ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ভোলার লালমোহনে বাসের ধাক্কায় শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু


ভোলার লালমোহনে বাসের ধাক্কায় শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু

ভোলার লালমোহন উপজেলায় যাত্রীবাহী বাসের চাপায় মোসা. মাইশা আক্তার (৬) নামে এক শিশু নিহত হয়েছে। শনিবার বিকেলে উপজেলার পশ্চিম চরউমেদ ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কের সৈনিক বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিহত শিশু মাইশা ওই এলাকার মো. বিল্লাল হোসেনের মেয়ে।

জানা গেছে, শনিবার বিকেলে লালমোহন উপজেলার সৈনিক বাজার এলাকায় সড়ক পার হচ্ছিল শিশু মাইশা আক্তার। এ সময় ভোলা থেকে ছেড়ে আসা চরফ্যাশনগামী একটি দ্রুতগতির যাত্রীবাহী বাস তাকে চাপা দেয়। বাসের চাপায় ঘটনাস্থলেই মারা যায় শিশু মাইশা। দুর্ঘটনার পর, ঘটনা বুঝতে পেরে বাসের চালক দ্রুত বাস নিয়ে পালিয়ে যান। খবর পেয়ে ওই শিশুর স্বজনসহ স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। তারা সড়কের ওপর গাছ ফেলে সকল ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেন। এই বিষয়ে লালমোহন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম বলেন, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ঘটনাস্থলে একটি টিম পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মতিঝিলে মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে পাওয়া শক্তিশালী বোমা, বলছে পুলিশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৩৯ পি.এম


মতিঝিলে মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে পাওয়া শক্তিশালী বোমা, বলছে পুলিশ

রাজধানীর মতিঝিল মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে একটি শক্তিশালী বোমা (আইইডি) নিষ্ক্রিয় করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) বোমা উদ্ধার ও নিষ্ক্রিয়কারী দল। এ ঘটনায়, ইতোমধ্যে, বিস্ফোরকদ্রব্য আইনে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে একটি মামলা করেছেন মতিঝিল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মুক্তা।

শনিবার (২৫ জুলাই) মামলার তথ্য নিশ্চিত করেছেন মতিঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুজ্জামান তালুকদার।

পুলিশের ধারণা রয়েছে যে, উল্টো রথযাত্রাকে লক্ষ্য করেই মতিঝিল মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে বোমাটি পেতে রাখা হয়েছিল। তবে, আগেই বোমাটি শনাক্ত ও নিষ্ক্রিয় করা সম্ভব হওয়ায় বড় ধরনের বিপর্যয় এড়ানো গেছে।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, শুক্রবার সন্ধ্যার সময় বাদী উল্টো রথযাত্রার নিরাপত্তায় হোন্ডা মোবাইল কল সাইনে দায়িত্ব পালন করছিলেন। রথযাত্রাটির রুট ছিল ঢাকেশ্বরী মন্দির থেকে শুরু হয়ে মতিঝিল শাপলা চত্বর হয়ে স্বামীবাগ আশ্রম পর্যন্ত। সন্ধ্যা বেলায় ট্রাফিক বিভাগ থেকে ডিএমপি কন্ট্রোল রুমে মতিঝিলে একটি বোমাসদৃশ বস্তু পাওয়ার খবর জানানো হয়।

একটি ছাতার মধ্যে রাখা ওই বোমায় মিটমিট করে আলো জ্বলার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এরপর খবর পেয়ে ঊর্ধ্বতনদের নির্দেশে এসআই মুক্তা ও তার সহকর্মীরা ৬টা বিশ মিনিটে মতিঝিল মেট্রো স্টেশনের জেনারেটর রুমের পাশে উপস্থিত ছাতা বোমা পাওয়ার জায়গাটি ঘিরে রাখেন। সেখানে রথযাত্রার মিছিল উপস্থিত হলে পুলিশ সদস্যরা তাদেরকে শর্ট সার্কিট হয়েছে বলে ওই স্থানটির পাশ কাটিয়ে যাওয়ার অনুরোধ করেন।

এরপর মিছিলটি শাপলা চত্বর হয়ে স্বামীবাগ আশ্রমের দিকে চলে যায়। শোভাযাত্রা চলে যাওয়ার পর ডিএমপির বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দলের সদস্যরা এসে সেটি নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণের মাধ্যমে নিষ্ক্রিয় করে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

অথবা ঘটনাস্থল থেকে বোমার আলামত হিসেবে, জিআই পাইপের খণ্ডিত অংশ, ব্যাটারি, বেয়ারিংয়ের বল পাওয়ার কথাও মামলায় উল্লেখ করেছে পুলিশ।

মামলায় বলা হয়েছে যে, সরকারের ভাবমূর্তি বিনষ্ট করতে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে জনগণের জীবন বিপন্ন করার লক্ষ্যেই বোমাটি সেখানে পাতা হয়েছিল।

উল্টো রথযাত্রাকে টার্গেট করেই ওই বোমাটি পাতা হয়েছিল বলে সন্দেহ প্রকাশ করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার শফিকুল ইসলাম জানান, তদন্ত চলছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাতক্ষীরা-ভেটখালী মহাসড়কের উন্নয়নকাজ পরিদর্শন করেছেন এমপি রবিউল বাশার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৪২ পি.এম


সাতক্ষীরা-ভেটখালী মহাসড়কের উন্নয়নকাজ পরিদর্শন করেছেন এমপি রবিউল বাশার

সাতক্ষীরা-ভেটখালী মহাসড়কের চলমান উন্নয়নকাজ পরিদর্শন করেছেন সাতক্ষীরা-৩ (কালিগঞ্জ-আশাশুনি) আসনের সংসদ সদস্য হাফেজ মুহাদ্দিস রবিউল বাশার। তিনি পরিদর্শনকালীন নির্মাণকাজের অগ্রগতি, সড়কের মাঝখানে বিদ্যুতের খুঁটি দ্রুত স্থানান্তর এবং জনভোগান্তি কমানোর জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশনা দেন।

শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে কালিগঞ্জ উপজেলার ফুলতলা মোড়সহ আশপাশের এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন সংসদ সদস্য। বৃষ্টির মধ্যে তিনি নির্মাণাধীন মহাসড়কের বিভিন্ন অংশ পরিদর্শন করেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

কালিগঞ্জ ফুলতলা মাছের আড়তে দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতার বিষয়টি তার নজরে আসে পরিদর্শনের সময়। তিনি এ সমস্যা সমাধানের জন্য মাছের আড়ত থেকে মহাসড়ক পর্যন্ত একটি ছোট আকারের পানি নিষ্কাশন ড্রেন নির্মাণের প্রস্তাব দেন। উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)-এর কর্মকর্তাদের তিনি এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন।

এ সময় তিনি চলমান সড়ক উন্নয়নকাজের কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহে সৃষ্ট সমস্যার বিষয়েও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেন।

সাতক্ষীরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কালিগঞ্জ জোনাল অফিসের ডিজিএম জাহাঙ্গীর আলম জানান, মহাসড়কের উন্নয়নকাজ এবং কিছু কারিগরি কারণে মাঝে মাঝে বিদ্যুৎ সরবরাহে বিঘ্ন ঘটছে। তিনি বলেন, "এটি ইচ্ছাকৃত নয়।" বর্তমানে চলমান সড়কের কাজ শেষ হওয়ার আগেই আগামী তিন মাসের মধ্যে বিদ্যুৎ সরবরাহের বিদ্যমান সমস্যার স্থায়ী সমাধান করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

পরিদর্শন শেষে সংসদ সদস্য হাফেজ মুহাদ্দিস রবিউল বাশার সংশ্লিষ্ট সব বিভাগকে সমন্বয়ের মাধ্যমে দ্রুত উন্নয়নকাজ শেষ করে জনদুর্ভোগ কমাতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফিনল্যান্ডে প্রবাসী নারী প্রতারণার শিকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৪৬ পি.এম


ফিনল্যান্ডে প্রবাসী নারী প্রতারণার শিকার

ফিনল্যান্ডে বসবাসরত এক প্রবাসী নারীকে প্রতারণার মাধ্যমে বিয়ে করে যৌতুক এবং বিপুল পরিমাণ অর্থ ও স্বর্ণালঙ্কার আত্মসাতের অভিযোগে পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার বাসিন্দা মো. আজিমুর রহমান ওরফে আজিম গাজীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন ঢাকার একটি আদালত।

অভিযোগ রয়েছে যে একই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফিনল্যান্ডে একাধিক ফৌজদারি মামলায় আদালতের পরোয়ানা রয়েছে। এমন তথ্য মামলার আর্জি ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

আদালত সূত্রে খবর পাওয়া গেছে যে, ১৩ জুলাই তারিখে দায়ের করা যৌতুক নিরোধ আইন, ২০১৮-এর ৩ ধারার একটি মামলা আমলে নিয়ে ঢাকার অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহবুবুর রহমান আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আদেশ দিয়েছেন।

মামলার আর্জি অনুযায়ী, বাদী একজন বাংলাদেশ ও ফিনল্যান্ডের দ্বৈত নাগরিক এবং তিনি দীর্ঘদিন ধরে ফিনল্যান্ডে বসবাস করেছেন। বাদী অভিযোগ করেছেন যে, ২০২৪ সালের নভেম্বরে তার পরিচয়ের পর মো. আজিমুর রহমান নিজেকে অবিবাহিত এবং সাবেক সেনাসদস্য হিসেবে পরিচয় দিয়ে তাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। এরপর আত্মহত্যার ভয়ভীতি, মানসিক চাপ এবং আবেগের সুযোগ নিয়ে তিনি তাকে বিয়েতে রাজি করানোর চেষ্টা করেছিলেন। ২০২৫ সালের ৯ জানুয়ারি ঢাকার মিরপুরের একটি কাজী অফিসে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়।

বাদীর আরজি অনুযায়ী, বিয়ের পর থেকেই মো. আজিমুর রহমান বিভিন্ন অজুহাতে বাদীর কাছ থেকে ধার, সহায়তা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা বলে ধারাবাহিকভাবে অর্থ নেওয়া শুরু করেন। বাংলাদেশে অবস্থানকালে এবং পরে ফিনল্যান্ডে যাওয়ার প্রস্তুতির সময় ভিসা, বিমানভাড়া, হোটেল খরচ, ড্রাইভিং লাইসেন্স, হোটেল ম্যানেজমেন্ট কোর্স, পারিবারিক ব্যয়সহ জমি-সংক্রান্ত বিষয়, ব্যবসা, মায়ের চিকিৎসা ও অন্য ব্যক্তিগত প্রয়োজনের কথা বলে তিনি বারবার অর্থ গ্রহণ করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

মামলায় বাদীর পরিবারের কাছ থেকেও বিভিন্ন সময় অর্থ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এমনকি বাদীর মায়ের বন্ধক রাখা জমি ছাড়ানোর জন্যও অর্থ নিয়ে নিয়েছেন। বাদী দাবি করেছেন, বিভিন্ন সময় ব্যাংক লেনদেন, মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস, নগদ অর্থ এবং পরিচিত ব্যক্তিদের মাধ্যমে মোট প্রায় ৯০ লাখ টাকা আসামিকে প্রদান করা হয়েছে। এসব লেনদেনের উল্লেখযোগ্য অংশের ব্যাংক ও আর্থিক নথি তার কাছে সংরক্ষিত রয়েছে বলে মামলায় দাবি করা হয়েছে।

এছাড়া, বিয়ের পর ফিনল্যান্ডে যাওয়ার আগে বাদীর পরিবারের কাছ থেকে ২৭ ভরি স্বর্ণালঙ্কার গ্রহণ করা হয়েছিল। পরে ওই স্বর্ণ ফেরত চাইলে তা আর ফেরত দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ফিনল্যান্ডে যাওয়ার পর আসামি বাংলাদেশের পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি রাজকীয় বাড়ি নির্মাণ করেছেন এবং ফিনল্যান্ডে একটি বার স্থাপনের জন্য ৮ কোটি টাকা দাবি করেছেন। ২০ জুন বাংলাদেশে একটি খামার স্থাপনের জন্য ৪২ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করলে বাদী যৌতুক নিরোধ আইন, ২০১৮-এর ৩ ধারায় ঢাকার আদালতে মামলা করতে বাধ্য হন। আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

বাদীর অভিযোগ হচ্ছে যে, অর্থ দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা হয় এবং এক পর্যায়ে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টাও করা হয়েছে। যখন এ বিষয়ে তিনি জরুরি সেবায় ফোন করেন, ফিনল্যান্ডের পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আসামিকে আটক করে। ওই ঘটনার পর পুলিশি তদন্তের ভিত্তিতে ফিনল্যান্ডে একাধিক মামলা দায়ের হয়েছে।

মামলার নথি অনুযায়ী, বর্তমানে ফিনল্যান্ডের আদালতে মো. আজিমুর রহমানের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন, প্রতারণার মাধ্যমে বিয়ে করে ইউরোপে যাওয়ার অভিযোগ, জোরপূর্বক অর্থ আদায়, ভরণপোষণের ব্যয় বহনে বাধ্য করা, ম্যারিটিয়াল রেপ এবং শিশুর সামনে অনৈতিক আচরণ সংক্রান্ত মোট চারটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এসব মামলার বিরুদ্ধে আলাদাভাবে চিকিৎসা-সংক্রান্ত সনদও রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

আর্জিতে আরও অভিযোগ করা হয়েছে যে, আসামির বিরুদ্ধে ইউরোপে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে এবং তিনি শেনজেন অঞ্চলে প্রবেশের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞার মুখোমুখি হয়েছেন। বাদীপক্ষের দাবি, আসামি বর্তমানে বাদীকে তালাক না দিয়ে অবিবাহিত পরিচয় দিয়ে নতুন নারীদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ার চেষ্টা করছেন এবং বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ সংগ্রহ করছেন। একই সঙ্গে, বিগত বিবাহগুলোর তথ্য গোপন করে প্রতারণার মাধ্যমে সে ব্যক্তিগত দাম্পত্য জীবনকে বিগত করেছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

বাদী অভিযোগ করেছেন যে, এসব ঘটনার ফলে তিনি এবং তার সন্তান গুরুতর মানসিক ট্রমা, বিষণ্নতা ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। বর্তমানে তারা ফিনল্যান্ডে চিকিৎসা ও থেরাপি নিচ্ছেন এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা-সংক্রান্ত নথিপত্র আদালতে উপস্থাপন করতে পারবেন বলে দাবি করা হয়েছে।

মামলায় আরও বলা হয়েছে যে, আসামির পরিবারকে গোটা বিষয়টি জানানো হলেও তারা কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারেনি; বরং আসামিকে সমর্থন করেছেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

বাদী আদালতের কাছে অভিযোগ করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণেরও আবেদন জানিয়েছেন, যা আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তার, যৌতুক নিরোধ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী শাস্তি নিশ্চিত করা, তার কাছ থেকে নেওয়া অর্থ ও স্বর্ণালঙ্কার ফেরত এবং অন্যান্য আইনি প্রতিকার চাওয়া হয়েছে।

মামলার অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত মো. আজিমুর রহমান ওরফে আজিম গাজীর বক্তব্য জানার জন্য একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও, তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে, ফলে তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দা দিয়ে কুপিয়ে ছেলেকে হত্যার অভিযোগ মায়ের বিরুদ্ধে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৪৮ পি.এম


দা দিয়ে কুপিয়ে ছেলেকে হত্যার অভিযোগ মায়ের বিরুদ্ধে

রাঙ্গামাটিতে একজন নেশাগ্রস্ত ছেলেকে দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করলেন তার মা।

শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে ঘটে যাওয়া এই ঘটনাটি রাঙামাটি শহরের আসামবস্তি এলাকার সিরাজ সওদাগরের ভাড়া বাসায়।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিহত সাকিবুল ইসলাম নেশাগ্রস্ত অবস্থায় পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বিবাদে জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে, ক্ষুব্ধ হয়ে তার মা রেখা ইসলাম ছেলেকে দা দিয়ে কোপ দেন।

স্থানীয় লোকজন গুরুতর আহত অবস্থায় সাকিবুলকে উদ্ধার করে রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত সাকিবুল ইসলামের বাবা, রফিকুল ইসলাম, পেশায় একজন সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক।

রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডা. ফুহাদ হাসান খান জানান, হাসপাতালে আনার আগেই অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে ওই যুবকের মৃত্যু হয়েছে। মরদেহের ময়নাতদন্তের প্রক্রিয়া চলছে।

ঘটনার পর পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে এবং সংশ্লিষ্ট আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ মো. জসীম উদ্দিন জানান, রাঙ্গামাটি শহরের মির্জা টিলা এলাকায় পারিবারিক কলহের জেরে মায়ের দায়ের কোপে ছেলের মৃত্যু হয়েছে। নিহতের মা ও বাবাকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%