বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৮:৩০ পি.এম
অ্যানিমেশন সিনেমাপ্রেমীদের কাছে ‘মোয়ানা’ একটি বিশেষ এবং অত্যন্ত জনপ্রিয় নাম। ডিজনির এই মিউজিক্যাল অ্যাডভেঞ্চার সিনেমা দর্শকমহলে ব্যাপক সাড়া ফেলে। সারা বিশ্বে বিপুল জনপ্রিয়তা অর্জনকারী এই সিনেমাটি আবারও বড় পর্দায় আসছে ভক্তদের জন্য।
তবে এবার এটি অ্যানিমেশন নয়, বরং একটি লাইভ অ্যাকশনে আসছে। এই সিনেমার চরিত্রগুলোতে অভিনয় করেছেন প্রকৃত শিল্পীরা। সিনেমাটিতে নাম ভূমিকায় দেখা যাবে ক্যাথরিন লাগাইয়াকে এবং অর্ধ-ঈশ্বর 'মাউই' চরিত্রে ফিরছেন জনপ্রিয় হলিউড তারকা ডোয়াইন জনসন।
‘মোয়ানা’ প্রথমবার মুক্তি পায় ২০১৬ সালে এবং বক্স অফিসে ৭০০ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি আয় করে। বর্তমানে ২০২৪ সালের নভেম্বরে ডিজনি আনছে এর সিকুয়েল ‘মোয়ানা ২’। এই সিকুয়েলটি প্রথম সিনেমাকেও ছাড়িয়ে যায় এবং আয় করে ১ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি। পরিচালক টমাস কাইল অ্যানিমেটেড থেকে নতুন সিনেমাটি বাস্তবে রূপ দিয়েছেন।
ওয়াল্ট ডিজনি পিকচার্সের এই সিনেমাটি আন্তর্জাতিকভাবে ১০ জুলাই মুক্তি পেয়েছে। একই সঙ্গে স্টার সিনেপ্লেক্সেও সিনেমাটি প্রদর্শিত হচ্ছে।
লাইভ-অ্যাকশন মোয়ানার এক উল্লেখযোগ্য দিক হলো মাউই চরিত্র। ডোয়াইন জনসন, যিনি সিনেমাতে এই চরিত্রে অভিনয় করেছেন, তিনি ২০১৬ সালের অ্যানিমেটেড সংস্করণে এ চরিত্রের কণ্ঠও দিয়েছিলেন। অপর এক দিক হলো, জনসনের কাছে মাউই কেবল একটি চরিত্র নয়, এটি পলিনেশীয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ।
দশকব্যাপী অ্যানিমেশনে ‘মাউই’ চরিত্রের কণ্ঠ দেওয়ার পর এবার সরাসরি ক্যামেরার সামনে ওই চরিত্রে অভিনয় করাকে ডোয়াইন জনসন তাঁর ক্যারিয়ারের একটি অনন্য অভিজ্ঞতা হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এক সাক্ষাৎকারে ‘মাউই’ চরিত্র নিয়ে আবেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, "লাইভ অ্যাকশনে মাউই চরিত্রে অভিনয় করা আমার ক্যারিয়ারের অন্য সব কাজের থেকে একদম আলাদা। পর্দায় যখন রক্ত-মাংসের মানুষের মাধ্যমে পলিনেশীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য ফুটে ওঠে, তখন অনুভূতিগুলো বদলে যায়।"
জনসন জানান, গত এক দশক ধরে একজন বাবা হিসেবে তার জীবনের অভিজ্ঞতা ও উত্থান-পতন সমস্যা প্রকৃতি এই চরিত্রটিকে ফুটিয়ে তুলতে সাহায্য করেছে। এর পাশাপাশি চরিত্রের সঙ্গে তার একটি ব্যক্তিগত আবেগও যুক্ত রয়েছে। ‘মাউই’ চরিত্রে তিনি নিজের দাদার প্রতিচ্ছবি দেখতে পান এবং হাওয়াইতে কাটানো শৈশবের স্মৃতিও তার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে।
অন্যদিকে, বিশ্বজুড়ে ৩২ হাজারেরও বেশি আবেদনকারীর মধ্য থেকে মোয়ানা সিনেমার প্রধান নারী চরিত্রে বেছে নেওয়া হয়েছে নবাগত ক্যাথরিন লাগাইয়াকে। এ প্রসঙ্গে পরিচালক টমাস কাইল বলেন, "প্রথম অডিশনেই তিনি মুগ্ধ হয়েছিলেন যখন অভিনেত্রী ‘হাউ ফার আই’ল গো’ গানটি গেয়ে চরিত্রটির বিশ্ব ভ্রমণের আকাঙ্খা ফুটিয়ে তুলেছিলেন।"
অস্ট্রেলিয়ায় জন্মগ্রহণকারী সামোয়ান বংশোদ্ভূত ক্যাথরিন লাগাইয়া বলেন, "মোয়ানা এমন একজন আদর্শ যিনি আমার শৈশবের সঙ্গী ছিলেন। আমি বিশ্বাস করি, মোয়ানার সাহস, কৌতূহল ও উচ্চাকাঙ্খা আমাকে গড়ে তুলতে সাহায্য করেছে। তাই আমি স্বাভাবিকভাবেই চরিত্রটির সঙ্গে একাত্ম হতে পেরেছি।"
মোয়ানা হলো একটি কিশোরী মেয়ের গল্প, যে নিজেকে এবং তার জনগণকে রক্ষা করতে বের হয় এক বিপজ্জনক সমুদ্রযাত্রায়। এই অভিযানে তার সঙ্গী হয় শক্তিশালী কিন্তু অহংকারী অর্ধ-দেবতা। নানা বাধা টপকানোর পর তারা প্রকৃতির ভারসাম্য ফিরে আনার চেষ্টা করে।
মূল গল্পের আবেগ, পরিবার, দায়িত্ববোধ এবং নিজের পরিচয় খোঁজার বিষয়গুলো এই লাইভ-অ্যাকশন সংস্করণের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে রাখা হয়েছে। ইতোমধ্যে সিনেমাটি নিয়ে দর্শকদের মধ্যে যে উচ্ছ্বাস দেখা যাচ্ছে, তাতে বোঝা যাচ্ছে যে সিনেমাটি আবারও এক দারুণ সাফল্য অর্জন করবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নাটোরের বড়াইগ্রামে ট্রাকের আঘাতে অটোরিকশাচালকসহ ৩ জন মারা গেছেন। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ২ জন।
বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার রাজাপুর কলেজ এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকেলের সময় রাজাপুর কলেজ এলাকায় বনপাড়া থেকে পাবনাগামী একটি ট্রাক বিপরীতমুখী ইজিবাইককে আঘাত করে এবং তা পালিয়ে যায়। এ দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই ইজিবাইক চালক রান্টু মারা যান এবং ৪ জন আহত হন।
আহতদের প্রথমে উদ্ধার করে স্থানীয় ক্লিনিকের চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়েছে। পরে গুরুতর আহতদের নাটোর সদর এবং রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। এই দুই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তৈলক্ষ এবং শিপন নামে ২ জন মারা যান।
বনপাড়া হাইওয়ে থানার এসআই শফিউল জানান, ঘাটক ট্রাকটি পাবনার ঈশ্বরদী থেকে আটক করা হয়েছে। তবে চালক পলাতক রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জেলায় প্রথমবারের মতো সফলভাবে মেরুদণ্ডের স্লিপ ডিস্ক (পিএলআইডি) সমস্যায় আধুনিক ‘এন্ডোস্কোপিক স্পাইন সার্জারি’ পরিচালনা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত শহরের ঠনঠনিয়া এলাকার প্রভাতি হাসপাতালে এই সার্জারিটি অনুষ্ঠিত হয়।
চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, সিরাজগঞ্জের বাসিন্দা মো. বেলাল হোসেন (৩২) দীর্ঘদিন ধরে কোমরের পিএলআইডি রোগে ভুগছিলেন। আড়াই ঘণ্টার সফল অপারেশনের মাধ্যমে বর্তমানে তিনি সুস্থ আছেন।
অপারেশনে মূল সার্জন হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন টিএমএসএস মেডিকেল কলেজের সহযোগী অধ্যাপক ডা. শাহারুল ইসলাম এবং নিটরের অর্থোপেডিক ও স্পাইন সার্জন ডা. রায়হান রনি। অবেদনবিদ (অ্যানেসথেসিওলজিস্ট) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. মো. গোলাম মোস্তফা রাব্বি। এই তিন চিকিৎসকই শজিমেকের প্রাক্তন শিক্ষার্থী বলে জানা যায়।
চিকিৎসকেরা জানান, সাধারণত এই অপারেশনের মেশিনের মূল্য প্রায় এক কোটি টাকা। ঢাকায় এই সার্জারিতে তিন থেকে চার লাখ টাকা খরচ হয়। এর বাইরে, পুরোনো পদ্ধতিতে কেটে অপারেশন করলে প্রচুর রক্তপাত হয় এবং সুস্থ হতে দীর্ঘ সময় লাগে। সেই তুলনায় এন্ডোস্কোপিক পদ্ধতিতে খরচ এবং ভোগান্তি দুই-ই কম।
সফল অস্ত্রোপচার শেষে ডা. গোলাম মোস্তফা রাব্বি আনন্দ প্রকাশ করে জানান, ‘বগুড়ায় আজই প্রথম এই আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হলো এবং অপারেশনটি শতভাগ সফল হয়েছে। ঢাকায় ডা. রায়হান রনি সাধারণত এক ঘণ্টার মধ্যে এটি করতে পারলেও, এখানে প্রথম দিন হওয়ায় আমাদের আড়াই ঘণ্টা সময় নিয়েছি।’
অপরদিকে, আপাতত ঢাকা থেকে মেশিন ভাড়া এনে প্রভাতি হাসপাতালে এই অপারেশনটি করা হলেও, বগুড়াবাসীকে নিয়মিত আধুনিক চিকিৎসার সেবা দিতে দ্রুতই এই মেশিন কেনার পরিকল্পনা চলছে বলে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকেরা জানান।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
আসন্ন ‘প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপ জাতীয় ফুটবল প্রতিযোগিতা ২০২৬’ উপলক্ষে লোগো, রিলস ও থিম সং তৈরির জন্য একটি দেশব্যাপী প্রতিযোগিতার আহ্বান জানানো হয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) কর্তৃক।
এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন অধিদপ্তরের আওতাধীন দেশের সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।
আজ বৃহস্পতিবার মাউশির এক আদেশে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
আদেশে উল্লেখ করা হয়, আগ্রহী শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে লোগো, রিলস এবং থিম সং তৈরি করে নির্ধারিত ই-মেইলে ([email protected]) পাঠানোর প্রয়োজন রয়েছে। এই প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের জন্য আকর্ষণীয় পুরস্কারের ব্যবস্থা রয়েছে।
অাদেশে বেশ কিছু নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রথমত, লোগো অবশ্যই পিএনজি, জেপিজি অথবা আইপিইজি ফরম্যাটে ই-মেইলে পাঠাতে হবে। তবে তাদের মূল এআই ফাইলটি নিজেদের কাছে সংরক্ষণ করতে হবে। দ্বিতীয়ত, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের ফুটবল খেলা সম্পর্কিত রিলস তৈরি করে সেই লিংক উল্লিখিত ই-মেইলে পাঠাতে হবে। তৃতীয়ত, থিম সং তৈরি করে সেটিকে ওয়ার্ড ও পিডিএফ ফরম্যাটে ই-মেইলে পাঠানো আবশ্যক।
মাউশি জানায়, উল্লিখিত তথ্যগুলো ই-মেইলে পাঠানোর সময় প্রতিযোগীকে অবশ্যই সচল মোবাইল নম্বরসহ তার যোগাযোগের পূর্ণ ঠিকানা উল্লেখ করতে হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সরকারের দেশের মধ্যে পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ উদ্যোগের অংশ হিসেবে গ্রিন রেসপন্স কার্যক্রমের আওতায় এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেছে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি (বিডিআরসিএস)। পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধি এবং টেকসই উন্নয়নের প্রতি সংস্থাটির অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করতেই এ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাজধানীর মগবাজারে সংস্থাটির জাতীয় সদর দফতরে ‘বিডিআরসিএস ট্রি প্ল্যান্টেশন ক্যাম্পেইন ২০২৬’-এর আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন সংস্থার চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার মো. আব্দুস সালাম।
অনুষ্ঠানে বিডিআরসিএসের ভাইস-চেয়ারম্যান, ট্রেজারার, ম্যানেজিং বোর্ডের সদস্যবৃন্দ, সেক্রেটারি জেনারেল, পরিচালকবৃন্দ, বিভাগীয় প্রধান, রেড ক্রিসেন্ট যুব প্রতিনিধি, আইএফআরসি এবং পার্টনার ন্যাশনাল সোসাইটিসের প্রতিনিধিরা उपस्थित ছিলেন।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় পরিবেশ সংরক্ষণ ও বৃক্ষরোপণ সময়ের গুরুত্বপূর্ণ দাবি। সরকারের চলমান জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে বিডিআরসিএস এ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। একই সঙ্গে সংস্থাটির গ্রিন রেসপন্স উদ্যোগের অংশ হিসেবে পরিবেশ সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং জলবায়ু সহনশীল সম্প্রদায় গড়ে তোলার অঙ্গীকারকে আরও শক্তিশালী করাই এ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।
রেড ক্রিসেন্টের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার মো. আব্দুস সালাম বলেন, ‘পরিবেশ রক্ষা শুধু একটি দায়িত্ব নয়, এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রতি আমাদের অঙ্গীকার। প্রধানমন্ত্রীর দেশব্যাপী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের এই মহাপরিকল্পনা অত্যন্ত সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ। একটি গাছ শুধু অক্সিজেনই দেয় না, এটি দুর্যোগের ঝুঁকি কমাতে, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই আসুন, আমরা সবাই একটি সবুজ, নিরাপদ ও জলবায়ু-সহনশীল বাংলাদেশ গড়তে বৃক্ষরোপণ ও বৃক্ষ সংরক্ষণে এগিয়ে আসি।’
সংস্থাটি বলছে, বিডিআরসিএসের এ উদ্যোগের অংশ হিসেবে পর্যায়ক্রমে দেশের ৬৪ জেলায় সংস্থাটির ৬৮টি ইউনিটের মাধ্যমে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। স্থানীয় প্রশাসন, রেড ক্রিসেন্ট ইয়ুথ, স্বেচ্ছাসেবক, আজীবন সদস্য এবং স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণে এসব কর্মসূচি পরিচালিত হবে, যা দেশব্যাপী পরিবেশ সংরক্ষণে গণসচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্থানীয় পর্যায়ে জলবায়ু অভিযোজন কার্যক্রমকে আরও বেগবান করবে।
বিডিআরসিএস আশা করছে, এ কর্মসূচি দেশের বৃক্ষ আচ্ছাদন বৃদ্ধি, পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা, কার্বন নিঃসরণ হ্রাস এবং একটি সবুজ, নিরাপদ ও জলবায়ু-সহনশীল বাংলাদেশ বিনির্মাণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ