ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কার্বন ক্রেডিট বৃদ্ধি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা প্রধানমন্ত্রীর


কার্বন ক্রেডিট বৃদ্ধি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের কার্বন ক্রেডিট বাড়ানোর সম্ভাবনা এবং কার্বন নিঃসরণ কমানোর লক্ষ্যে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। তার এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়েছে রোববার (৫ জুলাই) বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে, যেখানে তিনি জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও প্রদান করেছেন।

প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেসসচিব হাসান শিপলু এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি, শিল্প খাতে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির প্রয়োগ, জ্বালানি দক্ষতা উন্নয়ন, বন সংরক্ষণ এবং ব্যাপক বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে কার্বন শোষণ বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি জানান, বাংলাদেশ যাতে আন্তর্জাতিক কার্বন বাজারে সম্ভাবনা কাজে লাগাতে পারে, সেজন্য বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা গ্রহণের নির্দেশও দিয়েছেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে, কার্বন ক্রেডিট ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা, নির্ভরযোগ্য তথ্যভাণ্ডার গড়ে তোলা এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় বাড়ানোর কথাও তিনি উল্লেখ করেন।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

প্রধানমন্ত্রী কার্বন ক্রেডিট অর্জনের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদার করতে একটি কমিটি গঠনের নির্দেশও দেন। সভায় উপস্থিত মন্ত্রী ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানান, যদি কার্যকর পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করা যায়, তাহলে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী কার্বন ক্রেডিট অর্জনের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

উল্লেখ্য, কার্বন ক্রেডিট হলো পরিবেশ সুরক্ষার একটি আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থা। এটি একটি মেট্রিক টন কার্বন ডাই-অক্সাইড বা সমপরিমাণ গ্রিনহাউস গ্যাসের নিঃসরণ কমানোর বিপরীতে দেওয়া হয়। অন্যদিকে, কার্বন ট্রেডিং হলো গ্রিনহাউস গ্যাসের নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণে একটি বাজারভিত্তিক ব্যবস্থা। এতে সরকার বা আন্তর্জাতিক সংস্থা নির্দিষ্ট পরিমাণ কার্বন নিঃসরণের সীমা নির্ধারণ করে। নির্ধারিত সীমার বেশি কার্বন নিঃসরণ করলে প্রতিষ্ঠানের বাজার থেকে কার্বন ক্রেডিট কিনতে হয়। যারা বনায়ন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার, জ্বালানি দক্ষতা বৃদ্ধি বা পরিচ্ছন্ন প্রযুক্তির প্রয়োগের মাধ্যমে কার্বন নিঃসরণ কমায়, তারা কার্বন ক্রেডিট অর্জন করতে পারে। পরবর্তীতে, এসব ক্রেডিট অতিরিক্ত কার্বন নিঃসরণকারী দেশ বা প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রি করা হয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যেদিন থেকে কমলাপুর পর্যন্ত মেট্রোরেল চলাচল করবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৫৫ পি.এম


যেদিন থেকে কমলাপুর পর্যন্ত মেট্রোরেল চলাচল করবে

রাজধানীতে মেট্রোরেলের যে যাত্রী চাহিদা রয়েছে, তা মেটাতে ২০২৭ সালের এপ্রিল মাসে মতিঝিল থেকে কমলাপুর পর্যন্ত বর্ধিতাংশ চালু হতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

ঢাকা ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টের (লাইন-৬) পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. আবদুল ওহাব জানিয়েছেন, বর্ধিত লাইনে আগামী বছরের এপ্রিল মাসে বাণিজ্যিকভাবে মেট্রোরেল চলাচল শুরু হবে। এর পূর্বে জানুয়ারি মাস থেকে খালি ট্রেন চালিয়ে পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।

তিনি জানিয়েছেন, নিয়মিত যাত্রীসেবার সময় পার হওয়ার পর রাতের বেলা উত্তরা উত্তর স্টেশন থেকে কমলাপুর পর্যন্ত পুরো রুটজুড়ে এই পরীক্ষামূলক চলাচল পরিচালনা করা হবে।

এটি দেশের প্রথম মেট্রোরেল রুট, যা কর্মকর্তারা লাইন-৬ বলে অভিহিত করছেন। প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, চলতি বছরের জুন মাসের মধ্যে ১.১৬ কিলোমিটার ভায়াডাক্ট, একটি স্টেশন ও রেল ট্র্যাক নির্মাণসহ পুরো সম্প্রসারণ কাজের প্রায় ৭৭ শতাংশ শেষ হয়ে গেছে। বর্তমানে স্টেশনের স্থাপত্য ও প্রবেশ-বাহির পথের কাজ চলছে।

কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্যমতে, ২০২৬ সালের জুন মাসের আগে কমলাপুর স্টেশনের সমস্ত পাইল, পাইল ক্যাপ, পিয়ার, স্টেশন কলাম, প্রিকাস্ট, কনকোর্স ছাদ, প্ল্যাটফর্ম স্ল্যাব, ট্র্যাক স্ল্যাব, প্যারাপেট ওয়াল ও স্টিলের ছাদ তৈরির কাজ সম্পন্ন হবে।

তারা জানিয়েছেন, কমলাপুর স্টেশনের জন্য স্বয়ংক্রিয় দরজা, সিগন্যালিং সিস্টেম ও অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি শিগগিরই স্থাপনের জন্য আনা হবে। আগামী দুই মাসের মধ্যে ট্র্যাক স্থাপনের কাজ শেষ হবে, এমনটাই আশা করছেন তারা।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্টেশনের প্রবেশ-বাহির পথ, অভ্যন্তরীণ দেয়ালের টাইলস, স্থায়ী জানালার গ্লাস স্থাপন এবং অভ্যন্তরীণ ও বাইরের অংশের রঙের কাজ চলছে। এছাড়া উত্তরা কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ডে ২৯৮টি প্রিকাস্ট সেগমেন্টের মধ্যে ১০০টি প্রিকাস্ট সেগমেন্ট কাস্টিংয়ের কাজও সম্পন্ন হয়েছে।

উত্তরা উত্তর থেকে কমলাপুর স্টেশন পর্যন্ত লাইন-৬ এর মোট দৈর্ঘ্য ২১.২৬ কিলোমিটার, এবং এর আগে ২০২৩ সালের নভেম্বরে উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত মেট্রোরেলের বাণিজ্যিক চলাচল শুরু হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নাটোরে স্বাস্থ্যসেবায় অনিয়ম, জরিমানা গুণতে হলো প্রতিষ্ঠানকে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৫৮ পি.এম


নাটোরে স্বাস্থ্যসেবায় অনিয়ম, জরিমানা গুণতে হলো প্রতিষ্ঠানকে

 অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে স্বাস্থ্য সেবা প্রদান করার জন্য নাটোর ইসলামী হাসপাতালকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

আজ রোববার সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফরহাদ আহমেদ অভিযান পরিচালনা করে এই জরিমানা আরোপ করেন।

এই অভিযানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক জানান, শহরের চকরামপুর এলাকায় ইসলামী হাসপাতালে অভিযান পরিচালনার সময় অপারেশন থিয়েটারসহ হাসপাতালের বিভিন্ন স্থানে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ দেখা যায়।

এখন অপারেশন থিয়েটারে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতিও ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রাখা ছিল এবং এই অভিযানের সময় হাসপাতালের ম্যানেজার মো. সোলায়মানকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের আওতায় এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জরিমানার অর্থ পরিশোধ করে দায় থেকে অব্যাহতি লাভ করে।

অভিযানের সময় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কামাল উদ্দিন ভূঁইয়াও উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুবককে গলাকেটে হত্যার ঘটনায়, আটক দুই যুবক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:০১ পি.এম


যুবককে গলাকেটে হত্যার ঘটনায়, আটক দুই যুবক

নগরীর ভাড়া বাসা থেকে রাজিব আহম্মেদ ওরফে রুবেল (৪০) নামের এক ব্যক্তিকে গলাকেটে হত্যা করার ঘটনায় পুলিশ হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুই যুবককে নেওয়া হয়েছে। আটককৃত যুবক দুজন হলেন, রনি ও সজল।

আজ রোববার দুপুর ২টায় নগরীর ৩৬ বাড়ি কলোনী এলাকার ভাড়া বাসা নিজ কক্ষ থেকে নিহতের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে তাদেরকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। নিহত রাজিব আহম্মেদ রুবেল নগরীর আর কে মিশন রোডের মৃত আব্দুল হামিদের ছেলে। তার মায়ের নাম মৃত খাদিজা বেগম।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, নিহত রাজিব আহম্মেদ রুবেল আকুয়া ৩৬ বাড়ি কলোনির বাসিন্দা ইসমাইল হোসেনের স্ত্রীর বাসায় পারুল আক্তারের সঙ্গে প্রায় একমাস আগে নতুন ভাড়াটিয়া হিসেবে উঠেছিলেন। তিনি এখানে নিজ বন্ধুদের নিয়ে বসবাস করতেন। আজ সকালে প্রায় সাড়ে ১০টার দিকে রুবেলকে তারই ঘরে দুর্বৃত্তরা গলাকেটে হত্যা করে।

এর আগে বাসার সামনের রাস্তায় রুবেলের চাচাতো ভাই মো. শুভর একটি মোটরসাইকেল হামলাকারী একটি দল আগুনে পুড়িয়ে দেয়। রাজিব আহম্মেদ কলোনীর ভেতরে পারুল আক্তারের ৫ কক্ষের একটি বাসার একটি কক্ষে ভাড়া থাকতেন।

পুলিশ বিছানায় রুবেলের রক্তাক্ত মরদেহ পায় এবং মাথার কাছে একটি মদের বোতল দেখে। পুলিশ জানিয়েছে, তার বিরুদ্ধে মাদকসহ একাধিক মামলা রয়েছে।

খবর পেয়ে জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুল হাসান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি বলেন, "আমরা একটি গলাকাটা মরদেহ পেয়েছি। কিছু তথ্যও পেয়েছি, সেই অনুযায়ী হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচনে কাজ শুরু করেছি। ইতোমধ্যে দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। বিস্তারিত পরবর্তীতে জানানো হবে।"

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সমৃদ্ধ পল্লীই গড়ে তুলবে উন্নত বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

রবিবার, ৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:০৪ পি.এম


সমৃদ্ধ পল্লীই গড়ে তুলবে উন্নত বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সরকারের পাশাপাশি জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ, উদ্ভাবনী উদ্যোগ এবং সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমাদের পল্লী হবে আরো আধুনিক, উৎপাদনশীল ও সমৃদ্ধ। আর সেই সমৃদ্ধ পল্লীই গড়ে তুলবে একটি উন্নত, আত্মমর্যাদাশীল ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ।

আগামীকাল ‘জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬’ উপলক্ষ্যে আজ দেওয়া এক বাণীতে তিনি বলেন, ‘একটি ন্যায়ভিত্তিক, অংশগ্রহণমূলক ও জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার উন্নয়নের মূলধারায় দেশের প্রতিটি মানুষকে সম্পৃক্ত করতে চায়। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে গ্রাম ও পল্লীকেই জাতীয় উন্নয়নের ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। কারণ, উন্নত পল্লী ছাড়া সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব নয়। সেই লক্ষ্যকে আরো সুদৃঢ় করার প্রত্যয়ে দেশে প্রথমবারের মতো ‘জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬’ উদযাপন একটি সময়োপযোগী উদ্যোগ।’

এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য ‘উন্নত পল্লী, সমৃদ্ধ দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ সরকারের উন্নয়ন দর্শন, জনগণের প্রত্যাশা এবং আমাদের ভবিষ্যৎ অভিযাত্রার সঙ্গে গভীরভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতি, সংস্কৃতি ও সামাজিক জীবনের প্রাণকেন্দ্র হচ্ছে আমাদের পল্লী। দেশের প্রায় ৬৮ শতাংশ মানুষ গ্রামে বসবাস করে এবং কৃষি, ক্ষুদ্র উদ্যোগ, কুটির শিল্প ও স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে জাতীয় উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। তাই পল্লী উন্নয়ন কেবল একটি খাতভিত্তিক কর্মসূচি নয়; বরং একটি সমৃদ্ধ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই বাংলাদেশ বিনির্মাণের অন্যতম প্রধান ভিত্তি।

তিনি বলেন, গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জীবনমানের উন্নয়ন, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং স্থানীয় সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহারের মধ্য দিয়েই দেশের সামগ্রিক উন্নয়নকে আরো গতিশীল ও স্থায়ী করা সম্ভব।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দেশ পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের পর ১৯৭৭ সালে ১৯ দফা কর্মসূচি ঘোষণার মাধ্যমে জাতীয় উন্নয়নের একটি সুদূর প্রসারী রূপরেখা প্রণয়ন করেন। এ কর্মসূচির অন্যতম প্রধান লক্ষ্য ছিল কৃষি উন্নয়নের মাধ্যমে গ্রামীণ ও জাতীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করা, সমাজে নারীর মর্যাদা প্রতিষ্ঠা, যুবসমাজকে সুসংগঠিত করা, প্রশাসন ও উন্নয়ন কার্যক্রম বিকেন্দ্রীকরণ, স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করা এবং খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন।

পাশাপাশি কৃষক সংগঠন গঠন, সমবায়ভিত্তিক কার্যক্রম সম্প্রসারণ, খাল খনন, সেচ ও কৃষি অবকাঠামো উন্নয়ন, গ্রামীণ কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং তৃণমূল জনগণকে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে প্রবর্তিত ‘গ্রাম সরকার ব্যবস্থা’ দেশের স্থানীয় উন্নয়ন কার্যক্রমকে নতুন গতি ও প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি প্রদান করে।

তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান কর্তৃক গৃহীত বিস্তৃত উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ধারাবাহিকতায় তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শাসনামলে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং দারিদ্র্য বিমোচনকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। তাঁর সময়কালে গ্রামীণ সড়ক, সেতু ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, কৃষি উপকরণ সহজলভ্য করা, সেচ ব্যবস্থার সম্প্রসারণ, কৃষি ঋণ মওকুফ এবং ক্ষুদ্র ঋণ ও আয়বর্ধক কার্যক্রমে সহায়তার মাধ্যমে পল্লী অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। এসব কার্যক্রম পল্লী অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক গতিশীলতায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।

তারেক রহমান বলেন, একটি জবাবদিহিমূলক, ন্যায়ভিত্তিক ও জনকল্যাণমুখী শাসনব্যবস্থার প্রত্যয়ে দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় পর স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রপ্রিয় জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটেছে বর্তমান নির্বাচিত সরকারের মাধ্যমে। সরকার ইতোমধ্যে জাতীয় প্রতিশ্রুতি (নির্বাচনী ইশতেহার-২০২৬) বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে পল্লীর দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে কৃষক কার্ড, ফ্যামিলি কার্ড, খাল পুনঃখনন, কৃষি ঋণ মওকুফ, পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন এবং নারী ও যুবসমাজের দক্ষতা বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।

একটি সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই পল্লী গড়ে তুলতে তিনি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সকল দপ্তর-সংস্থা এবং পল্লী উন্নয়নে নিয়োজিত সকল অংশীজনের প্রতি নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যাওয়ার আহ্বান জানান।

‘জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস-২০২৬’ উপলক্ষ্যে গৃহীত সকল কর্মসূচির সার্বিক সফলতা কামনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি, এ দিবস পল্লী উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে আরো বেগবান করবে।’

এ উপলক্ষ্যে তিনি পল্লীবাসী সকল জনগণকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%