বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৮:৩৪ পি.এম
জেলায় প্রথমবারের মতো সফলভাবে মেরুদণ্ডের স্লিপ ডিস্ক (পিএলআইডি) সমস্যায় আধুনিক ‘এন্ডোস্কোপিক স্পাইন সার্জারি’ পরিচালনা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত শহরের ঠনঠনিয়া এলাকার প্রভাতি হাসপাতালে এই সার্জারিটি অনুষ্ঠিত হয়।
চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, সিরাজগঞ্জের বাসিন্দা মো. বেলাল হোসেন (৩২) দীর্ঘদিন ধরে কোমরের পিএলআইডি রোগে ভুগছিলেন। আড়াই ঘণ্টার সফল অপারেশনের মাধ্যমে বর্তমানে তিনি সুস্থ আছেন।
অপারেশনে মূল সার্জন হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন টিএমএসএস মেডিকেল কলেজের সহযোগী অধ্যাপক ডা. শাহারুল ইসলাম এবং নিটরের অর্থোপেডিক ও স্পাইন সার্জন ডা. রায়হান রনি। অবেদনবিদ (অ্যানেসথেসিওলজিস্ট) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. মো. গোলাম মোস্তফা রাব্বি। এই তিন চিকিৎসকই শজিমেকের প্রাক্তন শিক্ষার্থী বলে জানা যায়।
চিকিৎসকেরা জানান, সাধারণত এই অপারেশনের মেশিনের মূল্য প্রায় এক কোটি টাকা। ঢাকায় এই সার্জারিতে তিন থেকে চার লাখ টাকা খরচ হয়। এর বাইরে, পুরোনো পদ্ধতিতে কেটে অপারেশন করলে প্রচুর রক্তপাত হয় এবং সুস্থ হতে দীর্ঘ সময় লাগে। সেই তুলনায় এন্ডোস্কোপিক পদ্ধতিতে খরচ এবং ভোগান্তি দুই-ই কম।
সফল অস্ত্রোপচার শেষে ডা. গোলাম মোস্তফা রাব্বি আনন্দ প্রকাশ করে জানান, ‘বগুড়ায় আজই প্রথম এই আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হলো এবং অপারেশনটি শতভাগ সফল হয়েছে। ঢাকায় ডা. রায়হান রনি সাধারণত এক ঘণ্টার মধ্যে এটি করতে পারলেও, এখানে প্রথম দিন হওয়ায় আমাদের আড়াই ঘণ্টা সময় নিয়েছি।’
অপরদিকে, আপাতত ঢাকা থেকে মেশিন ভাড়া এনে প্রভাতি হাসপাতালে এই অপারেশনটি করা হলেও, বগুড়াবাসীকে নিয়মিত আধুনিক চিকিৎসার সেবা দিতে দ্রুতই এই মেশিন কেনার পরিকল্পনা চলছে বলে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকেরা জানান।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
আসন্ন ‘প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপ জাতীয় ফুটবল প্রতিযোগিতা ২০২৬’ উপলক্ষে লোগো, রিলস ও থিম সং তৈরির জন্য একটি দেশব্যাপী প্রতিযোগিতার আহ্বান জানানো হয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) কর্তৃক।
এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন অধিদপ্তরের আওতাধীন দেশের সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।
আজ বৃহস্পতিবার মাউশির এক আদেশে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
আদেশে উল্লেখ করা হয়, আগ্রহী শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে লোগো, রিলস এবং থিম সং তৈরি করে নির্ধারিত ই-মেইলে ([email protected]) পাঠানোর প্রয়োজন রয়েছে। এই প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের জন্য আকর্ষণীয় পুরস্কারের ব্যবস্থা রয়েছে।
অাদেশে বেশ কিছু নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রথমত, লোগো অবশ্যই পিএনজি, জেপিজি অথবা আইপিইজি ফরম্যাটে ই-মেইলে পাঠাতে হবে। তবে তাদের মূল এআই ফাইলটি নিজেদের কাছে সংরক্ষণ করতে হবে। দ্বিতীয়ত, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের ফুটবল খেলা সম্পর্কিত রিলস তৈরি করে সেই লিংক উল্লিখিত ই-মেইলে পাঠাতে হবে। তৃতীয়ত, থিম সং তৈরি করে সেটিকে ওয়ার্ড ও পিডিএফ ফরম্যাটে ই-মেইলে পাঠানো আবশ্যক।
মাউশি জানায়, উল্লিখিত তথ্যগুলো ই-মেইলে পাঠানোর সময় প্রতিযোগীকে অবশ্যই সচল মোবাইল নম্বরসহ তার যোগাযোগের পূর্ণ ঠিকানা উল্লেখ করতে হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সরকারের দেশের মধ্যে পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ উদ্যোগের অংশ হিসেবে গ্রিন রেসপন্স কার্যক্রমের আওতায় এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেছে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি (বিডিআরসিএস)। পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধি এবং টেকসই উন্নয়নের প্রতি সংস্থাটির অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করতেই এ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাজধানীর মগবাজারে সংস্থাটির জাতীয় সদর দফতরে ‘বিডিআরসিএস ট্রি প্ল্যান্টেশন ক্যাম্পেইন ২০২৬’-এর আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন সংস্থার চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার মো. আব্দুস সালাম।
অনুষ্ঠানে বিডিআরসিএসের ভাইস-চেয়ারম্যান, ট্রেজারার, ম্যানেজিং বোর্ডের সদস্যবৃন্দ, সেক্রেটারি জেনারেল, পরিচালকবৃন্দ, বিভাগীয় প্রধান, রেড ক্রিসেন্ট যুব প্রতিনিধি, আইএফআরসি এবং পার্টনার ন্যাশনাল সোসাইটিসের প্রতিনিধিরা उपस्थित ছিলেন।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় পরিবেশ সংরক্ষণ ও বৃক্ষরোপণ সময়ের গুরুত্বপূর্ণ দাবি। সরকারের চলমান জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে বিডিআরসিএস এ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। একই সঙ্গে সংস্থাটির গ্রিন রেসপন্স উদ্যোগের অংশ হিসেবে পরিবেশ সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং জলবায়ু সহনশীল সম্প্রদায় গড়ে তোলার অঙ্গীকারকে আরও শক্তিশালী করাই এ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।
রেড ক্রিসেন্টের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার মো. আব্দুস সালাম বলেন, ‘পরিবেশ রক্ষা শুধু একটি দায়িত্ব নয়, এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রতি আমাদের অঙ্গীকার। প্রধানমন্ত্রীর দেশব্যাপী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের এই মহাপরিকল্পনা অত্যন্ত সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয় উদ্যোগ। একটি গাছ শুধু অক্সিজেনই দেয় না, এটি দুর্যোগের ঝুঁকি কমাতে, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই আসুন, আমরা সবাই একটি সবুজ, নিরাপদ ও জলবায়ু-সহনশীল বাংলাদেশ গড়তে বৃক্ষরোপণ ও বৃক্ষ সংরক্ষণে এগিয়ে আসি।’
সংস্থাটি বলছে, বিডিআরসিএসের এ উদ্যোগের অংশ হিসেবে পর্যায়ক্রমে দেশের ৬৪ জেলায় সংস্থাটির ৬৮টি ইউনিটের মাধ্যমে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। স্থানীয় প্রশাসন, রেড ক্রিসেন্ট ইয়ুথ, স্বেচ্ছাসেবক, আজীবন সদস্য এবং স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণে এসব কর্মসূচি পরিচালিত হবে, যা দেশব্যাপী পরিবেশ সংরক্ষণে গণসচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্থানীয় পর্যায়ে জলবায়ু অভিযোজন কার্যক্রমকে আরও বেগবান করবে।
বিডিআরসিএস আশা করছে, এ কর্মসূচি দেশের বৃক্ষ আচ্ছাদন বৃদ্ধি, পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা, কার্বন নিঃসরণ হ্রাস এবং একটি সবুজ, নিরাপদ ও জলবায়ু-সহনশীল বাংলাদেশ বিনির্মাণে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রংপুরের পীরগঞ্জে একটি সরকারি মূল্যবান রেইনট্রি গাছ ঝড়ের কারণে উপড়ে পড়ার পর পাচারের চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। এটি স্থানীয় সাংবাদিকদের তৎপরতা এবং উপজেলা প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপের ফলে সম্ভব হয়েছে। উদ্ধার হওয়া গাছের গুঁড়িকে পরে উপজেলা পরিষদে নিয়ে যাওয়া হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার (৮ জুলাই) রাতে পীরগঞ্জ–মাদারগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে একটি বড় রেইনট্রি গাছ ঝোড়ো বাতাসে উপড়ে পড়ে। খবর পাওয়ার পর পীরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা গাছটি কাটেন এবং সড়ক থেকে সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করেন। গাছের গুঁড়ি উপজেলা পরিষদে নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল, কিন্তু সেগুলো কয়েকটি ভ্যানে করে গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরের দিকে নেওয়া হচ্ছিল।
এ সময় পেশাগত দায়িত্ব পালন শেষে যে পথে সাংবাদিকরা ফিরছিলেন, সেখানে কয়েকজন স্থানীয় সাংবাদিক বিষয়টি দেখে সন্দেহ করেন। তারা ভ্যানটির পিছু নেন এবং পরে মিরপুর এলাকার একটি করাতকলে গাছের গুঁড়ি নেওয়া হলে সাংবাদিকরা সেখানে উপস্থিত হন এবং প্রশ্ন করতে থাকেন।
এরপর সাংবাদিকদের জানানো হয় পীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদুল হাসানকে। তার নির্দেশে গাছের গুঁড়িগুলো উদ্ধার করা হয় এবং উপজেলা পরিষদে নিয়ে যাওয়া হয়।
এ ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা সরকারি গাছের পাচারের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
তবে এ ঘটনায় কারা জড়িত ছিল এবং কীভাবে বর্তমান সরকারি গাছটি উপজেলা পরিষদে নেওয়ার পরিবর্তে অন্যত্র নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, সে বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে তদন্তের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচিত সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন সরোয়ার আলমগীর। এই শপথ অনুষ্ঠানে তাকে শপথ বাক্য পাঠ করান বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় জাতীয় সংসদের স্পিকার কার্যালয়ে এ শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভুঁইয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদের তৃতীয় তফসিল এবং জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালি বিধি-৫ এর আলোকে এই শপথ বাক্য পাঠ করানো হয়। শপথ গ্রহণের পরে নতুন সংসদ সদস্য প্রচলিত রীতি অনুযায়ী সংসদ সচিবের কক্ষে রক্ষিত শপথ বইয়ে স্বাক্ষর করেন।
শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সরকারের স্থানীয় সরকার মন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী, জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার, চিফ হুইপ এবং অন্যান্য হুইপরা। এছাড়া, বেশ কয়েকজন সংসদ সদস্য এবং সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এই সময় উপস্থিত থেকে নবনির্বাচিত এমপিকে অভিনন্দন জানান।
এর আগে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির প্রার্থী সরোয়ার আলমগীরকে চট্টগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে ঘোষণা করে গেজেট জারি করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একইদিন দুপুরে সারোয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্র বাতিল করে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) দেওয়া সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করেন হাইকোর্ট। বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।
রায়ের পর সারোয়ার আলমগীরের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম বলেন, সারোয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্র বাতিল করে ইসি যে আদেশ দিয়েছিল, তা অবৈধ এবং তার প্রার্থিতা বৈধ ছিল বলে হাইকোর্ট রায় দিয়েছেন। ফলে, তার ফলাফলের গেজেট প্রকাশ ও শপথ নিতে আইনগত বাধা নেই।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় গত ১২ ফেব্রুয়ারি। নির্বাচনে চট্টগ্রাম-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী সারোয়ার আলমগীর অংশ নেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসনে লড়তে সারোয়ার আলমগীরের দাখিল করা মনোনয়নপত্র গত ২ জানুয়ারি রিটার্নিং কর্মকর্তা গ্রহণ করেন। এ নিয়ে ইসিতে আপিল করেন একই আসনের জামায়াতের প্রার্থী মুহাম্মদ নুরুল আমিন। ঋণখেলাপির অভিযোগ এনে তিনি এই আপিল করেন। আপিল মঞ্জুর করে সারোয়ার আলমগীরের মনোনয়নপত্র গ্রহণের রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্ত বাতিল করে গত ১৮ জানুয়ারি রায় দেয় নির্বাচন কমিশন। অর্থাৎ, নির্বাচন কমিশনে চট্টগ্রাম-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী সারোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা বাতিল হয়।
এ নিয়ে নির্বাচনের আগে প্রার্থিতা ফিরে পেতে হাইকোর্টে রিট করেন সারোয়ার আলমগীর। রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে গত ২৭ জানুয়ারি হাইকোর্ট রুল দিয়ে সারোয়ার আলমগীরকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের অনুমতি দিতে ও ‘ধানের শীষ’ প্রতীক বরাদ্দ দিতে নির্দেশ দেন।
তবে, হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) করেন একই আসনের জামায়াতের প্রার্থী মুহাম্মদ নুরুল আমিন। লিভ টু আপিল মঞ্জুর করে গত ৩ ফেব্রুয়ারি আদেশ দেন আপিল বিভাগ। আদেশে বলা হয়, যদি তিনি (সারোয়ার আলমগীর) নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে সফল হন, তবে সংশ্লিষ্ট আসনের নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ (যতটুকু প্রার্থী হিসেবে তার জন্য প্রযোজ্য) এ-সংক্রান্ত আপিলের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত স্থগিত থাকবে।
লিভ টু আপিল মঞ্জুরের পর গত ৩১ মার্চ নিয়মিত আপিল করেন জামায়াতের প্রার্থী। এই আপিলের ওপর শুনানি শেষে গত ১৬ জুন আদেশ দেন আপিল বিভাগ। আপিল নিষ্পত্তি করে দেওয়া আদেশে আপিল বিভাগ দ্রুত, সম্ভাব্য দুই সপ্তাহের মধ্যে হাইকোর্টে রুল নিষ্পত্তি করতে বলেন। রুল নিষ্পত্তি হওয়া পর্যন্ত গত ৩ ফেব্রুয়ারি আপিল বিভাগের দেওয়া আদেশ চলমান থাকবে বলে উল্লেখ করা হয়। অর্থাৎ, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সারোয়ার আলমগীরের নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে ফলাফল প্রকাশ (যতটুকু প্রার্থী হিসেবে তাঁর জন্য প্রযোজ্য) স্থগিত থাকবে।
আপিল বিভাগের আদেশের পর রিটটি চূড়ান্ত শুনানির জন্য হাইকোর্টের কার্যতালিকায় ওঠে গত ২১ জুন। সেদিন আদালত রুল শুনানির জন্য দিন ধার্য করেন। এর ধারাবাহিকতায় ২ জুলাই শুনানি শেষে আজ রুল অ্যাবসলিউট (যথাযথ) ঘোষণা করে রায় দেন আদালত।
আদালতে রিট আবেদনকারীর পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম, এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, আইনজীবী নাসির উদ্দিন আহমেদ অসীম শুনানিতে অংশ নেন। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মো. আনোয়ার হোসেন।
জামায়াতের প্রার্থীর পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী আজিম উদ্দিন পাটোয়ারী ও আবদুল্লাহ সাদিক। নির্বাচন কমিশনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী মো. রাজু মিয়া।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ