প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
রাষ্ট্রীয় উড়োজাহাজ সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ইউরোপীয় উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারবাসের কাছ থেকে ১০টি উড়োজাহাজ কেনার পরিকল্পনা করছে। আশা করা হচ্ছে, আগামী ৩১ আগস্টের মধ্যে এ বিষয়ে বহু বিলিয়ন ডলারের চুক্তি সই হতে পারে। বোয়িংয়ের সঙ্গে সাম্প্রতিক সময়ে হওয়া বড় চুক্তির পর এটি হবে বিমান বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহৎ উড়োজাহাজ ক্রয়।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানিয়েছেন, সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে এয়ারবাসের ১০টি উড়োজাহাজ কেনা হবে। যদি সবকিছু ঠিক থাকে, তাহলে আগামী ৩১ আগস্টের মধ্যেই চুক্তি সই হবে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, নতুন উড়োজাহাজগুলো তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যাবে না। ২০৩১ সাল থেকে সরবরাহ শুরু হতে পারে। এজন্য, এর আগে, বিমানের বহরের সক্ষমতা বাড়াতে লিজে উড়োজাহাজ আনার পরিকল্পনা করা হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী আরো জানিয়েছেন, যখন চুক্তি চূড়ান্ত হবে, তখন উড়োজাহাজের মূল্যসহ সব শর্ত প্রকাশ করা হবে।
এয়ারবাস সূত্রে জানা গেছে, যুক্তরাজ্যে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক উড়োজাহাজ প্রদর্শনীতে বিমান ও এয়ারবাসের কর্মকর্তাদের মধ্যে চুক্তির অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়। বিমান ইতোমধ্যে ৩১ আগস্টের মধ্যে চুক্তি সইয়ের জন্য এয়ারবাসকে চিঠি দিয়েছে।
বর্তমানে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে ১৯টি উড়োজাহাজ রয়েছে, যার মধ্যে ১৪টি বোয়িংয়ের তৈরি। বোয়িং এবং এয়ারবাস—এই দুই প্রতিষ্ঠানের নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত হলে বিমানের বহরের সংখ্যা বেড়ে ৪৩টিতে পৌঁছাবে।
সরকার ২০৩৪-৩৫ অর্থবছরের মধ্যে বিমানের বহর ৪৭টি উড়োজাহাজে উন্নীত করার পরিকল্পনার ওপর কাজ করছে। পাশাপাশি, বাংলাদেশকে আঞ্চলিক যাত্রী ও পণ্য পরিবহনের একটি কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে।
এয়ারবাসের সর্বশেষ প্রস্তাবে চারটি দূরপাল্লার এবং ছয়টি মাঝারি পাল্লার উড়োজাহাজ সরবরাহের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। গত এপ্রিলে বোয়িংয়ের সঙ্গে বিমান ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার জন্য ৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি করেছে।
এদিকে, নতুন উড়োজাহাজ সরবরাহে সময় লাগায় আগামী বছরের মধ্যে আরও ১০টি উড়োজাহাজ লিজে নেওয়ার পরিকল্পনাও করছে বিমান।
খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল চালু হলে যাত্রীসংখ্যা বাড়বে। সেই চাহিদা পূরণে বহর সম্প্রসারণের এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে।
তবে, চুক্তি কার্যকর করতে এখনো বিমানের পরিচালনা পর্ষদ এবং সরকারের চূড়ান্ত অনুমোদন প্রয়োজন। অগ্রিম অর্থ পরিশোধের বিষয়টিও এখনো চূড়ান্ত হয়নি বলে জানিয়েছে এয়ারবাস।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন