০৮:০৯ এম
যমুনায় পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে টাঙ্গাইলে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে নদী ভাঙন। যমুনার থাবায় জেলার পাঁচ উপজেলার শত শত স্থাপনা ও ফসলি জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানান, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ঘটছে। ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেছেন, নিম্নমানের প্রতিরোধ ব্যবস্থা থাকার কারণে প্রতিটি দুর্ভোগ বাড়ছে। অন্যদিকে, ভাঙনরোধে বরাবরের মতো ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড দায় সেরেছে।
গত মঙ্গলবার থেকে টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার সলিমাবাদ পশ্চিমপাড়া এবং ভূঞাপুর উপজেলার তারাকান্দি সড়কসংলগ্ন এলাকায় শুরু হয়েছে ভয়াবহ নদীভাঙন। মুহূর্তের মধ্যেই নদীগর্ভে হারিয়ে যাচ্ছে বসতবাড়ি ও গাছপালা।
আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার
ভূঁঞাপুর-তারাকান্দি যমুনার বাঁধও হুমকির মুখে রয়েছে। এদিকে, দিন-রাত অব্যাহত ভাঙনে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন জেলা পাঁচ উপজেলার অসংখ্য পরিবার। কেউ খোলা আকাশের নিচে, আবার কেউ আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন।
মানবেতর জীবনযাপন করেও এসব নিঃস্ব মানুষগুলো পাচ্ছেন না কোন সহযোগিতা। সাধারণ মানুষেরা পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাজের মান নিয়ে তীব্র ক্ষোভ জানিয়েছেন। তবে পানি উন্নয়ন বোর্ড এসব অভিযোগ মানতে নারাজ। কর্মকর্তারা জানাচ্ছেন, যমুনার ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে ভাঙনরোধ কাজ চলছে।
ভুক্তভোগীরা আশ্বাস না দিয়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে স্থায়ী বাঁধ দিয়ে চরবাসীদের ভাগ্য পরিবর্তন চাওয়া করছেন।
আরও পড়ুন: ধামরাইয়ে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় প্রশাসনের তৎপরতা: বিভাগীয় কমিশনার
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন