বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৯:৪২ পি.এম
ফেনীর ‘মহুয়া-কহুয়া’ সেচ প্রকল্পের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) বেলা আড়াইটার দিকে জেলার পশুরাম উপজেলার খেয়াঘাট মহুরী ব্রিজ এলাকায় উক্ত প্রকল্পের ফলক উন্মোচন করেন তিনি।
উদ্বোধনী ফলকে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘মহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন (প্রথম পর্যায়)’ শীর্ষক প্রকল্প।
ফলক উন্মোচনের পর প্রধানমন্ত্রী সেখানে বৃক্ষরোপণ করেন। এরপর তিনি নদী খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।
এর আগে ঢাকা থেকে সড়কপথে অনুষ্ঠানস্থলে এসে পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানান ফেনী-১ আসনের বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য রফিকুল আলম মজনু।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য ভিপি জয়নাল আবেদীন, ফেনী-৩ আসনের সংসদ সদস্য পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, গৃহায়ন মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের, সমাজ কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন, মহিলা সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানুসহ জেলা নেতারা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মাছ খাওয়ার সময় গলায় কাঁটা ফুটে যাওয়ার ঘটনা শিশুদের মধ্যে বেশ পরিচিত। এই পরিস্থিতিতে অনেক পরিবার ভাতের দলা, পাউরুটি বা কলা খাইয়ে কাঁটা নামানোর চেষ্টা করে। কিন্তু এই পদ্ধতিতে কাঁটা আরও গভীরে ঢুকে গলার টিস্যুতে আটকে যেতে পারে। এর ফলে পরবর্তীতে সংক্রমণসহ বিভিন্ন জটিলতার ঝুঁকি সৃষ্টি হতে পারে।
অতএব, শিশুর গলায় মাছের কাঁটা ফুটলে আতঙ্কিত না হয়ে কীভাবে ব্যবস্থা নিতে হবে এবং কখন চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে, তা জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ভাত-পাউরুটি-কলা দিয়ে কাঁটা নামানোর চেষ্টা নয়
গলায় কাঁটা ফুটলে প্রথমেই ভাতের দলা, পাউরুটি বা কলা খাইয়ে কাঁটা নিচে নামানোর চেষ্টা করা উচিত নয়। খাবার জোর করে গিলালে কাঁটা আরও গভীরে ঢুকে গলার টিস্যুতে আটকে যেতে পারে।
এতে গলার ভেতরে ক্ষত সৃষ্টি হওয়ার পাশাপাশি সংক্রমণের ঝুঁকিও বৃদ্ধি পায়। তাই শিশুকে জোর করে কোনো খাবার খাওয়ানো থেকে বিরত থাকা উচিত।
লেবু বা ভিনেগারেও ভরসা নয়
অনেকে মনে করেন লেবুর রস বা ভিনেগার খেলে মাছের কাঁটা গলে যায়। কিন্তু এই ধারণার বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। এসব খাওয়ানোর চেষ্টা করে অযথা সময় নষ্ট না করাই ভালো।
আঙুল বা চামচ দিয়ে কাঁটা খোঁচাবেন না
কাঁটা বের করার জন্য শিশুর গলার ভেতরে আঙুল, চামচ বা কোনো সরঞ্জাম ঢুকিয়ে খোঁচাখুঁচি করা বিপজ্জনক হতে পারে। এতে কাঁটা আরও ভেতরে ঢুকে যেতে পারে এবং গলার ভেতরে আঘাত লাগার সম্ভাবনা থাকে।
তাহলে কাঁটা ফুটলে কী করবেন?
কাঁটা ফুটে যাওয়ার পর শিশুর শ্বাস নিতে সমস্যা না হলে এবং সে স্বাভাবিকভাবে কাশতে পারলে তাকে কয়েকবার স্বাভাবিকভাবে কাশতে দেওয়া যেতে পারে। কাশির মাধ্যমে কখনো কখনো আটকে থাকা কাঁটা বেরিয়ে আসতে পারে।
তবে খুব জোরে কাশতে বাধ্য করা উচিত নয়। শিশুর অস্বস্তি বেশি হলে বা কাঁটা বের না হলে ঘরোয়া উপায়ে বারবার চেষ্টা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই নিরাপদ।
গলায় কিছু আটকে থাকার অনুভূতি সবসময় কাঁটার কারণে নয়
কখনো কাঁটা নিচে নেমে যাওয়ার পরও গলায় কিছু আটকে থাকার মতো অনুভূতি হতে পারে। কারণ কাঁটা যাওয়ার সময় গলার ভেতরের টিস্যুতে সামান্য আঁচড় বা ক্ষত তৈরি হতে পারে।
তাহলে কাঁটা বের হয়ে যাওয়ার পরও কিছু সময় অস্বস্তি থাকতে পারে। উপসর্গ ধীরে ধীরে কমছে কি না, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। এ সময় কোনো ঘরোয়া টোটকা প্রয়োগ না করাই ভালো।
কখন দ্রুত হাসপাতালে যাবেন?
গলায় কাঁটা ফুটে গেলে শিশুর শ্বাস নিতে সমস্যা হলে অপেক্ষা করা যাবে না। একইভাবে মুখ দিয়ে রক্ত পড়া, তীব্র ব্যথা, অতিরিক্ত লালা পড়া, গলা বা ঘাড় ফুলে যাওয়া কিংবা অস্বস্তি বাড়তে থাকলে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে।
কাঁটা ফুটে যাওয়ার পর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে অস্বস্তি না কমলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। বিশেষ করে শিশু হলে গলায় কাঁটা আটকে আছে বলে সন্দেহ থাকলে নিজে থেকে বের করার চেষ্টা না করে চিকিৎসকের সাহায্য নেওয়াই নিরাপদ।
শিশুর গলায় মাছের কাঁটা ফুটলে ভয়ে তাড়াহুড়ো করে খাবার গিলিয়ে দেওয়া বা গলার ভেতর কিছু ঢুকিয়ে কাঁটা বের করার চেষ্টা না করে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা এবং প্রয়োজন হলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দিনাজপুরের বিরামপুরে, বাড়ির সামনে আঙিনায় খেলার সময় দুই শিশু ডোবার পানিতে পড়ে মারা গেছে। নিহত শিশুদের নাম মালিহা জান্নাত (২) এবং তাহিয়া জান্নাত (৩) বলে জানা গেছে।
এই মর্মান্তিক ঘটনা বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকাল ৯টার দিকে বিরামপুর উপজেলার ২নং কাটলা ইউনিয়নের উত্তর কাটলা গ্রামে ঘটে।
নিহত মালিহা জান্নাত (২) ওই গ্রামের হুমায়ন কবিরের কন্যা। অপরদিকে, তাহিয়া জান্নাত (৩) একই গ্রামের তারিকুল ইসলামের কন্যা। তারা প্রতিবেশী।
নিহত শিশুদের পরিবার এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে স্থানীয় ইউপি সদস্য সাজেদুল ইসলাম জানান, সকালে মালিহা জান্নাত ও তাহিয়া জান্নাত তাদের বাড়ির সামনের আঙিনায় খেলছিল। এ সময় তাদের বাবা-মা গৃহস্থালি কাজে এবং বাবা বাড়ির বাহিরের কাজে ব্যস্ত ছিলেন। খেলার একপর্যায়ে দুই শিশু বাড়ির সামনের ডোবার দিকে চলে যায়। কিছুক্ষণ পর, ওই বাড়ির সামনে একটি হাফেজিয়া মাদরাসার শিক্ষার্থীরা ডোবার পানিতে একটি শিশুকে ভেসে থাকতে দেখতে পায়। শিক্ষার্থীরা বিষয়টি তাদের শিক্ষককে জানায়।
শিক্ষকের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসেন এবং তারা মালিহা জান্নাতকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে। পরে, ঘটনাস্থল থেকে প্রায় দুই হাত দূরে পানিতে ডুবে থাকা অবস্থায় তাহিয়া জান্নাতকে অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। তাহিয়া জান্নাতকে তার পরিবারের সদস্যরা চিকিৎসার জন্য স্থানীয় বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে, সেখানে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
বিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুর রাজ্জাক এ বিষয়ে বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে এবং মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। নিহতের ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সংসার, সন্তান, কর্মক্ষেত্র—সবকিছু একসঙ্গে সামলাতে গিয়ে অনেকের জীবন ক্লান্তি এবং দুশ্চিন্তায় ভরে যায়। প্রতিদিনের বিভিন্ন কাজের চাপ ধীরে ধীরে জীবনের স্বাভাবিক ছন্দকে এলোমেলো করে দিতে পারে। কিন্তু জীবনকে কিছুটা সহজ করে তুললে অনেকটা স্বস্তি পাওয়া সম্ভব।
বড় কোনো পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই, প্রতিদিনের কিছু ছোট অভ্যাস পরিবর্তন করলেই মানসিক চাপ কমানো এবং নিজের জন্য কিছুটা সময় বের করা সম্ভব। জীবনযাপনের ধরন বদলাতে পারে, ফিরে আসতে পারে ভালো লাগা।
প্রয়োজন হলে ‘না’ বলতে শিখুন
অনেকে মনে করেন, কারও অনুরোধে সরাসরি ‘না’ বলা ঠিক নয়। আবার কিছু মানুষ কাউকে কষ্ট দেওয়ার ভয়ে নিজের সামর্থ্যের বাইরে গিয়ে সবকিছুতে সম্মতি দেন।
কিন্তু যে কাজ করার মতো সময় বা সামর্থ্য নেই, সেখানে সম্মতি দেওয়া মানে নিজের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করা। তাই অন্যকে খুশি করতে গিয়ে নিজের মানসিক শান্তি নষ্ট না করে প্রয়োজন হলে স্পষ্টভাবে ‘না’ বলা শেখা জরুরি।
অযথা ভাবনা কমান
কাজের বার্তা, বৈদ্যুতিন চিঠি বা বিভিন্ন বার্তা বারবার দেখার অভ্যাস অনেকের মধ্যে দেখা যায়। প্রতিটি বার্তার সঙ্গে সঙ্গে উত্তর দেওয়ার চেষ্টা মানসিক ক্লান্তি আরও বাড়াতে পারে।
প্রয়োজনীয় কাজের বার্তা বা দলের যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু রেখে অপ্রয়োজনীয় বার্তা ও যোগাযোগ কিছুটা দূরে রাখা যেতে পারে। এতে বারবার মনোযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার প্রবণতা কমবে এবং নিজের কাজেও মন দেওয়া সহজ হবে।
পছন্দের কাজে সময় দিন
নিজের পছন্দের কোনো কাজে সময় কাটালে মন ভালো থাকে। পাশাপাশি অকারণে মুঠোফোনের ওপর নির্ভরশীলতা কমতে পারে।
ছবি আঁকা, বই পড়া, গান শোনা কিংবা পছন্দের কোনো শরীরচর্চা—যে কাজটি করতে ভালো লাগে, সেটির জন্য প্রতিদিন কিছুটা সময় রাখা যেতে পারে। এতে ব্যস্ততার মধ্যেও নিজের জন্য সময় বের হবে এবং বর্তমান সময়টাকে উপভোগ করা সহজ হবে।
ঘর গোছানো রাখুন
অগোছালো ঘর শুধু দেখতে খারাপ লাগে না, এর প্রভাব মনের ওপরও পড়তে পারে। দিনের শেষে পরিপাটি ঘর, সুন্দরভাবে সাজানো ঘরের কোনো অংশ কিংবা ঘরের মধ্যে সবুজের উপস্থিতি মনকে শান্ত করতে সাহায্য করে।
তাহলে একসঙ্গে পুরো ঘর পরিষ্কার করার চাপ না নিয়ে প্রতিদিন অল্প অল্প করে জিনিসপত্র গুছিয়ে রাখার অভ্যাস করা যেতে পারে। এতে ঘরও পরিচ্ছন্ন থাকবে, নিজের মনও কিছুটা হালকা লাগবে।
পোশাক ও প্রয়োজনীয় জিনিস গুছিয়ে রাখুন
বাইরে যাওয়ার সময় কী পরবেন, প্রয়োজনীয় জিনিস কোথায় রাখা আছে—এসব নিয়ে শেষ মুহূর্তে খোঁজাখুঁজি করলে অযথা চাপ বাড়ে।
আলমারিতে যেসব পোশাক পরতে ভালো লাগে না বা দীর্ঘদিন ব্যবহার করা হয় না, সেগুলো আলাদা করে রাখা যেতে পারে। নিয়মিত পরা পোশাকগুলো সহজে পাওয়া যায় এমনভাবে গুছিয়ে রাখলে প্রতিদিন বাইরে বের হওয়ার সময় ঝক্কি অনেকটাই কমে।
জীবনকে সব সময় বড় কোনো পরিবর্তনের মাধ্যমে সহজ করতে হয় না। বরং প্রতিদিনের ছোট ছোট অভ্যাসে সামান্য পরিবর্তন এনে নিজের সময়, মন এবং চারপাশকে কিছুটা গুছিয়ে নিলেই ব্যস্ত জীবনে স্বস্তির জায়গা তৈরি হতে পারে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চাঁদপুর সদর উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে চাঁদপুর সদর উপজেলা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে জেলা প্রশাসক ১৭২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করেন। এছাড়া, হাই স্কুল পর্যায়ে ১০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ১০০টি দাবা বোর্ড বিতরণ করা হয় এবং মেধাবী শিক্ষার্থীদের হাতে এক বছরের জন্য বই ও শিক্ষা সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।
সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এসএমএন জামিউল হিকমার সভাপতিত্বে এ সময় বক্তব্য রাখেন উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আবু সাঈদ চৌধুরী, প্রাথমিক পর্যায়ে জেলার শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক হোসনে আরা প্রমুখ।
পরে প্রধান অতিথি উজেলার আয়োজনে সাঁতার প্রশিক্ষণ উদ্বোধন করেন। সাঁতার প্রশিক্ষণে ১৫ জন কিশোর-কিশোরী অংশ নেয়। একই সঙ্গে তিনি সদর উপজেলা প্রসঙ্গে বৃক্ষ রোপণ করেন।
এ সময় ইউএনও এসএমএন জামিউল হিকমা, উপজেলার স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রফিকুল হাসান ফয়সালসহ সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তা, বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবং অন্যান্য অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।
বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার মানোন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ, সহশিক্ষা কার্যক্রম জোরদার এবং বিদ্যালয়ের সার্বিক পরিবেশ উন্নয়নসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করা হয়।
প্রধান অতিথি বলেন, "শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশের পাশাপাশি শারীরিক ও মানসিক বিকাশেও খেলাধুলার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। বিদ্যালয়ে নিয়মিত ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সুস্থ, সৃজনশীল ও আত্মবিশ্বাসী হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। প্রতি বৃহস্পতিবার বিদ্যালয় আঙ্গিককে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করতে হবে।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ