প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
হুতিরা সৌদি আরবে একাধিক স্থানে হামলা চালিয়েছে। এই হামলায় ২ বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন এবং অনেক মানুষ আহত হয়েছেন। বাংলাদেশ এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে সৌদি সরকারের প্রতি এবং জনগণের প্রতি সংহতি জানানো হয়েছে।
বাংলাদেশ সব ধরনের হামলা অবিলম্বে বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে। এছাড়া কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করার কথাও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যদি ইরানে নতুন করে হামলা চালায়, তাহলে উপসাগরীয় অঞ্চলের সাতটি দেশের তেল স্থাপনা, সমুদ্রতলের যোগাযোগ ক্যাবল, ডেটা সেন্টার এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সংশ্লিষ্ট অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করা হতে পারে বলে ইরান সতর্ক করেছে। এই সতর্কবার্তা দিয়েছেন দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব মোহসিন রেজায়ি।
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাত নিরসনে আলোচনায় যুক্ত দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফের উপদেষ্টা মেহদি মোহাম্মদি সম্ভাব্য নতুন যুদ্ধ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু নীতিগতভাবে নতুন হামলার বিষয়ে একমত হয়েছেন। তবে তিনি মন্তব্য করেছেন, এমন অভিযানে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য নিশ্চিত নয়।
মোহাম্মদি জানিয়েছেন, ইরান পরবর্তী সংঘাতকে অস্তিত্বের জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচনা করছে। যদি দুই বছরের মধ্যে তৃতীয়বারের মতো যুদ্ধ শুরু হয়, তাহলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠবে। এ কারণে ইরানের কৌশলে প্রচলিত সীমারেখা মেনে চলার বাধ্যবাধকতা থাকবে না বলেও তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, নতুন সংঘাত শুরু হলে যুদ্ধের সময়কাল এবং ভৌগোলিক বিস্তৃতি; দুই ক্ষেত্রেই প্রচলিত ধারণা পরিবর্তিত হতে পারে। শত্রুপক্ষের প্রত্যাশার চেয়ে যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার পাশাপাশি তা আরও বিস্তৃত অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
রেজায়ি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, নতুন করে যুদ্ধ শুরু হলে যোগাযোগ ক্যাবল, ডেটা সেন্টার এবং এআই-সংশ্লিষ্ট স্থাপনাও হামলার লক্ষ্যবস্তু হবে। তার মতে, ইরানের অর্থনৈতিক অবকাঠামোতে হামলা চালানো হলে সেই হামলায় সহায়তাকারী অর্থনৈতিক স্থাপনাগুলোকে নিরাপদ রাখার নিশ্চয়তা দেওয়া সম্ভব নয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন