্নয়ন, গ্রামীণ কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং তৃণমূল জনগণকে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে প্রবর্তিত ‘গ্রাম সরকার ব্যবস্থা’ দেশের স্থানীয় উন্নয়ন কার্যক্রমকে নতুন গতি ও প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি প্রদান করে, জানান তারেক রহমান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান কর্তৃক গৃহীত বিস্তৃত উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ধারাবাহিকতায় তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শাসনামলে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং দারিদ্র্য বিমোচনকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। তার সময়কালে গ্রামীণ সড়ক, সেতু ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, কৃষি উপকরণ সহজলভ্য করা, সেচ ব্যবস্থার সম্প্রসারণ, কৃষি ঋণ মওকুফ এবং ক্ষুদ্র ঋণ ও আয়বর্ধক কার্যক্রমে সহায়তার মাধ্যমে পল্লি অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। এসব কার্যক্রম পল্লি অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক গতিশীলতায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।

বাণীতে বলা হয়, একটি জবাবদিহিমূলক, ন্যায়ভিত্তিক ও জনকল্যাণমুখী শাসনব্যবস্থার প্রত্যয়ে দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় পর স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রপ্রিয় জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটেছে বর্তমান নির্বাচিত সরকারের মাধ্যমে। সরকার এরই মধ্যে জাতীয় প্রতিশ্রুতি (নির্বাচনি ইশতেহার-২০২৬) বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে পল্লির দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড, খাল পুনঃখনন, কৃষি ঋণ মওকুফ, পল্লি অবকাঠামো উন্নয়ন এবং নারী ও যুবসমাজের দক্ষতা বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই পল্লি গড়ে তুলতে আমি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সব দপ্তর-সংস্থা এবং পল্লি উন্নয়নে নিয়োজিত সব অংশীজনের প্রতি নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যাওয়ার আহ্বান জানাই। আমি বিশ্বাস করি, সরকারের পাশাপাশি জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ, উদ্ভাবনী উদ্যোগ এবং সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমাদের পল্লি হবে আরও আধুনিক, উৎপাদনশীল ও সমৃদ্ধ; আর সেই সমৃদ্ধ পল্লিই গড়ে তুলবে একটি উন্নত, আত্মমর্যাদাশীল ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ।

পরিশেষে, ‘জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে গৃহীত সব কর্মসূচির সার্বিক সফলতা কামনা করাসহ এ উপলক্ষে পল্লিবাসী সব জনগণকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান তিনি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিডনির হান্ড্রেড লিগের শিরোপা জিতল কুমিল্লা স্টার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৩৪ পি.এম


সিডনির হান্ড্রেড লিগের শিরোপা জিতল কুমিল্লা স্টার

দারুণ উত্তেজনার ম্যাচের মধ্যে চিটাগং কিংসকে পরাজিত করে বাংলা হান্ড্রেড লিগের প্রথম আসরের শিরোপা জিতলো কুমিল্লা সুপারস্টার। এই শ্বাসরুদ্ধকর ফাইনালে প্রতিযোগী কুমিল্লা, মাত্র ১ বল বাকি থাকতে ৫ উইকেটের দারুণ জয় নিয়ে শিরোপা উদযাপনে মাতে।

সিডনির পিটার মিলার পার্কে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে চিটাগং প্রথমে টস হারিয়ে ব্যাটিং শুরু করে। একশ বলের এই টুর্নামেন্টের শুরুটা তাদের জন্য মনের মতো হয়নি। ওপেনার মিরাজুল অপু দ্রুত আউট হয়ে যান। কিন্তু অধিনায়ক কৌরব আক্তার দলের জন্য রানের গতি বজায় রাখতে বাউন্ডারি এবং ওভার বন্ডারির মাধ্যমে চেষ্টা চালান।

কৌরবের ৮ বার বাউন্ডারি এবং তিন ওভার বাউন্ডারির সাহায্যে তিনি ৪২ বলে ৭৬ রানের ইনিংস খেলে চিটাগংকে ১৪২ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোরে পৌঁছাতে সাহায্য করেন। এই স্কোর টুর্নामেন্টে চিটাগংকে স্বপ্ন দেখায়।

কিন্তু কুমিল্লার দুই ওপেনার লাবিব এবং ইফতি তাদের সেই স্বপ্ন ভঙ্গ করে দেন। ৬০ রানের ডিউটি করে লাবিব ব্যক্তিগত ২৮ রানে আউট হন। তবে, ইফতি মূলত তার ৩০ বলে ৬৬ রান করে কুমিল্লার জয় সহজ করে দেন। শেষ ১১ বলে কুমিল্লা দ্রুত ৩ উইকেট হারালেও, ৫ বল বাকি থাকতে বাংলা হান্ড্রেড লিগের শিরোপা উদযাপনে মেতে ওঠেন কুমিল্লার ক্রিকেটাররা।

ফাইনালে ৩০ বলে ৬৬ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলে ‘ম্যান অব দ্য ফাইনাল’ পুরস্কার জিতে নেন মেহেদী হাসান ইফতি। পুরো টুর্নামেন্টে ১০ উইকেট শিকার করে সর্বোচ্চ উইকেট সংগ্রাহকের পুরস্কার লাভ করেছেন কুমিল্লা সুপার স্টারসের অধিনায়ক তানজিলুর রহমান।

এছাড়াও, দুর্দান্ত অলরাউন্ড পারফরম্যান্সের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ‘ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্ট’ পুরস্কারও জিতেছেন। সেরা ব্যাটার হয়েছেন কৌরব আক্তার। আয়োজকদের আগামী বছরের মার্চে বাংলা হান্ড্রেড লিগের দ্বিতীয় আসর শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে।

এদিকে, বিশেষ অতিথি হিসেবে খেলোয়াড়দের মাঝে পুরস্কার তুলে দেন প্রপার্টি ওয়ানের প্রিন্সিপাল সিকদার এবং উজেএস-এর নাজমুল খান ও সেলিম রেজা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নাটোরে স্কুলের ছাত্রীকে তুলে নিয়ে যৌন হয়রানি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৪১ পি.এম


নাটোরে স্কুলের ছাত্রীকে তুলে নিয়ে যৌন হয়রানি

নাটোরের সিংড়ায় ঘটে কয়েকটি ঘটনায়, যখন একটি ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীর বাড়ি ফেরার সময় তাকে তুলে নিয়ে যৌন হয়রানির ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয়রা জানান, এ সময় তারা অভিযুক্ত যুবককে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার (৫ জুলাই) দুপুরের সময়, টিফিন বিরতির সুযোগে সিংড়া পৌর শহরের বালুয়া বাসুয়া এলাকার ওই ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী স্কুল থেকে বাড়ির দিকে ফিরছিল। ঠিক তখন চৌগ্রাম এলাকার গৌতম নামের এক যুবক তাকে জোরপূর্বক টেনে নিয়ে একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে নিয়ে যায় এবং সেখানে যৌন নির্যাতনের চেষ্টা করে।

ছাত্রীটি নিজের প্রতিরোধ করতে গিয়ে অভিযুক্ত যুবককে কামড় দেয় এবং তখনই সে চিৎকার করতে করতে দৌড়ে বেরিয়ে আসে। এরপর স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযুক্ত যুবককে আটক করে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে।

এই ঘটনার পরে সিংড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে পুলিশ তৎক্ষণাত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং অভিযুক্ত যুবককে আটক করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়। আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সীমান্তে সংঘাত বাড়ায় জীবিকার সংকটে বাংলাদেশিরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:১৬ পি.এম


সীমান্তে সংঘাত বাড়ায় জীবিকার সংকটে বাংলাদেশিরা

মিয়ানমারের অভ্যন্তরে নতুন করে জান্তা বাহিনী ও আরাকান আর্মির মধ্যে তীব্র সংঘাত শুরু হওয়ায়, বাংলাদেশ সীমান্ত পরিস্থিতি বর্তমানে স্বাভাবিক থাকলেও কাটেনি সীমান্তবাসীর আতঙ্ক। নিরাপত্তাজনিত কারণে নাফ নদীতে মাছ ধরা বন্ধ থাকায়, জীবিকার একমাত্র পথ হারিয়ে চরম সংকটে পড়েছেন টেকনাফের কয়েক হাজার জেলে। এদিকে, নতুন করে যেকোনো ধরনের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে স্থল ও জলসীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বিজিবি ও কোস্ট গার্ড।

রোববার (৫ জুলাই) দুপুরে সরেজমিনে টেকনাফের নাইট্যংপাড়া সীমান্তে গিয়ে দেখা যায়, নাফ নদীর তীরে সারি সারি মাছ ধরার ট্রলার ও নৌকা নোঙর করে রাখা হয়েছে। গভীর নদীতে যাওয়ার অনুমতি না পেয়ে, অনেকে তীরের কাছাকাছি মাছ ধরার চেষ্টা করছেন, তবে তাতে আশানুরূপ মাছ মিলছে না।

নাইট্যংপাড়ার জেলে আব্দুল মালেক বলেন, 'টেকনাফ সীমান্তবর্তী মিয়ানমারে আবারও গোলাগুলি শুরু হওয়ায় নিরাপত্তার কারণে আমাদের নদীতে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। এতে মাছ ধরার ওপর নির্ভরশীল শত শত জেলে পরিবার চরম দুর্ভোগে পড়েছে। দুই দিন আগেও ওপারে ভারী গোলাগুলি ও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।'

সৈয়দ হোসেন নামের আরেক জেলে জানান, মিয়ানমারে চলমান গোলাগুলি ও বিমান হামলার কারণে তারা চরম অনিশ্চয়তা ও ভয়ের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। তারা দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে নিরাপদে মাছ ধরার অনুমতি দেওয়ার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানান।

সীমান্ত সূত্র জানায়, গত বুধবার টেকনাফ সীমান্তঘেঁষা মিয়ানমারের অভ্যন্তরে বিমান হামলা চালায় দেশটির জান্তা বাহিনী। এরপর থেকে ওপারের রাখাইন রাজ্যে থেমে থেমে চলছে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ। ওপারে সংঘাতের প্রভাব যেন এপারে না পড়ে, সেজন্য কোনো ঝুঁকি নিতে চাচ্ছে না বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও নাফ নদীতে টহল ও নজরদারি জোরদার করেছে কোস্ট গার্ড। একইভাবে স্থলসীমান্তে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বিজিবি।

টেকনাফ কোস্ট গার্ড স্টেশনের কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কমান্ডার আরাফাত হোসেন বলেন, 'মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সংঘর্ষের বিষয়ে কোস্ট গার্ড সার্বক্ষণিক অবগত রয়েছে। সম্ভাব্য রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ও যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় নাফ নদী ও সীমান্তবর্তী জলসীমায় টহল, গোয়েন্দা নজরদারি এবং ড্রোন পর্যবেক্ষণ জোরদার করা হয়েছে। দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কোস্ট গার্ড ২৪ ঘণ্টা প্রস্তুত রয়েছে।' তিনি সীমান্তবাসীকে আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন।

বিজিবির রামু সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মোহাম্মদ মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, 'সীমান্তের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বিজিবির সদস্যরা সর্বোচ্চ সতর্কতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। এখন পর্যন্ত নতুন করে কোনো অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটেনি।'

উল্লেখ্য, মিয়ানমারের রাখাইনে নতুন করে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার পর টেকনাফের পাশাপাশি বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তেও বিজিবি তাদের টহল ও নজরদারি জোরদার করেছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%