ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সৌদিতে অবৈধ অবস্থানকারীদের জন্য দুঃসংবাদ


সৌদিতে অবৈধ অবস্থানকারীদের জন্য দুঃসংবাদ

সৌদি আরব অবৈধভাবে অবস্থানকারীদের সতর্ক করে জানিয়েছে যে, ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অবৈধ অবস্থান করলে ৫০ হাজার সৌদি রিয়াল পর্যন্ত জরিমানা, কারাদণ্ড এবং নির্বাসনের মুখে পড়তে হতে পারে।

সোমবার (১৩ জুলাই) গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে এ বিষয়টি জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরো অবৈধ অবস্থান করা একটি গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচিত। এ অপরাধে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার সৌদি রিয়াল জরিমানা করা হতে পারে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৬ লাখ টাকারও বেশি। এর সঙ্গে ছয় মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড, নির্বাসন এবং পুনরায় সৌদি আরবে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞারও সম্ভাবনা রয়েছে।

সৌদি আরবের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে, এসব পদক্ষেপ হচ্ছে আবাসন ও শ্রমবিষয়ক বিধিমালা বাস্তবায়ন জোরদার করার জন্য, প্রবেশ ভিসার অপব্যবহার রোধ করার উদ্দেশ্যে এবং দর্শনার্থীরা যাতে অনুমোদিত সময়সীমার বেশি অবস্থান না করেন, তা নিশ্চিত করার বৃহত্তর উদ্যোগের অংশ।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

মন্ত্রণালয় নাগরিক ও বাসিন্দাদের আবাসন, শ্রম এবং সীমান্ত নিরাপত্তার বিষয়বস্তু লঙ্ঘনের সন্দেহ রয়েছে এমন তথ্য কর্তৃপক্ষকে জানাতে আহ্বান জানিয়েছে। তারা জানিয়েছে, এ-সংক্রান্ত তথ্য জানানোর জন্য নির্ধারিত হটলাইনটি ২৪ ঘণ্টা চালু থাকবে। মক্কা, মদিনা, রিয়াদ ও পূর্বাঞ্চলীয় অঞ্চলে ৯১১ নম্বরে এবং অন্যান্য সব অঞ্চলে ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে তথ্য জানাতে বলা হয়েছে।

মন্ত্রণালয় আরও বলেছে যে, নিরাপত্তা কার্যক্রম জোরদার করা, শ্রমবাজারকে সুরক্ষা প্রদান এবং আইন লঙ্ঘনের ঘটনা হ্রাস করাই এ পদক্ষেপ বাস্তবায়নের উদ্দেশ্য। প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে, সৌদি কর্তৃপক্ষ আবাসন, শ্রম এবং সীমান্ত নিরাপত্তা সংক্রান্ত আইন লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে দেশব্যাপী অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। এরই মধ্যে এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

সূত্র: গালফ নিউজ

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২০৩০ সালের মধ্যে ৩০% যানবাহন হবে ইলেকট্রিক: সেতুমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:২৮ এম


২০৩০ সালের মধ্যে ৩০% যানবাহন হবে ইলেকট্রিক: সেতুমন্ত্রী

সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের সড়ক পরিবহন খাতে ব্যবহৃত যানবাহনের অন্তত ৩০ শতাংশকে ইলেকট্রিক মোটরযানে রূপান্তরিত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি আরও জানান, সরকারি পদক্ষেপের মাধ্যমে গণপরিবহনকে পরিবেশবান্ধব জ্বালানিতে রূপান্তর করা হবে, যাতে কার্বন নিঃসরণ কমানো এবং টেকসই পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব হয়।

এসব তথ্য তিনি সোমবার (১৩ জুলাই) জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন-৩৩ এর সরকারি দলের সদস্য শওকত আরা আক্তারের জরুরি জন-গুরুত্বসম্পন্ন মনোযোগ আকর্ষণের নোটিশের জবাবে জানাতে গিয়ে বলেন।

শেখ রবিউল আলম বলেন, যানবাহন থেকে নির্গত গ্রিনহাউস গ্যাস, বিশেষ করে কার্বন ডাই-অক্সাইডের নিঃসরণ বৈশ্বিক উষ্ণায়নের অন্যতম প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর তাই, জীবাশ্ম জ্বালানির উপর নির্ভরশীল যানবাহনের পরিবর্তে ইলেকট্রিক যানবাহনের ব্যবহার বাড়াতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে উল্লেখযোগ্য গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ন্যাশনালি ডিটারমাইন্ড কন্ট্রিবিউশন (এনডিসি) অনুযায়ী, বাংলাদেশ ২০৩০ সালের মধ্যে পরিবহন খাত থেকে নিঃশর্তভাবে ৩ দশমিক ৪ মিলিয়ন টন কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণ কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এ লক্ষ্যে দেশের সড়ক পরিবহন ব্যবস্থায় ব্যবহৃত যানবাহনের অন্তত ৩০ শতাংশ ইলেকট্রিক মোটরযানে রূপান্তরের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

এ লক্ষ্য পূরণের জন্য সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ ইতোমধ্যেই ইলেকট্রিক মোটরযানের নিবন্ধন ও চলাচল সংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়ন করেছে। তিনি এ প্রসঙ্গে জানান, সঙ্গে সঙ্গে জ্বালানি তেলের ব্যবহার এবং পরিবেশ দূষণ কমাতে একটি সম্পূর্ণ নতুন ইলেকট্রিক বাস শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য শুল্কমুক্ত এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে মাত্র ১৫ শতাংশ শুল্কে আমদানি করার প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়েছে।

সংসদ সদস্যদের উত্থাপিত বিভিন্ন দাবির প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের সময় অনেক সংসদ সদস্য সেতুর টোল মওকুফের প্রতিশ্রুতি দিয়ে থাকেন। তবে টোল আদায় একটি রাজস্ব-সংক্রান্ত বিষয় এবং এটি অর্থ বিভাগের আওতাধীন। তাই যোগাযোগ মন্ত্রণালয় এককভাবে কোনো সেতুর টোল প্রত্যাহার করতে পারে না।

মন্ত্রী বলেন, ছোট সেতুর ক্ষেত্রে টোলে ছাড় দেয়ার বিষয়টি অর্থ বিভাগের সঙ্গে আলোচনা করে নীতিগত সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে বিবেচনা করা হতে পারে। তবে কোনো সংসদ সদস্যের সুপারিশে বা অনুরোধে টোল আদায় বন্ধ করার সুযোগ অত্যন্ত সীমিত।

রেলস্টেশনের দাবির প্রসঙ্গে সেতুমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন এলাকায় আন্তঃনগর ট্রেনের স্টপেজ বাড়ানোর দাবি থাকলেও এ বিষয়ে নির্দিষ্ট নীতিমালা বিদ্যমান। সব জায়গায় ট্রেন থামানো হলে আন্তঃনগর ট্রেনের বৈশিষ্ট্য নষ্ট হবে এবং দ্রুত যাতায়াতের উদ্দেশ্য ব্যাহত হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হরমুজ ঘিরে চরম উত্তেজনা, যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের পাল্টাপাল্টি হামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৩৩ এম


হরমুজ ঘিরে চরম উত্তেজনা, যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের পাল্টাপাল্টি হামলা

হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে সংঘাত আরও তীব্র হয়ে উঠেছে, যা যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলছে। ইরানের বিভিন্ন স্থানে টানা তৃতীয় রাতের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী বিমান হামলা চালানোর খবর জানিয়েছে। এদিকে, মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) গ্রিনিচ মান সময় রাত ৮টা থেকে ইরানের বন্দরের ওপর পুনর্বহাল করা নৌ অবরোধ কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে, যা আল জাজিরার খবর।

যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সোমবার (১৩ জুলাই) স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটে (গ্রিনিচ মান সময় রাত ৮টা ৪৫ মিনিট) সর্বশেষ হামলা শুরু হয়েছে। এ অভিযানের উদ্দেশ্য ছিল হরমুজ প্রণালিতে বেসামরিক নাগরিক এবং বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর হামলার সক্ষমতা দুর্বল করা।

অন্যদিকে, ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ও আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যমগুলো জানাচ্ছে, সোমবার রাতে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। বন্দর নগরী বান্দার আব্বাস, কিশ ও কেশম দ্বীপ এবং বুশেহর প্রদেশের জাম শহরে হামলার খবর এসেছে। ফারস সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, পশ্চিম বান্দার আব্বাসে একটি প্রক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানেছে, তবে এতে কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

ইরানের তাসনিম সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) বাহিনী হরমুজ প্রণালিতে নিয়ম লঙ্ঘনকারী কয়েকটি জাহাজে হামলা করেছে। পাশাপাশি, বান্দার আব্বাসের কাছে একটি মার্কিন তৈরি ড্রোনও ভূপাতিত করার দাবি তারা করেছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ওমান উপসাগরসংলগ্ন হরমুজ প্রণালিতে তাদের দুটি তেলবাহী ট্যাংকারে ইরানের ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। এতে একজন ভারতীয় নাবিক মারা গিয়েছেন এবং আরও আটজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটি।

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড করপস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তারা উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশ এবং স্বার্থসংশ্লিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে পাল্টা অভিযান শুরু করেছে। এছাড়াও, ইরানের সেনাবাহিনী কুয়েতে অবস্থিত মার্কিন সামরিক স্থাপনার উদ্দেশ্যে ড্রোন হামলা চালিয়েছে। রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবির প্রকাশিত বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, একটি প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, জ্বালানি সংরক্ষণাগার, পর্যবেক্ষণ টাওয়ার, গোলাবারুদ গুদাম এবং যোগাযোগব্যবস্থা লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। এর আগে, সোমবার বাহরাইন, জর্ডান ও কুয়েতেও হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরান।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প গত ১০ জুলাই কংগ্রেসকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছেন, ৭ জুলাই থেকে ইরানের সঙ্গে সংঘর্ষ আবার শুরু হয়েছে। তিনি সাংবিধানিক ক্ষমতা প্রয়োগ করে কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়াই আরও ৬০ দিন মার্কিন বাহিনীকে অভিযানে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

মার্কিন নৌবাহিনীর নেতৃত্বাধীন জয়েন্ট মেরিটাইম ইনফরমেশন সেন্টার (জেএমআইসি) জানিয়েছে, মঙ্গলবার থেকে ইরানের দক্ষিণ উপকূলজুড়ে অবস্থিত বন্দর ও টার্মিনালগুলো নৌ অবরোধের আওতাভুক্ত হতে চলেছে।

তবে ইরান ছাড়া অন্য গন্তব্যে যাওয়া জাহাজগুলো হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করতে পারবে। মানবিক সহায়তাবাহী জাহাজও তল্লাশির পর চলাচলের অনুমতি পাবে। তবে অবরোধ এড়িয়ে পণ্য পরিবহনের সন্দেহ হলে, এ বিষয়ে জাহাজে অভিযান চালানো হবে এবং নির্দেশনা অমান্য করলে তা অক্ষম করে দেওয়া বা ধ্বংস করার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কথার যুদ্ধ চলতে থাকলেও ট্রাম্প দাবি করেছেন যে প্রণালিটি এখনও উন্মুক্ত রয়েছে এবং মার্কিন সুরক্ষার বিনিময়ে সেখানে চলাচলকারী পণ্যের ওপর ২০ শতাংশ টোল আরোপের পরিকল্পনা করা হয়েছে। এর বিপরীতে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, ‘হরমুজ প্রণালির রক্ষক সব সময়ই ইরান এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।’

হোয়াইট হাউসে এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, ইরানের সামরিক সক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়ছে। তবে সংঘর্ষ চলতে থাকলেও এখনো একটি সমঝোতার সম্ভাবনা রয়েছে বলে তিনি মনে করেন।

আল জাজিরার হোয়াইট হাউসের সংবাদদাতা মাইক হান্না জানিয়েছেন, যুদ্ধবিরতি ভেঙে গেলেও কূটনৈতিক আলোচনার সম্ভাবনা পুরোপুরি শেষ হয়ে যায়নি। ওয়াশিংটন এখনো আলোচনার পথ খোলা রাখতে চায়।

বিশ্ববাজারেও ইরান-মার্কিন সংঘাতের প্রভাব পড়ছে। সোমবার আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ৯ শতাংশেরও বেশি বেড়ে ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৮১ মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে, যা জুনের মাঝামাঝির পর সর্বোচ্চ।

জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান কেপলার জানিয়েছে, ১০ থেকে ১২ জুলাইয়ের মধ্যে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল আগের সপ্তাহের তুলনায় প্রায় ৫২ শতাংশ কমে গিয়েছে। অনেক জাহাজ ইরানের উপকূলঘেঁষা বিকল্প পথ ব্যবহার করছে অথবা নিজেদের স্বয়ংক্রিয় শনাক্তকরণ ব্যবস্থা (এআইএস) বন্ধ রেখে চলাচল করছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পণ্য নষ্টের অভিযোগে ক্ষতিপূরণ দাবি, মুখোমুখি বন্দর কর্তৃপক্ষ ও ব্যবসায়ীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৩৬ এম


পণ্য নষ্টের অভিযোগে ক্ষতিপূরণ দাবি, মুখোমুখি বন্দর কর্তৃপক্ষ ও ব্যবসায়ীরা

টানা ভারী বৃষ্টির কারণে চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনারে থাকা আমদানি পণ্য নষ্ট হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের এই ইস্যুতে ক্ষতিপূরণ এবং 'অ্যাক্ট অব গড' নিয়ে মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ ও ব্যবসায়ীরা। ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেছেন, চট্টগ্রাম বন্দরের বিভিন্ন বেসরকারি অফডকে বৃষ্টির পানি ঢুকে কনটেইনারে থাকা পণ্যগুলি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে বন্দর কর্তৃপক্ষ 'অ্যাক্ট অব গড' উল্লেখ করে এই ঘটনার দায় এড়ানোর চেষ্টা করছে। এই পরিস্থিতির মধ্যে চারটি ব্যবসায়ী সংগঠন সরকারের শীর্ষ পর্যায়ে নীতিগত সহায়তা চেয়ে যৌথ চিঠি জমা দিয়েছে।

পাঁচ দিনের টানা ভারী বৃষ্টিতে পুরো চট্টগ্রাম নগরীর মতো বন্দরের ইয়ার্ডে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, ইয়ার্ডে রাখা অসংখ্য কনটেইনার আংশিক পানির নিচে submerged হয়ে গেছে। একই সংগঠনের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বেশ কয়েকটি বেসরকারি অফডকেও।

ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, বৃষ্টির পানিতে কনটেইনারগুলি ডুবে থাকার কারণে আমদানিকৃত বিভিন্ন পণ্য নষ্ট হয়ে গেছে। ক্লিফটন গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এমডি এম মহিউদ্দিন চৌধুরী বলেছেন, আমদানিকৃত পণ্যের মধ্যে কাগজজাতীয় উপকরণ, লবণ, রাসায়নিকসহ অনেক সংবেদনশীল পণ্য রয়েছে। এসব পণ্যে পানি লাগার কারণে আমদানিকারক ও রফতানিকারকদের জন্য ক্ষতির সম্ভবনা সৃষ্টি হয়েছে।

এখনো পর্যন্ত চট্টগ্রাম বন্দর কিংবা কোনো বেসরকারি অফডক কর্তৃপক্ষ বৃষ্টির পানিতে কনটেইনারে থাকা পণ্যের ক্ষতির বিষয়টি স্বীকার করেনি। বরং টানা বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার ফলে বন্দরে রাখা পণ্য, কার্গো বা কনটেইনারের ক্ষতি হলে 'অ্যাক্ট অব গড' অনুযায়ী বন্দর কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে না, এমন একটি নোটিশও জারি করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম বলেছেন, বন্দরের বিভিন্ন ইয়ার্ড বা শেডে সংরক্ষিত কনটেইনার বা পণ্যের ক্ষতি হওয়ার কোনো প্রতিবেদন এখনো আমাদের কাছে আসেনি।

বিকডার মহাসচিব রুহুল আমিন সিকদার বিপ্লব বলেছেন, যদি কোনো আমদানিকারক বা রফতানিকারকের পণ্য সত্যিই ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকে, তাহলে ক্ষতিপূরণের বিষয়টি ভাবনাতে আসতে পারে। তবে তার পূর্বে ক্ষতির যৌক্তিকতা যাচাই করা প্রয়োজন।

অন্যদিকে, ক্ষতিপূরণ থেকে রক্ষা পেতে 'অ্যাক্ট অব গড'-এর অজুহাত ব্যবহার নিয়ে ব্যবসায়ীরা অসন্তুষ্ট। এ পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত শিল্প ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য জরুরি সহায়তা চেয়ে সরকারকে যৌথ চিঠি পাঠিয়েছে বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, বিটিএমএ এবং চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বন্দরে ও অফডকে জলাবদ্ধতার কারণে আমদানিকৃত তুলা, সুতা, কাপড়, শিল্পের কাঁচামাল, রাসায়নিক পণ্য এবং প্যাকেজিং সামগ্রী নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি বিদ্যমান।

বিজিএমইএর পরিচালক এস এম আবু তৈয়েব বলেছেন, ভবিষ্যতে এই ধরনের পরিস্থিতি এড়াতে বন্দরের ড্রেনেজ ব্যবস্থা উন্নত করতে হবে। 'অ্যাক্ট অব গড' বলে দায় এড়িয়ে গেলে এ ধরনের ঘটনা পুনরাবৃত্তি ঘটতে থাকবে এবং ব্যবসায়ীরা ক্ষতির সম্মুখীন হবেন।

বিজিএমইএর পরিচালক এনামুল আজিজ বলেছেন, অতিবৃষ্টি কোনো অস্বাভাবিক প্রাকৃতিক দুর্যোগ হিসেবে গণ্য হয় না। তাই এটিকে 'অ্যাক্ট অব গড' হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।

বাংলাদেশের মোট আমদানি-রফতানি বাণিজ্যের প্রায় ৯৩ শতাংশ চট্টগ্রাম বন্দরের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। এই কার্যক্রমে সহযোগিতা করছে বন্দরের সাথে সংযুক্ত ২১টি বেসরকারি অফডক। দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে এ বন্দর এবং সংশ্লিষ্ট অবকাঠামোর মধ্যে পণ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ব্যবসায়ীরাও দাবি জানিয়েছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আজ ১৪ জুলাই ২০২৬ (মঙ্গলবার)-এর নামাজের সময়সূচি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৪১ এম


আজ ১৪ জুলাই ২০২৬ (মঙ্গলবার)-এর নামাজের সময়সূচি

নামাজ ইসলাম ধর্মের পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। এটি পঞ্চস্তম্ভের মধ্যে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে। সুতরাং, নির্দিষ্ট সময়ে নামাজ আদায় করা অত্যন্ত জরুরি।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) তারিখে ঢাকা এবং এর পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য নামাজের সময়সূচি নিচে প্রদান করা হলো-

জোহর- ১২:০৮ মিনিট

আসর- ০৪:৪৩ মিনিট

মাগরিব- ০৬:৪৮ মিনিট

এশা- ০৮:১৮ মিনিট

উল্লিখিত সময় অনুযায়ী, যেসব বিভাগের জন্য সময়ের যোগ-বিয়োগ করতে হবে, সেগুলি হলো-

যোগ করতে হবে:

খুলনা: ০৩ মিনিট

রাজশাহী: ০৭ মিনিট

রংপুর: ০৮ মিনিট

বরিশাল: ০১ মিনিট

বিয়োগ করতে হবে:

চট্টগ্রাম: ০৫ মিনিট

সিলেট: ০৬ মিনিট

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%