ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রাতেই ১৯ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস, অতিভারি বৃষ্টির পূর্বাভাস


রাতেই ১৯ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস, অতিভারি বৃষ্টির পূর্বাভাস

লঘুচাপ এবং মৌসুমিবায়ুর প্রভাবে দেশের বিভিন্ন এলাকায় টানা বৃষ্টি হচ্ছে। এ অবস্থায় রাত ১টার মধ্যে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়ে যেতে পারে বিভিন্ন এলাকায় দেশের।

বুধবার বিকেলে দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের জন্য দেয়া সতর্কবার্তায় এসব তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়েছে, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। একই সময় বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টিও হতে পারে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

এসব এলাকার নদীবন্দরকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

এদিকে আবহাওয়ার নিয়মিত বুলেটিনে বলা হয়েছে, ছত্রিশগড় এবং তৎসংলগ্ন উত্তর ও মধ্য প্রদেশে অবস্থানরত মৌসুমি স্থল নিম্নচাপটি উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর ও দুর্বল হয়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়ে বর্তমানে মধ্যপ্রদেশ ও তৎসংলগ্ন উত্তর প্রদেশে অবস্থান করছে। এটি আরও পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ক্রমান্বয়ে দুর্বল হয়ে যেতে পারে। এর প্রভাবে উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় বায়ুচাপের তারতম্যের আধিক্য বিরাজ করছে। মৌসুমিবায়ুর বর্ধিতাংশের অক্ষ রাজস্থান, সুস্পষ্ট লঘুচাপের কেন্দ্রস্থল, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমিবায়ু বাংলাদেশের ওপর সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে প্রবল অবস্থায় রয়েছে।

আবহাওয়ার আরও খবর

এ অবস্থায় বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকাল ৯টা পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের ভারি বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। একইসঙ্গে রংপুর, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে ভারি থেকে অতিভারি বৃষ্টি হতে পারে।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পুঁজিবাজারে আস্থা ফিরিয়ে আনতে সরকার কাজ করছে : প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:০৭ পি.এম


পুঁজিবাজারে আস্থা ফিরিয়ে আনতে সরকার কাজ করছে : প্রধানমন্ত্রী

 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘দেশের পূঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরাতে সরকার বদ্ধপরিকর।’

আজ বুধবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্বে খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য এসকে আজিজুল বারী’র তারকা চিহ্নিত এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এই তথ্য জানান।

আজিজুল বারীর অনুপস্থিতিতে প্রশ্নটি সংসদে উত্থাপন করেন পটুয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য এবিএম মোশাররফ হোসেন।

বর্তমান সরকার শেয়ার মার্কেটের স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনাসহ বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধারের জন্য বদ্ধপরিকর উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘সরকার ইতোমধ্যে বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধিতে সুশাসন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, পণ্যের বৈচিত্রকরণের মাধ্যমে বাজারের গভীরতা বৃদ্ধি, বিনিয়োগ শিক্ষার প্রসার ইত্যাদির মাধ্যমে উন্নত ও টেকসই পুঁজিবাজার গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।’

স্পিকারকে উদ্দেশ্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনি যদি গতকাল বা আজকের পত্র-পত্রিকা খেয়াল করে দেখেন, দেখবেন যে, ধীরে ধীরে পূঁজিবাজার অবস্থার পরিবর্তন করছে এবং এটি ভালো করছে ধীরে ধীরে।’

প্রধানমন্ত্রী সংসদে সরকারের নেওয়া অগ্রাধিকার ১৭ দফা কর্মসূচি তুলে ধরেন।

এগুলো হচ্ছে, বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধিতে সুশাসন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে পুঁজিবাজার বিষয়ে দক্ষ এবং অভিজ্ঞতা সম্পন্ন একজন চেয়ারম্যান ও তিনজন কমিশনারকে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে নিয়োগ প্রদান, নতুন কমিশন দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই বাজারে বিদ্যমান ফ্লোর প্রাইস প্রত্যাহার, লাভজনক সরকারি মালিকাধীন কোম্পানিসমূহের শেয়ার স্টক এক্সচেঞ্জে অফলোডের মাধ্যমে সরাসরি তালিকাভুক্তিকরণে উদ্বুদ্ধ করা।

এছাড়াও বহুজাতিক কোম্পানিসহ উচ্চ মূলধনসম্পন্ন কোম্পানিসমূহের শেয়ার ও স্টক এক্সচেঞ্জে অফলোডের মাধ্যমে সরাসরি তালিকাভুক্তিকরণের সুযোগ সৃষ্টি করা, এসএমই কোম্পানিসহ ভালো মৌলভিত্তি সম্পন্ন কোম্পানিসমূহকে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত করা, পুঁজিবাজার কারসাজি বন্ধে অনিয়ম সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ ও প্রদানকারীর প্রয়োজনীয় সুরক্ষা ও উৎসাহ প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ করা, তালিকাভুক্ত কোম্পানি ও বাজার মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠানসমূহের হিসাব নিরীক্ষা, উপযুক্ত অডিটরের মাধ্যমে নিরীক্ষার নিমিত্তে নীতিমালা প্রণয়ন করা।

ফরেন পোর্টফলিও ইনভেস্টমেন্ট অনবোর্ডিং পোর্টাল চালু এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে সংশ্লিষ্ট বিধি-বিধান সংস্কার হচ্ছে, ওয়ান স্টপ সিকিউরিটিজ কাস্টডিয়ান সার্ভিস চালু করা হচ্ছে, ক্যাপিটাল গেইন ট্যাক্স হ্রাসকরণ, লভ্যাংশ আয়ে দ্বৈত কর বাতিল করা এবং বিও অ্যাকাউন্ট খোলা ও মূলধন প্রত্যাবসন প্রক্রিয়া ডিজিটাল করা, পুঁজিবাজার সংক্রান্ত বিশেষ ট্রাইব্যুনালে সরাসরি মামলা দায়ের সংক্রান্ত বিধান সিকিউরিটিজ আইনে অন্তর্ভুক্ত করা, পূঁজিবাজারের সংস্কারকল্পে একটি ‘পুঁজিবাজার সংস্কার কমিশন’ এবং অনিয়ম তদন্তে একটি বিশেষ তদন্ত কমিশন গঠন করা হবে, পুঁজিবাজারে ব্লকচেইন প্রযুক্তি ব্যবহার করে মার্কেট ও পণ্য উভয়ই সম্প্রসারিত করা, ই-কেওয়াইসি এর মাধ্যমে অনলাইন ও মোবাইল ভিত্তিক বিও হিসাব খোলা ও ট্রেডিং সুবিধা চালু করা, বিনিয়োগবান্ধব ও যুক্তিসঙ্গত করনীতি প্রণয়নের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে, ব্যাংক ও এমএফএস এর মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের বিও হিসাবে টাকা জমা ও উত্তোলনের সুবিধা প্রদান করা।

এআইভিত্তিক শক্তিশালী নজরদারির মাধ্যমে বাজারের অনিয়ম ও জালিয়াতির সাথে জড়িতদের দ্রুত শনাক্তকরণ ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ চলমান রাখা হবে। তালিকাভুক্ত ইস্যুয়ার কোম্পানিসমূহে সুশাসন জোরদারকরণে সমন্বিত গ্রাহক হিসাবে অর্জিত সুদ আয়ের অংশ বিশেষ বিনিয়োগকারী সুরক্ষা তহবিলে জমা করার বিধান প্রণয়ন করা হবে। আইনকানুন যুগোপযোগী করার মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের সম্পদ আরও সুরক্ষিত করা এবং সরকারী সিকিউরিটিজসমূহ (ট্রেজারি বন্ড, ট্রেজারি বিল ও সরকারি সুকুক) এর লেনদেন স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে নিষ্পন্ন করার মাধ্যমে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।

বিকাল তিনটায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদের অধিবেশন শুরু। দিনের কর্মসূচিতে প্রথম ত্রিশ মিনিট প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্ব। এই সময়ের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী চার জন সংসদ সদস্যের তারকা চিহ্নিত প্রশ্ন এবং ৯ জন সংসদ সদস্যের সম্পূরক প্রশ্নের জবাব দেন।

বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে পূঁজিবাজারে ধসের কারণ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দেশের শেয়ারবাজারের ধারাবাহিক পতনের কারণ উদঘাটনের লক্ষ্যে বিভিন্ন সময় বিশেষজ্ঞ, বিনিয়োগকারী সংগঠন এবং বিভিন্ন তদন্তকারী সংস্থা কার্যক্রম পরিচালনা করেছে।’

তিনি বলেন, ‘পরিচালিত কার্যক্রমে শেয়ার বাজারের ধারাবাহিক পতনের পেছনে কারণগুলো ছিলো- বাজার কারসাজি ও কৃত্রিমভাবে শেয়ারের দাম বাড়ানো-কমানো, কিছু কোম্পানির আইপিও, বন্ড ও অন্যান্য ইস্যুতে অনিয়ম, নিয়ন্ত্রক সংস্থার দীর্ঘমেয়াদী দুর্বল তদারকি এবং সময়মতো ব্যবস্থা না নেওয়া। কর্পোরেট সুশাসনের ঘাটতি ও আর্থিক তথ্যের স্বচ্ছতার অভাব, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের সীমিত অংশগ্রহণ এবং বাজারে আস্থার সংকট, নীতিগত অসঙ্গতি ও বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা ও পুঁজিবাজার বান্ধব করনীতির অভাব ইত্যাদি।’

এই ব্যাপারে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘শেয়ার মার্কেটের ধারাবাহিক পতন ঘটিয়ে হাজার হাজার বিনিয়োগকারীদের নিঃস্ব করার জন্য যারা দায়ী তাদের চিহ্নিত করাসহ তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে। ইতোমধ্যে শেয়ার মার্কেট কেলেঙ্কারীর অভিযোগ দুদক কর্তৃক অনুসন্ধান কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। যার প্রেক্ষিতে কতিপয় ব্যক্তিকে চিহ্নিত করে মামলাসহ তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘শেয়ার মার্কেট কেলেঙ্কারীর সাথে আরো অন্যান্য ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান জড়িত কিনা তা উদঘাটনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ইতোমধ্যে শেয়ার মার্কেট কারসাজি, অনিয়ম ও দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন কর্তৃক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে ১,৪৯৭ (এক হাজার চারশত সাতানব্বই কোটি) টাকা অর্থদন্ড আরোপ করা হয়েছে। এছাড়া দায়ী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিদের চিহ্নিতকরণে গঠিত তদন্ত কমিটির গঠন ও প্রদত্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দুর্নীতি দমন কমিশনে প্রেরণ করা হয়েছে।’

চট্টগ্রাম পূঁজিবাজারও শক্তিশালী করা হবে উল্লেখ করে সংসদ সদস্য সরোয়ার জামাল নিজামের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এই সরকারের অন্যতম একটি মূল লক্ষ্যই হচ্ছে সমাজে বা দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন ক্ষেত্রে যেখানে যেখানে বৈষম্য আছে যার জন্য মানুষ বিভিন্নভাবে ডিপ্রাইভ হচ্ছে সেই বৈষম্যকে দূর করা এবং পুঁজিবাজারের ক্ষেত্রেও এই বিষয়টি প্রযোজ্য।’

তিনি বলেন, ‘মূল প্রশ্নের জবাবে আমি বলেছিলাম যে, আমরা কয়েকজন বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিকে দায়িত্ব দিয়েছি, তাদেরকে নিযুক্ত করা হয়েছে এবং অবশ্যই আমরা আশা করি যে তারা আমাদেরকে সঠিক পরামর্শ দেবেন যার ভিত্তিতে শুধু ঢাকা নয় চিটাগং স্টক এক্সচেঞ্জকেও আমরা ইনশাআল্লাহ শক্তিশালী স্টক এক্সচেঞ্জে রূপান্তর করতে পারব।’

বীমা কোম্পানির অর্থ লুটপাট প্রসঙ্গে সংসদ সদস্য আব্দুল হান্নান মাসউদের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনি নিশ্চয়ই অবগত আছেন যে বীমা কোম্পানিগুলোর নিয়ন্ত্রক সংস্থা ‘বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ বা ইডরা’ আছে। এর নতুন চেয়ারম্যান নিযুক্ত করা হয়েছে। আপনার যেই অভিযোগ আপনি তুললেন অলরেডি এর ভিতরেই চেয়ারম্যান এটি তদন্ত করছে। এরকম যেগুলো অভিযোগ আছে সবগুলো তদন্ত করছে। তদন্ত শেষ হলে তখন আইন অনুযায়ী আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারব।’

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দলের কর্মীদের পে-টালেন মমতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:১০ পি.এম


দলের কর্মীদের পে-টালেন মমতা

মেজাজ হারিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি স্বাভাবিকভাবে নিজের দলের কর্মীকেই মারলেন সপাটে চড়।

রোববার (৫ জুলাই) পশ্চিমবঙ্গের বারুইপুরে শিশু ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় ওই দিনই বারুইপুরে ঘটনাস্থলে যেতে চেয়েছিলেন মমতা। কিন্তু বারুইপুরে যাওয়ার পথে তাকে একধরনের নজরবন্দী করে ফেলে রাজ্যের বিজেপি সরকার। তার কালীঘাটের বাসভবন ঘিরে ফেলে পুলিশ।

বুধবার (৮ জুলাই) রাজ্য সরকারের ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানাতে হাইকোর্টের অনুমতি নিয়ে পথে নামে কালীঘাট তৃণমূলের ছাত্র যুরা। পথে বিজেপির একটি মিছিল মুখোমুখি হয়ে যাওয়ার কারণে ছাত্র-যুগের মিছিল ঘিরে হাজরা চত্বরে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।

বালিগঞ্জ ফাঁড়ি থেকে মিছিল শুরু হওয়ার কিছুক্ষণ পর হাজরার কাছে অন্য একটি মিছিল সেখানে ঢুকে পড়ে। ‘চোর চোর’ ধ্বনি উঠতে থাকে। ‘মাছ চোর’ গান চলতে থাকে। এর ফলেই অশান্তি শুরু হয়। হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে কালীঘাট তৃণমূল ও বিজেপির কর্মীরা। তৃণমূলের অভিযোগ, এই তাণ্ডবের পেছনে রয়েছে বিজেপি। এইভাবে মিছিলে ঢুকে পড়ার অর্থ আদালত অবমাননা।

চরম বিশৃঙ্খলার মধ্যে মিছিলে শেষে অসুস্থ হয়ে পড়ে অনেক কর্মী। পরে মমতা ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করতে যান কর্মীরা। ফলে হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে মমতার বাড়ির সামনে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সেই সময় বাড়ি থেকে বের হয়ে নিজেই ভিড় নিয়ন্ত্রণ করতে নামেন মমতা। দুই হাতে সকলকে সরতে ইঙ্গিত করেন।

কিন্তু এরপরও চরম বিশৃঙ্খলা চলছিল। ফোনের ক্যামেরা হাতে নিয়ে অনেকেই সরতে চাননি। ভিড়ের চাপে সেখানেও অসুস্থ হয়ে পড়েন আরও অনেক কর্মী। তাদের গাড়িতে তুলে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার মুহূর্তে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তীব্র হয়ে ওঠে। এরপরই মেজাজ হারান মমতা। প্রথমে মাইক হাতে ভিড় সামলানোর চেষ্টা করেন তিনি। ভিড় সরানোর চেষ্টা করেন। সেই সময় কমলা টি-শার্ট পরা একজন ব্যক্তির গালে চড় মারতে দেখা যায় মমতাকে।

সূত্রের খবর অনুযায়ী, ওই ব্যক্তি তৃণমূল কর্মীও ছিলেন। এরপর আরও বেশ কয়েকজন কর্মীর পিঠেও থাপ্পড় মারতে দেখা যায় মমতাকে। তবে কী কারণে তিনি এভাবে চড়ালেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লক্ষ্মীপুরে পুকুরের পানিতে ডুবে ভাই-বোনের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:১৫ পি.এম


লক্ষ্মীপুরে পুকুরের পানিতে ডুবে ভাই-বোনের মৃত্যু

লক্ষ্মীপুরের রামগতির পুকুরের পানিতে ডুবে মায়েশা আক্তার (৩) ও মুজাহিদুল ইসলাম (৩) নামে দুই চাচাতো ভাই-বোনের মৃত্যু হয়েছে।

এটি ঘটেছে বুধবার (৮ জুলাই) বিকেলে উপজেলার চররমিজ ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের খন্দকারপাড়ায়।

নিহত মায়েশা খন্দকারপাড়ার প্রবাসী মো. রিয়াজের মেয়ে এবং মুজাহিদ টাইলস মিস্ত্রি মো. মনজুরের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুরে বাড়ির পাশে মুজাহিদ ও মায়েশা একসঙ্গে খেলছিল। খেলা করতে গিয়ে অসাবধানতাবশত মুজাহিদ পুকুরে পড়ে যায়। তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে মায়েশা পানিতে নেমে পড়ে এবং সে ও ডুবে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন এবং স্বজনরা তাদের উদ্ধার করে রামগতি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।

রামগতি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. মাসুদ জাহান জানান, পানিতে ডুবে যাওয়া দুই শিশুকে হাসপাতালে আনা হলে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তাদের মৃত ঘোষণা করা হয়।

রামগতি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিটন দেওয়ান বলেন, পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যুর খবর পেয়েছি। বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মার্কিন হামলার মাঝেও থামেনি খামেনির শোকানুষ্ঠান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:১৮ পি.এম


মার্কিন হামলার মাঝেও থামেনি খামেনির শোকানুষ্ঠান

ইরানে মার্কিন হামলাও দেশটির প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির চলমান শোকযাত্রা থামাতে পারেনি। হরমুজ প্রণালী ঘিরে তীব্র উত্তেজনার মধ্যে আজ বুধবার (৮ জুলাই) খামেনির কফিন ইরাকের পবিত্র নগরী নাজাফে এসে পৌঁছেছে। প্রিয় নেতার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে দলে দলে শোকযাত্রায় অংশ নিচ্ছেন মানুষ।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির অবসরে ইরান গত শুক্রবার (৩ জুলাই) থেকে খামেনির স্মরণে সাতদিনের রাষ্ট্রীয় শোক ও দাফনের আনুষ্ঠানিকতা শুরু করে। এর মধ্যে একটি দিন প্রতিবেশী ইরাকে কর্মসূচির জন্য নির্ধারণ করা হয়।

খামেনির শোকযাত্রার মধ্যে ইরানে হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী। মার্কিন সেনাবাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, মঙ্গলবার রাতে চার ঘণ্টার অভিযানে ৮০টিরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে। তাদের দাবি, হরমুজ প্রণালী অতিক্রমকারী তিনটি বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের হামলার জবাবেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

মার্কিন হামলার জবাবে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে বেশ কয়েকটি মার্কিন ঘাঁটিতে পাল্টা হামলা চালিয়েছে ইরান। দেশটির রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) জানায়, তারা বাহরাইন ও কুয়েতে যুক্তরাষ্ট্রের ৮৫টি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের এই হামলা পাল্টা হামলায় মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে তীব্র উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। তবে এতে ইরাকে খামেনির নির্ধারিত শোকযাত্রা বন্ধ হয়নি। আল জাজিরার প্রতিবেদন মতে, এই মুহূর্তে ইরাকের পবিত্র শহর নাজাফে শোকযাত্রা চলছে। লাখো শোকাহত মানুষ এতে অংশ নিয়েছেন।

এ উপলক্ষে বুধবার ইরাক সরকার দেশজুড়ে সরকারি ছুটি ঘোষণা করেছে। স্থানীয় সময় সকাল ৬টা (গ্রিনিচ মান সময় ০৩:০০) থেকে শোকযাত্রা শুরু হয়।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলায় গত ২৮ ফেব্রুয়ারি তেহরানে খামেনি ও তার পরিবারের কয়েকজন সদস্য নিহত হন। এরপর শুরু হওয়া এই দীর্ঘ শোকানুষ্ঠানের মাধ্যমে যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নিজেদের শক্তি ও জাতীয় ঐক্য প্রদর্শনের চেষ্টা করছে তেহরান।

ইরানের পবিত্র শহর কোম-এ বিশাল শোকযাত্রা শেষে মঙ্গলবার রাতে খামেনির মরদেহ নাজাফ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। সেখানে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং খামেনির বড় ছেলে মোস্তাফা হোসেইনি খামেনির উপস্থিতিতে ইরাকি কর্মকর্তা ও জ্যেষ্ঠ রাজনীতিকরা কফিন গ্রহণ করেন।

এরপর খামেনির কফিন নাজাফের সড়ক প্রদক্ষিণ করে হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জামাতা এবং শিয়া মুসলিমদের প্রথম ইমাম আলি ইবনে আবি তালিবের মাজারে নিয়ে যাওয়া হয়।

আল জাজিরার নাজাফ প্রতিনিধি জ্যাক হিউসন বলেন, মক্কা ও মদিনার পরে নাজাফ শিয়া ইসলামের তৃতীয় পবিত্রতম স্থান। ধর্মীয় বিভিন্ন অনুষ্ঠানে এখানে বিপুলসংখ্যক তীর্থযাত্রীর সমাগম হয় এবং বর্তমান শোকযাত্রাও গুরুত্বের দিক থেকে সেই পর্যায়ের।

তিনি জানান, নাজাফে ঠিক কত মানুষ জড়ো হয়েছেন তার সুনির্দিষ্ট সংখ্যা জানা না গেলেও, অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা কয়েক লাখ বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নাজাফের কর্মসূচি শেষে খামেনির মরদেহ প্রায় ৬০ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত কারবালায় নেওয়া হবে। সেখানে ইমাস হোসেইনের মাজারে এবং আল-আব্বাসের মাজারে আরেকটি শোকযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে।

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের কুদস ফোর্সের প্রধান ইসমাইল কানি বলেন, এই ঐতিহাসিক আয়োজনের জন্য ইরাক সরকার ও জনগণের ব্যাপক প্রস্তুতি ইরাক ও ইরানের মধ্যকার গভীর আধ্যাত্মিক বন্ধনের প্রমাণ।

অন্যদিকে ইরাকের নাগরিক মোহাম্মদ আল-বায়াতি, যিনি কয়েক ঘণ্টা ভ্রমণ করে নাজাফে এসেছেন, বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ক্ষমতার বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া একজন ব্যক্তির দাফন অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার এই সুযোগ হাতছাড়া করা যায় না।’

ইরাকে শোকযাত্রা শেষে খামেনির কফিন ফের ইরানে নেয়া হবে এবং আগামী বৃহস্পতিবার উত্তর-পূর্ব ইরানের নিজ শহর মাশহাদে তাকে দাফন করা হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%