০৮:১০ পি.এম
মেজাজ হারিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি স্বাভাবিকভাবে নিজের দলের কর্মীকেই মারলেন সপাটে চড়।
রোববার (৫ জুলাই) পশ্চিমবঙ্গের বারুইপুরে শিশু ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় ওই দিনই বারুইপুরে ঘটনাস্থলে যেতে চেয়েছিলেন মমতা। কিন্তু বারুইপুরে যাওয়ার পথে তাকে একধরনের নজরবন্দী করে ফেলে রাজ্যের বিজেপি সরকার। তার কালীঘাটের বাসভবন ঘিরে ফেলে পুলিশ।
বুধবার (৮ জুলাই) রাজ্য সরকারের ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানাতে হাইকোর্টের অনুমতি নিয়ে পথে নামে কালীঘাট তৃণমূলের ছাত্র যুরা। পথে বিজেপির একটি মিছিল মুখোমুখি হয়ে যাওয়ার কারণে ছাত্র-যুগের মিছিল ঘিরে হাজরা চত্বরে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ
বালিগঞ্জ ফাঁড়ি থেকে মিছিল শুরু হওয়ার কিছুক্ষণ পর হাজরার কাছে অন্য একটি মিছিল সেখানে ঢুকে পড়ে। ‘চোর চোর’ ধ্বনি উঠতে থাকে। ‘মাছ চোর’ গান চলতে থাকে। এর ফলেই অশান্তি শুরু হয়। হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে কালীঘাট তৃণমূল ও বিজেপির কর্মীরা। তৃণমূলের অভিযোগ, এই তাণ্ডবের পেছনে রয়েছে বিজেপি। এইভাবে মিছিলে ঢুকে পড়ার অর্থ আদালত অবমাননা।
চরম বিশৃঙ্খলার মধ্যে মিছিলে শেষে অসুস্থ হয়ে পড়ে অনেক কর্মী। পরে মমতা ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করতে যান কর্মীরা। ফলে হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে মমতার বাড়ির সামনে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সেই সময় বাড়ি থেকে বের হয়ে নিজেই ভিড় নিয়ন্ত্রণ করতে নামেন মমতা। দুই হাতে সকলকে সরতে ইঙ্গিত করেন।
কিন্তু এরপরও চরম বিশৃঙ্খলা চলছিল। ফোনের ক্যামেরা হাতে নিয়ে অনেকেই সরতে চাননি। ভিড়ের চাপে সেখানেও অসুস্থ হয়ে পড়েন আরও অনেক কর্মী। তাদের গাড়িতে তুলে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার মুহূর্তে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তীব্র হয়ে ওঠে। এরপরই মেজাজ হারান মমতা। প্রথমে মাইক হাতে ভিড় সামলানোর চেষ্টা করেন তিনি। ভিড় সরানোর চেষ্টা করেন। সেই সময় কমলা টি-শার্ট পরা একজন ব্যক্তির গালে চড় মারতে দেখা যায় মমতাকে।
সূত্রের খবর অনুযায়ী, ওই ব্যক্তি তৃণমূল কর্মীও ছিলেন। এরপর আরও বেশ কয়েকজন কর্মীর পিঠেও থাপ্পড় মারতে দেখা যায় মমতাকে। তবে কী কারণে তিনি এভাবে চড়ালেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন