০৭:২৬ পি.এম
সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি বরিশাল জেলা শাখার নেতৃবৃন্দরা বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে ছুটে গেছেন দৈনিক দেশ রূপান্তর পত্রিকার কুয়াকাটা প্রতিনিধি সাংবাদিক কে.এম বাচ্চু খলিফাকে দেখতে।
এটি ঘটেছে সংবাদ প্রকাশের জেরধরে পটুয়াখালীর কুয়াকাটায়। শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে শেবাচিম হাসপাতালে সাংবাদিক কে.এম বাচ্চু খলিফার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিয়ে সংগঠনের সভাপতি দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার বরিশালের ব্যুরো প্রধান নিকুঞ্জ বালা পলাশ বলেন, "সাংবাদিকদের ওপর হামলা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।" তিনি আরো বলেন, "ঘটনার সাথে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় দক্ষিণাঞ্চলের সাংবাদিকদের নিয়ে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।"
একই সময় তিনি আহত সাংবাদিকের উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহবান করেন। এই সময় সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মামুন অর রশিদ, ক্রীড়া সম্পাদক আহমেদ বায়েজিদ, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য জিয়া উদ্দীন বাবু, এম মোফাজ্জেল, সদস্য লিটন ও কাজী সাইফুল ইসলামসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার
উল্লেখ্য, গত ২৪ জুলাই দিবাগত রাত ১১টার দিকে কুয়াকাটা সৈকত হোটেলের সামনে মোবাইল ফোনে কথা বলছিলেন সাংবাদিক কে.এম বাচ্চু খলিফা। এ সময় সেখানে স্থানীয় চিহ্নিত কয়েকজন ব্যক্তি হামলা চালিয়ে হাতুরি পেটা করে। এতে সাংবাদিক বাচ্চুর মাথা ও পায়ে গুরুত্বর আঘাতপ্রাপ্ত হন। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কুয়াকাটা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর তার অবস্থার অবনতি হলে রাতেই বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় কুয়াকাটা পৌর যুবদলের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক হারুন মুসল্লী, ৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি বাইজিদ সিকদার, একই ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি শহীদ সিকদারসহ ৫ থেকে ৬ জনের বিরুদ্ধে হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগ উঠেছে। সাংবাদিক নেতারা এ হামলার ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত, প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন