সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:১২ পি.এম
চুলের জট ছাড়ানো, মসৃণতা বৃদ্ধি করা অথবা চুলকে ঝলমলে দেখানোর জন্য অনেকেই ঘরোয়া হেয়ার মাস্কের ব্যবহার করেন। এর মধ্যে মেথি ও কাঁচা ডিমের তৈরি মাস্ক বেশ জনপ্রিয়। তবে চুলের যত্নে কোনটি বেশি কার্যকর, মেথি নাকি কাঁচা ডিম?
মেথির হেয়ার মাস্ক
দীর্ঘকাল ধরে চুলের পরিচর্যায় মেথির ব্যবহার হয়ে আসছে। মেথির দানা যদি পানিতে সারারাত ভিজিয়ে রাখা হয়, তাহলে তা পিচ্ছিল ও জেলির মতো হয়ে যায়। পরবর্তীতে দানাগুলোকে বেটে হেয়ার মাস্ক তৈরি করা হয়।
এই পিচ্ছিল উপাদানটি চুলে প্রাকৃতিক কন্ডিশনারের মতো কাজ করতে সক্ষম। মেথির মাস্ক ব্যবহারের পর চুল তুলনামূলকভাবে নরম ও মসৃণ হতে পারে। ফলে চুল আঁচড়ানোও সহজ হয়ে যায়।
চুলের বাইরের স্তর বা কিউটিকল যদি মসৃণ থাকে, তাহলে আলো তুলনামূলকভাবে সমানভাবে প্রতিফলিত হয়। এর ফলে চুল আরও চকচকে ও প্রাণবন্ত দেখায়।
কাঁচা ডিমের হেয়ার মাস্ক
ডিমে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন ও অ্যামিনো অ্যাসিড বিদ্যমান। এই কারণে চুলের যত্নে ব্যবহৃত বিভিন্ন প্রসাধনীতে প্রোটিনজাত উপাদান দেখা যায়। ডিমে বায়োটিনসহ বিভিন্ন ভিটামিনও রয়েছে।
তবে ডিম খাওয়ার মাধ্যমে শরীর যে পুষ্টি গ্রহণ করে, কাঁচা ডিম সরাসরি চুলে লাগালে সেই ধরনের উপকার পাওয়া যায় না। বিশেষ করে কাঁচা ডিমের মাস্ক ব্যবহার করার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত চুলের গঠন মেরামত হবে এমন নির্ভরযোগ্য প্রমাণ নেই।
কোনটি তুলনামূলক এগিয়ে?
চুলকে সাময়িকভাবে মসৃণ, কোমল ও চকচকে দেখানোর ক্ষেত্রে মেথির মাস্ক তুলনামূলকভাবে বেশি কার্যকর হতে পারে। ভেজানো মেথির পিচ্ছিল উপাদান চুলের ওপর মসৃণ আবরণ তৈরি করে, যা চুলকে নরম ও উজ্জ্বল দেখাতে সহায়তা করে।
যদি চান, তাহলে মেথি ও ডিম একসঙ্গে ব্যবহার করা সম্ভব। তবে ঘরোয়া হেয়ার মাস্ক চুলের ক্ষতি বা নির্দিষ্ট চুলের সমস্যার চিকিৎসার বিকল্প নয়। সংবেদনশীল ত্বক বা অ্যালার্জির প্রবণতা থাকলে ব্যবহারের আগে সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
সূত্র: আনন্দবাজার
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ চিয়া বীজ বর্তমানে বাংলাদেশে একটি সম্ভাবনাময় রবিশস্য হিসেবে চাষের জন্য বিবেচিত হচ্ছে। কৃষি বিশেষজ্ঞদের মতে, শীতকালীন আবহাওয়ায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চিয়া চাষ করা সম্ভব। সঠিকভাবে বপন ও পরিচর্যা করা হলে ৯০ থেকে ১০০ দিনের মধ্যে এ ফসল ঘরে তোলা সম্ভব।
বিশ্বব্যাপী ক্ষুদ্র দানার চিয়া বীজ পুষ্টি ও শক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস হিসেবে পরিচিত। দানা শস্য এবং স্বাস্থ্যকর খাদ্য হিসেবে এর ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে। চিয়া একটি বর্ষজীবী ঔষধি তৈলবীজজাতীয় উদ্ভিদ। সাধারণত গাছের উচ্চতা এক মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে। ফুলের রঙ নীল, বেগুনি অথবা সাদা হতে পারে এবং বীজ গোলাকার বা উপবৃত্তাকার হয়।
দুই ধরনের চিয়া বীজ
চিয়া বীজ প্রধানত দুই ধরনের, কালো ও সাদা। বেগুনি ফুল উৎপাদনকারী গাছ থেকে সাধারণত বাদামি বীজ পাওয়া যায়, যা কালো চিয়া হিসেবে পরিচিত। অন্যদিকে, সাদা ফুল উৎপাদনকারী গাছ থেকে সাদা, ধূসর এবং হলুদাভ মার্বেলযুক্ত বীজ পাওয়া যায়।
বীজ থেকেই চাষ সহজ
বীজ ও চারা উভয়ভাবেই চিয়ার বংশবিস্তার করা সম্ভব। তবে বীজ থেকে চারা উৎপাদন করা তুলনামূলকভাবে সহজ। সাধারণত বপনের ৫ থেকে ৭ দিনের মধ্যে বীজ অঙ্কুরিত হতে শুরু করে।
চিয়া চাষের জন্য ১১ থেকে ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা সহনীয় হলেও ১৬ থেকে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা সর্বাধিক অনুকূল। ২০ থেকে ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস উষ্ণ আবহাওয়ায় গাছ ভালোভাবে বেড়ে ওঠে। বিভিন্ন পরিবেশ ও অঞ্চলে ফসলটির জীবনচক্র ১০০ থেকে ১৫০ দিনের মধ্যে সম্পন্ন হতে পারে।
বাংলাদেশে উপযুক্ত সময় শীতকাল
বাংলাদেশের আবহাওয়ায় চিয়াকে রবিশস্য হিসেবে চাষ করা সম্ভব। শীতকাল এ ফসলের জন্য বিশেষভাবে উপযোগী। অধিক ফলনের জন্য ১৫ নভেম্বরের মধ্যে বীজ বপন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তবে অক্টোবরের শেষ সপ্তাহ থেকে জানুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহ পর্যন্তও বীজ বপন করা যেতে পারে। বপনের পর সাধারণত ৯০ থেকে ১০০ দিনের মধ্যে ফসল সংগ্রহ করা সম্ভব।
কেমন মাটিতে চাষ করবেন
চিয়া বিভিন্ন ধরনের মাটিতে চাষ করা যায়। হালকা থেকে মাঝারি কাদামাটি এবং বেলে থেকে বেলে দোআঁশ মাটি এ ফসলের জন্য উপযোগী। জমি যদি ভালোভাবে নিষ্কাশনযোগ্য ও মাঝারি উর্বর হয়, তবে ফলন ভালো হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
চারা স্থাপন ও বীজ বপনের সময় মাটিতে পর্যাপ্ত আর্দ্রতা থাকা প্রয়োজন। তবে গাছ পরিপক্ব হওয়ার পর অতিরিক্ত ভেজা মাটি চিয়া গাছের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। ফসলটি কিছুটা অ্যাসিডিক মাটি ও মাঝারি খরাও সহ্য করতে পারে।
বিঘায় ১০০ গ্রাম বীজ
সাধারণত প্রতি বিঘায় প্রায় ১০০ গ্রাম চিয়া বীজ প্রয়োজন হয়। জমি প্রস্তুতের জন্য ৩ থেকে ৪টি চাষ ও মই দিয়ে মাটি ঝুরঝুরে করে নিতে হবে। একই সঙ্গে জমি আগাছামুক্ত রাখতে হবে।
চিয়া বীজ অত্যন্ত ছোট হওয়ায় সরাসরি বপনের সময় প্রায় ৫ কেজি শুকনো বালি বা ছাইয়ের সঙ্গে বীজ মিশিয়ে নেওয়া ভালো। এরপর সরিষা, তিল বা ডাটাশাকের মতো ৪০ থেকে ৫০ সেন্টিমিটার দূরত্বে সারি করে বীজ ছিটিয়ে দেওয়া যায়।
এ ছাড়া বীজতলায় চারা তৈরি করে ১৫ থেকে ২৫ দিন বয়সী চারা মূল জমিতে রোপণ করা যায়। এ ক্ষেত্রে সারি থেকে সারির দূরত্ব ৪০ থেকে ৫০ সেন্টিমিটার এবং গাছ থেকে গাছের দূরত্ব প্রায় ২০ সেন্টিমিটার রাখতে হবে।
৬০-৮০ শতাংশ ফুলের মাথা বাদামি হলেই কাটাই
চিয়া গাছের ৬০ থেকে ৮০ শতাংশ ফুলের মাথা বাদামি বা হলুদাভ-বাদামি রঙ ধারণ করলে ফসল সংগ্রহের উপযুক্ত সময় হয়। এ সময় মাটির ওপর থেকে পুরো গাছ কেটে ত্রিপল বা পরিষ্কার মেঝেতে রেখে রোদে শুকাতে হয়।
এক থেকে দুই দিন রোদে শুকানোর পর বাঁশ বা কাঠের লাঠি দিয়ে আলতোভাবে আঘাত করলে গাছ থেকে বীজ আলাদা হয়ে যায়। পরে বীজ ঝেড়ে পরিষ্কার করে ভালোভাবে শুকিয়ে সংরক্ষণ করতে হয়।
চাষ পদ্ধতি ও ভৌগোলিক অঞ্চলভেদে প্রতি বিঘায় প্রায় ১৫০ থেকে ২০০ কেজি পর্যন্ত চিয়া বীজের ফলন পাওয়া যেতে পারে। ফলে, স্বল্প সময়ে উৎপাদনযোগ্য পুষ্টিকর এ ফসলটি বাংলাদেশের রবিশস্যের তালিকায় একটি সম্ভাবনাময় সংযোজন হতে পারে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
খুলনা শহরের একটি আবাসিক হোটেল থেকে এক যুবকের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনায় পুলিশ ফাতেমা (২৫) নামের এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ভোররাত ৪টার দিকে মহানগরীর খানজাহান আলী সড়কের কপোতাক্ষ হোটেলের দ্বিতীয় তলার ১০ নম্বর কক্ষ থেকে মৃতদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত ব্যক্তির নাম সোহেল রানা বাবু (৩৫), যিনি নগরীর লবণচরা থানার হরিণটানা অটোস্ট্যান্ড এলাকার লোকমানের ছেলে।
পুলিশ ও হোটেল কর্তৃপক্ষের সূত্রে জানা যায়, ফাতেমা ও সোহেল শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক ৯টার দিকে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে কপোতাক্ষ হোটেলে ওঠেন। এরপর রাত আড়াইটার দিকে ফাতেমা কক্ষ থেকে বের হয়ে হোটেল কর্মীদের হোটেল মালিককে কল দিতে বলেন।
এক পর্যায়ে তিনি তার স্বামীকে হত্যার কথা জানান। পরে হোটেলের কর্মীরা কক্ষে গিয়ে মেঝেতে বাবুর মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। এরপর রাত ৩টা ৯ মিনিটে হোটেল কর্তৃপক্ষ জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল করে বিষয়টি পুলিশকে জানায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করে এবং ফাতেমাকে হেফাজতে নেয়।
এ বিষয়ে খুলনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. লোকমান হোসেন গণমাধ্যমকে জানান, কপোতাক্ষ হোটেল থেকে একটি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মৃতদেহ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় নিয়মিত মামলা হবে।
তিনি আরও জানান, নিহতের কথিত স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তিনি হত্যার কথা স্বীকার করেছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বয়স বাড়ার সাথে সাথে ত্বকের স্বাভাবিক টানটান ভাব কমতে শুরু করে। মুখের ও চোখের নিচে ভাঁজ পড়া, ত্বক কুঁচকে যাওয়া এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা হ্রাস পাওয়ার মতো বিভিন্ন পরিবর্তন দেখা দেয়। এই সমস্যাগুলো কমাতে বর্তমানে অনেকেই বিভিন্ন ধরনের সিরাম ব্যবহার করছেন। তবে ত্বকের যত্নে দামি সিরামের পাশাপাশি জীবনযাপন এবং নিয়মিত পরিচর্যারও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখতে শুরু থেকেই সচেতন হওয়া প্রয়োজন। খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন এনে এবং নিয়মিত ত্বকের যত্ন নিয়ে বয়সজনিত নানা সমস্যা কিছুটা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।
সবুজ শাকসবজি, ফলমূল, গ্রিন টি, গাজর, টমেটো, ডালিম, লেবু, বাদাম, পাকা পেঁপে ও টক দইয়ে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিন। নিয়মিত এসব খাবার খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করলে ত্বকের স্বাভাবিক স্বাস্থ্য বজায় রাখতে সহায়তা করতে পারে।
তবে শুধু খাবারের দিকে নজর দিলেই হবে না। সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে ত্বক রক্ষা করতে প্রতিদিন সানস্ক্রিন ব্যবহার করা জরুরি। পাশাপাশি ত্বকের ধরন অনুযায়ী ময়শ্চারাইজার ব্যবহার করা যেতে পারে। রেটিনয়েড ও হায়ালুরনিক অ্যাসিডযুক্ত পণ্যও ত্বকের যত্নে ব্যবহৃত হয়।
ঘরোয়া পরিচর্যায় ব্যবহৃত কিছু উপাদানও রয়েছে। তবে সংবেদনশীল ত্বকে এগুলো ব্যবহারের আগে সতর্কতা প্রয়োজন।
নারকেল তেল
ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে নারকেল তেল ব্যবহার করা হয়। রাতে ঘুমানোর আগে ত্বকের শুষ্ক অংশে অল্প পরিমাণ নারকেল তেল লাগানো যেতে পারে। তবে যাদের ত্বক তৈলাক্ত বা ব্রণপ্রবণ, তাদের ক্ষেত্রে মুখে নারকেল তেল ব্যবহারে সতর্ক থাকা উচিত।
মধু
মধু ত্বকে আর্দ্রতা ধরে রাখতে সহায়তা করতে পারে। অল্প পরিমাণ মধু মুখে লাগিয়ে কিছুক্ষণ পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলা যায়। তবে ত্বকে জ্বালা বা অ্যালার্জির প্রবণতা থাকলে আগে ছোট জায়গায় পরীক্ষা করে নেওয়া উচিত।
শসা
শসায় প্রচুর পানি রয়েছে। ত্বক সতেজ রাখতে শসা ব্যবহার করা হয়। শসার রস পরিষ্কার ত্বকে লাগিয়ে কয়েক মিনিট পর ধুয়ে ফেলতে পারেন।
লেবুর রস
লেবুতে ভিটামিন সি রয়েছে। তবে সরাসরি লেবুর রস মুখে ব্যবহার করলে অনেকের ত্বকে জ্বালা, শুষ্কতা বা সূর্যের আলোতে সংবেদনশীলতা তৈরি হতে পারে। তাই ত্বকে সরাসরি লেবুর রস ব্যবহারের পরিবর্তে নিরাপদ ও পরীক্ষিত ভিটামিন সি-যুক্ত স্কিনকেয়ার পণ্য ব্যবহার করাই তুলনামূলকভাবে নিরাপদ।
আপেল সিডার ভিনেগার
আপেল সিডার ভিনেগার ত্বকে সরাসরি ব্যবহার করলে জ্বালা বা ত্বকের ক্ষতি হতে পারে। তাই মুখে ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ ছাড়া এটি ব্যবহার না করাই ভালো।
অ্যালোভেরা জেল
অ্যালোভেরা জেল ত্বকে আর্দ্রতা দিতে এবং শুষ্কতা কমাতে সহায়তা করতে পারে। পরিষ্কার ত্বকে অল্প পরিমাণ অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করা যায়। তবে ব্যবহারের আগে প্যাচ টেস্ট করে নেওয়া ভালো।
পেঁপে ও কলা
পাকা পেঁপে ও কলা ত্বকের পরিচর্যায় ঘরোয়া উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়। পাকা পেঁপে ও কলা মিশিয়ে তৈরি প্যাক কিছুক্ষণ মুখে রেখে ধুয়ে ফেলা যায়। তবে এ ধরনের ঘরোয়া প্যাক ত্বকের বলিরেখা দূর করে—এমন দাবির পক্ষে শক্ত বৈজ্ঞানিক প্রমাণ সীমিত।
ত্বকের বয়সজনিত পরিবর্তন সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করা সম্ভব নয়। তবে সুষম খাবার, পর্যাপ্ত ঘুম, নিয়মিত সানস্ক্রিন ব্যবহার, ত্বকের উপযোগী ময়শ্চারাইজার এবং নিরাপদ স্কিনকেয়ার রুটিন ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়তা করতে পারে। নতুন কোনো উপাদান ব্যবহারের আগে ত্বকের ছোট অংশে পরীক্ষা করে নেওয়া এবং প্রয়োজন হলে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়াই নিরাপদ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বর্তমানে বিশ্বজুড়ে দৈনন্দিন জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। তবে যখন এই প্রযুক্তি হঠাৎ অচল হয়ে যায়, তখন জীবনযাত্রা যেন থমকে যায়। যুক্তরাষ্ট্রে ঠিক এমন একটি ঘটনার সম্মুখীন হয়েছেন হাজার হাজার মানুষ।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) হঠাৎ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারে বড় ধরনের সমস্যায় পড়েন দেশটির হাজার হাজার ব্যবহারকারী।
বিশ্বখ্যাত ওয়েবসাইট ডাউনডিটেক্টর ডট কমের তথ্য অনুযায়ী, বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, রোববার রাত ৯টা ১১ মিনিট পর্যন্ত ফেসবুক নিয়ে ১৭ হাজারের বেশি বিভ্রাটের তথ্য জমা পড়ে। একই সময়ে ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারীদের মধ্যে ৫ হাজারের বেশি অভিযোগ উঠে, যারা তাদের ওয়েবসাইটে সচল না থাকা বা ব্যবহারে সমস্যা হওয়ার কথা জানান।
এই দুটি অ্যাপের সার্ভার হঠাৎ ডাউন হয়ে যাওয়ার ফলে ব্যবহারকারীরা মোবাইল অ্যাপ ও ওয়েব সংস্করণে লগইন করতে কিংবা নতুন কোনো বার্তা বা ছবি পোস্ট করতে গিয়ে ভোগান্তিতে পড়েন। সামাজিক মাধ্যমের বার্তা আদান-প্রদান ব্যবস্থা সাময়িকভাবে অচল হয়ে পড়ায় বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ তৈরি হয়।
ডাউনডিটেক্টর সাধারণত ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের সরাসরি জমা দেওয়া তথ্য ও সামাজিক মাধ্যমের অভিযোগ বিশ্লেষণ করে বিভ্রাটের চিত্র প্রকাশ করে। তাদের মতে, ১৭ হাজার অভিযোগ জমা পড়লেও প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবহারকারীর সংখ্যা এর চেয়ে অনেক বেশি হতে পারে।
সার্ভারে এই আকস্মিক বিভ্রাট বা প্রযুক্তিগত ত্রুটির আসল কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ বিষয়ে সংবাদমাধ্যমের পক্ষ থেকে ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের অভিভাবক প্রতিষ্ঠান মেটার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছে, তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ