রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:২২ পি.এম
বিশ্বকাপে ইনজুরির কারণে নিজের সেরাটা দিতে পারেননি রাফিনিয়া। তবে চলতি মৌসুমে এই ব্রাজিলিয়ান তারকা অসাধারণ ফর্মে রয়েছেন। লা লিগার সাত ম্যাচে ১২টি গোল করে তিনি সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে অবস্থান করছেন, সঙ্গে রয়েছে তিনটি অ্যাসিস্ট। সর্বশেষ সেভিয়ার বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করে বার্সেলোনাকে টানা সপ্তম জয় এনে দিয়েছেন তিনি।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সেভিয়ার মাঠে বার্সেলোনা ৩-১ গোলের জয় লাভ করেছে। ইউসুফ ফোফানার গোলে পিছিয়ে পড়ার পর, প্রথমার্ধেই সমতা ফিরিয়ে আনেন রাফিনিয়া। দ্বিতীয়ার্ধে আরও দুটি গোল করে তিনি জয়ের নায়ক হয়ে ওঠেন। ম্যাচে জালের দেখা না পেলেও, দলের শেষ দুই গোলে সহায়তা করেন আরেক তারকা লামিন ইয়ামাল।
প্রথমার্ধে দুই দলই সমানে সমান লড়াই করে। তবে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে এগিয়ে যাওয়ার পর থেকে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেয় বার্সেলোনা। রেসিং সান্তানদেরের বিপক্ষে ৭-২ গোলে জয়ী হওয়ার ম্যাচের একাদশে চারটি পরিবর্তন আনেন বার্সেলোনা কোচ ফ্লিক।
ওই ম্যাচে প্রথমার্ধে হাঁটুতে চোট পেয়ে ছিটকে যাওয়া মূল গোলরক্ষক জোয়ান গার্সিয়ার জায়গায় দ্বিতীয়ার্ধে নামা ভয়চেখ স্ট্যান্সনির একটি বড় ভুলের কারণে গোল হজম করতে হয় দলকে। সেভিয়ার বিপক্ষে একাদশে সুযোগ পেয়ে এই ক্লাবের হয়ে অভিষেক হয় দমিনিক লিভাকোভিচের।
বার্সেলোনার শুরুটা ছিল ইতিবাচক। অষ্টম মিনিটে তারা এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল, কিন্তু ইয়ামালের বাঁ পায়ের জোরাল শট ঝাঁপিয়ে পড়া গোলরক্ষকের হাত ছুঁয়ে পোস্টে লাগে। উল্টো ১৯তম মিনিটে গোল খেয়ে বসে বার্সেলোনা।
ম্যাচে নিজেদের প্রথম উল্লেখযোগ্য সুযোগ পেয়েই এগিয়ে যায় সেভিয়া। বাঁ দিক দিয়ে বক্সে ঢুকে ফেলিক্স কোররেয়ার চমৎকার ক্রসের মাধ্যমে কাছ থেকে হেডে বল জালে পাঠান ফরাসি মিডফিল্ডার ফোফানা।
বার্সেলোনা জবাব দিতে বেশি সময় নেয়নি। ২২তম মিনিটে অধিনায়ক হাফিনিয়া দলের জন্য সমতা ফেরান। আন্দ্রেয়াস ক্রিস্টেনসেনের পাস বক্সে দারুণভাবে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে, প্রতিপক্ষের এক খেলোয়াড়ের বাধা এড়িয়ে আরেক জনের পায়ের ফাঁক দিয়ে নিচু শটে জালে পাঠান তিনি।
৪৪তম মিনিটে বার্সেলোনার সামনে আরেকটি সুযোগ আসে, কিন্তু বক্সে ভালো পজিশনে বল পেয়ে শট নিতে পারেননি পেদ্রি। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে রদ্রির দৃঢ়তায় বার্সেলোনা রক্ষা পায়।
বক্সে ফাঁকায় বল পান কোররেয়া, কিন্তু গত বিশ্বকাপের গোল্ডেন বল জয়ী রদ্রি চমৎকার এক ট্যাকলে তার কাছ থেকে বল কেড়ে নেন। ৫২তম মিনিটে সফরকারীরা এগিয়ে যায়।
সেভিয়ার বক্সে দারুণভাবে বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে, দুই খেলোয়াড়ের বাধা এড়িয়ে ইয়ামাল চমৎকার ক্রস দেন, ছয় গজ বক্সের মুখে জোরাল হেডে জাল খুঁজে নেন হাফিনিয়া।
৬৪তম মিনিটে অলিম্পিক গোলে হ্যাটট্রিক হয়ে যেতে পারত রাফিনিয়ার। কর্নারে নেওয়া তার শটে বল গোলরক্ষকের একটু সামনে পড়ে বাঁক খেয়ে দূরের পোস্টে লাগে।
তবে হ্যাটট্রিকের জন্য খুব বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি। চার মিনিট পরই সেই স্বাদ পান তিনি। ইয়ামালের থ্রু বল ধরে বক্সে ঢুকে আগুয়ান গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন ২৯ বছর বয়সি ফরোয়ার্ড।
এবারের লা লিগার সর্বোচ্চ গোলদাতা রাফিনিয়ার গোল হলো সাত ম্যাচে ১২টি, সঙ্গে অ্যাসিস্ট আছে তিনটি। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে মৌসুমে আট ম্যাচে তার গোল হলো ১৪টি। আগের ম্যাচেও হ্যাটট্রিক করেছিলেন তিনি।
৭৭তম মিনিটে রাফিনিয়াকে তুলে কারিম আডেইয়েমিকে নামান ফ্লিক। শেষ দিকে গোল পেতে পারতেন এই জার্মান উইঙ্গার, কিন্তু তার প্রচেষ্টা দারুণভাবে রুখে দেন গোলরক্ষক।
বার্সেলোনা প্রথম সাত ম্যাচের সবকটি জিতে ২১ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলের শীর্ষে অবস্থান করছে। একটি করে ম্যাচ কম খেলে সমান ১৫ পয়েন্ট নিয়ে রিয়াল মাদ্রিদ দ্বিতীয় এবং রেয়াল বেতিস তৃতীয় স্থানে রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বর্ষাকাল অনেকের কাছে প্রিয় সময়। ঝুম বৃষ্টি, মাটির গন্ধ এবং বৃষ্টিভেজা প্রকৃতি মানুষের মনকে ভালো করে তোলে। কিন্তু এই সময় আবহাওয়ার আচরণ বেশ অনিয়মিত হয়ে থাকে। কখনো তুমুল বৃষ্টি হয়, আবার কিছুক্ষণ পরেই তীব্র রোদ দেখা দেয়।
অফিস, স্কুল কিংবা জরুরি কাজে বাইরে বের হলে হঠাৎ করে বৃষ্টিতে ভিজে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ছাতা বা বৃষ্টির পোশাক সঙ্গে না থাকলে অনেক সময় সম্পূর্ণ ভিজে গন্তব্যে পৌঁছাতে হয়।
বৃষ্টিতে ভিজে যাওয়ার পর অনেকের মধ্যে সর্দি, কাশি, জ্বর বা গলা ব্যথার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। তবে শুধুমাত্র বৃষ্টির পানি এসব সমস্যার কারণ নয়। শরীরের তাপমাত্রার হঠাৎ পরিবর্তন এবং বিভিন্ন ভাইরাসের সংক্রমণও এর পেছনে ভূমিকা রাখতে পারে। তাই বৃষ্টিতে ভিজলে কিছু সহজ অভ্যাস মেনে চললে অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকি কমানো সম্ভব।
ভেজা পোশাক দ্রুত বদলে ফেলুন
বৃষ্টিতে ভিজে গেলে প্রথমে ভেজা পোশাক পরিবর্তন করা উচিত। অনেকেই ভেজা কাপড় পরে দীর্ঘ সময় অফিসে, বাসায় বা শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ঘরে বসে থাকেন। এতে শরীরের তাপমাত্রা দ্রুত কমে যেতে পারে এবং অস্বস্তি বাড়তে পারে।
সুতরাং বর্ষাকালে বাইরে বের হলে ব্যাগে অতিরিক্ত একটি শুকনো পোশাক রাখার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারেন। এতে হঠাৎ বৃষ্টিতে ভিজে গেলে দ্রুত পোশাক পরিবর্তন করা সম্ভব হবে।
হালকা গরম পানিতে গোসল করুন
বৃষ্টিতে ভিজে বাড়ি ফেরার পর হালকা গরম পানিতে গোসল করা যেতে পারে। এটি শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক করতে সাহায্য করে। পাশাপাশি ত্বক ও চুলে লেগে থাকা ধুলাবালি, দূষণ এবং ময়লাও পরিষ্কার হয়ে যায়।
তবে খুব গরম পানি ব্যবহার না করে হালকা গরম পানি ব্যবহার করাই উত্তম।
চুল ভেজা রাখবেন না
বৃষ্টিতে ভিজে বাড়ি ফেরার পর মাথার চুলও ভালোভাবে শুকিয়ে নিতে হবে। দীর্ঘ সময় চুল ভেজা থাকলে অস্বস্তি, মাথাব্যথা বা সাইনাসের সমস্যা দেখা দিতে পারে।
সুতরাং পরিষ্কার তোয়ালে দিয়ে চুল ভালোভাবে মুছে নিতে হবে। প্রয়োজন হলে হালকা বাতাসে বা চুল শুকানোর যন্ত্রের সাহায্যেও শুকিয়ে নিতে পারেন।
পায়ের যত্ন নিন
বর্ষায় রাস্তার পানি ও কাদার সংস্পর্শে পা সবচেয়ে বেশি আসে। এই পানিতে বিভিন্ন ধরনের জীবাণু থাকতে পারে, যা ত্বকে সংক্রমণ বা ছত্রাকজনিত সমস্যা তৈরি করতে পারে।
তাহলে বাড়ি ফিরে সাবান দিয়ে পা ভালোভাবে ধোয়া উচিত। বিশেষ করে পায়ের আঙুলের ফাঁক ও নখের কোণ পরিষ্কার করা জরুরি।
বর্ষাকালে দ্রুত শুকিয়ে যায় এমন জুতা ব্যবহার করা যেতে পারে। কর্মস্থলে অতিরিক্ত মোজা ও জুতা রাখলে হঠাৎ বৃষ্টিতে ভিজে যাওয়ার পরও সেগুলো বদলে নেওয়া সহজ হবে।
পান করুন গরম পানীয়
বৃষ্টিতে ভিজে শরীর ঠান্ডা হয়ে গেলে হালকা গরম পানীয় আরাম দিতে পারে। আদা, তুলসি, লবঙ্গ বা দারচিনি দিয়ে তৈরি চা শরীরকে উষ্ণ রাখার পাশাপাশি স্বস্তি দিতে পারে।
চা বা কফি হাতের কাছে না থাকলে এক গ্লাস হালকা গরম পানিও পান করতে পারেন। এতে শরীরের ভেতরটা উষ্ণ রাখতে সাহায্য করবে।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে খাবারের দিকে নজর দিন।
বর্ষায় সুস্থ থাকতে খাবারের দিকেও নজর দেওয়া জরুরি। প্রতিদিনের খাবারে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল রাখা যেতে পারে। যেমন—পাতিলেবু, কমলা, মাল্টা, আমলকি, পেয়ারা ও আনারস।
ভিটামিন সি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে সক্রিয় রাখতে সাহায্য করে। পাশাপাশি পর্যাপ্ত পানি পান, পুষ্টিকর খাবার খাওয়া এবং পর্যাপ্ত ঘুমও শরীর সুস্থ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ।
বৃষ্টিতে ভিজলেই অসুস্থ হবেন, এমন নয়
বৃষ্টিতে ভিজলেই যে সর্দি-কাশি বা জ্বর হবে, এমন নয়। তবে ভিজে যাওয়ার পর দীর্ঘ সময় ভেজা পোশাকে থাকা, শরীরের যত্ন না নেওয়া অথবা অপরিষ্কার পানি ও কাদার সংস্পর্শে থাকার কারণে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে।
সুতরাং হঠাৎ বৃষ্টিতে ভিজে গেলে আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। দ্রুত ভেজা পোশাক বদলে ফেলুন, শরীর ও চুল ভালোভাবে শুকিয়ে নিন, পা পরিষ্কার করুন এবং প্রয়োজনমতো হালকা গরম পানীয় পান করুন। সামান্য কিছু সতর্কতাই বর্ষার অনিয়মিত আবহাওয়ায় সুস্থ থাকতে সাহায্য করতে পারে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
গলা খুসখুস হচ্ছে এবং কাশি থামছেই না—এমন পরিস্থিতিতে ভুগছেন অনেকে। জ্বর না থাকলেও সর্দি-কাশি ও গলা ব্যথার কারণে অস্বস্তির শিকার হচ্ছেন তারা। বিশেষ করে গলায় খুসখুস ভাব থাকলে কাশি থামানো কঠিন হয়ে পড়ে।
চিকিৎসকদের মতে, বিভিন্ন ভাইরাসের সংক্রমণের ফলে জ্বর, সর্দি-কাশি হতে পারে। ইনফ্লুয়েঞ্জা ও অ্যালার্জির কারণে এমন সমস্যা দেখা দিতে পারে। কাশি কমানোর জন্য ওষুধ বা কফের ওষুধ ব্যবহার করা হলেও, অনেক সময় তা সঙ্গে সঙ্গে পুরোপুরি আরাম দেয় না। এই অবস্থায়, ওষুধের পাশাপাশি কিছু ঘরোয়া উপায়ও অবলম্বন করা যেতে পারে।
গলা খুসখুস ও কাশির অস্বস্তি কমাতে ঘরে তৈরি করা যায় এমন তিনটি পানীয়ের কথা উল্লেখ করা হয়েছে প্রচলিত ঘরোয়া চিকিৎসায়।
কাড়া
সর্দি-কাশির অস্বস্তিতে অনেকেই কাড়া বা বিভিন্ন মসলা ফোটানো পানি পান করেন। গলা খুসখুসের সময়ও এটি পান করা যেতে পারে।
দারচিনি, আদা, তুলসীপাতা, গোলমরিচ ও লবঙ্গ দুই কাপ পানিতে দিয়ে কম আঁচে ফুটিয়ে নিতে হবে। পানি কমে প্রায় অর্ধেক হয়ে এলে চুলা থেকে নামিয়ে ছেঁকে নিতে হবে। এরপর এতে এক চা-চামচ মধু মিশিয়ে গরম অবস্থায় চায়ের মতো পান করুন।
এতে গলায় আরাম মিলতে পারে এবং ধীরে ধীরে কাশির অস্বস্তিও কমতে পারে। তুলসীপাতা, আদা ও লবঙ্গের ভেষজ গুণ রয়েছে।
বাসকপাতার পানি
একসময় সর্দি-কাশির ঘরোয়া উপশমে বাসকপাতা র ব্যবহার বেশ প্রচলিত ছিল। এখনো অনেক বাড়িতে কাশি না কমলে বাসকপাতা ফোটানো পানি পান করানো হয়।
বাসকপাতা, তুলসীপাতা, কুচি করা আদা ও তালমিছরি একসঙ্গে পানিতে দিয়ে ফুটিয়ে নিতে হবে। সব উপকরণ ভালোভাবে ফুটে গেলে ছেঁকে গরম অবস্থায় চায়ের মতো পান করুন।
দিনে দুইবারের বেশি না খাওয়াই ভালো। যাদের ডায়াবেটিস রয়েছে, তারা তালমিছরি বাদ দিতে পারেন। তালমিছরি না থাকলে মধু ব্যবহার করা যেতে পারে।
তুলসীপাতার রস ও মধু
গলা খুসখুস ও সর্দি-কাশির অস্বস্তিতে তুলসীপাতার রসও ঘরোয়া উপায়ে ব্যবহার করা হয়। কয়েকটি তুলসীপাতা থেঁতলে রস বের করে নিতে হবে। এর সঙ্গে আদার রস ও মধু মিশিয়ে হালকা গরম করতে হবে।
এরপর মিশ্রণটি এক কাপ গরম পানিতে দিয়ে চায়ের মতো পান করতে পারেন। তুলসীপাতায় প্রদাহনাশক উপাদান রয়েছে, তাই এটি সর্দি-কাশির অস্বস্তিতে উপকারী বলে প্রচলিত।
এছাড়া শুকনো আদা, লবঙ্গ ও তালমিছরি মুখে রাখলেও গলার অস্বস্তি কিছুটা কমতে পারে।
ঘরোয়া পথ্য হলেও সতর্কতা জরুরি
সর্দি-কাশি বা গলা খুসখুসে অস্বস্তিতে এসব ঘরোয়া পানীয় সাময়িক আরাম দিতে পারে। তবে কাশি যদি দীর্ঘদিন ধরে থাকে, শ্বাসকষ্ট হলে বা অসুস্থতা বাড়তে থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পটুয়াখালীতে বাস ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনায় চারজন প্রাণ হারিয়েছেন। এই দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে সদর উপজেলার বসাক বাজারসংলগ্ন ধলু গাজীর মোড় এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
নিহতদের মধ্যে রয়েছেন গলাচিপা উপজেলার আমখোলা এলাকার রাজ্জাক প্যাদার ছেলে কাউয়ুম উদ্দিন (৫০), গলাচিপার অনিল মিস্ত্রির মেয়ে শিল্পী রানী (৪০), বাউফল উপজেলার বিলবিলাস এলাকার দিয়েন মিস্ত্রির মেয়ে তিথি রানী (২৩) এবং গলাচিপার হরিদেবপুর এলাকার সোবাহানের ছেলে মিরাজ (৩৫)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বরগুনার তালতলী থেকে যাত্রী নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেয় ইমরান ট্রাভেলসের একটি বাস। পথিমধ্যে ধলু গাজীর মোড় এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি অটোরিকশার সঙ্গে সংঘর্ষ ঘটে। ফলে উভয় যান নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়।
দুর্ঘটনার শব্দ শুনে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। খবর পেয়ে পটুয়াখালী ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান চালায়। এই সময় ঘটনাস্থল থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও একজনের মৃত্যু হয়।
বাসযাত্রী মহিবুল্লাহ বলেন, "বাসটি শুরু থেকেই অনেক গতিতে চলছিল। হঠাৎ কী হলো কিছুই বুঝতে পারিনি। আল্লাহ আমাদের বাঁচিয়েছেন।"
স্থানীয় বাসিন্দা এনামুল জানান, "হঠাৎ ঝপ করে কিছু একটা পড়ে যাওয়ার শব্দ শুনে আমরা দৌড়ে আসি। এসে দেখি বাসটি খাদে পড়ে আছে। বাসের নিচে একটি অটোরিকশাও চাপা পড়ে ছিল। পরে স্থানীয়রা মিলে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করেন।"
পটুয়াখালী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার মো. রেজোয়ান বলেন, "ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট উদ্ধারকাজে অংশ নেয়। ঘটনাস্থল থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আহতদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।"
এ বিষয়ে পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান গণমাধ্যমকে জানান, "ঘটনাস্থল থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে হাসপাতালে আরও একজনের মৃত্যু হয়।"
তিনি আরও বলেন, "দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে ও পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম চলছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসডিজি অর্জনের লক্ষ্যে বিশ্বনেতাদের পারস্পরিক সহযোগিতা, সহমর্মিতা ও যৌথ দায়িত্ববোধের ভিত্তিতে একত্রে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘের আয়োজিত ‘এসডিজি মোমেন্ট’ অনুষ্ঠানে পাঠানো এক ভিডিও বার্তায় এই আহ্বান জানান।
এ তথ্য প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব কে এম নাজমুল হক জানিয়েছেন।
ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উল্লেখ করেন, টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে আমরা অনেক পিছিয়ে রয়েছি। আমাদের এখন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে এবং সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী তার বার্তায় এসডিজি বাস্তবায়নে আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব জোরদার, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এছাড়া, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম (ইউএনজিএ-৮১) উচ্চপর্যায়ের অধিবেশনে যোগদানের উদ্দেশ্যে আগামী ২১ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে নিউইয়র্কের পথে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সূত্র: বাসস
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ