ঢাকা শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৮ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নাইজেরিয়ায় প্রথম ইবোলা আক্রান্তের ভাইরাসের কেনিয়ার ভাইরাসের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ মিল


নাইজেরিয়ায় প্রথম ইবোলা আক্রান্তের ভাইরাসের কেনিয়ার ভাইরাসের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ মিল

ঢাকা, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬ : নাইজেরিয়ায় প্রথমবারের মতো শনাক্ত হওয়া ইবোলা আক্রান্ত রোগীর শরীরে পাওয়া ভাইরাসের জিনগত গঠন কেনিয়ায় প্রথম শনাক্ত রোগীর ভাইরাসের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত। শুক্রবার এই তথ্য প্রকাশ করেছেন নাইজেরিয়ার স্বাস্থ্যমন্ত্রী, যা জিনগত পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে জানা গেছে।

মঙ্গলবার নাইজেরিয়ায় প্রথম ইবোলা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হওয়ার খবরটি জানানো হয়।

রোগীটি সুইজারল্যান্ডের আবুজায় অবস্থিত দূতাবাসের এক কর্মীর স্ত্রী। তিনি ৩ অক্টোবর উগান্ডা থেকে দেশে ফিরে আসার পর আক্রান্ত হন।

আরও পড়ুন: এআইয়ের ঝুঁকি মোকাবিলায় যুক্তরাজ্যের আরও অর্থ বরাদ্দের ঘোষণা

সুইজারল্যান্ডের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শুক্রবার জানায়, ওই নারী গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র (ডিআর কঙ্গো) সফর করেননি।

তবে উগান্ডা সরকারের পক্ষ থেকে আগের তথ্য ভিন্ন ইঙ্গিত প্রদান করেছিল। বর্তমানে ডিআর কঙ্গোতেই ইবোলার প্রাদুর্ভাবের কেন্দ্রস্থল অবস্থিত।

আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ ওই নারীর সংক্রমণের উৎস চিহ্নিত করার চেষ্টা করছে। আফ্রিকা সেন্টার্স ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (আফ্রিকা সিডিসি) পূর্বে ধারণা দিয়েছিল, বিমানবন্দরে কেনিয়ায় শনাক্ত প্রথম ইবোলা রোগীর সংস্পর্শে এসে তিনি আক্রান্ত হয়ে থাকতে পারেন। ওই রোগীও একই দিনে উগান্ডা থেকে বিমানে যাত্রা করেছিলেন।

জিনগত বিশ্লেষণের ফলাফল তুলে ধরে নাইজেরিয়ার স্বাস্থ্যমন্ত্রী মুহাম্মদ আলী পাতে সাংবাদিকদের বলেন, ‘নাইজেরিয়ার রোগীর ভাইরাসটি কেনিয়ায় শনাক্ত প্রথম রোগীর ভাইরাসের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত বলে মনে হচ্ছে।’

আরও পড়ুন: ইতালির রোম ও মিলানে বিক্ষোভের জন্য কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা

তিনি আরও বলেন, ‘কেনিয়ার ওই প্রথম রোগীর এমন কোনো ভ্রমণের প্রমাণ পাওয়া যায়নি, যা তার সঙ্গে নাইজেরিয়ার রোগীর সংযোগ প্রতিষ্ঠা করে। তবে ভাইরাস দুটির মধ্যে মিল পাওয়া যাচ্ছে।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টেও জানান, নাইজেরিয়ার রোগীর ভাইরাসটি কেনিয়ায় শনাক্ত ভাইরাসের সঙ্গে ‘অত্যন্ত সাদৃশ্যপূর্ণ’।

ডিআর কঙ্গো, উগান্ডা ও কেনিয়ার পর নাইজেরিয়া হলো আফ্রিকার চতুর্থ দেশ, যেখানে বান্দিবুগিও প্রজাতির ইবোলা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শনাক্ত হয়েছে।

গত মে মাসে ডিআর কঙ্গোর উত্তর-পূর্বাঞ্চলে নতুন করে প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ার পর প্রাণঘাতী এই ভাইরাসজনিত রক্তক্ষরণজনিত রোগটি প্রতিবেশী উগান্ডায় ছড়িয়ে পড়ে।

আরও পড়ুন: ওলেশকিতে মঙ্গলবার রাত ১টা থেকে যুদ্ধবিরতি পালন করবে ইউক্রেনের সেনাবাহিনী

উগান্ডায় প্রাদুর্ভাব আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ ঘোষণা করার আগে সেখানে ২০ জনের সংক্রমণ নিশ্চিত হয়েছিল। তাদের মধ্যে দুজনের মৃত্যু ঘটে। আগস্টে দেশটিতে প্রাদুর্ভাবের অবসান ঘোষণা করা হয়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) ২০ অক্টোবর পর্যন্ত প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এই মহামারিতে নিশ্চিত আক্রান্তের সংখ্যা ৯ হাজার ৭০০ ছাড়িয়েছে। এ পর্যন্ত মারা গেছেন ৪ হাজার ৬৯০ জন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাবিতে প্রতি শনিবার পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু করবে ছাত্রদল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৩৮ পি.এম


ঢাবিতে প্রতি শনিবার পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু করবে ছাত্রদল

ঢাকা, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬ : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে দুর্গাপূজার ছুটির পর থেকে প্রতি শনিবার ‘ক্যাম্পাস ক্লিনিং ডে’ নামে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনার উদ্যোগ নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল।

শুক্রবার, ঢাবি ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক মল্লিক ওয়াসি উদ্দিন তামী স্বাক্ষরিত একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, দেশের সবুজায়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ ও পরিচ্ছন্নতার ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিশেষ দৃষ্টি রয়েছে। এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য ‘গ্রিন অ্যান্ড ক্লিন ক্যাম্পাস ফার্স্ট’ এবং ‘পরিচ্ছন্নতার অভ্যাস করি, প্রাণবন্ত ক্যাম্পাস গড়ি’ শীর্ষক প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে এই কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

এই কর্মসূচির আওতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের হল শাখাসহ সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করবেন।

এছাড়া, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীসহ সকলকে সবুজায়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ ও পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে সচেতন, উৎসাহিত ও সম্পৃক্ত করার জন্য তারা বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করবেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় এবং সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপন এ কর্মসূচির অনুমোদন প্রদান করেন। তারা সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের নির্দেশনা দেন, যেন তারা নিজেদের পরিবার থেকে শুরু করে ক্যাম্পাসের সহপাঠী ও পরিচিতজনদের মধ্যে সবুজ ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ গড়ার বার্তা ছড়িয়ে দিতে সর্বোচ্চ সক্রিয় থাকেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রাথমিক ও মাধ্যমিকে যুক্ত হচ্ছে নতুন ৪ পাঠ্যবই, হাতে-কলমে শেখার সুযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৩৮ পি.এম


প্রাথমিক ও মাধ্যমিকে যুক্ত হচ্ছে নতুন ৪ পাঠ্যবই, হাতে-কলমে শেখার সুযোগ

নাজিউর রহমান সোহেল

ঢাকা, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬ : দেশের প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থার পরীক্ষাকেন্দ্রিক মানসিকতা ও গতানুগতিক মুখস্থবিদ্যা থেকে শিক্ষার্থীদের বের করে এনে আরও বেশি আনন্দময়, জীবনমুখী ও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে দক্ষ করে গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের দুই শ্রেণিতে নতুন চারটি ভিন্নমাত্রার পাঠ্যবই অন্তর্ভুক্ত হতে যাচ্ছে।

শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ, নীতি-নৈতিকতা, সৃজনশীল চিন্তাশক্তি এবং বাস্তবমুখী কর্মদক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বইগুলো তৈরি করেছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)। বইগুলো হলো- চতুর্থ শ্রেণির জন্য ‘খেলাধুলা’ ও ‘বাংলাদেশের সংস্কৃতি’ এবং ষষ্ঠ শ্রেণির জন্য ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ ও ‘আমার কারিগরি শিক্ষা’ বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বহু দশকের রূপকল্প, বহুমুখী গবেষণা ও নির্দেশনার আলোকে এনসিটিবি এই নতুন চার পাঠ্যপুস্তক শিক্ষাক্রমে অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে, যা শিক্ষাব্যবস্থাকে আনন্দময়, বাস্তবমুখী ও নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন করে তুলবে।

এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসস’কে বলেন, ‘রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁর দীর্ঘ দিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার আলোকে বহুমুখী পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন। এরই অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা ক্ষেত্রেও প্রয়োজনীয় সংস্কারে মনোনিবেশ করেন। শিক্ষাব্যবস্থাকে আনন্দময়, বাস্তবমুখী ও নৈতিক মূল্যবোধসম্পন্ন করে তুলতে দীর্ঘ বছর উনি (প্রধানমন্ত্রী) কাজ করেছেন। প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে যে চিন্তাধারা, অভিজ্ঞতা ও গবেষণা পরিচালনা করেছেন- তারই বহিঃপ্রকাশ হিসেবে পাঠ্যক্রমে যুক্ত করা হচ্ছে নতুন এই বইগুলো।’

তিনি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর সাথে গত ১৫ বছর এ বিষয়ে আমি নিজে কাজ করে যেটা বুঝেছি— উনি চান শিক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মাঝে মানবিক মূল্যবোধ, সামাজিক শিষ্টাচার, পারিবারিক সংস্কৃতি ও সুনাগরিকের গুণাবলি তৈরি হবে। পাশাপাশি শিক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে কর্মসংস্থান তৈরি হবে। যার কারণে নির্বাচনে জয়ী হয়ে আসার পর প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় এই কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার জন্য এনসিটিবিকে সম্পৃক্ত করা হয়। এর অধীনে এনসিটিবি একটি টিম গঠন করে, যেখানে এসব পলিসি প্রণয়নে যারা প্রধানমন্ত্রীকে সহযোগিতা করেছেন, তাদেরকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। পাশাপাশি আরও অনেক বরেণ্য শিক্ষাবিদ আছেন, যারা বিভিন্ন পর্যায়ে শিক্ষা কার্যক্রমের সাথে জড়িত; তারা প্রধানমন্ত্রীর রূপকল্পটাকে বাস্তবায়নের জন্য ধারাবাহিকভাবে কনসালটেশন এবং মিটিং করেন।’

এনসিটিবি সংশ্লিষ্টরা জানান, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী আনন্দ, খেলাধুলা, সংস্কৃতির মেলবন্ধন এবং হাতে-কলমে কারিগরি দক্ষতানির্ভর পাঠ্যপুস্তক প্রণীত হয়েছে। এই নতুন পাঠ্যপুস্তক বদলে দেবে নতুন প্রজন্মের শিখন পদ্ধতি ও অভিজ্ঞতা। আগামীকাল ২৫ অক্টোবর জাতীয় শিক্ষাক্রম সমন্বয় কমিটি (এনসিসি) সভায় বইগুলো চূড়ান্ত অনুমোদন পাবে। এনসিটিবি জানিয়েছে, চারটি বইয়ের প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ কপি বই মুদ্রণ করা হবে।

এ বিষয়ে এনসিটিবির চেয়ারম্যান প্রফেসর মোহাম্মদ ফখরুল মাওলা রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসস’কে বলেন, ‘নতুন চারটি পাঠ্যপুস্তকের পাণ্ডুলিপি প্রণয়ন ও ভ্যালিডেশন কাজ ইতোমধ্যে সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। ২৫ অক্টোবর এনসিসির সভায় অনুমোদনের পরই কন্টেন্টগুলো মুদ্রণের জন্য প্রেসে পাঠানো হবে।’

এনসিটিবি জানায়, গত ১২ জুলাই আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে চার মন্ত্রণালয়ের উচ্চপর্যায়ের কর্মশালায় বইগুলোর রূপরেখা উপস্থাপনের পর বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষাবিদদের সমন্বয়ে চূড়ান্ত পাণ্ডুলিপি তৈরি করা হয়।

এনসিটিবির সদস্য (পাঠ্যপুস্তক) প্রফেসর মোহাম্মাদ আবু নাসের টুকু বাসস’কে জানান, নতুন চার বই মুদ্রণের জন্য সব প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। এনসিসি কমিটির চূড়ান্ত অনুমোদনের পর আগামী ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রায় দেড় কোটি কপি বই মুদ্রণ কাজ শেষ হবে বলে আশা করছি।

খেলাধুলা: সুস্থ জীবনধারা ও আত্মরক্ষার কৌশল

এনসিটিবি জানায়, শিক্ষার্থীদের বয়স ও মানসিক বিকাশ বিবেচনায় চতুর্থ শ্রেণির ‘খেলাধুলা’ বইটি প্রণয়ন করা হয়েছে। ১৪টি গতিশীল অধ্যায়ে সাজানো এই বইটির মূল উদ্দেশ্য শিশুদের শৈশব থেকেই সুস্থ জীবনধারা ও ক্রীড়াচর্চায় আগ্রহী করে তোলা।

বইটিতে ফুটবল, ক্রিকেট, কাবাডি, ব্যাডমিন্টন, সাঁতার, অ্যাথলেটিকস ও দাবাসহ বিভিন্ন খেলার মৌলিক নিয়মকানুন সহজভাবে তুলে ধরা হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আত্মরক্ষার কৌশল শেখাতে কারাতে, জুডো ও তায়কোয়ান্দোর মতো আত্মরক্ষামূলক কৌশল স্থান পেয়েছে।

এছাড়া খেলার মাঠে বা দৌড়ানোর সময় কেটে যাওয়া, মচকানো, নাক দিয়ে রক্ত পড়া বা হিট স্ট্রোকের মতো পরিস্থিতিতে করণীয় বাস্তবসম্মত ছবির মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

শিক্ষার্থীরা জরুরি প্রয়োজনে প্রাথমিক চিকিৎসাসামগ্রীর ব্যবহার ও ইনজুরি প্রতিরোধের কৌশল এতে হাতে-কলমে শিখবে। শুধু খেলাই নয়; এতে পুষ্টি, সামাজিক দক্ষতা ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হওয়ার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

প্রস্তাবিত বইয়ের প্রথম অধ্যায়ে ‘স্বপ্ন যখন আকাশ ছোঁয়া’ শীর্ষক একটি বাস্তবমুখী অনুপ্রেরণামূলক গল্প যুক্ত করা হয়েছে। যেখানে একটি প্রত্যন্ত গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক আয়মান স্যার ও তার সহকর্মী সাদিয়া আপার হাত ধরে মেয়েদের ফুটবল দল গঠনের প্রেরণার গল্প ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। সামাজিক বাধা ও কুসংস্কার পেরিয়ে মেহজাবিনসহ একাধিক শিক্ষার্থী ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা ও বিভাগ পেরিয়ে জাতীয় পর্যায়ে বিজয়ী হওয়ার গল্প দিয়ে এতে দেখানো হয়েছে কীভাবে খেলাধুলা শরীর সুস্থ রাখার পাশাপাশি পেশা হিসেবে আর্থ-সামাজিক পরিবর্তন ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন ঘটাতে পারে।

এ বিষয়ে এনসিটিবি চেয়ারম্যান বাসস’কে বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা যাতে একমুখী ও ক্লান্তিকর না হয়ে ওঠে, সেদিকে বিশেষ নজর রেখে ‘খেলাধুলা’ বইটি প্রথমবারের মতো প্রণয়ন করা হয়েছে।’

বাংলাদেশের সংস্কৃতি : ঐতিহ্য, মূল্যবোধ ও নতুন কুঁড়ি

এনসিটিবি সংশ্লিষ্টরা জানান, দেশের সমৃদ্ধ ইতিহাস, ঐতিহ্য ও লোকজ সংস্কৃতির সঙ্গে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের নিবিড় পরিচয় ঘটাতে ১১টি অধ্যায়ে প্রণয়ন করা হয়েছে ‘বাংলাদেশের সংস্কৃতি’ বইটি। এতে ভাষা, পোশাক, শিল্পকলা, খাদ্য সংস্কৃতি, সামাজিক রীতিনীতি এবং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী জীবনধারা বর্ণিল চিত্রে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

বইটিতে বাংলা বর্ণমালা চর্চা, বিদ্যালয় উৎসব, জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও পিঠা-পুলির মেলবন্ধনের পাশাপাশি বাবা-মায়ের যৌথ সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও গৃহস্থালির পারস্পরিক সহযোগিতার আধুনিক রূপ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

এছাড়া একটি বিশেষ অধ্যায়ে শিশু-কিশোরদের জনপ্রিয় প্রতিভা অন্বেষণমূলক আয়োজন ‘নতুন কুঁড়ির’ ইতিহাস, ১৯৭৬ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উদ্যোগ এবং বিজয়ীদের দুর্লভ ছবি যুক্ত করা হয়েছে।

লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস : ভীতিহীন ও আনন্দময় শিখনদর্শন

এনসিটিবি সংশ্লিষ্টরা জানান, পড়াশোনাকে ভীতিমুক্ত ও অত্যন্ত আনন্দদায়ক করার দর্শন নিয়ে আগামী শিক্ষাবর্ষে ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য ৬টি অধ্যায়ে প্রণীত হয়েছে ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ বইটি, যা বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থায় যুক্ত হতে যাওয়া একটি নতুন ধারণা ও পাঠ্যক্রম।

প্রচলিত পরীক্ষা ব্যবস্থার পরিবর্তে আনন্দময় অভিজ্ঞতা, পারস্পরিক মিথস্ক্রিয়া ও সহপাঠক্রমিক নানা কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে কীভাবে জ্ঞান অর্জন করা যায়—তা এতে তুলে ধরা হয়েছে। বইটি পাঠ্যভার অনেকাংশে হালকা করবে। এতে শিক্ষার্থীরা নিজ স্বাস্থ্য, চারপাশের পরিবেশ ও দৈনন্দিন অভিজ্ঞতার আলোকেই আনন্দঘন উপায়ে শিখন ফল অর্জনে সক্ষম হবে।

এনসিটিবির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই বইয়ের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বুঝতে পারবে— শেখা শুধু মুখস্থ করা বা পরীক্ষার প্রস্তুতির বিষয় নয়; বরং নিজের জীবন, স্বাস্থ্য, পরিবেশ, নিরাপত্তা, সৃজনশীলতা, পারস্পরিক সম্পর্ক এবং দৈনন্দিন অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়েও শেখা সম্ভব।

আমার কারিগরি শিক্ষা: ছোট উদ্যোগ, বড় সম্ভাবনা

এনসিটিবি জানিয়েছে, একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে হাতে-কলমে শেখার অভ্যাস ও সমস্যা সমাধানের মানসিকতা তৈরিতে ৮টি অধ্যায়ে প্রণয়ন করা হয়েছে ষষ্ঠ শ্রেণির ‘আমার কারিগরি শিক্ষা’ বই। শিক্ষার্থীকে শুধু ‘আমি কী জানি’ তত্ত্বের মাঝে আটকে না রেখে ‘আমি কী করতে পারি’ সে বিষয়ে স্বাবলম্বী করে তোলাই এর মূল শিক্ষাদর্শন।

কারিগরি শিক্ষা পরিচিতি, চারপাশের প্রযুক্তি ও নতুন বিশ্ব, ছোট উদ্যোগ বড় সম্ভাবনা, যারা গড়ে, তারাই বদলায়, সবুজ প্রযুক্তি ও টেকসই জীবনযাপনসহ বাস্তব জীবনের নানা কারিগরি সমস্যা চিহ্নিত করা এবং প্রযুক্তির সহায়ক ব্যবহারের মাধ্যমে মৌলিক সমাধান খোঁজার একটি শক্ত ভিত্তি স্থাপন করবে বইটি। এছাড়া নতুন চারটি বইয়ে শব্দকোষের মতো বিশেষ অধ্যায় যুক্ত করা হয়েছে।

উপদেষ্টা মাহ্ধী আমিন জানান, আমাদের লক্ষ্যে চতুর্থ শ্রেণি থেকে শুরু হওয়া ক্রীড়া ও সংস্কৃতি বিষয় দুটি আগামী শিক্ষাবর্ষে শুরু হয়ে পরবর্তী সময়ে প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত সম্প্রসারিত করা হবে। অন্যদিকে ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ এবং কারিগরি শিক্ষা বিষয় দুটি ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত সব ক্লাসের পাঠ্যক্রমে যুক্ত করা হবে।

এনসিটিবির সদস্য (শিক্ষাক্রম) প্রফেসর ড. এ. কে. এম শওকত আলী খান বাসস’কে বলেন, ‘নতুন এই চারটি পাঠ্যপুস্তক প্রবর্তনের ফলে শিক্ষার্থীরা পুঁথিগত বিদ্যার বাইরে গিয়ে আনন্দময় পরিবেশে বাস্তবমুখী ও দক্ষতাভিত্তিক জ্ঞান অর্জনের সুযোগ পাবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কেনিয়ায় নির্মাণাধীন বহুতল ভবন ধসে সাতজন নিখোঁজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৩৯ পি.এম


কেনিয়ায় নির্মাণাধীন বহুতল ভবন ধসে সাতজন নিখোঁজ

ঢাকা, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬ : নাইরোবির নির্মাণাধীন একটি বহুতল ভবন ধসে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে সাতজন আটকা পড়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

শুক্রবারের এই দুর্ঘটনার পর তাদের উদ্ধারের জন্য অভিযান শুরু হয়েছে, জানিয়েছেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

এএফপি সংবাদ সংস্থার খবর অনুযায়ী, অনলাইনে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, ১৬ তলা ভবনটি বিকট শব্দে ধসে পড়ছে এবং চারপাশে ধুলার বিশাল মেঘ ছড়িয়ে পড়ছে।

ঘনবসতিপূর্ণ বাণিজ্যিক ও আবাসিক এলাকা ইস্টলেইয়ে এটি ঘটেছে। ভবনটি ধসে পড়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর আশপাশে উঁচু ভবন থাকায় ধ্বংসস্তূপের কাছে পৌঁছাতে তাদের বেগ পেতে হয়।

শুক্রবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কিপচুম্বা মুরকোমেন জানান, ভবনটির নিচতলা ও বেসমেন্টে থাকা ১১টি দোকান দুর্ঘটনার সময় খোলা ছিল। তিনি আরও জানান, সাতজন নিখোঁজ রয়েছেন।

মন্ত্রী বলেন, ভবন নির্মাণের কাজে নিয়োজিত ৬৭ জনের মধ্যে ৬৬ জন অক্ষত অবস্থায় বেরিয়ে আসতে পেরেছেন এবং একজন আহত হয়েছেন।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ধ্বংসস্তূপ থেকে একজন নারীকে উদ্ধার করা হয়েছে। তারা আরও জানায়, ধ্বংসস্তূপের ভেতর থেকে একজনের কণ্ঠস্বর শোনা যাচ্ছিল।

কেনিয়ার ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ারিং টেকনোলজির সভাপতি বিবিয়ে মাহমুদ এএফপিকে বলেন, ‘নির্মাণকাজ যথাযথভাবে হচ্ছে কি না— তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব ঠিকাদার ও প্রকৌশলীদের। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তা করা হয় না।’

তিনি আরও বলেন, ‘এ কারণে আমরা এ ধরনের বিপর্যয় দেখছি। এখানে জবাবদিহির অভাব রয়েছে।’

কেনিয়ার ন্যাশনাল বিল্ডিং ইনস্পেক্টরেটের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গত বছর দেশজুড়ে পরিদর্শন করা ভবনগুলোর ৮৭ শতাংশই নির্ধারিত মান পূরণ করতে পারেনি অথবা এতে প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছিল না।

নাইরোবির গভর্নর জনসন সাকাজা সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাদের প্রধান লক্ষ্য মানুষের জীবন রক্ষা করা।’ তিনি আরও জানান, ধসে পড়া ভবনটির ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয় অনুমতিপত্র ছিল না।

সাকাজার ভাষায়, ‘এর কারণে মানুষের প্রাণহানি ঘটে থাকতে পারে।’ ভবনের ব্যবহার-অনুমতিপত্র হলো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক ছাড়পত্র, যা নিশ্চিত করে যে ভবনটি নিরাপদ এবং আইনগতভাবে ব্যবহারের উপযোগী।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত কেনিয়ার ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্সের ভাইস প্রেসিডেন্ট জন ওগালো সাংবাদিকদের জানান, ভবনটি ধসে পড়ার আগেই কিছু সতর্কসংকেত দেখা গিয়েছিল। তিনি বলেন, ‘এখানকার লোকজন বলছেন, ভবনটিতে ফাটলের মতো সমস্যার লক্ষণ দেখা গিয়েছিল।’

নির্মাণে ভুল উপকরণ ব্যবহার করা হলে ভবনটি ‘একটি টাইম বোমায়’ পরিণত হতে পারে বলেও সতর্ক করেন তিনি।

নাইরোবিতে দ্রুতগতিতে নির্মাণকাজ চলছে। শহরের বিভিন্ন এলাকায়, বিশেষ করে ব্যস্ত বাজার ও সোমালি সম্প্রদায়ের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ইস্টলেইয়ে, একের পর এক বহুতল ভবন গড়ে উঠছে।

পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, নাইরোবিতে বছরে সম্পন্ন হওয়া ভবনের সংখ্যা ২০২২ সালের ২০ হাজার ২৫ থেকে বেড়ে গত বছর ২৫ হাজার ৯০টিতে দাঁড়িয়েছে। পূর্ব আফ্রিকার অন্যতম প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র হওয়ায় গ্রামাঞ্চল ও প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে বহু মানুষ এখানে আসছেন।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, দুপুরের দিকে ভবনটি ধসে পড়ার পরপরই সেখানে লুটপাটের ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থলের কাছে জড়ো হওয়া জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশকে কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করতে দেখা গেছে।

কেনিয়া ইনস্টিটিউট ফর পাবলিক পলিসি রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালিসিসের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০০৯ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত নাইরোবিতে ৮৬টি ভবন ধসের ঘটনা ঘটে। এতে আনুমানিক ২০০ জনের প্রাণহানি ঘটে।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, দুর্নীতির কারণে ঠিকাদারদের অনেকে নির্মাণকাজে নিয়মকানুন এড়িয়ে চলার কিংবা নিম্নমানের কাজ করার সুযোগ পান। ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে নাইরোবির উপকণ্ঠের একটি শহরে ছয়তলা ভবন ধসে পাঁচজন মারা যায়। এর আগে ২০১৬ সালের এপ্রিলে রাজধানীর উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ছয়তলা একটি আবাসিক ভবন ধসে ৪৯ জনের মৃত্যু হয়। কয়েক দিন ধরে ভারী বৃষ্টির কারণে বন্যা ও ভূমিধসের পর ওই দুর্ঘটনা ঘটেছিল।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরাবের সভাপতি নির্বাচিত মীর জসিম, যৌথ সম্পাদক সালমান ও নূর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৪শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০২:৩৯ পি.এম


ইরাবের সভাপতি নির্বাচিত মীর জসিম, যৌথ সম্পাদক সালমান ও নূর

ঢাকা, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬ : ঢাকায় কর্মরত জাতীয় গণমাধ্যমের শিক্ষা বিষয়ক রিপোর্টারদের সংগঠন ‘এডুকেশন রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ইরাব)’ এর ২০২৬-২৮ মেয়াদের কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচনে সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন মীর মোহাম্মদ জসিম।

গতকাল শুক্রবার রাতে ঢাকার একটি রিসোর্টে সংগঠনটির দ্বিবার্ষিক সাধারণ সভায় নতুন কমিটি নির্বাচিত হওয়ার বিষয়টি আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়েছে।

যৌথ সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন নিউএজ পত্রিকার সিনিয়র রিপোর্টার সোলাইমান সালমান এবং আগামীর সময় পত্রিকার উপপ্রধান প্রতিবেদক নূর মোহাম্মদ। তারা সাধারণ সম্পাদক পদে ১ বছর করে দায়িত্ব পালন করবেন, এই দুই বছরের মেয়াদী কার্যনির্বাহী কমিটিতে।

কমিটির অন্যান্য নির্বাচিত সদস্যরা হলেন- সহসভাপতি পদে মতিউর রহমান (নয়াদিগন্ত), যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে আসিফ হাসান কাজল (খবরের কাগজ), কোষাধ্যক্ষ পদে নাজিউর রহমান সোহেল (বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা-বাসস), সাংগঠনিক সম্পাদক পদে হুমায়ুন কবির (দৈনিক যুগান্তর) এবং দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক পদে হাসান আদিব (জাগো নিউজ)।

এছাড়া কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন পিয়াস সরকার (দৈনিক মানবজমিন) ও ফরহাদ বিন নূর (স্টার নিউজ)।

নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব পালন করেন ইউএনবি’র বিশেষ প্রতিনিধি ও বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরামের সভাপতি মাসউদুল হক।

নির্বাচন কমিশনের সদস্য হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন ইরাবের সাবেক সভাপতি সাব্বির নেওয়াজ এবং সাবেক সভাপতি নিজামুল হক।

এর আগে বার্ষিক সাধারণ সভায় সভাপতিত্ব করেন ইরাবের বিদায়ী কমিটির সভাপতি ও ইনকিলাবের প্রধান প্রতিবেদক ফারুক হোসাইন।

সভায় নির্বাচিতদের শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি ইরাবের সদস্যদের জন্য একটি কল্যাণ ফান্ড গঠনের সিদ্ধান্ত অনুমোদন করা হয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৩ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৫
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%