ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সাগরে লঘুচাপের ঘনত্ব, সন্ধ্যার মধ্যে ৯ জেলায় ঝড়ের পূর্বাভাস


সাগরে লঘুচাপের ঘনত্ব, সন্ধ্যার মধ্যে ৯ জেলায় ঝড়ের পূর্বাভাস

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া লঘুচাপটি আরও ঘনীভূত হচ্ছে। এর ফলে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে দেশের ৯ জেলার ওপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কি.মি. বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি কিংবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে বলে নিশ্চিত করেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এমন পরিস্থিতির কারণে এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

শনিবার (৪ জুলাই) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্রের প্রকাশিত পূর্বাভাসে সকাল ৫টার মধ্যে দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য এসব তথ্য প্রদান করা হয়েছে।

এতে উল্লেখ করা হয়েছে, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি কিংবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এই কারণে এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জুলাই স্মৃতি স্মারক তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৫১ পি.এম


জুলাই স্মৃতি স্মারক তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ‘জুলাই জাতীয় সম্মেলন-২০২৬’-এ জুলাই আন্দোলনের শহীদ পরিবার এবং আহত যোদ্ধাদের সম্মানের জন্য জুলাই স্মৃতি স্মারক প্রদান করেছেন।

শুক্রবার (৪ জুলাই) রাজধানী ঢাকা শহরের আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত সম্মেলনে শহীদ পরিবারের সদস্য এবং জুলাই আন্দোলনে আহতদের স্মৃতি স্মারক প্রদান করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে জুলাই-২৪ গণ-অভ্যুত্থানের শহীদ মিরাজের বাবা আব্দুর রব মিয়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছ থেকে স্মৃতি স্মারক গ্রহণ করেন।

এরপর শহীদ সেলিমের ভাই উজ্জ্বল হোসেন, জুলাই আন্দোলনে আহত আল মিরাজ এবং জুলাই যোদ্ধা মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম ইমনও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে স্মৃতি স্মারক গ্রহণ করেন।

এ সময় সঞ্চালক জানান, অনুষ্ঠানে উপস্থিত কিছু প্রতিনিধি স্মৃতি স্মারক গ্রহণ করলেও জুলাই স্মৃতি পরিবারের সব সদস্যের জন্য স্মৃতি স্মারক সংরক্ষিত রয়েছে এবং নির্ধারিত সময়ে সেগুলো প্রত্যেক শহীদ পরিবার ও জুলাই আন্দোলনের আহতদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আমি যদি মাকে জিজ্ঞেস করতে পারতাম... জুলাই জাতীয় সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৫৬ পি.এম


আমি যদি মাকে জিজ্ঞেস করতে পারতাম... জুলাই জাতীয় সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য

‘যদি আমি মাকে জিজ্ঞেস করতে পারতাম, গেল ১৭ বছর আপনার ওপর যে অন্যায়-অত্যাচার হয়েছে, আমি কি সেই নির্যাতনের প্রতিশোধ নেব? সেই প্রতিশোধ নেবার ক্ষমতা আমার আছে। তবে আমার বিশ্বাস, আমার মা আমাকে বলতেন– প্রতিশোধ নয়, দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাও। একই প্রশ্ন যদি আমি আমার ছোট ভাইকেও করতাম, সে-ও মায়ের মতোই একই ধরনের উত্তর দিত।’

শনিবার (৪ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত ‘জুলাই জাতীয় সম্মেলন’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব কথা বলেন। এই সম্মেলন জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে এবং তাদের আত্মত্যাগের প্রতি সম্মান জ্ঞাপন করার উদ্দেশ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্মেলনে শহীদ ও আহত পরিবারের সদস্যদের আবেগঘন বক্তব্য শোনার পর প্রধানমন্ত্রী নিজের পরিবার ও দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, “জুলাই অভ্যুত্থানের প্রতিটি আত্মত্যাগের রাষ্ট্রীয়ভাবে মূল্যায়ন করা হবে। তবে আমি মনে করি, প্রতিশোধের রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে নিয়মতান্ত্রিক বিচারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া উচিত।” তিনি বলেন, “যারা হত্যা ও নির্যাতনের জন্য দায়ী, তাদের অবশ্যই বিচার করা হবে। কিন্তু আমাদের খেয়াল রাখতে হবে বিচারের নামে যেন কোনো অবিচার না করি। স্বৈরাচারী সরকার যেভাবে বিচার ব্যবস্থা ব্যবহার করে মানুষের ওপর অবিচার করেছে, আমরা যেন সেই পথ অনুসরণ না করি।”

শহীদদের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “যে শহীদ হয়েছে, সে যদি ওপর থেকে দেখে যে তার হত্যার বিচার করতে গিয়ে আমরা অন্য কারোর ওপর অন্যায়-অবিচারের আশ্রয় নিচ্ছি, তাহলে সেই শহীদ কষ্ট পাবে। আইন অনুযায়ী হত্যাকারীদের সঠিক বিচার করা হবে, প্রয়োজনে বিচার প্রক্রিয়ার জন্য সময় নেয়া হবে।”

দেশে দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় ঐক্যের ডাক দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জাতিকে বিভক্ত করে দেশকে কোনোভাবেই সামনের দিকে এগিয়ে নেয়া যায় না। দেশের স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। এই গণ-অভ্যুত্থানে প্রত্যেকের ত্যাগের মূল্যায়ন করা হবে, তবে তার মানে এই নয় যে কাউকে বঞ্চিত করে তা করা হবে।”

তিনি আরও বলেন, “জুলাই অভ্যুত্থানে যে অর্জন এসেছে তা কোনো একক ব্যক্তি বা একক দলের নয়; এ অর্জন দেশের প্রতিটি শান্তিপ্রিয়, প্রতিটি গণতান্ত্রিক মানুষের। জুলাইয়ে যারা শহীদ ও আহত হয়েছেন, তাদের লক্ষ্য ছিল এ দেশের ব্যবস্থার পরিবর্তন, মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা। সেই লক্ষ্যেই আমাদের সবাইকে একসঙ্গে এগিয়ে যেতে হবে।”

উপস্থিত শহীদ পরিবার ও সাধারণ মানুষের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজ জুলাই শহীদদের সত্যিকারের সম্মান করতে হলে আমাদের কাজের মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। দেশকে যদি আমরা সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে পারি, তবেই ভবিষ্যতে আপনারা গর্ব করে বলতে পারবেন যে নিজেদের সর্বোচ্চ ত্যাগের বিনিময়ে আপনারা দেশের ভাগ্য পরিবর্তন করতে পেরেছেন। সবার কাছে আমার এটাই প্রত্যাশা।”

জাতীয় সংসদের প্রধান হুইপ নুরুল ইসলাম মনির সভাপতিত্বে এই স্মরণ সভায় জুলাই বিপ্লবের শহীদ ও আহতদের পরিবারের সদস্যরা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্য, দেশের শীর্ষস্থানীয় রাজনীতিবিদ এবং বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নদীভাঙন ঠেকাতে কুড়িগ্রামের ৩৩ স্থানে জরুরি প্রয়োজন ৩ লাখ ৯৩ হাজার ৫০০ জিও ব্যাগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:০৩ পি.এম


নদীভাঙন ঠেকাতে কুড়িগ্রামের ৩৩ স্থানে জরুরি প্রয়োজন ৩ লাখ ৯৩ হাজার ৫০০ জিও ব্যাগ

 দেশের উত্তর পূর্বাঞ্চলের জেলা কুড়িগ্রামে উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল এবং অতিবৃষ্টির কারণে প্রধান প্রধান নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে।

পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে জেলার ৮টি উপজেলার অন্তত ৩৩টি স্থানে নদীভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। ভাঙন কবলিত ও অতি ঝুঁকিপূর্ণ এসব স্থান নদীগর্ভে বিলীন হওয়া থেকে রক্ষা করতে জরুরি ভিত্তিতে ৩ লাখ ৯৩ হাজার ৫শ’টি জিও ব্যাগ প্রয়োজন।

জেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্রে প্রাপ্ত সরকারের তথ্যে জানা গেছে, দেশের সবচেয়ে দারিদ্র্য পীড়িত এই জেলায় ব্রহ্মপুত্র, ধরলা, তিস্তা, দুধকুমারসহ ১৬টি নদ-নদীর অববাহিকায় সাড়ে ৪ শতাধিক চর রয়েছে।

ভৌগোলিক কারণে জেলাটি প্রতি বছরই একাধিকবার বন্যার সম্মুখীন হয়। সাম্প্রতিক বন্যা এবং পাহাড়ি ঢলে ইতোমধ্যে জেলার ৫টি উপজেলার ২৪টি ইউনিয়ন আংশিক প্লাবিত হয়ে গেছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ৫ হাজার ৪৯২টি পরিবারের মানুষ।

এছাড়া গত তিন মাসে নদীভাঙনে ১৪৯টি পরিবার নিঃস্ব হয়ে গেছে এবং ২০৪ হেক্টর ফসলি জমি জলমগ্ন হয়ে পড়েছে।

বর্তমানে কুড়িগ্রাম সদর, রাজারহাট, উলিপুর, ফুলবাড়ী, নাগেশ্বরী, ভূরুঙ্গামারী, রৌমারী ও রাজিবপুর উপজেলার ৩৩টি পয়েন্টে নদীভাঙন তীব্র আকারে দেখা দিয়েছে। এরমধ্যে রৌমারী উপজেলায় চর শৌলমারী ইউনিয়নের সুখেরবাতি এবং রাজিবপুর উপজেলার কোদালকাটি ইউনিয়ন সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।

নদীভাঙনের শিকার স্থানীয় ভুক্তভোগীরা জানান, তীব্র স্রোতের কারণে তাদের চোখের সামনে বসতভিটা ও আবাদি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। রৌমারীর সুখেরবাতি এলাকার বাসিন্দা ছমিরন বেওয়া (৬০) বাসস’কে বলেন, ‘নদী আমাদের সব কেড়ে নিয়েছে। দুই দিনের মধ্যে ঘরবাড়ি ভেঙে বিলীন হয়ে গেল। এখন সন্তানদের নিয়ে কোথায় আশ্রয় নেব, তা জানি না। সরকারি সাহায্য বা বাঁধ দ্রুত না দিলে আমাদের আর বেঁচে থাকার উপায় থাকবে না।’

একই এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক সবুর মিয়া বলেন, ‘কষ্টের ফসল আমন ধানের বীজতলা নদী টেনে নিয়ে গেছে। নদীভাঙন রোধে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে পুরো গ্রাম মানচিত্র থেকে হারিয়ে যাবে। আমরা দ্রুত জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন ঠেকানোর দাবি জানাচ্ছি।’

কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিবুল হাসান জানান, ঝুঁকিপূর্ণ নদী তীর রক্ষার জন্য ২৫০ কেজি ওজনের মোট ৩ লাখ ৯৩ হাজার ৫শ’টি জিও ব্যাগের সম্ভাব্য চাহিদা নিরূপণ করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে পাঠানো হয়েছে।

এর মধ্যে সুখেরবাতি এলাকার জন্য ৩৪ হাজার ৬শ’টি এবং কোদালকাটি এলাকার জন্য ৩০ হাজার জিও ব্যাগের চাহিদা রয়েছে। বরাদ্দ প্রাপ্তি সাপেক্ষে দ্রুততম সময়ের মধ্যে কাজ শুরু করা হবে।

সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ নদী তীর রক্ষা এবং নদীভাঙন রোধে জিও ব্যাগ সরবরাহের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ে জরুরি চিঠি পাঠিয়েছেন। চিঠির অনুলিপি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক বরাবরও পাঠানো হয়েছে বলেও জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির লক্ষ্য, বিনিয়োগে এগিয়ে বাংলাদেশ: অর্থমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:১১ পি.এম


ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির লক্ষ্য, বিনিয়োগে এগিয়ে বাংলাদেশ: অর্থমন্ত্রী

দেশের সমস্ত সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে সরকার এখন ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, বাংলাদেশ বর্তমানে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের জন্য অন্যতম ঠিকানা।

শনিবার (৪ জুলাই) চট্টগ্রামে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেছিলেন, দেশের কঠিন সময়ে প্রণীত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট ভঙ্গুর অর্থনীতি থেকে দেশকে বের করে সম্ভাবনার নতুন পথে এগিয়ে নেবে। তিনি জানান, বাজেট বাস্তবায়নের মাধ্যমে অর্থনীতি আবার ঘুরে দাঁড়াবে। এ বাজেট দেশের প্রতিটি অঞ্চলের সম্ভাবনাকে বিবেচনায় রেখেই প্রণয়ন করা হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রা হলো, সেই সম্ভাবনাগুলোকে সর্বোচ্চভাবে কাজে লাগানো।

তিনি আরও বলেন, বিদেশি বিনিয়োগ, সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই), ক্যাপিটাল মার্কেটে বিনিয়োগ এবং ফান্ড ম্যানেজারদের বিনিয়োগ; সবকিছুই আসছে। দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তর শহর চট্টগ্রামের সম্ভাবনা স্বাভাবিকভাবেই অনেক বেশি। কারণ এখানকার বন্দর, গুরুত্বপূর্ণ ভৌগোলিক, কৌশলগত অবস্থানসহ অন্যান্য বিষয়গুলো সরকার পরিকল্পনায় বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে।

চট্টগ্রামে একসঙ্গে একাধিক বন্দর নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রামকে একটি লজিস্টিক হাব তৈরির পূর্ব পরিকল্পনা এবারের বাজেটে প্রতিফলিত হয়েছে। একই সঙ্গে চট্টগ্রাম বিমানবন্দরকে কার্গো ও যাত্রী পরিবহনের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলারও পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি আরো উল্লেখ করেন, এখানে একটি চাইনিজ ইকোনমিক জোন গড়ে উঠবে। পাশাপাশি ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের লাকসাম অংশের উন্নয়নের মাধ্যমে ট্রেনে যাতায়াতের সময় প্রায় দুই ঘণ্টা কমিয়ে আনার পরিকল্পনাও রয়েছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে চট্টগ্রামকে কেন্দ্র করে একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক করিডর ও লজিস্টিক হাব গড়ে উঠবে। এতে বন্দরগুলোর কার্যক্রম আরও উন্নত হবে।

অন্যদিকে মাতারবাড়িতেও বড় ধরনের উন্নয়ন কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে, বলেছেন আমির খসরু মাহমুদ। তিনি বলেন, সব মিলিয়ে এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও লজিস্টিক সম্ভাবনাকে সামনে রেখেই বাজেট পরিকল্পনা করা হয়েছে। তবে এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে কয়েক বছর সময় লাগবে। সরকার যত দ্রুত সম্ভব কাজ শুরু করার চেষ্টা করছে।

বাজেট বাস্তবায়ন নিয়ে নানা আলোচনা হচ্ছে, প্রশ্নের উত্তরে অর্থমন্ত্রী বলেন, এত বড় বাজেট বাস্তবায়ন সহজ কাজ নয়। বিশেষ করে আগের সরকারগুলোর রেখে যাওয়া পরিস্থিতি এবং মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে বর্তমানে দেশের অর্থনীতি কঠিন অবস্থার মধ্যে রয়েছে। তাই আগে ভঙ্গুর অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করতে হবে, তারপর সম্ভাবনার পথে এগোতে হবে। ইনশাআল্লাহ, তৃতীয় বা চতুর্থ বছর থেকে দেশের কাঙ্ক্ষিত সমৃদ্ধির পথে হাঁটা শুরু হবে এবং অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে।

অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, বাংলাদেশ তার সম্ভাবনাকে পুরোপুরি কাজে লাগিয়ে বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী অর্থনীতিতে পরিণত হবে। সরকার যে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে, বাংলাদেশ ধীরে ধীরে সেদিকেই এগিয়ে যাবে। নতুন নতুন প্রকল্পের পাশাপাশি সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ, ক্যাপিটাল মার্কেটে বিনিয়োগ এবং ফান্ড ম্যানেজারদের বিনিয়োগ আসছে। বাংলাদেশ এখন বিনিয়োগের একটি গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্য। তাই এ নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%