শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৯:৪২ পি.এম
বগুড়ার নন্দীগ্রামে জন্মগত চোখের ত্রুটিতে আক্রান্ত তিন বছর বয়সী শিশু আবু বক্করের চিকিৎসার সম্পূর্ণ দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ইতোমধ্যে শিশুটির চোখে তিনবার অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, যদি আরো দুটি অস্ত্রোপচার সফলভাবে সম্পন্ন হয়, তবে শিশুটির চোখ পুরোপুরি ভালো হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিএনপির মিডিয়া সেলের রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের সমন্বয়ক কালাম আজাদ।
আবু বক্কর বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার বুড়ইল ইউনিয়নের সিদেল গ্রামের কৃষক বাদশা মিয়ার সন্তান। ছেলের চিকিৎসার ব্যয় বহন করতে গিয়ে তিনি চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।
সন্তানের দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দেওয়ার আকুতি জানিয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে একটি মানবিক বার্তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এটি প্রধানমন্ত্রীর নজরে আসে। এরপর তিনি শিশুটির চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। তার অতিরিক্ত প্রেসসচিব আতিকুর রহমান রুমনকে শিশুটির উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করার দায়িত্ব দেওয়া হয়।
বিএনপির মিডিয়া সেলের রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের সমন্বয়ক কালাম আজাদ এবং ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর বগুড়ার প্রতিনিধি মো. রাশেদুজ্জামান পিয়াস জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব ও ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর আহ্বায়ক আতিকুর রহমান রুমন এবং সংগঠনটির সদস্যসচিব মুকছেদুল মোমিন মিথুনের তত্ত্বাবধানে শিশুটির শারীরিক অবস্থা ও চিকিৎসার অগ্রগতি নিয়মিতভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীর এই উদ্যোগে আবু বক্করের পরিবার নতুন করে আশার আলো দেখছে। উন্নত চিকিৎসার মাধ্যমে সন্তান সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরবে—এমন প্রত্যাশা পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদেরও।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পুলিশ চট্টগ্রাম থেকে মো. আরিফুল ইসলাম ওরফে আরিফ পাশা (৩১) নামের নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের আরেক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে।
গ্রেপ্তারটি ঘটেছে শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) ফটিকছড়ি পৌরসভা এলাকা থেকে।
আরিফুল ইসলাম, যিনি ফটিকছড়ি পৌরসভার উত্তর রাঙ্গামাটিয়া এলাকার মৃত মফিজুর রহমানের পুত্র এবং ছাত্রলীগের একজন সক্রিয় নেতা, তার বিরুদ্ধে ফটিকছড়ি থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলা রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
ফটিকছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল ইসলাম খান বলেন, গ্রেপ্তার হওয়া আরিফুল ইসলাম নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের একজন সক্রিয় নেতা। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ছাড়াও নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগ-যুবলীগের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে তার সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে গ্রেপ্তার আরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
হুতিরা সৌদি আরবে একাধিক স্থানে হামলা চালিয়েছে। এই হামলায় ২ বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন এবং অনেক মানুষ আহত হয়েছেন। বাংলাদেশ এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে সৌদি সরকারের প্রতি এবং জনগণের প্রতি সংহতি জানানো হয়েছে।
বাংলাদেশ সব ধরনের হামলা অবিলম্বে বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে। এছাড়া কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করার কথাও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যদি ইরানে নতুন করে হামলা চালায়, তাহলে উপসাগরীয় অঞ্চলের সাতটি দেশের তেল স্থাপনা, সমুদ্রতলের যোগাযোগ ক্যাবল, ডেটা সেন্টার এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সংশ্লিষ্ট অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করা হতে পারে বলে ইরান সতর্ক করেছে। এই সতর্কবার্তা দিয়েছেন দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব মোহসিন রেজায়ি।
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাত নিরসনে আলোচনায় যুক্ত দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফের উপদেষ্টা মেহদি মোহাম্মদি সম্ভাব্য নতুন যুদ্ধ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু নীতিগতভাবে নতুন হামলার বিষয়ে একমত হয়েছেন। তবে তিনি মন্তব্য করেছেন, এমন অভিযানে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য নিশ্চিত নয়।
মোহাম্মদি জানিয়েছেন, ইরান পরবর্তী সংঘাতকে অস্তিত্বের জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচনা করছে। যদি দুই বছরের মধ্যে তৃতীয়বারের মতো যুদ্ধ শুরু হয়, তাহলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠবে। এ কারণে ইরানের কৌশলে প্রচলিত সীমারেখা মেনে চলার বাধ্যবাধকতা থাকবে না বলেও তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, নতুন সংঘাত শুরু হলে যুদ্ধের সময়কাল এবং ভৌগোলিক বিস্তৃতি; দুই ক্ষেত্রেই প্রচলিত ধারণা পরিবর্তিত হতে পারে। শত্রুপক্ষের প্রত্যাশার চেয়ে যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার পাশাপাশি তা আরও বিস্তৃত অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
রেজায়ি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, নতুন করে যুদ্ধ শুরু হলে যোগাযোগ ক্যাবল, ডেটা সেন্টার এবং এআই-সংশ্লিষ্ট স্থাপনাও হামলার লক্ষ্যবস্তু হবে। তার মতে, ইরানের অর্থনৈতিক অবকাঠামোতে হামলা চালানো হলে সেই হামলায় সহায়তাকারী অর্থনৈতিক স্থাপনাগুলোকে নিরাপদ রাখার নিশ্চয়তা দেওয়া সম্ভব নয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে একটি স্থানীয় গোষ্ঠীর আপত্তি ও অভিযোগকে উপেক্ষা করে বাউল গানের আসর অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই আসরে একাধিক নারী শিল্পীও সংগীত পরিবেশন করেছেন।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রাতে কুলঞ্জ ইউনিয়নের হাতিয়া গ্রামে শওকত আলী নামের একজন যুক্তরাজ্যপ্রবাসীর উদ্যোগে তার বাড়ির আঙিনায় ‘ছোট পরিসরে’ এই গানের আসর বসে।
যদিও নারী শিল্পীদের অংশগ্রহণে গানের অনুষ্ঠান বন্ধের দাবি জানিয়ে ‘এলাকাবাসীর পক্ষে’ থানায় লিখিত আবেদন করেছিলেন ওই গ্রামের দুই বাসিন্দা আতাহার আলী রাহাত ও কামরুল হাসান মিটু। আতাহার আলী রাহাত জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দিরাই উপজেলা শাখার আহ্বায়ক। তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন যে, নারী শিল্পীরা গান পরিবেশন করলে অশ্লীলতা ও বেহায়াপনা হতে পারে। তাই ‘ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধ রক্ষায়’ অনুষ্ঠানটি বন্ধের দাবি জানানো হয়েছিল।
এমন আবেদন পাওয়ার পর দিরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম গানের আয়োজক প্রবাসী শওকত আলীকে নিয়ে আলোচনা করেন।
এই বিষয়ে ওসি আমিনুল ইসলাম বৃহস্পতিবার বলেছিলেন, গানের অনুষ্ঠানের ব্যাপারে আপত্তি পাওয়ার পর তারা আয়োজকদের সঙ্গে কথা বলেছেন। আয়োজকেরা তাদের আশ্বস্ত করেছিলেন যে, তারা গান-বাজনা করবেন না।
তবে আপত্তি ও বাধা উপেক্ষা করে বৃহস্পতিবার রাতে শওকত আলী তার নিজ বাড়ির আঙিনায় বাউল গানের আয়োজন করেন। জানা গেছে, এতে স্থানীয়রা তাকে সহযোগিতা করেছেন। এই গানের আসরে একাধিক নারী শিল্পীও গান পরিবেশন করেন।
শুক্রবার এ ব্যাপারে ওসি আমিনুল ইসলাম বলেন, কুলঞ্জ গ্রামে ধর্মীয় অনুভূতি বিনষ্ট হওয়ার আশঙ্কায় প্রবাসীর বাড়িতে গানের আসর না করার ব্যাপারে একটি পক্ষ থানায় আবেদন করেছে। এ বিষয়ে আয়োজক ও অভিযোগকারীদের সঙ্গে তারা আলোচনা করেছেন। আপত্তির কারণে আয়োজক শওকত আলী প্রথমে গান করতে না চাইলেও রাতে তার নিজ বাড়িতে গানের আয়োজন করেন। যতদূর তিনি জানেন, সেখানে নারী শিল্পীরাও গান করেছেন। এ নিয়ে কোনো সমস্যা হয়নি বলেও জানান তিনি।
বৃহস্পতিবার রাতে গানের অনুষ্ঠানের শুরুতে বক্তব্য দেন প্রবাসী শওকত আলী। তিনি বলেন, একটি পক্ষ অপপ্রচার করেছে যে, তিনি যাত্রা ও ঘাটু গান করবেন। তারা শিক্ষিত হলেও তাদের উদ্দেশ্য ভালো নয়। তারা অনুষ্ঠান বানচাল করতে পারেননি। মানুষ দেখেছে, তিনি কী আয়োজন করেছেন। যারা গানের আসর বন্ধ করতে চেয়েছিলেন, তাদের সমালোচনা করেন তিনি।
গানের নামে অশালীনতার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করলেও গানের অনুষ্ঠানে বাধা দেননি বলে জানিয়েছেন থানায় অভিযোগকারী কামরুল হাসান মিটু। তিনি বলেন, তাদের গ্রামে শতভাগ মানুষ মুসলমান। গ্রামে মসজিদ, মাদরাসা ও একজন ওলির মাজার রয়েছে। গ্রামে কখনোই মেয়েদের দিয়ে গান হয়নি।
তিনি আরও বলেন, "আমরা গানের বিরুদ্ধে নয়, আমরা চেয়েছি মেয়েদের দিয়ে যাতে অশালীন গান না হয়। তাই অভিযোগ করেছি। রাতে মেয়েদের দিয়ে গান হয়েছে। আমরা পুলিশকে জানিয়েছি। আমরা আইনকে শ্রদ্ধা করি। তাদের গানের কোনো ঝামেলা কেউ করেনি। তাদের অনুষ্ঠান সুন্দরভাবে শেষ হয়েছে।"
স্থানীয় কুলঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান একরার হোসেন বলেন, তিনি ছোটকাল থেকে দেখেছেন, ওই প্রবাসী দেশে এলে বাড়িতে গানের ঘরোয়া আসর করেন। তিনি শৌখিন মানুষ। বৃহস্পতিবার দিনে শুনছিলেন, গান হবে না। এখন তিনিও শুনছেন, রাতে সেখানে গান হয়েছে। নারী শিল্পীরাও গান করেছেন। এ নিয়ে কোনো বিশৃঙ্খলা হয়নি। তবে এ ব্যাপারে থানায় একটি আপত্তি ছিল বলে জানান তিনি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
২০২৬ সালের বিশ্ব ক্ষুধা সূচকে ১২২টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ৮৪তম। বাংলাদেশের স্কোর এই বছর ১৯ দশমিক ২। এই স্কোর নির্দেশ করে যে, বাংলাদেশ মাঝারি মাত্রার ক্ষুধা পরিস্থিতির সম্মুখীন রয়েছে।
গ্লোবাল হাঙ্গার ইনডেক্স-২৬ (জিএইচআই) এর প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। এই র্যাংকিং সংস্থাটির অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়।
১২২টি দেশের মধ্যে ভারতের অবস্থান ১০০ তম, যেখানে তাদের স্কোর ২৪ দশমিক ১। পাকিস্তান ১০৬ তম স্থানে রয়েছে, তাদের স্কোর ২৫ দশমিক ৫।
দক্ষিণ এশিয়ার গড় স্কোরের তুলনায় বাংলাদেশ তুলনামূলকভাবে ভালো অবস্থানে রয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর গড় স্কোর ২৩ দশমিক ৫, কিন্তু বাংলাদেশের স্কোর ১৯ দশমিক ২। দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের চেয়ে ভালো অবস্থানে রয়েছে শ্রীলংকা ও নেপাল। তবে বৈশ্বিক গড় স্কোর (১৮ দশমিক ১) এর তুলনায় বাংলাদেশ কিছুটা পিছিয়ে রয়েছে।
বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচকে স্কোর শূন্য থেকে ১০০-এর মধ্যে নির্ধারিত হয়। স্কোর ১০-এর নিচে হলে ক্ষুধার মাত্রা কম, ১০ থেকে ১৯ দশমিক ৯ হলে মাঝারি, ২০ থেকে ৩৪ দশমিক ৯ হলে গুরুতর, ৩৫ থেকে ৪৯ দশমিক ৯ হলে আশঙ্কাজনক এবং ৫০ বা তার বেশি হলে অত্যন্ত আশঙ্কাজনক বলে বিবেচনা করা হয়। এই হিসাবে, বাংলাদেশের ১৯ দশমিক ২ স্কোর মাঝারি মাত্রার ক্ষুধা পরিস্থিতির নির্দেশ করে।
জিএইচআই স্কোর মূলত চারটি সূচকের ওপর ভিত্তি করে নির্ধারণ করা হয়। এই সূচকগুলো হলো— জনসংখ্যার মধ্যে অপুষ্টির হার, শিশুমৃত্যুর হার, বয়সের তুলনায় শিশুদের উচ্চতা কম হওয়া এবং উচ্চতার তুলনায় শিশুদের ওজন কম হওয়া।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের সূচকে বাংলাদেশে মোট জনসংখ্যার ৮ দশমিক ২ শতাংশ মানুষ অপুষ্টির শিকার। পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের মধ্যে বয়স অনুযায়ী উচ্চতা না বাড়া বা খর্বকায়তার হার ২৪ দশমিক ০ শতাংশ। এটি একটি বড় অগ্রগতি, কারণ ২০০০ সালে এই হার ছিল ৫৪ দশমিক ৯ শতাংশ। গত ২৬ বছরে এই হার ৩০ দশমিক ৯ শতাংশ পয়েন্ট কমেছে।
পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের মধ্যে উচ্চতা অনুযায়ী ওজন না বাড়া বা কৃশতার হার ১২ দশমিক ৯ শতাংশ। দেশের ৩ দশমিক ০ শতাংশ শিশু পাঁচ বছর বয়স পূর্ণ হওয়ার আগেই মারা যাচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ