ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

শিক্ষার্থীরাই ভবিষ্যতে বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেবে: প্রধানমন্ত্রী


শিক্ষার্থীরাই ভবিষ্যতে বাংলাদেশের নেতৃত্ব দেবে: প্রধানমন্ত্রী

আজ রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়

ঢাকা, ২৯ জুন, ২০২৬ : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আমাদের সব আয়োজন তোমাদের ঘিরে। কারণ, আমরা এখন আছি, পরে থাকব না। কিন্তু তোমরা থাকবে। ভবিষ্যতে বাংলাদেশের নেতৃত্ব তোমরা দেবে।

তিনি বলেন, আমাদের প্রত্যেকটি কাজের আউটপুট থাকতে হবে, যা বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ গড়ে তুলবে। একইসঙ্গে এটি ভবিষ্যতে বাংলাদেশকে অন্য সব দেশের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় এগিয়ে নিয়ে যাবে।

আজ রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

সারা দেশের মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি এবং 'স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং' জাতীয় প্রদর্শনী উপলক্ষ্যে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখানে সব বিষয় কিন্তু তোমাদের নিয়ে। তোমাদের বন্ধু-বান্ধব যারা সারা দেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছ, আজকের আয়োজন তোমাদের ঘিরে।

তিনি বলেন, আমাদের সব কাজ তোমাদের ঘিরে। কারণ, আমরা এখন আছি, পরে আর থাকব না। কিন্তু তোমরা থাকবে। তোমরা বাংলাদেশকে সামনে নিয়ে যাবে, তোমরা বাংলাদেশকে গড়ে তুলবে। সেটা খেলাধুলায় হোক বা উদ্ভাবনে। ভবিষ্যতে বাংলাদেশের নেতৃত্ব তোমরা দেবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এজন্য শিক্ষা ব্যবস্থার মধ্যে আমরা খেলাধুলা, সংস্কৃতি, ইনোভেশন নিয়ে আসতে চাচ্ছি। এটি হঠাৎ করে আমার চিন্তা করে আনছি না। এটি আমাদের দীর্ঘ দিনের পরিকল্পনা।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

পাশে বসা শিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিনকে দেখিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিক্ষার্থীদের বলেন, তোমাদের মধ্যে যে দক্ষতাগুলো রয়েছে, সেগুলো বের করে আনার পরিকল্পনা আমরা গত ১০ বছর ধরে করছি। মাহদী আমিন যখন অক্সফোর্ডে পড়তো, তখন আমরা বসে বসে ভাবতাম। যখন আমরা দেশের জন্য কাজ করার সুযোগ পাব, তখন এগুলো করবো।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের ভবিষ্যৎকে আমরা সাজাবো। সেজন্যই সিদ্ধান্ত নিয়েছি— ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত তৃতীয় ভাষা হিসেবে ইংরেজিসহ আরো কিছু ভাষা আমরা সিলেক্ট করবো। যে ভাষা শিখলে দেশে বা বিদেশের যেকোনো জায়গায় গেলে যেন কোনো সমস্যায় পড়তে না হয়। তাই বিভিন্ন ভাষা আমরা তোমাদের শেখাতে চাই। এর সঙ্গে ইনোভেশন তো আছেই।

তিনি বলেন, আমরা সিলেবাসের মধ্যে বিভিন্ন খেলা অন্তর্ভুক্ত করবো। এতে যার যে খেলা ভালো লাগবে সে খেলায় আরো বেশি দক্ষ হয়ে উঠবে। একইসঙ্গে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে আমরা কারিগরি শিক্ষা চালু করতে চাই। এটি একটি বাড়তি দক্ষতা হিসেবে যোগ হবে।

জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। পরে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, গীতা পাঠ ও বাইবেলের অংশ বিশেষ পাঠ করা হয়। এছাড়া একটি ভিডিওচিত্র উপস্থাপন করা হয়।

আরও পড়ুন: ক্ষমা চাইলেন ‘পাপের লাশ বাংলাদেশে আসুক চাই না’ বলা এমপি রতন

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল। অনুষ্ঠানে সারা দেশের সহস্রাধিক শিক্ষার্থী ও শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক।

ছবি: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
ছবি: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষার্থী প্রতিনিধিরা তাদের অনুভূতি ব্যক্ত করেন। এ ধরনের আয়োজনের জন্য তারা প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।

শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তা, বিজ্ঞানচর্চা ও উদ্যোক্তা মনোভাব বিকাশে গত ১২ জুন সারা দেশে শুরু হয় ‘স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং প্রোগ্রাম’।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের অংশগ্রহণে আয়োজিত এ কর্মসূচি উপজেলা-থানা, জেলা এবং জাতীয়— এই তিন ধাপে অনুষ্ঠিত হয়। আজ অনুষ্ঠানে প্রতিটি ধাপের বিজয়ীদের পুরস্কৃত করা হয়।

বিজয়ী শিক্ষার্থীদের প্রত্যেক দলকে ২০ হাজার টাকার চেক, পদক ও সনদপত্র এবং বিজয়ী শিক্ষকদের ৩০ হাজার টাকার চেক ও সনদপত্র প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) এডুকেশনাল এক্সিলেন্স সাপোর্ট স্কিমের আওতায় প্রথমবারের মতো এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেছেন, তোমাদের জন্য অনেক সুযোগ করে দিতে চাই। এতে শুধু তোমরা না, সমগ্র বাংলাদেশ দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাবে।

আরও পড়ুন: প্রাথমিক শিক্ষা সংস্কারে ৫ বিষয়ে অগ্রাধিকার ঘোষণা প্রতিমন্ত্রীর

তিনি বলেন, আজ অনুষ্ঠান শুরুর আগে এখানে আমি একটি গাছ লাগিয়েছি। সারা দেশের ২৯ হাজার ৬ শতাধিক স্কুল এসময় ভার্চুয়ালি কানেক্টেড ছিল। প্রতিটি স্কুলে তিনটি করে গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে। তার মানে— একদিনে ৯০ হাজার গাছ লাগানো হয়েছে আজ।

সরকারের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা, সংস্কৃতি, উদ্ভাবনসহ নানা সুযোগ সৃষ্টির বিপরীতে একটি জিনিস প্রত্যাশা করছেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, আমরা তোমাদের জন্য নানা সুযোগ সৃষ্টি করছি— যেন তোমরা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে গড়ে ওঠো। কারণ, তোমরা আত্মবিশ্বাসী হলে আমিও আত্মবিশ্বাসী হবো। তবে, এর বিনিময়ে একটি জিনিস চাই আমি।

কে কে দেবে প্রধানমন্ত্রী জানতে চাইলে উপস্থিত শিক্ষার্থীরা হাত তুললে তিনি সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।

আরও পড়ুন: নারী ও শিশুদের কল্যাণে ইউনিসেফের সঙ্গে অংশীদারিত্ব চায় বাংলাদেশ

তিনি বলেন, তোমাদের প্রত্যেককে প্রতিবছর একটি করে গাছের চারা রোপণ করতে হবে। যেখানে থাকো বা স্কুলে বা কলেজে বছরে একটি করে গাছ লাগাতে হবে। কারণ, আমাদের এ দেশেই থাকতে হবে। এখানে বুক ভরে শ্বাস নিতে হবে।

উপস্থিত কিশোর-কিশোরী ও তরুণদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তোমার দেখেছো এ দেশে জনসংখ্যা বেড়ে যাওয়ায়, গাড়ি বা যানবাহন বেড়েছে, অনেক গাছ কেটে ফেলতে হয়েছে। আমাদের বাতাস অনেক দূষিত হয়ে গেছে। এখনই এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে এক সময় আমরা আর পরিষ্কার বা বিশুদ্ধ বাতাসে শ্বাস নিতে পারবো না।

তিনি বলেন, তাই প্রতিবছর নিজের জন্য একটি করে গাছের চারা রোপণ করো। দেখবে তুমিও বড় হচ্ছো, গাছও বড় হচ্ছে। গাছ একসময় তোমার বেস্ট ফ্রেন্ড হয়ে যাবে।

ছবি: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
ছবি: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়

তারেক রহমান বলেন, গাছের চারা যখন বড় হয়, তার সান্নিধ্যে গেলে ভালো অনুভূতি হয়। আমি গাছের দিকে তাকিয়ে থাকি, কথা বলি, অনেক পরিকল্পনা করি।

আমাদের সবাইকে শৃঙ্খল হতে হবে মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটা খুব জরুরি। আমাদের আরো একটি বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে। সেটি হলো— পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা। তোমরা দেখবে বিশ্বের অনেক দেশ কিন্তু খুব পরিষ্কার। সেখানকার রাস্তাঘাট, বাগান সব পরিষ্কার। অথচ আমাদের রাস্তাঘাটে অনেক ময়লা-আবর্জনা। এগুলো তো বাইরে থেকে কেউ এসে করছে না। আমরা নিজেরাই এসব ময়লা করছি। আমরা সবাই মিলে এ দেশটা পরিষ্কার রাখতে পারি কি না?

তিনি বলেন, এখন থেকে আমরা আমাদের রাস্তাঘাট, পাবলিক প্লেস পরিষ্কার রাখবো। অন্য কেউ ময়লা ফেললে তাকে বলতে হবে— এ কাজ করাটা অন্যায়। আমরা সবাই একটি সুন্দর বাংলাদেশ চাই। কিন্তু চেষ্টা না করলে তো সেটা হবে না।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই চেষ্টা তোমাদের করতে হবে। আমাদের বয়স হয়ে গেছে। এখন সময় তোমাদের। ভবিষ্যৎ তোমাদের। দেশটা গড়ে তুলতে হবে তোমাদের। আমরা হয়তো শুরু করে দিয়ে যেতে পারি, কিন্তু চালিয়ে নিয়ে যেতে হবে তোমাদের।

তিনি বলেন, দেশটা আমাদের সবার। তাই সবাই মিলে দেশ পরিষ্কার রাখতে হবে। আমাদের পরিবেশটা সুন্দর রাখতে হবে। সেই সুন্দর পরিবেশে নতুন নতুন উদ্ভাবনের পরিকল্পনা করা সহজ হবে।

অনুষ্ঠানে আগত প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যারা আজকে পুরস্কার পেয়েছো বা পাওনি সবাইকে ধন্যবাদ। যারা পুরস্কার পাওনি তারা হতাশ হবে না। পরের বছরের জন্য উদ্যোমী হতে হবে।

উপস্থিত শিক্ষকদের প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনারা মানুষ গড়ার কারিগর। আপনারা যদি এই বাচ্চাদের সঠিক গাইডলাইন দেন, তাহলে দেশটাও ঠিক পথে এগোবে। আপনাদের ওপর অনেক কিছু নির্ভর করছে। জানি আপনাদের নানা সংকট রয়েছে। এ সংকটগুলো আমরা একদিনে সমাধান করতে পারবো না। পর্যায়ক্রমিকভাবে সমাধান করতে হবে।

কিন্তু একটি দেশের যারা ভবিষ্যৎ তাদের মধ্যে যদি শিক্ষা থাকে, মানবিকতা থাকে, মূল্যবোধ থাকে এর চেয়ে বড় সম্পদ আর কিছু হতে পারে না। এই সম্পদকে যদি সঠিকভাবে ব্যবহার করা যায়, তবেই কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমানকে স্মারক প্রদান করা হয়। সবশেষে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়। 

'স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং’য়ে চ্যাম্পিয়ন দল হিসেবে পুরস্কার নেয় সেন্ট যোসেফ উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ঢাকা।

এর আগে ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি' স্লোগানে একযোগে দেশের ২৯ হাজারের বেশি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধানমন্ত্রী দেশব্যাপী এ কর্মসূচির সূচনা করেন।

এ সময় বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে একটি নিম গাছের চারা রোপণ করেন প্রধানমন্ত্রী।

একই মঞ্চ থেকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় আয়োজিত 'স্টার্টআপ, সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং' জাতীয় প্রদর্শনীরও উদ্বোধন করেন তারেক রহমান।

এ সময় তিনি প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন বিজ্ঞান প্রকল্প, স্টার্টআপ উদ্যোগ ও উদ্ভাবনী আইডিয়া পরিদর্শন করেন। শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনী চিন্তার প্রশংসা করেন এবং এসব উদ্যোগকে আরো এগিয়ে নিতে সরকারের সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডা. জুবাইদা রহমান, শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, শিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী, অতিরিক্তি প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ দেশের বিভিন্ন বিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকবৃন্দ।

 

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধী দলীয় নেতার কুশল বিনিময়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৩:০৯ এম


প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধী দলীয় নেতার কুশল বিনিময়

সংসদ কক্ষেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।  ছবি: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়

সংসদ ভবন, ২৯ জুন, ২০২৬: সংসদ কক্ষেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। 

আজ সোমবার সন্ধ্যায় জাতীয় সংসদের দিনের কার্যক্রম শেষে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে করমর্দন করেন ডা. শফিকুর রহমান। 

এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বিরোধী দলের অন্য সদস্যরাও কুশল বিনিময় করেন। 

ছবি: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
ছবি: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশের কল্যাণে কাজ করতে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত হতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৩:১১ এম


দেশের কল্যাণে কাজ করতে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত হতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সোমবার জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশন দেখতে আসা শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলেন। ছবি: পিএমও

সংসদ ভবন, ২৯ জুন ২০২৬  : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের কল্যাণে কাজ করার জন্য শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।

জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনের দুপুরের বিরতিতে অধিবেশন দেখতে আসা শিক্ষার্থীদের তিনি এ কথা বলেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান উপস্থিত ছিলেন।

আজ সোমবার মাদারীপুর জেলার চারটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৪৫ জন শিক্ষার্থী বাজেট অধিবেশন দেখতে আসেন। দুপুরে সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে অপেক্ষমান ছিলেন তারা। নিজ কার্যালয় থেকে চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে একটি অনুষ্ঠানে যাওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী অপেক্ষমান শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা, সংস্কৃতি এবং অন্যান্য সৃজনশীল কার্যক্রমে যুক্ত থাকার পরামর্শ দেন।

ছবি: পিএমও
ছবি: পিএমও

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পেরে শিক্ষার্থীরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে স্মরণীয় এই অভিজ্ঞতার জন্য কৃতজ্ঞতা জানায়।

মাদারীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. জাহান্দার আলী মিয়ার উদ্যোগে তার নির্বাচনী এলাকার চারটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষার্থীরা বাজেট অধিবেশন দেখতে আসে। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- ইউনাইটেড ইসলামিয়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়, ডোনাভান সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, রাজৈর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও টেকেরহাট পপুলার হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ।

অধিবেশন দেখার পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা সংসদ ভবনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান পরিদর্শন করে সংসদের ইতিহাস, স্থাপত্য ও কার্যক্রম সম্পর্কে ধারণা লাভ করে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরিশাল সিটি কলেজে মোব করে কলেজ দখলের অভিযোগ, জামায়াত নেতাদের বিরুদ্ধে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৩:৩০ এম


বরিশাল সিটি কলেজে মোব করে কলেজ দখলের অভিযোগ, জামায়াত নেতাদের বিরুদ্ধে

শেখ হাসিনার সরকার পতনের পর বরিশাল সিটি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন বিএনপি অনুসারী শিক্ষক হাওলাদার মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন। তবে ২০২৪ সালের ২১ সেপ্টেম্বর মব সৃষ্টি করে তাঁকে পদত্যাগে বাধ্য করেছেন ওই কলেজের সহকারী অধ্যাপক মহানগর খেলাফত মজলিসের সহসভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন এবং জেলা জামায়াতের আমির আব্দুল জব্বার। খেলাফত মজলিসের নেতা মোয়াজ্জেম হোসেনকে তখন বলা হয়েছিল, জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে তাঁকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ করা হবে। কিন্তু শাহাবুদ্দিনকে পদত্যাগ করানোর পর ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে জেলা জামায়াতের সাবেক আমির ও মহানগর কর্মপরিষদ সুরার সদস্য মো. হাবিবুর রহমানকে নিয়োগ দেওয়া হয়। একই সময়ে কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয় সরকারি চাখার কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ জামায়াতে ইসলামের রুকন অধ্যাপক মো. আব্দুর রবকে। এর ফলে পুরো কলেজটিই জামায়াত নেতাদের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়। খেলাফত মজলিসের নেতা মোয়াজ্জেম হোসেন এসব ঘটনার প্রতিবাদ করেন।

ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ করার নিশ্চয়তা দিয়ে তাঁকে দমিয়ে রাখা হয়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ জামায়াত নেতা হাবিবুর রহমান অবসরে যান। অভিযোগ উঠেছে, তখন চারজন জ্যেষ্ঠ শিক্ষককে টপকিয়ে আগের মতো মব সৃষ্টি করে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব গ্রহণ করেন জেলা জামায়াতের আমির আব্দুল জব্বার। এ অবস্থায় খেলাফত মজলিসের নেতা মোয়াজ্জেম হোসেন আদালতে মামলা দায়ের করলে কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি আব্দুর রব এবং অধ্যক্ষ আব্দুল জব্বার তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করেন। এর পর থেকে পুরো কলেজ জামায়াতে ইসলামের নেতাদের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়। খেলাফত মজলিস বরিশাল মহানগর শাখার সহসভাপতি এবং সিটি কলেজের ইসলাম শিক্ষা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোয়াজ্জেম হোসেন বলেছেন, ‘সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন জামায়াতে ইসলামীর কয়েক নেতার নেতৃত্বে মবের শিকার হন। তখন তিনি জামায়াতের নেতাদের কাছে দায়িত্ব দিয়ে পুরো কলেজ নিয়ন্ত্রণের জন্য আব্দুল জব্বারের নেতৃত্বে মব সৃষ্টি করা হয়। পরে দায়িত্ব দেওয়া হয় জামায়াত নেতা হাবিবুর রহমানকে। হাবিবুর রহমান অবসরে চলে গেলে রত্নীতির ভিত্তিতে দায়িত্ব দেওয়ার কথা ছিল আমার। কিন্তু কলেজের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি জামায়াত নেতা আব্দুর রব অফিস আদেশের মাধ্যমে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হয়ে যান আব্দুল জব্বার। আমি এর প্রতিবাদে আদালতে মামলা দায়ের করি। আদালত সূত্রে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া হয় এবং কার্যক্রম স্থগিত রাখার আদেশ প্রদান করা হয়। এরপরও কলেজের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি আব্দুর রব এবং অধ্যক্ষ আবদুল জব্বার আমাকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করেন। এরপর আমাকে শর্ত দেওয়া হয় মামলা তুলে নেওয়ার। গত ৬ তারিখ আমি মামলা তুলে নিলে বরখাস্তের আদেশ প্রত্যাহার করা হয়।’ মোয়াজ্জেম দাবি করেন, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের জ্যেষ্ঠতার তালিকায় আব্দুল জব্বার ছিলেন চতুর্থ।

কিন্তু মব সৃষ্টি করে তিনি ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হয়ে গেছেন। মোয়াজ্জেম বলেছিলেন, ‘মামলা তুলে নেওয়া ছাড়া আমার কিছু করার উপায় ছিল না। কারণ পুরো কলেজ এখন জামায়াতে ইসলামীর কয়েকজন নেতার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।’ কলেজের সাবেক ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. শাহাবুদ্দিন রবিবার দুপুরে বলেন, ‘২০২৪ সালের ২১ সেপ্টেম্বর দিনটি আমার চোখে এক কালো অধ্যায়ের মতো। যদিও এর আগে দীর্ঘদিন ধরে আমাকে চাপ দেওয়া হচ্ছিল ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব ছেড়ে দিতে। তবে ওই ২১ সেপ্টেম্বর হঠাৎ করে কলেজের সহকারী অধ্যাপক মহানগর খেলাফত মজলিসের সহসভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন এবং জেলা জামায়াতের আমির আব্দুল জব্বার কিছু শিক্ষককে নিয়ে আমার কক্ষে প্রবেশ করে পদত্যাগপত্র লেখার জন্য কাগজ নিয়ে আসে। তাতে লেখা ছিল আমি স্বেচ্ছায় সজ্ঞানে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব ছেড়ে দিচ্ছি। কিন্তু আমি তাতে স্বাক্ষর দিতে রাজি হইনি। পরে আমার ওপর নির্যাতন চালিয়ে স্বাক্ষর নেয়া হয়।’ তিনি বলেন, ‘আমি প্রতিবাদ করতে চেয়েছিলাম। তবে ওই সময় কলেজের পরিবেশ ভীষণ ভয়াবহ ছিল।’ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বরিশাল সিটি কলেজের বেশ কয়েকজন শিক্ষকের বক্তব্য অনুযায়ী, কলেজে বর্তমানে ৩৭ জন শিক্ষক রয়েছেন। এর মধ্যে সভাপতি, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এবং অন্য দুজন প্রভাষক ছাড়া জামায়াতের অনুসারী অন্য কোনো শিক্ষক নেই। তবে কর্মরত সব শিক্ষক-কর্মচারীদের তাঁরা ভীতিকর অবস্থায় রাখেন। তাঁদের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ করলে মব সৃষ্টি করেন। যেমনটি দুবার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এবং সভাপতি নির্বাচনের ক্ষেত্রে করা হয়েছিল। এই শিক্ষকদের মতে, এবারে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে প্রথম নাম ছিল ইসলাম শিক্ষা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোয়াজ্জেম হোসেনের। কারণ তিনি বর্তমানে কলেজের সবার জ্যেষ্ঠ। পরে রয়েছেন দর্শন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক দেলোয়ারা বেগম। জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে তৃতীয় ছিলেন ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আফরোজা বেগম। ইসলাম শিক্ষা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আব্দুল জব্বার ছিলেন চতুর্থ অবস্থানে।

কিন্তু কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি জামায়াত নেতা আব্দুর রব অফিস আদেশে আব্দুল জব্বারকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব দেন। আর এসব কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ করায় মোয়াজ্জেম হোসেনকে বরখাস্ত করা হয়। তবে কেউই প্রতিবাদ করতে পারেননি। এখন জামায়াতের এই নেতাদের সিদ্ধান্তের বিরোধিতাও কেউ করতে পারছেন না। কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আব্দুল জব্বর রবিবার দুপুরে তাঁর কার্যালয়ে আলাপকালে বলেন, ‘আমাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আমি দায়িত্ব পালন করছি। এখানে মবের কোনো বিষয়ে নেই। আর মোয়াজ্জেম হোসেন জ্যেষ্ঠ হলেও তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অনেক অভিযোগ রয়েছে।’ সাবেক অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিনের বিষয়ে কথা বলতে চাইলে তিনি কোনো উত্তর দিতে রাজি হননি। জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘনের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘যাঁরা আমাকে দায়িত্ব দিয়েছেন কেবল তাঁরাই বলতে পারবেন।’ তবে এ বিষয়ে কথা বলার জন্য কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক আব্দুর রবের সঙ্গে কথা বলার জন্য তাঁর সেলফোন নম্বরে বারবার কল করা হলেও তিনি তা রিসিভ করেননি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরিশালে ৮০০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩০শে জুন, ২০২৬ ইং

০৩:৪০ এম


বরিশালে ৮০০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের অভিযানে ৮০০ পিস ইয়াবাসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

২৯ জুন ২০২৬ সোমবার বিকেলে বরিশাল নগরীর দক্ষিণ পলাশপুর এলাকায় কাউনিয়া থানা পুলিশ একটি অভিযান পরিচালনা করে তাকে আটক করে।

গ্রেপ্তার হওয়া মাদক ব্যবসায়ী মো. রাসেল হাওলাদার (৩৫) ওই এলাকার বাদশা হাওলাদারের ছেলে।

কাউনিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সনজিত চন্দ্র নাথ ৮০০ পিস ইয়াবাসহ ওই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তারের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, 'গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।'

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%