ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

প্রযোজক সমিতির নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন চিত্রনায়ক উজ্জ্বল যে কারণে


প্রযোজক সমিতির নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন চিত্রনায়ক উজ্জ্বল যে কারণে

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রযোজক ও পরিবেশক সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এটি দীর্ঘদিন প্রশাসকের অধীনে পরিচালিত হওয়ার পর আবার নির্বাচনের মাধ্যমে চলচ্চিত্রের এই শীর্ষ সংগঠন নেতৃত্ব পেতে যাচ্ছে। সেই নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন আলোচিত চিত্রনায়ক ও প্রযোজক উজ্জ্বল।

নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে উজ্জ্বল জানান, তিনি ব্যক্তিগত কোনো স্বার্থে নয়, বরং তিনি চলচ্চিত্রের একজন অভিভাবক হিসেবে দায়িত্ব নিতে চান। সংগঠনটি দীর্ঘ সময় ধরে কার্যকর নেতৃত্বের অভাবে পিছিয়ে পড়েছে। সেই শূন্যতা পূরণ করে প্রযোজকদের স্বার্থ রক্ষা এবং চলচ্চিত্র শিল্পকে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্য নিয়েই তিনি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

উজ্জ্বল বলেন, "একসময় বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পের সুনাম ছিল দেশ-বিদেশে। কিন্তু কিছু ব্যক্তির কর্মকাণ্ডের কারণে সেই মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়েছে। নির্বাচিত হলে চলচ্চিত্রের হারানো সম্মান ফিরিয়ে আনতে আমি কাজ করবো। একই সঙ্গে প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক চলচ্চিত্র নির্মাণ, উন্নত টেকনিক্যাল অবকাঠামো গড়ে তোলা এবং শিল্পের সামগ্রিক উন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগ নেয়ার ইচ্ছা রয়েছে।"

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

তিনি জানান, চলচ্চিত্র শিল্পের উন্নয়নে সরকারের সংশ্লিষ্ট দফতরের সঙ্গে নিয়মিত আলোচনা এবং প্রয়োজনীয় নীতিগত সহায়তা আদায়ে কাজ করবেন। পাশাপাশি নতুন প্রযোজকদের চলচ্চিত্র নির্মাণে আগ্রহী করতে যেসব প্রতিবন্ধকতা রয়েছে সেগুলো দূর করার উদ্যোগ নেয়া হবে। প্রযোজকদের অধিকার ও স্বার্থ সুরক্ষাকেও তিনি অগ্রাধিকার দেবেন বলে জানান।

উজ্জ্বলের মতে, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রযোজক ও পরিবেশক সমিতি বাণিজ্য মন্ত্রানালয়ের আওতাধীন এফবিসিসিআইয়ের বিধিমালা অনুযায়ী পরিচালিত একটি গুরুত্বপূর্ণ সংগঠন। নির্বাচিত হলে সংগঠনের সাংগঠনিক ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে এফবিসিসিআইসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবেন বলেও আশা প্রকাশ করেন।

দীর্ঘ সময় পর আয়োজিত এই নির্বাচনকে ঘিরে চলচ্চিত্র অঙ্গনে নতুন প্রত্যাশার সৃষ্টি হয়েছে। সেই প্রত্যাশা পূরণে তিনি প্রযোজকদের ঐক্যবদ্ধ করে চলচ্চিত্র শিল্পকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে চান সত্তর দশকের জনপ্রিয় এই চিত্রনায়ক।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিজেপির আন্দোলনের ঢেউয়ে কলকাতা উত্তাল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৩৭ পি.এম


সিজেপির আন্দোলনের ঢেউয়ে কলকাতা উত্তাল

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের কারণে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে শুরু হওয়া আন্দোলন এবার কলকাতায় আছড়ে পড়েছে। এই আন্দোলনে দিল্লিতে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের হামলা ও ‘দমন-পীড়নে’র অভিযোগের প্রতিবাদ জানানো হয় এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি উত্থাপন করা হয়, যার প্রেক্ষিতে পশ্চিমবঙ্গের রাজধানীতে ‘মহামিছিল’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) বামপন্থী আটটি ছাত্র ও যুব সংগঠনের ডাকে এই মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। শিয়ালদহ স্টেশন থেকে শুরু হয়ে মিছিলটি ধর্মতলায় গিয়ে শেষ হয়।

এই প্রতিবাদে অংশগ্রহণ করে এসএফআই, এআইডিএসও, ডিওয়াইএফআই, পিডিএসএফ এবং এআইএসএ। তাদের সঙ্গে এই মিছিলে যোগদান করে দিল্লির আন্দোলনকারী তরুণদের নতুন প্ল্যাটফর্ম ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি) সদস্যরাও। এই মিছিলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বহু অভিভাবককেও পা মেলাতে দেখা যায়।

সকাল থেকে শিয়ালদহ স্টেশন চত্বরে বিভিন্ন সংগঠনের সদস্যরা ধীরে ধীরে জমায়েত শুরু করেন। পরে, বিকেলে হাজারো মানুষের একটি বিশাল মিছিল ধর্মতলার দিকে রওনা দেয়। মিছিল থেকে কেন্দ্রীয় সরকারের শিক্ষা নীতি ও প্রশ্নপত্র ফাঁসের কারণে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের তীব্র সমালোচনা করা হয় এবং তার দ্রুত পদত্যাগ দাবি করা হয়।

প্রতিবাদ কর্মসূচিকে ঘিরে শিয়ালদহ ও ধর্মতলাসহ আশপাশের এলাকায় কড়া নিরাপত্তাব্যবস্থা গড়ে তোলে প্রশাসন। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে কলকাতা পুলিশের পাশাপাশি বিপুলসংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান মোতায়েন করা হয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পদত্যাগের পরেও মো. সাহাবুদ্দিন যেসব সুবিধা পাবেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৪০ পি.এম


পদত্যাগের পরেও মো. সাহাবুদ্দিন যেসব সুবিধা পাবেন

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেছেন। তবে তিনি পদত্যাগ করার পরেও আমৃত্যু বেশ কিছু রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা পাবেন। সদ্য সাবেক এই রাষ্ট্রপতির জন্য এসব সুবিধা থাকবে।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে স্পিকারের কাছে মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগপত্র পাঠানোর বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে।

দেশের প্রচলিত বিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি পদে মেয়াদ শেষ করার পর কিংবা কমপক্ষে ছয় মাস দায়িত্ব পালন করা ব্যক্তিরা রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে প্রতি মাসে সর্বশেষ যে বেতন পেতেন, সেই বেতনের ৭৫ শতাংশ হারে মাসিক অবসরভাতা পাবেন মৃত্যুর আগ পর্যন্ত।

দি প্রেসিডেন্টস (রেমিউনারেশন অ্যান্ড প্রিভিলেজেস) অ্যাক্ট, ১৯৭৫ (মে ২০১৬ পর্যন্ত সংশোধিত) অনুযায়ী, সাবেক রাষ্ট্রপতির অবসরভাতা ছাড়াও বেশ কিছু সুবিধা রয়েছে। এই আইন অনুসারে, সাবেক এই রাষ্ট্রপতি একজন ব্যক্তিগত সহকারী ও একজন অ্যাটেন্ডেন্ট পাবেন। দাপ্তরিক ব্যয়ের জন্য তিনি পাবেন, যার মোট বাৎসরিক পরিমাণ সরকার নির্ধারণ করবে।

সেইসাথে, সরকারি অনুষ্ঠানে যোগদানের জন্য তিনি বিনামূল্যে সরকারি যানবাহন ব্যবহার করতে পারবে, আবাসস্থলে একটি টেলিফোন সংযোগও পাবেন এবং সরকার নির্ধারিত সীমা পর্যন্ত সেই টেলিফোনের বিল পরিশোধ থেকে অব্যাহতি পাবেন।

এছাড়া, সাবেক রাষ্ট্রপতি একজন মন্ত্রীর প্রাপ্য চিকিৎসা সুবিধার সমপরিমাণ চিকিৎসা সুবিধা পাবেন। এর সাথে তিনি একটি কূটনৈতিক পাসপোর্টও পাবেন। দেশের ভেতর ভ্রমণের সময় সরকারি সার্কিট হাউজ বা রেস্ট হাউজে বিনা ভাড়ায় অবস্থানের সুবিধা পাবেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশে সকল ধর্মাবলম্বীরা সমান অধিকার ভোগ করেন: তথ্যমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৪২ পি.এম


দেশে সকল ধর্মাবলম্বীরা সমান অধিকার ভোগ করেন: তথ্যমন্ত্রী

ঢাকা, ২৪ জুলাই, ২০২৬ : তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, বাংলাদেশের সকল ধর্মাবলম্বী নাগরিক সমান অধিকার ভোগ করেন। দেশের সংবিধানে ধর্মের ভিত্তিতে বৈষম্য বা বিভেদের জন্য কোনো সুযোগ নেই।

মন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেন, ‘এই দেশে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা মুসলিম, খ্রিস্টান ও বৌদ্ধদের মতোই সমান অধিকার ভোগ করেন। আমাদের সংবিধান মানুষকে ধর্মের ভিত্তিতে বিভক্ত করে না। যারা ধর্ম বা রাজনীতির নামে বিভেদ সৃষ্টি করতে চান, তারা দেশের, ধর্মের ও সৃষ্টিকর্তার শত্রু।’

আজ শুক্রবার রাজধানীর ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে অনুষ্ঠিত শ্রীশ্রী জগন্নাথদেবের উল্টো রথযাত্রা উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

মন্ত্রী আরও জানান, সনাতন ধর্ম হাজার বছরের ঐতিহ্য ও ইতিহাসের ধারক। ইতিহাস তার দীর্ঘ এবং অবিচ্ছিন্ন অস্তিত্বের সাক্ষ্য বহন করে।

তিনি বলেন, ‘মানবসভ্যতার শুরু থেকেই সমস্ত ধর্মের আধ্যাত্মিক নেতারা সৃষ্টিকর্তার সান্নিধ্য লাভের জন্য চেষ্টা করে আসছেন। প্রকৃত ধর্মবিশ্বাসীরা অন্যান্য ধর্মের অনুসারীদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকেন, কেননা যদিও তারা ভিন্ন ভিন্ন আচার বা পথ অনুসরণ করেন, তবুও সবার সূত্র একই পরম সত্তার সন্ধানে।’

জহির উদ্দিন স্বপন দেশি-বিদেশি সেইসব অপশক্তির বিরুদ্ধে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন, যারা সংকীর্ণ রাজনৈতিক স্বার্থে অথবা সমাজে বিভেদ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে ধর্মীয় অনুভূতিকে ব্যবহার করতে চান।

মন্ত্রী বলেন, নিজ নিজ ধর্মে অবিচল থেকে সব ধর্মের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা প্রদর্শনের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করা সম্ভব। এটিই একটি অসাম্প্রদায়িক এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজের প্রকৃত চেতনা।

মন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষিত বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের দর্শন অনুসারে ধর্ম, বর্ণ, ভাষা বা ভৌগোলিক পরিচয়ের ভিত্তিতে কোনো ধরনের বিভাজন মেনে নেওয়া হবে না।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক আবদুস সালাম।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ সকল সম্প্রদায়ের মানুষের সমান দেশ। যারা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে চান, তারা প্রকৃত অর্থে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বে বিশ্বাস করেন না।

মন্ত্রী উল্লেখ করেন, ‘মুক্তিযুদ্ধে হিন্দু ও অন্যান্য ধর্মাবলম্বীরাও আমাদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করেছেন। সকলের সম্মিলিত আত্মত্যাগের বিনিময়ে এই দেশ অর্জিত হয়েছে। এখানে কাউকে দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিক হিসেবে বিবেচনা করার কোনো সুযোগ নেই; সকল নাগরিকের সমান অধিকার রয়েছে।’

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বাসুদেব ধরও বক্তব্য দেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামে চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চল নির্মাণের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু সোমবার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৪৪ পি.এম


চট্টগ্রামে চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চল নির্মাণের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু সোমবার

ঢাকা, ২৪ জুলাই, ২০২৬ : চট্টগ্রামের আনোয়ারায় আগামী সোমবার চীনা অর্থনৈতিক ও শিল্পাঞ্চল (চায়নিজ ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন-সিইআইজেড) প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হবে।

শিল্পায়নের গতি ত্বরান্বিত করার জন্য এবং বাংলাদেশ-চীনের অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও জোরদারের লক্ষ্য নিয়ে নেওয়া দেশের অন্যতম বৃহৎ বিদেশি বিনিয়োগ প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হবে এ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে আসবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

বাংলাদেশ সিইআইজেড কোম্পানি লিমিটেডের (বিসিসিএল) চেয়ারম্যান স্বাগত বক্তব্য দেবেন।

অনুষ্ঠানে সিইআইজেড প্রকল্পের ওপর একটি অডিও-ভিজ্যুয়াল উপস্থাপনা প্রদর্শন করা হবে। আরও উপস্থিত থাকবেন চায়না রোড অ্যান্ড ব্রিজ করপোরেশনের (সিআরবিসি) প্রেসিডেন্ট, চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী) আসনের সংসদ সদস্য, বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) নির্বাহী চেয়ারম্যান।

অনুষ্ঠানে একটি সাব-লিজ চুক্তি সই করা হবে। পরে সিইআইজেডের স্লোগান উন্মোচন, ওয়ান-স্টপ সার্ভিসের উদ্বোধন, প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি শেষ হবে।

সম্প্রতি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) এই অর্থনৈতিক অঞ্চলের সহায়তাকারী অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন করেছে।

বেজার বাস্তবায়নের আওতায় জেটি সংযোগ সড়ক, অভ্যন্তরীণ সড়ক নেটওয়ার্ক, পানি সংরক্ষণাগার, গ্যাস সঞ্চালন সুবিধা, কেন্দ্রীয় বর্জ্য তরল শোধনাগার (সিইটিপি), বহুমুখী জেটি, কঠিন বর্জ্য সংগ্রহ কেন্দ্র, সীমানা প্রাচীর এবং বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র নির্মাণ করা হবে।

২০২৭ সালের জানুয়ারি থেকে ২০৩১ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত এই অবকাঠামো প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ হাজার ১৮৯ কোটি টাকা।

এর মধ্যে ২ হাজার ৪৬৭ কোটি টাকা বৈদেশিক ঋণ থেকে আসবে এবং ১ হাজার ৭২২ কোটি টাকা সরকার বহন করবে।

চীনের এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট ব্যাংকের প্রেফারেনশিয়াল বায়ার্স ক্রেডিট (পিবিসি) সুবিধার আওতায় বৈদেশিক অর্থায়নের প্রস্তাব করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে সরকার-টু-সরকার (জি-টু-জি) উদ্যোগের আওতায় কর্ণফুলী নদীর পূর্ব তীরে আনোয়ারায় প্রায় ৭৮৩ একর জমিতে সিইআইজেড গড়ে তোলা হচ্ছে।

অর্থনৈতিক অঞ্চলটি চালু হলে অন্তত ৫০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) আকৃষ্ট হবে, এক লাখের বেশি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে, রপ্তানিমুখী শিল্পের বিকাশ ঘটবে এবং চট্টগ্রাম আধুনিক শিল্প ও লজিস্টিকস হাবে পরিণত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

চট্টগ্রাম বন্দর ও শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিকটবর্তী কৌশলগত অবস্থানের কারণে সিইআইজেড বাংলাদেশের শিল্প প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব আরও শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%