প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
রাজধানীর মতিঝিল মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে একটি শক্তিশালী বোমা (আইইডি) নিষ্ক্রিয় করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) বোমা উদ্ধার ও নিষ্ক্রিয়কারী দল। এ ঘটনায়, ইতোমধ্যে, বিস্ফোরকদ্রব্য আইনে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে একটি মামলা করেছেন মতিঝিল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মুক্তা।
শনিবার (২৫ জুলাই) মামলার তথ্য নিশ্চিত করেছেন মতিঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুজ্জামান তালুকদার।
পুলিশের ধারণা রয়েছে যে, উল্টো রথযাত্রাকে লক্ষ্য করেই মতিঝিল মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে বোমাটি পেতে রাখা হয়েছিল। তবে, আগেই বোমাটি শনাক্ত ও নিষ্ক্রিয় করা সম্ভব হওয়ায় বড় ধরনের বিপর্যয় এড়ানো গেছে।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, শুক্রবার সন্ধ্যার সময় বাদী উল্টো রথযাত্রার নিরাপত্তায় হোন্ডা মোবাইল কল সাইনে দায়িত্ব পালন করছিলেন। রথযাত্রাটির রুট ছিল ঢাকেশ্বরী মন্দির থেকে শুরু হয়ে মতিঝিল শাপলা চত্বর হয়ে স্বামীবাগ আশ্রম পর্যন্ত। সন্ধ্যা বেলায় ট্রাফিক বিভাগ থেকে ডিএমপি কন্ট্রোল রুমে মতিঝিলে একটি বোমাসদৃশ বস্তু পাওয়ার খবর জানানো হয়।
একটি ছাতার মধ্যে রাখা ওই বোমায় মিটমিট করে আলো জ্বলার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এরপর খবর পেয়ে ঊর্ধ্বতনদের নির্দেশে এসআই মুক্তা ও তার সহকর্মীরা ৬টা বিশ মিনিটে মতিঝিল মেট্রো স্টেশনের জেনারেটর রুমের পাশে উপস্থিত ছাতা বোমা পাওয়ার জায়গাটি ঘিরে রাখেন। সেখানে রথযাত্রার মিছিল উপস্থিত হলে পুলিশ সদস্যরা তাদেরকে শর্ট সার্কিট হয়েছে বলে ওই স্থানটির পাশ কাটিয়ে যাওয়ার অনুরোধ করেন।
এরপর মিছিলটি শাপলা চত্বর হয়ে স্বামীবাগ আশ্রমের দিকে চলে যায়। শোভাযাত্রা চলে যাওয়ার পর ডিএমপির বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দলের সদস্যরা এসে সেটি নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণের মাধ্যমে নিষ্ক্রিয় করে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
অথবা ঘটনাস্থল থেকে বোমার আলামত হিসেবে, জিআই পাইপের খণ্ডিত অংশ, ব্যাটারি, বেয়ারিংয়ের বল পাওয়ার কথাও মামলায় উল্লেখ করেছে পুলিশ।
মামলায় বলা হয়েছে যে, সরকারের ভাবমূর্তি বিনষ্ট করতে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে জনগণের জীবন বিপন্ন করার লক্ষ্যেই বোমাটি সেখানে পাতা হয়েছিল।
উল্টো রথযাত্রাকে টার্গেট করেই ওই বোমাটি পাতা হয়েছিল বলে সন্দেহ প্রকাশ করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার শফিকুল ইসলাম জানান, তদন্ত চলছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন