বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং
১০:০৮ পি.এম
বিধবার মোবাইলে তিন মাস অন্তর ভাতার টাকা আসে। প্রতারণা করে একটি চক্র প্রতিবারই হাতিয়ে নেয় সেই টাকা। এতে রাগে ক্ষোভে অভিযোগ নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কার্যালয়ে হাজির হন অসহায় দিনমজুর খতিজা বেগম নামে এই মহিলা। হাউ মাউ করে কেঁদে অভিযোগ দেন এই কর্মকর্তাকে।
অবশেষে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অদ্ভুতভাবে অপ্রস্তুত হয়ে তাকে শান্ত করার চেষ্টা করেন ও বলেন, "ভাতার টাকা আমার কাছে আছে। একটু পরে দিয়ে দেওয়া হবে।"
এই কথা শুনে মুহূর্তে হাসি ফুটে উঠে মহিলার মুখে। পরে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে তিন মাসের বিধবা ভাতার দুই হাজার টাকা দিয়ে দেওয়া হয়। এতে খুশিতে হাউ মাউ করে কেঁদে ফেললেন ভুক্তভোগী বৃদ্ধা।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দুপুরে নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে এটি ঘটে। সে বিষয়ে একটি ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট হওয়ার পর প্রশংসায় ভাসছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাসেল ইকবাল।
জানা যায়, বিধবা খতিজা বেগম হাতিয়া পৌরসভা ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। দীর্ঘদিন ধরে সরকারের বিধবা ভাতা পেয়ে আসছেন। সর্বশেষ কিস্তির টাকা উত্তোলনের সময় এক প্রতারক তার সরলতার সুযোগ নিয়ে কৌশলে পুরো টাকাই হাতিয়ে নেয়। হঠাৎ করেই ভাতার অর্থ হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েন বৃদ্ধা।
পরে কান্নাজড়িত কণ্ঠে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে গিয়ে তিনি অভিযোগ করেন। আবেগাপ্লুত হয়ে তিনি বলেন, "আব্বা, আর তো ব্যাক লই গেছে গই, আই অন কেন্নে চলমু" (বাবা, আমার টাকা নিয়ে গেছে, আমি এখন কীভাবে চলব)।
অসহায় বৃদ্ধার কান্না শুনে তাকে সান্ত্বনা দেন ইউএনও মোহাম্মদ রাসেল ইকবাল। তিনি খতিজা বেগমকে আশ্বস্ত করে বলেন, "আপনার টাকা আমার কাছেই আছে।"
এরপর নিজের পক্ষ থেকে তাকে আর্থিক সহযোগিতা করেন। ইউএনওর এমন আশ্বাস ও সহায়তা পেয়ে মুহূর্তেই খতিজা বেগমের মুখে হাসি ফিরে আসে। তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
এ বিষয়ে হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রাসেল ইকবাল বলেন, "সরকারি ভাতাভোগীদের লক্ষ্য করে প্রতারক চক্র নানা কৌশলে সক্রিয় হয়েছে। সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। কোনো অপরিচিত ব্যক্তির হাতে কার্ড, মোবাইল ফোন, পিন নম্বর বা ব্যক্তিগত তথ্য দেওয়া যাবে না। প্রতারণার শিকার হলে দ্রুত প্রশাসন বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানাতে হবে।"
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ইউএনওর মানবিক উদ্যোগ ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। অনেকেই বলেন, একজন সরকারি কর্মকর্তার এমন সহমর্মিতা শুধু একজন অসহায় বৃদ্ধাকেই স্বস্তি দেয়নি, বরং সাধারণ মানুষের কাছে প্রশাসনের প্রতি আস্থা ও বিশ্বাসও আরও দৃঢ় করেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পাবনা, ১৬ জুলাই, ২০২৬: জেলা শহর থেকে অস্ত্র ও গুলির সাথে, রাতুল ইসলাম (২৩) নামে একজনকে আটক করেছে ডিবি পুলিশ। এ সময়, তার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ২টি বিদেশি পিস্তল, ২টি গুলি ও ৩টি ম্যাগাজিন।
আজ বৃহস্পতিবার, পাবনা সদর থানার দক্ষিণ রামচন্দ্রপুর চর মন্ডলপাড়া এলাকার পরীর মাঠ সংলগ্ন ইছামতি ক্যানেলের শালতলা ব্রিজের পাশে তাকে আটক করা হয়। মো. রাতুল পাবনা পৌরসভার মন্ডলপাড়া এলাকার মো. রাসেল ইসলামের ছেলে।
পুলিশ জানায়, পুলিশের একটি চৌকস টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে সন্দেহভাজন হিসেবে রাতুলকে আটক করে। এ সময়, তার কাছ থেকে পিস্তল, গুলি ও খালি ম্যাগাজিন উদ্ধার করা হয়।
জিজ্ঞাসাবাদে রাতুল পুলিশের কাছে জানায়, আর্জেন্টিনা দলের বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা উপলক্ষে রাতে বড় ধরনের খাওয়া-দাওয়ার আয়োজন করছিল সে এবং তার পলাতক সহযোগীরা।
এই আয়োজনের খরচের টাকা জোগাড় করতে তারা এলাকার বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও চাকরিজীবীদের কাছে জোরপূর্বক চাঁদা দাবি করে। এরই ধারাবাহিকতায়, স্থানীয় মুদি দোকানদার মো. জাকিরের কাছে চাঁদা দাবি করলে তিনি তা দিতে অস্বীকৃতি জানান।
এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আসামিরা দুপুরে বৌ বাজার ব্রিজের ওপর জাকিরের একটি অটোরিকশা আটকে দেয় এবং জানায়, চাঁদা না দিলে ব্যাটারি বিক্রি করে টাকা নেওয়ার হুমকি দেয়। পরবর্তীতে স্থানীয়দের উপস্থিতির কারণে তারা অটোরিকশাটি ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়।
চাঁদা না পেয়ে ক্ষিপ্ত আসামিরা সিদ্ধান্ত নেয়, আর্জেন্টিনার খেলা চলাকালীন মুদি দোকানদার জাকির হোসেনের ওপর বড় ধরনের আক্রমণ বা ক্ষতি সাধন করবে। এই উদ্দেশ্যেই পলাতক আসামিরা অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলি এনে রাতুলের কাছে জমা রেখেছিল। ঘটনার স্থলে ডিবি পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে বাকিরা পালিয়ে গেলেও রাতুল অস্ত্রসহ হাতেনাতে ধরা পড়ে।
পাবনার পুলিশ সুপার ছুফি উল্লাহ বলেন, যার কাছ থেকে অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে, সে অস্ত্রের সাপ্লায়ার এবং তাদের সহযোগী। এ ঘটনায় থানায় মামলা রুজু করার প্রক্রিয়া চলছে। তিনি আরও বলেন, এ ঘটনার সাথে জড়িত অন্যান্য পলাতক আসামিদের আটক ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে জেলা পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত আছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দায়িত্ব গ্রহণ করার পর সৌদি আরব বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতি বছর ৫০০টি শিক্ষাবৃত্তি দেওয়ার একটি ঘোষণা দিয়েছেন।
আজ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তাঁর কার্যালয়ের মুখপাত্র ড. মাহদী আমিনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশের জন্য সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আবদুল্লাহ জাফর এইচ. বিন আবিয়াহ এই গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দেন।
বৈঠকের সময় সৌদি রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে নতুন সরকারের সাথে রাজনীতি, অর্থনীতি সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার বিষয়ে সৌদি আরবের গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেন।
এছাড়া তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের শিক্ষা খাতে সৌদি আরবের সম্ভাব্য সহায়তার বিষয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। রাষ্ট্রদূত উল্লেখ করেন, সৌদি সরকার বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতি বছর ৫০০টি শিক্ষাবৃত্তির বরাদ্দ নিশ্চিত করেছে এবং তিনি ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে এই উদ্যোগের কথা জানিয়েছেন।
বৈঠকে আরও আলোচনা হয় সৌদি আরবে দক্ষ বাংলাদেশি জনশক্তি রপ্তানির সুযোগ সম্প্রসারণ, সৌদি শ্রমবাজারে প্রবেশাধিকার সহজ করাসহ নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বিদ্যমান পদ্ধতিগত জটিলতা দূর করার বিষয়েও।
এছাড়া, দুই পক্ষ হজ ও ওমরাহ, জনগণের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ জোরদার করার এবং দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্রগুলো অন্বেষণ করার বিষয়ে মতবিনিময় করেন।
বৈঠকে উল্লেখ করা হয়, বর্তমানে সৌদি আরবে ৩৮ লাখ প্রবাসী বাংলাদেশি বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে সৌদি আরবের অর্থনীতি ও উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। তাদের পাঠানো রেমিট্যান্সও বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। উভয় পক্ষই দুই দেশের মধ্যে অংশীদারিত্ব ও পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট সহযোগিতা আরো জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এসময় সৌদি প্রতিনিধিদলে ভাইস অ্যাম্বাসেডর খালিদ সাঈদ এম. আল হাদাল এবং ডেপুটি হেড অব দ্য কনসুলার সেকশন মুহাম্মদ ফাহাদ ধি. আল সুহাইমি আরও উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পরীক্ষার তারিখ পিছিয়ে দেওয়ার বিষয়ে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন চলাকালীন ভুয়া ভিডিও ছড়িয়ে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নাম দিয়ে অপপ্রচার শনাক্ত করেছে প্রেস ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ (পিআইবি)-এর ফ্যাক্ট চেক ও মিডিয়া রিসার্চ টিম বাংলাফ্যাক্ট।
বাংলাফ্যাক্টের তথ্য অনুযায়ী, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রদলের হামলার অভিযোগটি সম্পূর্ণরূপে ভুয়া। মারধরের যে ভিডিওটি প্রচারিত হচ্ছে, সেটি বাংলাদেশের নয় বরং এটি ভারতের।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া ভিডিওটি ছড়িয়ে বলা হচ্ছে, আন্দোলনরত ছাত্রদের ওপর চলছে মধ্যযুগীয় কায়দায় শারীরিক নির্যাতন, ছাত্রদলের সন্ত্রাসীরা আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর যে নির্যাতন করছে তার চিত্র এটি! এটি বিএনপির গণতন্ত্র।
বাংলাফ্যাক্ট অনুসন্ধান টিম জানায়, গত ১৮ মে ওড়িশার বেরহামপুর শহরে একটি ব্যস্ত রাস্তায় মারধরের ঘটনা ঘটে। ওই ভিডিওটি সেই ঘটনার দৃশ্য।
আন্দोलनরত শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রদলের হামলার দাবিটি সম্পূর্ণরূপে ভুয়া; মারধরের ভিডিওটি ভারতের।
ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠানগুলো মন্তব্য করেছে, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে দেশ ও প্রবাস থেকে পরিচালিত বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট এবং কিছু ফেসবুক পেজ দ্বারা বাংলাদেশকে ঘিরে বিভিন্ন ধরনের ভুয়া তথ্য ছড়ানোর প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এই ধরনের অপতথ্য বিশেষ করে বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার, চব্বিশের আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী দল ও সংগঠনকে লক্ষ্য করে প্রচার করা হয়। পাশাপাশি, সাম্প্রতিক ঘটনার প্রেক্ষাপটে বিএনপি এবং নবনির্বাচিত বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে গুজব ও মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে বিভ্রান্তি তৈরি করারও চেষ্টা চলছে।
পিআইবির ‘বাংলাফ্যাক্ট’ ফ্যাক্ট-চেক, মিডিয়া রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস টিম নিয়মিত ভুল ও বিভ্রান্তকর তথ্য যাচাই করে সত্য সামনে আনে এবং গণমাধ্যম ও সংবাদ নিয়ে গবেষণা চালিয়ে থাকে।
ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভুল তথ্য শনাক্ত করেছে বাংলাদেশের ফ্যাক্ট চেকিং প্রতিষ্ঠান বাংলাফ্যাক্ট। বাংলাদেশে চলমান গুজব এবং ভুয়া খবর, অপতথ্য প্রতিরোধে এবং জনগণের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব পালন করছে বাংলাফ্যাক্ট।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০ বছর পূর্তি উদ্যাপন উপলক্ষে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ছবি সংবলিত সোনালি রঙের নতুন ১ ডলারের একটি কয়েন আনছে দেশটির রাষ্ট্রীয় মুদ্রা প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ইউএস মিন্ট। চলতি সপ্তাহে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট।
নতুন মুদ্রার এক পাশের মধ্যে থাকবে ট্রাম্পের প্রতিকৃতির সঙ্গে ‘ইন গড উই ট্রাস্ট’ বাক্যটি। তার চারপাশে লেখা থাকবে ‘লিবার্টি’ এবং ‘১৭৭৬-২০২৬’। অপর পাশের মধ্যে থাকবে একটি ঈগলের চিত্র, যার এক পায়ে রয়েছে তির এবং অন্য পায়ে জলপাইয়ের শাখা।
দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে সরকারি মুদ্রা ও বিভিন্ন নথিতে ট্রাম্পের নাম ও ছবি ব্যবহারের উদ্যোগ গৃহীত হয়েছে। এর আগে ট্রাম্পের ছবি সংবলিত স্মারক পাসপোর্ট, নতুন ১০০ ডলারের নোটে তার স্বাক্ষর যুক্ত করার পরিকল্পনা, ২৪ ক্যারেট স্বর্ণের মুদ্রা এবং ২৫০ ডলারের স্মারক নোটের প্রস্তাবগুলিও আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছিল।
অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, এই মুদ্রা আমেরিকান মূল্যবোধ, স্বাধীনতা এবং জাতীয় অঙ্গীকারের প্রতীক হিসেবে তৈরি করা হচ্ছে।
তবে ১ ডলারের কয়েনে জীবিত কোনো প্রেসিডেন্টের ছবি রাখা আইনের দৃষ্টিতে বৈধ কি না, তা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। ২০২০ সালে পাস হওয়া একটি আইন অনুযায়ী স্বাধীনতার ২৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ট্রেজারি বিভাগ বিশেষ ১ ডলারের মুদ্রা তৈরি করতে পারে। তবে প্রচলিত মার্কিন বিধিতে সাধারণত মৃত ব্যক্তিদের ছবিই সরকারি মুদ্রায় ব্যবহারের অনুমতি রয়েছে।
ফক্স নিউজের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে স্কট বেসেন্ট বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ১৫০ বছর পূর্তিতে জীবিত প্রেসিডেন্ট ক্যালভিন কুলিজের ছবি সংবলিত কয়েন উৎপাদনের উদাহরণ রয়েছে। সুতরাং জীবিত প্রেসিডেন্টের ছবি ব্যবহারের নজির আগে থেকেই বিদ্যমান।
মুদ্রাটির চূড়ান্ত নকশা ট্রাম্প মনোনীত সদস্যদের নিয়ে গঠিত কমিশন অব ফাইন আর্টসের সুপারিশের চেয়ে কিছুটা আলাদা। কমিশন ট্রাম্পের পার্শ্বচিত্রের সুপারিশ করলেও চূড়ান্ত নকশায় তার সামনের দিকে রাখা হয়েছে প্রতিকৃতি। এ ক্ষেত্রে অর্থমন্ত্রীর সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে জানা গেছে।
ইউএস মিন্টের নকশা ব্যবস্থাপনা বিভাগের ভারপ্রাপ্ত প্রধান মেগান সুলিভান জানান, আইনি মানদণ্ড পর্যালোচনায় তারা এমন কোনো বাধার সম্মুখীন হননি, যা এই নকশাকে আইনবিরোধী প্রমাণ করতে পারে। তিনি আরও বলেন, নতুন মুদ্রাটা ২৫ সেন্টের কয়েনের তুলনায় কিছুটা বড় হবে এবং এটি ম্যাঙ্গানিজ ব্রাস দিয়ে তৈরি হবে, এর রং হবে সোনালির মতো।
এছাড়া এই ১ ডলারের মুদ্রা ট্রেজারি বিভাগের ২৪ ক্যারেট স্বর্ণের স্মারক মুদ্রার থেকে ভিন্ন। গত জুনে সিনেটের ডেমোক্র্যাট সদস্যরা ওই স্বর্ণের মুদ্রা উৎপাদন বন্ধের দাবি জানিয়েছেন, কারণ তাদের আশঙ্কা ছিল যে ইউএস মিন্টের স্বর্ণ সরবরাহের সঙ্গে বিদেশি অপরাধী চক্রের সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ