প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের সড়ক পরিবহন খাতে ব্যবহৃত যানবাহনের অন্তত ৩০ শতাংশকে ইলেকট্রিক মোটরযানে রূপান্তরিত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি আরও জানান, সরকারি পদক্ষেপের মাধ্যমে গণপরিবহনকে পরিবেশবান্ধব জ্বালানিতে রূপান্তর করা হবে, যাতে কার্বন নিঃসরণ কমানো এবং টেকসই পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা সম্ভব হয়।
এসব তথ্য তিনি সোমবার (১৩ জুলাই) জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন-৩৩ এর সরকারি দলের সদস্য শওকত আরা আক্তারের জরুরি জন-গুরুত্বসম্পন্ন মনোযোগ আকর্ষণের নোটিশের জবাবে জানাতে গিয়ে বলেন।
শেখ রবিউল আলম বলেন, যানবাহন থেকে নির্গত গ্রিনহাউস গ্যাস, বিশেষ করে কার্বন ডাই-অক্সাইডের নিঃসরণ বৈশ্বিক উষ্ণায়নের অন্যতম প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর তাই, জীবাশ্ম জ্বালানির উপর নির্ভরশীল যানবাহনের পরিবর্তে ইলেকট্রিক যানবাহনের ব্যবহার বাড়াতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে উল্লেখযোগ্য গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ন্যাশনালি ডিটারমাইন্ড কন্ট্রিবিউশন (এনডিসি) অনুযায়ী, বাংলাদেশ ২০৩০ সালের মধ্যে পরিবহন খাত থেকে নিঃশর্তভাবে ৩ দশমিক ৪ মিলিয়ন টন কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণ কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এ লক্ষ্যে দেশের সড়ক পরিবহন ব্যবস্থায় ব্যবহৃত যানবাহনের অন্তত ৩০ শতাংশ ইলেকট্রিক মোটরযানে রূপান্তরের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
এ লক্ষ্য পূরণের জন্য সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ ইতোমধ্যেই ইলেকট্রিক মোটরযানের নিবন্ধন ও চলাচল সংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়ন করেছে। তিনি এ প্রসঙ্গে জানান, সঙ্গে সঙ্গে জ্বালানি তেলের ব্যবহার এবং পরিবেশ দূষণ কমাতে একটি সম্পূর্ণ নতুন ইলেকট্রিক বাস শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য শুল্কমুক্ত এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে মাত্র ১৫ শতাংশ শুল্কে আমদানি করার প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়েছে।
সংসদ সদস্যদের উত্থাপিত বিভিন্ন দাবির প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের সময় অনেক সংসদ সদস্য সেতুর টোল মওকুফের প্রতিশ্রুতি দিয়ে থাকেন। তবে টোল আদায় একটি রাজস্ব-সংক্রান্ত বিষয় এবং এটি অর্থ বিভাগের আওতাধীন। তাই যোগাযোগ মন্ত্রণালয় এককভাবে কোনো সেতুর টোল প্রত্যাহার করতে পারে না।
মন্ত্রী বলেন, ছোট সেতুর ক্ষেত্রে টোলে ছাড় দেয়ার বিষয়টি অর্থ বিভাগের সঙ্গে আলোচনা করে নীতিগত সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে বিবেচনা করা হতে পারে। তবে কোনো সংসদ সদস্যের সুপারিশে বা অনুরোধে টোল আদায় বন্ধ করার সুযোগ অত্যন্ত সীমিত।
রেলস্টেশনের দাবির প্রসঙ্গে সেতুমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন এলাকায় আন্তঃনগর ট্রেনের স্টপেজ বাড়ানোর দাবি থাকলেও এ বিষয়ে নির্দিষ্ট নীতিমালা বিদ্যমান। সব জায়গায় ট্রেন থামানো হলে আন্তঃনগর ট্রেনের বৈশিষ্ট্য নষ্ট হবে এবং দ্রুত যাতায়াতের উদ্দেশ্য ব্যাহত হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন