ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিপদে এক ফোন, পাশে ৯৯৯: গর্ভবতী নারী ও শিশুকন্যার উদ্ধার


বিপদে এক ফোন, পাশে ৯৯৯: গর্ভবতী নারী ও শিশুকন্যার উদ্ধার

একটি ফোনকল কখনও কখনও আতঙ্কের মুহূর্তকে স্বস্তিতে পরিণত করতে পারে। সংকটের সময় এটি নিশ্চিন্ত নির্ভরতা প্রদান করে।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) এমন দুটি ঘটনায় জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ দুটি পরিবারের জন্য ‘লাইফলাইন’ হিসেবে কাজ করেছে। একটি ঘটনায় চলন্ত লঞ্চে প্রসববেদনায় কাতর এক গর্ভবতী নারীকে উদ্ধার করা হয়। অন্য ঘটনায় দুর্ঘটনাক্রমে ট্রেনে থেকে যাওয়া চার বছর বয়সী এক শিশুকন্যাকে তার মায়ের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

এই দুটি ঘটনা আবারও প্রমাণ করেছে যে, টোল-ফ্রি জরুরি নম্বর ৯৯৯-এ একটি ফোনকলের মাধ্যমে দ্রুত প্রয়োজনীয় উদ্ধারকারী সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করা সম্ভব।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

৯৯৯ জাতীয় জরুরি সেবার গণমাধ্যম ও জনসংযোগ কর্মকর্তা আনোয়ার সাত্তার এ দুটি ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ সার্বক্ষণিকভাবে চালু থাকে এবং পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও অ্যাম্বুলেন্সসহ বিভিন্ন জরুরি সহায়তার সঙ্গে মানুষের যোগাযোগ করিয়ে দেয়।

চলন্ত লঞ্চে প্রসববেদনায় কাতর নারী উদ্ধার

শনিবার রাতে বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জের উলানিয়া কালীগঞ্জ লঞ্চ টার্মিনাল থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া দোয়েল পাখি-১০ লঞ্চে এক গর্ভবতী নারী তীব্র প্রসববেদনায় আক্রান্ত হন। এ সময় এক যাত্রী ৯৯৯-এ ফোন করেন।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

ফোনকারী জানান, ওই নারী ব্যথায় কাতর হয়ে কাঁদছিলেন এবং তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছিল। ৯৯৯ তাৎক্ষণিকভাবে নারায়ণগঞ্জের কোস্ট গার্ড কন্ট্রোল রুম এবং নারায়ণগঞ্জ জোনের নৌ-পুলিশ ফাঁড়িকে বিষয়টি জানিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করে।

৯৯৯-এর কলটেকার কনস্টেবল করুণা সরকার কলটি গ্রহণ করেন। এরপর ৯৯৯-এর ডিসপ্যাচার এএসআই মাসুম বিল্লাহ উদ্ধার কার্যক্রম তদারকি ও সমন্বয় করেন।

খবর পেয়ে নারায়ণগঞ্জের পাগলা স্টেশন থেকে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের একটি উদ্ধারকারী দল স্পিডবোট নিয়ে চলন্ত লঞ্চটির কাছে পৌঁছে যায়।

উদ্ধারকারী দল অসুস্থ নারীকে উদ্ধার করে দ্রুত ঢাকার সদরঘাটে নিয়ে আসে। পরে তাকে চিকিৎসার জন্য কাছাকাছি একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়।

আরও পড়ুন: ক্ষমা চাইলেন ‘পাপের লাশ বাংলাদেশে আসুক চাই না’ বলা এমপি রতন

এর আগে, সম্প্রতি ৯৯৯-এর সহায়তায় ভোলা-ঢাকাগামী একটি চলন্ত লঞ্চ থেকে শ্বাসকষ্টে গুরুতর অসুস্থ সাত মাস বয়সী এক শিশুকেও কোস্ট গার্ড সদস্যরা উদ্ধার করেছিলেন।

চলন্ত ট্রেনে ফেলে যাওয়া শিশু উদ্ধার

শনিবার দুপুরে আরেকটি জরুরি ফোনকলের মাধ্যমে চলন্ত ট্রেনে দুর্ঘটনাক্রমে থেকে যাওয়া তিন থেকে চার বছর বয়সী এক শিশুকন্যাকে উদ্ধার করা হয়।

নরসিংদী রেলওয়ে স্টেশনে থাকা এক যাত্রী ৯৯৯-এ ফোন করে জানান, তিনি একটি ট্রেনে শিশুটিকে দেখতে পেয়েছেন। তার ধারণা ছিল, শিশুটির পরিবারের সদস্যরা ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনে নেমে গেছেন।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

৯৯৯-এ দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শিশুটির মা মেয়েকে নিয়ে সিলেটের কুলাউড়া থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উদ্দেশে কালনী এক্সপ্রেসে যাত্রা করছিলেন।

ট্রেনটি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পৌঁছালে প্রচণ্ড ভিড়ের মধ্যে মা তার লাগেজ নিয়ে ট্রেন থেকে নেমে যান। কিন্তু তিনি মেয়েকে ট্রেন থেকে নামাতে পারেননি। পরে ট্রেনটি ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে গেলে শিশুটি ট্রেনেই থেকে যায়।

৯৯৯ তাৎক্ষণিকভাবে রেলওয়ে পুলিশ কন্ট্রোল রুমকে বিষয়টি জানিয়ে জরুরি ভিত্তিতে শিশুটিকে উদ্ধারের ব্যবস্থা করতে বলে।

৯৯৯-এর কলটেকার কনস্টেবল মিতু ফোনকলটি গ্রহণ করেন। পরে ৯৯৯-এর ডিসপ্যাচার এএসআই তরুণ কুমার আচার্য উদ্ধার কার্যক্রম তদারকি ও সমন্বয় করেন।

আরও পড়ুন: ফ্লোরিডার মহাসড়কে পাঁচ গাড়ির সংঘর্ষে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও তার সন্তান নিহত

ট্রেনটি নরসিংদীতে পৌঁছালে নরসিংদী রেলওয়ে থানার একটি দল শিশুটিকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। পরে শিশুটির পরিবারের সদস্যরা নরসিংদী রেলওয়ে থানায় পৌঁছালে নিরাপদে শিশুটিকে তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

কুমিল্লার ডা. সৈয়দা ফারজানা আফরিন জানান, তার বাবা চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে মারা যান। মরদেহ বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স কুমিল্লা নেওয়ার পথে বিকল হয়ে যায়। এ অবস্থায় তারা কি করবেন ভেবে পাচ্ছিলেন না। সেখানে উপস্থিত একজন ৯৯৯-এ ফোন করেন। এরপর ১৫ মিনিটের মধ্যে সেখানে অপর একটি অ্যাম্বুলেন্স পৌঁছে যায়। তখন পিতা হারানোর শোকের মাঝেও বিড়ম্বনা থেকে মুক্তিতে তারা স্বস্তি পান।

৯৯৯-এর বিশেষত্ব

এ ধরনের ঘটনা ৯৯৯ জরুরি সেবার একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য তুলে ধরে। জরুরি অবস্থায় থাকা ব্যক্তিকে কোন সংস্থা ঘটনাস্থলে গিয়ে সহায়তা করবে, তা কলকারীকে জানতেই হবে এমন নয়। জরুরি পরিস্থিতির তথ্য পাওয়ার পর ৯৯৯ সংশ্লিষ্ট পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, কোস্ট গার্ড, রেলওয়ে পুলিশসহ প্রয়োজনীয় উদ্ধারকারী সংস্থার কাছে তা পৌঁছে দিতে পারে।

আরও পড়ুন: ডেঙ্গুতে মৃত্যু বেড়ে ৪, হাসপাতালে ভর্তি ১৮৫১ জন

সড়ক দুর্ঘটনা ও বন্যার পানিতে আটকে পড়া মানুষকেও উদ্ধারে ৯৯৯ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

এমনই একটি ঘটনায় ৯৯৯-এ পাওয়া খবরের ভিত্তিতে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা বন্যার পানিতে আটকে পড়া ১৩ জনকে উদ্ধার করেন। এদের মধ্যে একজন গর্ভবতী নারী ও কয়েকজন শিশুও ছিল।

এসব ঘটনা প্রমাণ করে, সংকটের মুহূর্তে কোনো ব্যক্তি নিজে পুলিশ স্টেশন, হাসপাতাল বা উদ্ধারকারী সংস্থার কাছে পৌঁছাতে না পারলেও ৯৯৯ তার সঙ্গে প্রয়োজনীয় উদ্ধারকারী সংস্থার মধ্যে প্রথম ও গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগসূত্র হিসেবে কাজ করতে পারে।

তবে অপ্রয়োজনীয় ও ভুয়া ফোনকল জরুরি সেবার ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে এবং প্রকৃত বিপদে থাকা মানুষের কাছে সহায়তা পৌঁছাতে বিলম্ব ঘটাতে পারে।

চলন্ত লঞ্চে প্রসববেদনায় কাতর ওই গর্ভবতী নারী এবং ট্রেনে দুর্ঘটনাক্রমে থেকে যাওয়া ছোট্ট শিশুটির ক্ষেত্রে অবশ্য ফোনকল দুটি ছিল যথার্থ ও সময়োপযোগী। আর দ্রুত হস্তক্ষেপের ফলে দুটি সংকটময় পরিস্থিতিই শেষ পর্যন্ত পরিণত হয় উদ্ধার ও স্বস্তির ঘটনায়। সূত্র: বাসস

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় ৪৭৪ জন গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৫২ পি.এম


ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় ৪৭৪ জন গ্রেপ্তার

রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৭৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সময়ে ৪৭টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) নিয়াজ মেহেদী এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রমনা বিভাগ থেকে ৩৫ জন, লালবাগ থেকে ৩৪ জন, ওয়ারী থেকে ৬৩ জন, মতিঝিল থেকে ৭৪ জন, তেজগাঁও থেকে ১০২ জন, মিরপুর থেকে ৮০ জন, গুলশান থেকে ৩৫ জন, উত্তরা বিভাগ থেকে ৪১ জন, গোয়েন্দা বিভাগ থেকে ৯ জন এবং সিটিটিসির অভিযানে একজন রয়েছেন।

অভিযান চলাকালে উদ্ধার করা হয়েছে বিস্ফোরিত ককটেলের অংশবিশেষ, ৩০ কেজি ২০০ গ্রাম গাঁজা, ৭ হাজার ৭০১টি ইয়াবা ও ৬২ বোতল এসকাফ সিরাপ (ফেনসিডিল)।

এছাড়া, উদ্ধার করা হয়েছে দুটি মোটরসাইকেল, দুটি সুইচগিয়ার, দুই ভিকটিম, নগদ ৬ হাজার ৬১০ টাকা, একটি ল্যাপটপ, ১৩টি মোবাইল ফোন, ১৮ হাজার ৭৭টি বাংলালিংক সিম, ১ হাজার ২৬২টি রবি সিম, ৭০০টি গ্রামীণফোন সিম, ১৫০টি এয়ারটেল সিম, এবং ৭৯৮টি সিমসহ ১০টি ভিওআইপি মেশিন।

রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব আলামত ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উত্তরাঞ্চলের কৃষির স্বপ্নপূরণে কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৫২ পি.এম


উত্তরাঞ্চলের কৃষির স্বপ্নপূরণে কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ২০২১ সালের ২২ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়, যার উদ্দেশ্য উত্তরাঞ্চলের কৃষিশিক্ষা, গবেষণা ও কৃষিভিত্তিক সম্ভাবনাকে উন্নীত করা। প্রতিষ্ঠার পর থেকে অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা, জনবল সংকটসহ বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হলেও বিশ্ববিদ্যালয়টি ধীরে ধীরে একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতি লাভ করেছে। ইতোমধ্যে তিনটি ব্যাচের শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। গবেষণা, ব্যবহারিক শিক্ষা, শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়ন এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ২ ডিসেম্বর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মুহা. রাশেদুল ইসলাম উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রমে নতুন গতি এসেছে। সীমিত জনবল নিয়ে কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি একাডেমিক কাউন্সিল ও সিন্ডিকেটের দ্বিতীয় সভা সম্পন্ন হয়েছে। তার মেয়াদে তিনটি ব্যাচের শিক্ষা কার্যক্রম চালু করা সম্ভব হয়েছে।

এর আগে, অধ্যাপক ড. মুহা. রাশেদুল ইসলাম শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা, বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী হল প্রভোস্টসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করেছেন। শিক্ষক রাজনীতিতে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাদা দলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ইউট্যাব) কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যকরী সদস্য, এগ্রিকালচারিস্টস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (অ্যাব) কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক এবং কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া, স্থানীয় সরকার বিভাগ গঠিত ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধবিষয়ক ৬ সদস্যের বিশেষজ্ঞ কমিটিতেও তিনি সদস্য হিসেবে কাজ করেছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের সরাসরি ভর্তি ও ওরিয়েন্টেশনের মাধ্যমে শুরু হয়। উত্তরাঞ্চলের শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি কমাতে কৃষি গুচ্ছের ভর্তি পরীক্ষার কেন্দ্র হিসেবেও বিশ্ববিদ্যালয়টি দায়িত্ব পালন করেছে। ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে কৃষি গুচ্ছের ভর্তি পরীক্ষায় ৯৪ দশমিক ৬৯ শতাংশ পরীক্ষার্থী উপস্থিতি ছিল। ৯টি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে উপস্থিতির দিক থেকে প্রতিষ্ঠানটি তৃতীয় অবস্থানে ছিল বলে বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে। ইতোমধ্যে প্রথম ব্যাচের ফল প্রকাশ হয়েছে এবং অন্যান্য ব্যাচগুলোর একাডেমিক কার্যক্রম ও ভর্তি কার্যক্রম চলছে।

শিক্ষার পাশাপাশি গবেষণায়ও আন্তর্জাতিক সংযোগ তৈরি হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার চার্লস স্টার্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যৌথ শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। গবেষণার জন্য সাউথইস্ট ব্যাংকের বিশেষ অনুদানও বিশ্ববিদ্যালয়টি পেয়েছে। আউটকাম বেসড এডুকেশন পদ্ধতির আলোকে শিক্ষার্থীদের কৃষির বাস্তব অভিজ্ঞতা দিতে এগ্রোনমি, মৎস্য চাষসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে মাঠ পর্যায়ের প্রশিক্ষণ ও ফিল্ড ট্রিপের আয়োজন করা হচ্ছে।

শিক্ষার্থীদের একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও নেতৃত্বের দক্ষতা বিকাশেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। মহান স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবস, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মরণে আলোচনা সভা ও র‌্যালির আয়োজন করা হয়েছে। দেশীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করতে নবান্ন উৎসব ও পহেলা বৈশাখ উদযাপন করা হয়। শীতবস্ত্র বিতরণ এবং কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনার মতো সামাজিক উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।

ক্যাম্পাসে মাদক ও র‌্যাগিং প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সেমিনারের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জন্য আবাসিক হলের সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে। একইসঙ্গে ভাষা, বিতর্ক ও স্কাউটিংয়ের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বিকাশে বিভিন্ন ক্লাব কার্যক্রম চালু হয়েছে। ল্যাংগুয়েজ ক্লাব শিক্ষার্থীদের যোগাযোগ ও ভাষাগত দক্ষতা বাড়াতে, ডিবেটিং ক্লাব যুক্তিভিত্তিক চিন্তা ও বিতর্কের সক্ষমতা তৈরিতে এবং স্কাউটস শৃঙ্খলা, দায়িত্ববোধ ও সামাজিক সেবার মানসিকতা গড়ে তুলতে কাজ করছে।

সূত্র: বাসস

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেসির ৩৬ কোটি টাকা অনুদানে শিশুদের ক্যান্সার হাসপাতাল নির্মাণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০১:৫৩ পি.এম


মেসির ৩৬ কোটি টাকা অনুদানে শিশুদের ক্যান্সার হাসপাতাল নির্মাণ

ফুটবল মাঠে গোল ও অ্যাসিস্টের জন্য নিয়মিত আলোচনায় থাকেন লিওনেল মেসি। তবে মাঠের বাইরেও মানবিক কর্মকাণ্ডে দীর্ঘ সময় ধরে প্রশংসিত হয়ে আসছেন এই আর্জেন্টাইন তারকা। সম্প্রতি শিশুদের জন্য ক্যান্সার হাসপাতাল নির্মাণে তিনি একটি বড় অঙ্কের অনুদান প্রদান করেছেন।

স্পেনের বার্সেলোনায় শিশুদের ক্যান্সার চিকিৎসার উদ্দেশ্যে একটি হাসপাতাল নির্মাণ প্রকল্পে মেসির ‘মেসি ফাউন্ডেশন’ ২৬ লাখ ইউরো, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৬ কোটি ৬৩ লাখ টাকা, অনুদান দিয়েছে বলে জানায় ফরাসি ওয়েবসাইট ‘ফুট মার্কাতো’।

মেসির ক্যারিয়ারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় বার্সেলোনার সঙ্গে জড়িত। ২০২১ সালে ক্লাবটি ছাড়লেও, শহরটির সঙ্গে তার সম্পর্ক এখনও অটুট রয়েছে। এবার তিনি সেখানেই শিশুদের ক্যান্সার চিকিৎসার জন্য হাসপাতাল নির্মাণে সহায়তা করেছেন।

ফুটবলবিষয়ক সংবাদমাধ্যম ‘গোল’-এর প্রতিবেদন অনুসারে, প্রস্তাবিত হাসপাতালটিতে বছরে প্রায় ৪০০ শিশুর ক্যান্সারের চিকিৎসা সম্ভব হবে। ক্যান্সারে আক্রান্ত শিশুদের জন্য একই ছাদের নিচে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও অন্যান্য সুবিধা নিশ্চিত করাই এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য।

শিশুদের স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও খেলাধুলার বিভিন্ন উদ্যোগে দীর্ঘদিন ধরে সহায়তা করে আসছেন মেসি। তার এসব মানবিক কর্মকাণ্ড ‘মেসি ফাউন্ডেশন’-এর মাধ্যমে পরিচালিত হয়।

এর আগে, শিশুদের লিউকেমিয়া গবেষণায় সহায়তা, মেসির জন্মস্থান আর্জেন্টিনার রোজারিওর একটি হাসপাতালে চিকিৎসা সরঞ্জাম প্রদান এবং মোজাম্বিকে শিশুদের অপুষ্টি দূরীকরণ কর্মসূচিতেও সহায়তা করেছে মেসির ফাউন্ডেশন।

ফুটবল মাঠের সাফল্যের পাশাপাশি মানবিক কর্মকাণ্ডে মেসির এই ভূমিকা তার ভক্তদের কাছে নতুন করে প্রশংসার জন্ম দিয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আজ ঢাকার যেসব এলাকায় মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ থাকবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:১৫ পি.এম


আজ ঢাকার যেসব এলাকায় মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধ থাকবে

ঢাকাতে প্রতিদিনই কেনাকাটার জন্য কোথাও না কোথাও যাওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। তবে, কোনো মার্কেটে যাওয়ার পূর্বে ওই এলাকার সাপ্তাহিক বন্ধের দিন সম্পর্কে অবগত থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অন্যথায়, বিড়ম্বনায় পড়ার সম্ভাবনা থাকে।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) তারিখে, নিচে উল্লেখিত মার্কেট, শপিংমল এবং এলাকার দোকানপাট বন্ধ থাকবে।

যেসব এলাকার মার্কেট বন্ধ

বসুন্ধরা সিটি, ইস্টার্ন প্লাজা, মোতালেব প্লাজা, সেজান পয়েন্ট, নিউমার্কেট, চাঁদনী চক, চন্দ্রিমা মার্কেট, গাউসিয়া, ধানমন্ডি হকার্স, বদরুদ্দোজা মার্কেট, প্রিয়াঙ্গন শপিং সেন্টার, গাউসল আজম মার্কেট, রাইফেলস স্কয়ার, অরচার্ড পয়েন্ট, ক্যাপিটাল মার্কেট, ধানমন্ডি প্লাজা, মেট্রো শপিংমল, প্রিন্স প্লাজা, রাপা প্লাজা, কারওয়ান বাজার, ডিআইটি মার্কেট এবং অর্কিড প্লাজা।

যেসব এলাকার দোকানপাট বন্ধ

কাঁঠালবাগান, হাতিরপুল, মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ, রাজাবাজার, মণিপুরিপাড়া, তেজকুনীপাড়া, ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার, নীলক্ষেত, কাঁটাবন, এলিফ্যান্ট রোড, শুক্রাবাদ, সোবহানবাগ, ধানমন্ডি, হাজারীবাগ, জিগাতলা, রায়েরবাজার, পিলখানা এবং লালমাটিয়া।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%