১০:১৮ পি.এম
দেশের কৃষিখাতে ব্যবহারের জন্য রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে চুক্তির আওতায় রাশিয়া ও কানাডা থেকে ৭৫ হাজার টন মিউরেট-অব-পটাশ (এমওপি) সার আমদানি করবে সরকার। এতে মোট ব্যয় হবে ৩৫১ কোটি ২৬ লাখ ২৫ হাজার টাকা।
বুধবার (১ জুলাই) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে সার আমদানির অনুমোদন দেয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ
বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে চুক্তির আওতায় জেএসসি ‘ফরেন ইকোনমিক করপোরেশন’ রাশিয়া থেকে ৩৫ হাজার টন এমওপি সার আমদানির অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এতে ব্যয় হবে ১৬৩ কোটি ৯২ লাখ ২৫ হাজার টাকা।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের আরেক প্রস্তাবরে পরিপ্রেক্ষিতে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে চুক্তির আওতায় কানাডা থেকে ৪০ হাজার মেট্রিক টন এমওপি সার আমদানির অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এতে ব্যয় হবে ১৮৭ কোটি ৩৪ লাখ টাকা।
আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা
জানা গেছে, বিএডিসি কর্তৃক রাশিয়া থেকে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে চুক্তির মাধ্যমে এমওপি সার আমদানির প্রস্তাব অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় নীতিগতভাবে অনুমোদিত হয়। ইতোপূর্বে সম্পাদিত চুক্তির কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ায় গত ২৪ মে পুনরায় চুক্তি নবায়ন করা হয়।
সার আমদানি চুক্তিতে উল্লিখিত মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি অনুসারে সারের মূল্য নির্ধারণ করে রাশিয়া থেকে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে প্রথম লটে ৩৫ হাজার টন এমওপি সার আমদানির সিদ্ধান্ত হয়েছে। এতে ব্যয় হবে ১ কোটি ৩৩ লাখ মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ ১৬৩ কোটি ৯২ লাখ ২৫ হাজার টাকা। প্রতি টন এমওপি সারের মূল্য ধরা হয়েছে ৩৮০ মার্কিন ডলার।
আরও পড়ুন: ফ্লোরিডার মহাসড়কে পাঁচ গাড়ির সংঘর্ষে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও তার সন্তান নিহত
অন্যদিকে, বিএডিসি কর্তৃক কানাডা থেকে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে চুক্তির মাধ্যমে এমওপি সার আমদানির প্রস্তাব অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় নীতিগতভাবে অনুমোদিত হয়। আগের চুক্তির কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ায় গত বছরের ২৯ এপ্রিল পুনরায় চুক্তি নবায়ন করা হয়।
এ চুক্তির আওতায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৪ লাখ টন এমওপি সার এরই মধ্যে আমদানি সম্পন্ন হয়েছে। বিদ্যমান চুক্তির আওতায় ঐচ্ছিক তিনটি লটের সার আমদানি অবশিষ্ট আছে।
আরও পড়ুন: ডেঙ্গুতে মৃত্যু বেড়ে ৪, হাসপাতালে ভর্তি ১৮৫১ জন
সার আমদানি চুক্তিতে উল্লিখিত মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি অনুসারে সারের মূল্য নির্ধারণ করে কানাডা থেকে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ঐচ্ছিক প্রথম লটে ৪০ হাজার টন এমওপি সার আমদানি করা হবে। এতে ব্যয় হবে ১ কোটি ৫২ লাখ মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ ১৮৭ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। প্রতি মেট্রিক টন এমওপি সারের দাম ধরা হয়েছে ৩৮০ মার্কিন ডলার।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন