প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
বিগত সময়ের মধ্যে রেল ট্র্যাক সম্প্রসারিত হলেও, সেই পরিমাণ লোকোমোটিভ (ইঞ্জিন) কিংবা ক্যারেজ (কোচ) সংগ্রহ করা হয়নি। তবু, বর্তমান সরকার রেলের সেবার মান উন্নত করতে নিরলসভাবে কাজ করছে, এ কথা জানিয়েছেন রেল প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ। শুক্রবার রাতে নেত্রকোনা রেলওয়ে বড় স্টেশন পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এই বিষয়গুলো উল্লেখ করেন।
প্রতিমন্ত্রী শুক্রবার (৩ জুলাই) সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত যাত্রী সেবা বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে নেত্রকোনা জেলার মোট তিনটি রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শন করেছেন। তিনি একে একে মোহনগঞ্জ, বারহাট্টা এবং সর্বশেষ নেত্রকোনা বড় স্টেশন পরিদর্শন করে সেখানে উপস্থিত বিভিন্ন অব্যবস্থাপনার বিষয়ে দ্রুত সমাধানের নির্দেশনা দেন। দীর্ঘ দিন ধরে পরিত্যক্ত পাবলিক টয়লেট নতুন করে নির্মাণের উদ্যোগসহ যাত্রী বিশ্রামাগার ও স্টেশনের উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে রেল প্রতিমন্ত্রী বলেন, 'রেলের ইন্টারনেট সেবা বাড়ানোসহ, রেলসেবা থাকা বর্তমানে ৪৯টি জেলা থেকে বর্ধিত করে আমরা ৬৪ জেলাতেই তা নিয়ে যেতে চেষ্টা করছি।'
তিনি নেত্রকোনা-ময়মনসিংহ-ঢাকা রেলওয়ের লক্কড়-ঝক্কড় পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের বিষয়ে বলেন, 'সারা দেশেই আমরা যাত্রী সেবার মান বৃদ্ধি করতে চাই। তার মধ্যে কিছু কাজ অগ্রধিকার ভিত্তিতে করতে ইচ্ছুক। কিন্তু যেগুলো ফিজিবিলিটি স্টাডি প্রয়োজন, সেগুলো করে দেখবো সেটি আসলে কতটুকু গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। সারা দেশে যে দাবিগুলো আছে, কোনটার পর কোনটা করবো তা পর্যালোচনা করে বাস্তবায়নের চেষ্টা করছি। তবে ট্রেনের এনিয়ে যে কাজগুলো, সেগুলোর আন্তর্জাতিক টেন্ডার হয় এবং সেগুলি সম্পন্ন হতে দুই থেকে তিন বছর সময় লাগে। তাই আমরা পুরোনো লোকোমোটিভগুলোকে মেরামত করে কাজে লাগানোর চেষ্টা করছি।'
পূর্বধলার জারিয়া থেকে দুর্গাপুর পর্যন্ত রেললাইন সম্প্রসারণের অগ্রগতি নিয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, 'ডেপুটি স্পিকার সাহেব ১২ কিলোমিটার রেলপথ সম্প্রসারণের আবেদনটি করেছেন। আমিসহ রেলওয়ের ঊর্ধ্বতনরা সেটি পরিদর্শন করে এসেছি। এটির ফিজিবিলিটি স্টাডি চলছে। তাই এখনই হবে কি হবে না তা বলার সম্ভাবনা নেই। যদি আমরা দেখি এটি জনগণের জন্য অধিক উপকারী ও যাত্রী সেবার জন্য প্রয়োজনীয়, তখন আমরা এ নিয়ে কাজ করবো। আমরা এমন কিছু করতে চাই না, যা মানুষের জন্য অপচয় হবে।'
কিশোরগঞ্জের একটি আন্তঃনগর ট্রেন জারিয়া পর্যন্ত বর্ধিতকরণ প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, 'দাবি-দাওয়া সব পক্ষই থাকবে, আমরা সেটিকে যাচাই-বাছাই করে দেখবো। এরপর সে অনুযায়ী কাজ পরিচালিত হচ্ছে।'
স্টেশন পরিদর্শনকালে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, স্থানীয় সংসদ সদস্য ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে রেল প্রতিমন্ত্রী দিনব্যাপী নিজ জেলা হাওরাঞ্চলের বিভিন্ন উপজেলার হাওর পরিদর্শন করেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন