ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

প্রেমিকার নেকলেসের ‘গোপন’ সংখ্যায় চমক, আলোচনায় ইয়ামাল


প্রেমিকার নেকলেসের ‘গোপন’ সংখ্যায় চমক, আলোচনায় ইয়ামাল

স্পেনের তরুণ ফুটবল তারকা লামিন ইয়ামাল মাঠের পারফরম্যান্সের সাথে সাথে তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও নিয়মিত আলোচনা হচ্ছে। এবার তার প্রেমিকা ইনেস গার্সিয়ার গলায় একটি বিশেষ কাস্টম ডায়মন্ড নেকলেস দেখা যাওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালের আগে ইনেস গার্সিয়াকে স্টেডিয়ামে এই নেকলেসটি পরে দেখা যায়। এরপর নেকলেসটির নকশা এবং এতে থাকা বিভিন্ন প্রতীক নিয়ে ভক্তদের মধ্যে কৌতূহল দেখা দেয়।

স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম লা ভ্যানগার্ডিয়া জানাচ্ছে, এটি লামিন ইয়ামালের পক্ষ থেকে ইনেস গার্সিয়ার জন্য বিশেষভাবে তৈরি একটি উপহার। নেকলেসটির ডিজাইন করেছেন স্প্যানিশ জুয়েলার ইনিয়াকি তোরেস, যিনি আইটি জুয়েলার্সের প্রতিষ্ঠাতা।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

এক সাক্ষাৎকারে ইনিয়াকি তোরেস জানিয়েছেন, গোলাপি সোনা এবং উচ্চমানের হিরা দিয়ে হাতে তৈরি এই অলংকারটি সম্পূর্ণ কাস্টম ডিজাইনের। নেকলেসটিতে দুটি প্রধান অংশ রয়েছে।

এক অংশে রয়েছে ‘LY’, যা লামিন ইয়ামালের নামের আদ্যক্ষর। অন্য অংশে ১০, ১৯, ২৭ এবং ৪১ এই চারটি সংখ্যা রয়েছে। এগুলো ইয়ামালের ফুটবল ক্যারিয়ারের বিভিন্ন সময়ে ব্যবহৃত জার্সি নম্বরের প্রতীক বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

এর পাশাপাশি নেকলেসটিতে যোগ করা হয়েছে ‘৩০৪’ প্রতীক, যা বার্সেলোনার রোকাফোন্দা এলাকার পোস্টাল কোড ০৮৩০৪-এর শেষ তিন অঙ্ক। এটি ইয়ামালের শৈশব, বেড়ে ওঠা এবং নিজের শিকড়ে ভালোবাসার প্রতীক হিসেবে ধারণা করা হয়। নকশায় একটি মুকুট এবং ফুটবল বুটের প্রতিরূপও রয়েছে, যা তার সাফল্য ও ফুটবল ক্যারিয়ারের প্রতীক হিসাবে সুপ্রতিষ্ঠিত।

দামের দিক থেকেও নেকলেসটি বেশ ব্যয়বহুল। লা ভ্যানগার্ডিয়া এবং ওলা-এর তথ্য অনুযায়ী, এর মূল্য ২৫ হাজার থেকে ৩০ হাজার ইউরের মধ্যে অবস্থান করছে। সর্বোচ্চ মূল্য ৩০ হাজার ইউরো ধরলে, বাংলাদেশি মুদ্রায় এর আনুমানিক মূল্য প্রায় ৪৩ লাখ টাকা।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

জুয়েলারি বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি একটি ‘ওয়ান-অফ-ওয়ান’ বা একক ডিজাইন। অর্থাৎ, একই নকশার আর কোনো বাণিজ্যিক সংস্করণ বাজারে নেই। প্রতিটি প্রতীক এবং নকশা ইয়ামালের ব্যক্তিগত জীবন, শৈশব এবং ফুটবল ক্যারিয়ারের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়কে তুলে ধরার উদ্দেশ্যে নির্দিষ্টভাবে তৈরি করা হয়েছে।

বিশ্বকাপ চলাকালে ইনেস গার্সিয়া প্রথমবার প্রকাশ্যে এই নেকলেস পরার পর থেকেই এটি নিয়ে শুরু হয় ব্যাপক আলোচনা। অনেক ভক্তের মনে হয়, এটি কেবল একটি দামি উপহার নয় বরং লামিন ইয়ামালের জীবনসংগ্রাম, শিকড়ের প্রতি টান এবং সাফল্যের প্রতীক।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নওগাঁয় সাপের কামড়ে কিশোরের মর্মান্তিক মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:০৬ পি.এম


নওগাঁয় সাপের কামড়ে কিশোরের মর্মান্তিক মৃত্যু

নওগাঁর পোরশা উপজেলার এলাকা থেকে বিষধর সাপের কামড়ে রাকিবুল ইসলাম (১৭) নামের একজন কিশোরের মৃত্যু ঘটেছে।

এই ঘটনা ঘটে শনিবার (১৮ জুলাই) সকালে, উপজেলার নিতপুর ইউনিয়নের পশ্চিম হরিপুর গ্রামে।

নিহত কিশোরের পরিচয় পাওয়া গেছে, তিনি ওই গ্রামের মমতাজ আলীর সন্তান।

পারিবারিক এবং স্থানীয় সূত্রে আরও জানা গেছে, শনিবার সকালে রাকিবুল যখন নিজের শয়নকক্ষে কাজ করছিলেন, তখন একটি বিষধর সাপ তার ছোবল দেয়। এর ফলে বিষের কারণে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। কিন্তু পরিবারের সদস্যরা তাকে তাৎক্ষণিকভাবে হাসপাতালে না নিয়ে, প্রথমে স্থানীয় এক ওঝার কাছে নিয়ে যান। সেখানে ওঝার ঝাড়ফুঁক করে দীর্ঘ সময় নষ্ট হয়। পরে যখন তার অবস্থার আরও খারাপ হয়, তখন তাকে পোরশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হয়। কিন্তু চিকিৎসাধীন অবস্থাতেই তিনি মারা যান।

পোরশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. মোসা. নাসিমা সুলতানা বলেন, রোগীকে হাসপাতালে আনার আগে বিষ তার শরীরে ছড়িয়ে পড়েছিল। এর ফলে যথাযথ চিকিৎসা দেওয়ার পরও তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

তিনি আরও জানালেন যে, সাপের কামড়ের পর ওঝা বা ঝাড়ফুঁকের পেছনে সময় নষ্ট করা মোটেও উচিত নয়। রোগীকে যদি দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া যায়, তবে তার বেঁচে থাকার সুযোগ বেড়ে যায়।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, সাপের কামড়ের পরে আতঙ্কিত না হয়ে কিছু জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত। রোগীকে আতঙ্কিত হতে না দেওয়া, তাকে শান্ত রাখা অত্যন্ত প্রয়োজন। আক্রান্ত স্থান বা অঙ্গটি যতটা সম্ভব নড়াচড়া না করে স্থির রাখতে হবে। কোনো ওঝা বা কবিরাজের কাছে না গিয়ে সরাসরি নিকটস্থ সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে, যেখানে অ্যান্টিভেনম বা যথাযথ চিকিৎসার ব্যবস্থা রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ গঠনে কাজ করার প্রত্যয় জামায়াত আমিরের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১০ পি.এম


ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ গঠনে কাজ করার প্রত্যয় জামায়াত আমিরের

জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, "আমরা সবাই মিলে দেশ গড়ার কাজে অংশগ্রহণ করতে চাই।" তবে তিনি মন্তব্য করেন যে, "কিন্তু আপনারা যেভাবে ধাক্কায়ে ধাক্কায়ে আমাদেরকে রাজপথের দিকে দিচ্ছেন, রাজপথ জ্বলে উঠলে সেই আগুনে অনেক কিছু পুড়ে ছারখার হয়ে যাবে।"

শনিবার (১৮ জুলাই) বিকেলে বরিশালের হেমায়েত উদ্দিন ঈদগাহ ময়দানে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।

এ বিভাজনমূলক সমাবেশের আয়োজন করা হয় গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জনদুর্ভোগ নিরসন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ও যোগাযোগ ব্যবস্থাসহ অবহেলিত দক্ষিণাঞ্চলের সার্বিক উন্নয়নের দাবিতে বরিশালে।

তিনি বলেন, "আপনারা ৯১ সালের পরে ক্ষমতায় এসে বোঝেন নাই কাকে কেয়ারটেকার সরকার বলে। শেষ পর্যন্ত বুঝেছেন ঠিকই। আমরা বলবো জাতির ক্ষতি করে বুঝবেন না, এখনই বুঝুন। আমরা রাজপথে এভাবে থাকতে চাই না।"

তিনি আরও বলেন, "যে গণভোটে ৭০ ভাগ জনগণ রায় দিয়েছে, সেই একই দিনের ভোটে আপনারা সরকার বলে এখন দাবি করছেন। ওই গণভোট না থাকলে এই সরকারও মানা হবে না। ওই গণভোট যদি ব্যর্থ হয়, এই সরকারকেও ব্যর্থ করে দেওয়া হবে। ওই গণভোট মানতে জনগণ আপনাদের বাধ্য করবে ইনশাআল্লাহ।"

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুয়েত-পাকিস্তানের মধ্যে বড় পরিসরের প্রতিরক্ষা চুক্তির সম্ভাবনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:১৫ পি.এম


কুয়েত-পাকিস্তানের মধ্যে বড় পরিসরের প্রতিরক্ষা চুক্তির সম্ভাবনা

কুয়েত ও পাকিস্তানের মধ্যে একটি সম্প্রসারিত প্রতিরক্ষা চুক্তি বিষয়ক আলোচনা চলছে। মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি পাকিস্তানের সঙ্গে এই প্রতিরক্ষা চুক্তি করতে উৎসাহী, যা জ্বালানি সহযোগিতা ও বিনিয়োগের বিনিময়ে করা হবে।

শনিবার (১৮ জুলাই) ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্সের একটি প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

কুয়েত ও পাকিস্তানের মধ্যে চলমান আলোচনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পাঁচটি সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে রয়টার্স জানায়, আলোচনা এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা এই আলোচনা জটিল করে তুলতে পারে বলে মনে হচ্ছে।

সোমবার ইয়েমেনে ইরানের মিত্র হিসেবে পরিচিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হুতিরা সৌদি আরবে হামলা চালায়। এরপর পাকিস্তান তাদের বার্তায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ করে, সৌদি আরবের ওপর যেকোনো হামলাকে নিজেদের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করবে।

এদিকে, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা ও যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের মধ্যে সংঘাতে কুয়েত একাধিকবার হামলার শিকার হয়েছে। ফলে, পাকিস্তান যদি কুয়েতের সঙ্গে নতুন প্রতিরক্ষা চুক্তি করে, তবে ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী দেশ হিসেবে কুয়েতের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। এমনকি, ইরানের সঙ্গে সরাসরি যুদ্ধেও জড়িয়ে পড়তে পারে কুয়েত।

যদিও কুয়েতের সঙ্গে পাকিস্তানের সামরিক প্রশিক্ষণ ও যৌথ মহড়া নিয়ে একটি সীমিত প্রতিরক্ষা চুক্তি ২০২৩ সাল থেকে কার্যকর রয়েছে। তবে, কুয়েত এখন পাকিস্তানের কাছ থেকে আরও শক্তিশালী নিরাপত্তা সহযোগিতা চাইছে, ঠিক সৌদি আরবের সঙ্গে পাকিস্তানের বর্তমান চুক্তির মতো।

এ প্রসঙ্গে, পাকিস্তান সরকারের একজন কর্মকর্তা জানান, প্রস্তাবিত সহযোগিতার আওতায় হাজার হাজার পাকিস্তানি সেনা মোতায়েন, যুদ্ধবিমান, ড্রোন, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও অন্যান্য সামরিক সুবিধা অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। কিন্তু পাকিস্তান এতটা অগ্রসর হবে কিনা, তা এখনও নিশ্চিত নয়। কারণ, সৌদি আরবের সঙ্গে বহু দশকের পুরোনো মিত্রতার ভিত্তিতে ঘটানো প্রতিরক্ষা চুক্তির উপর নির্ভর করছে।

মধ্যপ্রাচ্যের একটি সূত্রও উল্লেখ করেছে, কুয়েত পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এতে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কেনার মতো বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তবে, এই আলোচনা শেষ পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে রূপ নেবে কিনা, তা নিশ্চিত নয়।

এদিকে, পাকিস্তানি এক কর্মকর্তা বলেন, 'একটি বিষয় পরিষ্কার করে বলতে চাই, বর্তমানে যুদ্ধের জন্য সেনা মোতায়েনের বিষয়ে আমরা বিবেচনা করছি না এবং খুব সম্ভবত করতে পারি না।'

গত এক বছরে পাকিস্তানের সঙ্গে নতুন আঞ্চলিক প্রতিরক্ষা জোট গঠনের সম্ভাবনা নিয়ে উপসাগরীয় দেশগুলো আরো আগ্রহী হয়ে উঠেছে। পাকিস্তানের একটি বড় সামরিক বাহিনী রয়েছে এবং নিজস্ব যুদ্ধবিমানও নির্মাণ করে। পাকিস্তানও প্রতিবেশী ও আঞ্চলিক দেশগুলোর সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তিকে জরুরি বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের একটি উপায় হিসেবে বিবেচনা করছে।

এছাড়া, তুরস্ক, পাকিস্তান ও সৌদি আরব একটি নতুন পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তির খসড়া তৈরি করছে। এটি সৌদি আরবের সঙ্গে পাকিস্তানের বর্তমান দ্বিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চুক্তির বাইরে একটি আলাদা উদ্যোগ। বাহরাইনও একই ধরনের চুক্তিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। পাকিস্তানের সঙ্গে অস্ত্র সরবরাহ ও সামরিক প্রশিক্ষণের প্রস্তাব নিয়ে জর্ডানও আগ্রহী। এদিকে, কুয়েত পাকিস্তানের জন্য তেল ও জ্বালানির নিরাপত্তার বড় সুযোগ নিয়ে এসেছে।

পাকিস্তানের একটি সূত্র বলেছে, কুয়েত পাকিস্তানে শুল্ক-সুবিধাসহ জ্বালানি সংরক্ষণাগার স্থাপন সম্ভাবনা নিয়ে চিন্তা ভাবনা করছে। এটি দুই দেশের সরকারের মধ্যে আগেই প্রতিষ্ঠিত ডিজেল সরবরাহ চুক্তির ভিত্তিতে এগোতে পারে। যদি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা কমে আসে, তাহলে এ বিষয়ে আলোচনা আরো ত্বরান্বিত হতে পারে। এ ধরনের প্রস্তাব আরো বড় পরিসরের প্রতিরক্ষা চুক্তির দিকে এগোতে উৎসাহিত করতে পারে পাকিস্তানকে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রিজভী: শেখ হাসিনা দেশে ফিরে রাজনীতি করতে চাইলে তা জনগণ মেনে নেবে না

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:২০ পি.এম


রিজভী: শেখ হাসিনা দেশে ফিরে রাজনীতি করতে চাইলে তা জনগণ মেনে নেবে না

বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে জনগণের প্রতিরোধের গুরুত্ব তুলে ধরতে গিয়ে বলেছেন, কোনো ফ্যাসিস্ট শাসকের পতনের পর তাকে আবার ক্ষমতা বা রাজনীতিতে ফিরিয়ে আনা যায় না। তিনি মন্তব্য করেন, ‘শেখ হাসিনা দেশে ফিরে রাজনীতি করতে চাইলে তা জনগণ মেনে নেবে না।’

শুক্রবার (১৭ জুলাই) ঢাকার যাত্রাবাড়ী মোড়ে ‘১৭ জুলাই যাত্রাবাড়ী প্রতিরোধ দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। এই অনুষ্ঠানটি আয়োজন করেছে যাত্রাবাড়ী প্রতিরোধ দিবস বাস্তবায়ন কমিটি।

রুহুল কবির রিজভী আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্যে জানিয়েছেন, ‘ফ্যাসিস্টের পতন হলে পরে তাকে ফেরত আনা যায় না। যে রক্তের আলপনা সে এঁকেছে, সেই রক্তের আলপনা মাড়িয়ে আবার সে এ দেশে রাজনীতি করবে—এটা কী করে সম্ভব? এটা সেই দেশ, যে দেশ বারবার প্রতিরোধ করেছে, প্রতিরোধ করতে জানে।’ তিনি আরও বলেছেন, ‘শেখ হাসিনা যদি এ দেশে ফেরত এসে রাজনীতি করতে চান, তাহলে ইয়াহিয়া খানের যে উত্তরসূরি আছে, টিক্কা খানের যে উত্তরসূরি আছে, তাদেরও আনতে হবে।’

এদিকে, বিএনপির এই নেতা শিশু, কিশোর ও তরুণ হত্যার দায়কে কোনোভাবেই ক্ষমার যোগ্য নয় বলে দাবি করেন। তিনি ইতিহাসের দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, ‘হিটলার কিংবা মুসোলিনির মতো শাসকদের পতনের পর তাঁদের রাজনৈতিক ধারাও আর ফিরে আসতে পারেনি।’ তিনি উল্লেখ করেন, জনগণ রক্তপাত ও দমন-পীড়নের রাজনীতি মেনে নেয় না।

রুহুল কবির রিজভী শেখ হাসিনার আমলে বিরোধী মত দমনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ব্যবহারের অভিযোগ তুলেছেন। এছাড়া, তিনি আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক সংস্কৃতির সমালোচনা করেন। রিজভী বলেন, ‘মানুষের কাছে নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এলেও সেগুলোর বাস্তবায়ন হয়নি। প্রতারণা ও জনগণকে বিভ্রান্ত করাই তাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে পরিণত হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এখন কেউ কেউ দেখি টক শোতে একটু একটু করে гলা-আওয়াজ করছে, এই শেখ হাসিনার আমলে এই হয়েছে, সেই হয়েছে এত উন্নতি হয়েছে। কেন একটা বড় দল তাকে কেন ইয়ে (নিষিদ্ধ) দেওয়া হবে, রাজনীতি করার সুযোগ পাবে না, শেখ হাসিনার চলে আসতে হবে, শেখ হাসিনা যদি এতই পাওয়ারফুল হন, তে পালালেন কেন?’

রিজভী বলেন, ‘মইন ইউ আহমেদ, ফখরুদ্দীন আহমদ সাহেব কত চেষ্টা করেছেন, থ্রেট করেছেন, হুমকি দিয়েছেন, নিজে বছরের পর বছর জেল খেটেছেন তবে শেখ হাসিনার কাছে আত্মসমর্পণ করেননি।’

এর পর জামায়াতে ইসলামীর সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘ধর্মের নামে রাজনীতি করা দলটির আদর্শিক অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। ইসলামের ইতিহাসে সত্য, ন্যায় ও আত্মত্যাগের যে শিক্ষা রয়েছে, জামায়াতের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে তার প্রতিফলন নেই।’

রিজভী এই প্রসঙ্গে বললেন, ‘গোটা দেশের জনগণ স্বাধীনতার পক্ষে, আপনারা স্বাধীনতার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলেন ’৭১ সালে।’ তিনি আরও বলেন, ‘৮৬ সালে আপনারা হাসিনার সঙ্গে গিয়ে এরশাদের অধীনে নির্বাচন করলেন, অথচ অঙ্গীকার ছিল এরশাদবিরোধী আন্দোলনের। ৫ আগস্টের পরে বলে দিলেন, আমরা আওয়ামী লীগের সব মাফ করে দেব। আবার বললেন, ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলব।’

অনুষ্ঠানে, জামায়াতে ইসলামী রাজনৈতিকভাবে মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করতে গিয়ে বারবার সংকটে পড়েছে বলেও মন্তব্য করেছেন রুহুল কবির রিজভী। তিনি জামায়াতের ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক বিষয়ে প্রশ্ন তোলেন: ‘আপনারা কি আমাদের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করেন? আমাদের সার্বভৌমত্বে বিশ্বাস করেন? আমাদের গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতায় বিশ্বাস করেন?’

অন্যদিকে, জুলাই সনদের প্রসঙ্গ টেনে রিজভী বলেন, বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যে অঙ্গীকার করেছেন, তা বাস্তবায়ন করা হবে। তিনি বলেন, ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়িত হবেই।’

আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এবং গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর।

এ ছাড়া ঢাকা মহানগর দক্ষিণের প্রশাসক আবদুস সালাম, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সভাপতি হাসনাত কাইয়ুম, ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম, ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি নাজমুল ইসলাম, জাতীয় ছাত্রশক্তির সভাপতি জাহিদ আহসানসহ অনেকেই বক্তব্য দেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%