ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বঙ্গোপসাগরে নজরদারি বাড়াতে মহাকাশে স্যাটেলাইট পাঠানোর উদ্যোগ বাংলাদেশের


বঙ্গোপসাগরে নজরদারি বাড়াতে মহাকাশে স্যাটেলাইট পাঠানোর উদ্যোগ বাংলাদেশের

মহাকাশে মেরিটাইম স্যাটেলাইট পাঠানোর উদ্যোগ গ্রহণ করছে সরকার, যা বঙ্গোপসাগরে সার্বক্ষণিক নজরদারি চালানোর জন্য করা হচ্ছে। বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি জানায়, এই স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সমুদ্রপথে চোরাচালান, মানবপাচার রোধ এবং জলসীমায় অবৈধ মাছ আহরণ বন্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে সক্ষম হবে। শিগগিরই ‘এআইএস-টু ডট জিরো’ প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ শুরু করবে সংযুক্ত কর্তৃপক্ষ। সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর ২০২৮ সালের মাঝামাঝিতে মেরিটাইম স্যাটেলাইট মহাকাশে উৎক্ষেপণের প্রত্যাশা করছে সরকার।

একাত্তরের রক্ত দিয়ে অর্জিত বাংলাদেশের ৫৬ হাজার বর্গমাইলের মালিকানা আন্তর্জাতিক আদালতে স্যাটেলাইটের মাধ্যমে আদায় করা হয়েছে বঙ্গোপসাগরের বিশাল একটি এলাকায়। ২০১২ ও ২০১৪ সালে আন্তর্জাতিক সালিশি আদালতের রায়ে প্রতিবেশী দেশ ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে বিরোধ নিরসনের পরে বাংলাদেশ সমুদ্রের বুকে এক লাখ ১৮ হাজার ৮১৩ বর্গকিলোমিটার এলাকা পায়। সেই সময় থেকেই সুনীল অর্থনীতির বিপুল সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর আহ্বান বিশেষজ্ঞরা করেছেন। তবে, সার্বক্ষণিক নজরদারি গড়ে উঠেনি সাগরের এই বিশাল এলাকায়।

কোস্টগার্ডের নজরদারিকে ফাঁকি দিয়ে মানবপাচার, চোরাচালানসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কার্যক্রম এই জলসীমা দিয়ে চলমান রয়েছে। সাগরে ৪০ মিটারের কম গভীরতার বাণিজ্যিক ট্রলারের ওপর মাছ ধরার সরকারি নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও তা কতটা পালন করা হচ্ছে, এ বিষয়ে কোন নজরদারি নেই। এই পরিস্থিতিতে, নিজেদের জলসীমার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার মেরিটাইম স্যাটেলাইট মহাকাশে পাঠানোর উদ্যোগ নিচ্ছে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মুহাম্মদ ইমাদুর রহমান জানিয়েছেন, বঙ্গোপসাগরের বিশাল এলাকা এখনও নজরদারির বাইরে রয়েছে। তিনি বলেন, "নজরদারি না থাকলে তো সেখান থেকে যে কেউ মাছ ধরে নিয়ে যাবে। বঙ্গোপসাগরে আমাদের যে সকল সম্পদ রয়েছে, সেগুলোর সঠিক ব্যবহারে অবশ্যম্ভাবীভাবে স্যাটেলাইট বেজড সমাধান প্রয়োজন।"

বিএসসিএল জানিয়েছে যে, অক্টোবরের মধ্যে ‘এআইএস-টু ডট জিরো’ প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই কাজটি সম্পন্ন হবে। এখানে স্যাটেলাইটের বাণিজ্যিক সম্ভাবনা এবং সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব বিশ্লেষণ করা হবে। চূড়ান্ত অনুমোদন পেলে স্যাটেলাইট নির্মাণের জন্য ভেন্ডর বা নির্মাতা প্রতিষ্ঠান নিয়োগ দেয়া হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে কত টাকা খরচ হবে, তা স্যাটেলাইটের আয়ু ও কার্যকারিতার ওপর নির্ভর করবে।

ড. মুহাম্মদ ইমাদুর রহমান আরও জানান, যদি এই বছরের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেয়া সম্ভব হয়, তাহলে ন্যূনতম ১৮ মাসের মধ্যে স্যাটেলাইট পাঠানো সম্ভব হবে। এর আগে, ২০১৮ সালের ১১ মে দেশের প্রথম স্যাটেলাইট বিএস-ওয়ান সফলভাবে মহাকাশে উৎক্ষেপণ করা হয়।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিপৎসীমার এক সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে তিস্তা, বাড়ছে বন্যার শঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৩৯ এম


বিপৎসীমার এক সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে তিস্তা, বাড়ছে বন্যার শঙ্কা

উজানে ঢল এবং ভারি বৃষ্টির কারণে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং বর্তমানে এটি বিপৎসীমার এক সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তিস্তায় পানি বেড়ে যাওয়ার ফলে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

বুধবার (২২ জুলাই) সকাল ৯ টায় নীলফামারীর ডিমলার ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানির সমতল রেকর্ড করা হয়েছে ৫২ দশমিক ১৪ সেন্টিমিটার, যেখানে বিপৎসীমা ৫২ দশমিক ১৫ মিটার। ফলে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

তিস্তার পানির বৃদ্ধির কারণে নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী, খালিসা চাপানী, ঝুনাগাছ চাপানী, গয়াবাড়ী এবং জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা, ডাউয়াবাড়ী ও শৌলমারী ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে।

এ প্রসঙ্গে ডিমলা টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম সাহিন বলেন, তিস্তার পানি বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ করতে শুরু করেছে। যদি পানি বাড়তে থাকে, তাহলে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার শঙ্কা রয়েছে।

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী জানান, তিস্তা নদীর পানি সকাল ৯টায় বিপৎসীমার এক সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি আরও বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, তাই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ব্যারেজে ৪৪টি জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বস্ত্রখাতের সংকট নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে গঠন হলো কমিটি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৪৮ এম


বস্ত্রখাতের সংকট নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে গঠন হলো কমিটি

বস্ত্রখাতের সমস্যার সমাধানে অর্থ উপদেষ্টা এবং বাণিজ্যমন্ত্রীর সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার (২২ জুলাই) সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন-বিটিএমএ সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল।

এ সময় তিনি অভিযোগ করেন, বস্ত্রখাতের সমস্যাগুলো অনেক পুরনো এবং পূর্ববর্তী কোনো সরকারই সেগুলো সমাধানের উদ্যোগ নেয়নি।

বিটিএমএ সভাপতি বলেছেন, সরকার যথাযথ পদক্ষেপ নিলেও আনুমানিক দেড় বছর সময় লাগবে সমস্যাগুলো সমাধান করতে। উদ্যোক্তারা সরকারকে এই সময় দিতে রাজি বলেও জানান শওকত আজিজ।

সরকার আন্তরিক হলে, বস্ত্রখাত পুনরায় দাঁড়াবে বলে মন্তব্য করেছেন বিটিএমএ সভাপতি। তিনি বলেন, গ্যাস এবং বিদ্যুতের পাশাপাশি এই খাতের আর্থিক সমস্যা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।

এদিকে ৫ শতাংশ প্রণোদনা দেওয়ার কথাও জানিয়েছেন শওকত আজিজ। তিনি জানান, গঠিত কমিটি আগামী সপ্তাহে আবারও বৈঠকে বসবে। সরকারের বন্ধ কারখানা চালু হলে, বন্ধ এবং অর্ধ-বন্দ কারখানা পুনরায় চালু হলে ১৫ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হবে। তবে, এসব কারখানা চালু করতে হলে প্রতিযোগিতামূলক বাজারে যে ডাম্পিং হচ্ছে, সেদিকে মনোনিবেশ করতে হবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বৃষ্টির প্রভাবে সবজির বাজারে আগুন, কাঁচা মরিচের দাম ছাড়াল ২৪০ টাকা কেজি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৫৬ এম


বৃষ্টির প্রভাবে সবজির বাজারে আগুন, কাঁচা মরিচের দাম ছাড়াল ২৪০ টাকা কেজি

টানা বৃষ্টি হওয়ায় রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা খবর অনুসারে, কাঁচাবাজারে সবজির দাম আবারও ঊর্ধ্বমুখী হয়ে উঠেছে। সরবরাহ কমে যাওয়ায় অধিকাংশ ধরনের সবজির দাম সেঞ্চুরির কোঠায় পৌঁছে গেছে। এর মধ্যে কাঁচা মরিচ প্রতি কেজি ২৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সরবরাহের ঘাটতির কারণে গত এক সপ্তাহে বেগুন, শসাসহ বিভিন্ন সবজির দাম কেজিপ্রতি ৪০ থেকে ৫০ টাকার বৃদ্ধি হয়েছে।

বুধবার (২২ জুলাই) সকালে রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায়, বর্তমানে সরবরাহ পরিস্থিতি খোঁজার জন্য বাজারগুলো পরিদর্শন করা হয়েছে। বর্তমানে প্রতি কেজি বেগুন ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অন্যান্য সবজির মধ্যে, করলার দাম ১০০ থেকে ১২০ টাকা, পটলের দাম ৮০ টাকা, ঢেঁড়স ১০০ টাকা, ঝিঙা ১০০ টাকা, চিচিঙ্গা ৮০ থেকে ১০০ টাকা এবং শসা ১২০ থেকে ১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বিভিন্ন সবজির দাম বেশ কিছুদিন আগে থেকে কেজিপ্রতি ২০ থেকে ৪০ টাকার মধ্যে বেড়ে গেছে। লাউ, যা এক সপ্তাহ আগে ৬০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছিল, বর্তমানে ৮০ থেকে ৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

চিত্রিত বাজারে কাঁচা মরিচের দাম উর্ধ্বমুখী হয়েছে। কয়েক দিন আগে এক কেজি কাঁচা মরিচ ১২০ টাকায় কেনা যেত, বর্তমানে সাধারণ মানের কাঁচা মরিচ প্রতি কেজি ২৪০ টাকায় খুচরা বিক্রি হচ্ছে। তবে পেঁপের দাম তুলনামূলকভাবে কম রয়েছে, যেখানে পেঁপে প্রতি কেজি ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গাজরের দাম ১৬০ টাকা প্রতি কেজি, এবং কাঁকরোল ৯০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাজার সংক্রান্ত জরিপে দেখা যায়, বর্তমানে প্রায় সব ধরনের সবজির দাম বেড়ে গেছে। এখন টমেটো ১২০ থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়াও, মিষ্টি কুমড়া পিসে ৪০ থেকে ৫০ টাকা, চাল কুমড়া ৬০ থেকে ৮০ টাকায় এবং কাঁচা কলা প্রতি হালিতে ৩০ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বিক্রেতাদের বক্তব্য, টানা বৃষ্টির কারণে অনেক এলাকায় ক্ষেত থেকে সবজি সংগ্রহ করা সম্ভব হচ্ছে না। বৃষ্টির প্রভাবে বাজারে সরবরাহ কমে যাচ্ছে, যা দাম বৃদ্ধির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ব্যবসায়ীদের আশা, আবহাওয়া যদি স্বাভাবিক হয় এবং বাজারে সরবরাহ বাড়ে, তাহলে সবজির দাম আবারও কমতে শুরু করবে। তবে যদি এই বৃষ্টি অব্যাহত থাকে তাহলে আগামী কয়েকদিন বাজারে দামের চাপ আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।

রাজধানীর এক ক্রেতা এই অবস্থার প্রেক্ষিতে বলেন, কিছুদিন আগে যেই সবজি ৬০ থেকে ৭০ টাকায় কিনেছিলেন, বর্তমানে সেটি ১০০ টাকার কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। বিশেষ করে কাঁচা মরিচের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে।

এ বিষয়ে মোহাম্মদপুর টাউন হলের এক সবজি ব্যবসায়ী মন্তব্য করেন, ভারী বৃষ্টির কারণে, অনেক এলাকায় সবজির খেত পানিতে তলিয়ে গেছে, ফলে উৎপাদনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই পরিস্থিতির কারণে বাজারে সরবরাহ সংকট আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ আরও ১০টি ইউরোপীয় উড়োজাহাজ কিনছে, নতুন বড় চুক্তি শিগগিরি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২২শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:০৩ পি.এম


বাংলাদেশ আরও ১০টি ইউরোপীয় উড়োজাহাজ কিনছে, নতুন বড় চুক্তি শিগগিরি

রাষ্ট্রীয় উড়োজাহাজ সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ইউরোপীয় উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারবাসের কাছ থেকে ১০টি উড়োজাহাজ কেনার পরিকল্পনা করছে। আশা করা হচ্ছে, আগামী ৩১ আগস্টের মধ্যে এ বিষয়ে বহু বিলিয়ন ডলারের চুক্তি সই হতে পারে। বোয়িংয়ের সঙ্গে সাম্প্রতিক সময়ে হওয়া বড় চুক্তির পর এটি হবে বিমান বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহৎ উড়োজাহাজ ক্রয়।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানিয়েছেন, সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে এয়ারবাসের ১০টি উড়োজাহাজ কেনা হবে। যদি সবকিছু ঠিক থাকে, তাহলে আগামী ৩১ আগস্টের মধ্যেই চুক্তি সই হবে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, নতুন উড়োজাহাজগুলো তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যাবে না। ২০৩১ সাল থেকে সরবরাহ শুরু হতে পারে। এজন্য, এর আগে, বিমানের বহরের সক্ষমতা বাড়াতে লিজে উড়োজাহাজ আনার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী আরো জানিয়েছেন, যখন চুক্তি চূড়ান্ত হবে, তখন উড়োজাহাজের মূল্যসহ সব শর্ত প্রকাশ করা হবে।

এয়ারবাস সূত্রে জানা গেছে, যুক্তরাজ্যে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক উড়োজাহাজ প্রদর্শনীতে বিমান ও এয়ারবাসের কর্মকর্তাদের মধ্যে চুক্তির অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়। বিমান ইতোমধ্যে ৩১ আগস্টের মধ্যে চুক্তি সইয়ের জন্য এয়ারবাসকে চিঠি দিয়েছে।

বর্তমানে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে ১৯টি উড়োজাহাজ রয়েছে, যার মধ্যে ১৪টি বোয়িংয়ের তৈরি। বোয়িং এবং এয়ারবাস—এই দুই প্রতিষ্ঠানের নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত হলে বিমানের বহরের সংখ্যা বেড়ে ৪৩টিতে পৌঁছাবে।

সরকার ২০৩৪-৩৫ অর্থবছরের মধ্যে বিমানের বহর ৪৭টি উড়োজাহাজে উন্নীত করার পরিকল্পনার ওপর কাজ করছে। পাশাপাশি, বাংলাদেশকে আঞ্চলিক যাত্রী ও পণ্য পরিবহনের একটি কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে।

এয়ারবাসের সর্বশেষ প্রস্তাবে চারটি দূরপাল্লার এবং ছয়টি মাঝারি পাল্লার উড়োজাহাজ সরবরাহের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। গত এপ্রিলে বোয়িংয়ের সঙ্গে বিমান ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার জন্য ৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি করেছে।

এদিকে, নতুন উড়োজাহাজ সরবরাহে সময় লাগায় আগামী বছরের মধ্যে আরও ১০টি উড়োজাহাজ লিজে নেওয়ার পরিকল্পনাও করছে বিমান।

খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল চালু হলে যাত্রীসংখ্যা বাড়বে। সেই চাহিদা পূরণে বহর সম্প্রসারণের এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে।

তবে, চুক্তি কার্যকর করতে এখনো বিমানের পরিচালনা পর্ষদ এবং সরকারের চূড়ান্ত অনুমোদন প্রয়োজন। অগ্রিম অর্থ পরিশোধের বিষয়টিও এখনো চূড়ান্ত হয়নি বলে জানিয়েছে এয়ারবাস।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%