ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসীদের গ্রে/প্তা/রের ক্ষমতা আইসিইর বৃদ্ধির ঘো/ষণা


যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসীদের গ্রে/প্তা/রের ক্ষমতা আইসিইর বৃদ্ধির ঘো/ষণা

যুক্তরাষ্ট্রে প্রশাসনিক পরোয়ানা ছাড়াই অবৈধ অভিবাসীদের গ্রেপ্তারের ক্ষমতা এবং সুযোগ বৃদ্ধি করা হয়েছে ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) কর্তৃক। সংস্থাটির এক অভ্যন্তরীণ নীতিমালার নতুন ব্যাখ্যা অনুযায়ী, মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের এ অতিরিক্ত এখতিয়ার প্রদান করা হয়েছে।

বুধবার (১২ আগস্ট) প্রকাশিত একটি নথিতে, আইসিইর ভারপ্রাপ্ত পরিচালক টড লায়ন্স এক মেমোর মাধ্যমে পরোয়ানা ছাড়া গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে অভিবাসন আইনের "likely to escape" বা সটকে পড়ার সম্ভাবনার আইনি অনুচ্ছেদটির নতুন ব্যাখ্যা দিয়েছেন। আগের নিয়ম অনুযায়ী, আদালতে হাজির না হওয়ার ঝুঁকি বিবেচনা করা হতো। তবে নতুন নীতিতে বলা হয়েছে—কোনো কর্মকর্তার প্রশাসনিক ওয়ারেন্ট সংগ্রহ করতে যে সময় লাগবে, তার মধ্যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি স্থান ত্যাগ করতে পারেন কিনা, তার ওপর ভিত্তি করেই সঙ্গে সঙ্গে পরোয়ানা ছাড়া গ্রেপ্তার করা যাবে।

এই নতুন ব্যাখ্যা কার্যকর হওয়ার ফলে মাঠপর্যায়ে অভিযানের সময় মূল লক্ষ্যবস্তুর বাইরে থাকা অন্য কোনো অবৈধ অভিবাসীর মুখোমুখি হলে আইসিই কর্মকর্তারা দ্রুত তাদের পরোয়ানা ছাড়াই গ্রেপ্তার বা 'কোল্যাটারাল অ্যারেস্ট' করার জন্য বাড়তি আইনি সুবিধা পাচ্ছেন।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

তবে, এই ক্ষমতার অপব্যবহার রোধে কলোরাডোর একটি ফেডারেল আদালত ইতোমধ্যেই আইসিইকে সতর্ক করে জানিয়েছে, কেবল অবৈধ অবস্থানের সন্দেহই পরোয়ানা ছাড়া গ্রেপ্তারের জন্য যথেষ্ট হতে পারে না। প্রতিটি ঘটনার পেছনে নির্দিষ্ট ও যৌক্তিক আইনি ভিত্তি থাকতে হবে।

আইসিইর নজিরবিহীন ক্ষমতা বৃদ্ধির ঘোষণার পরপরই যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্র্যান্ট রাইটস সংস্থা এবং মানবাধিকারকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগ ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাস ও সিএমএইচে চিকিৎসা: নতুন আলোয় জুলাই-যোদ্ধা মিতুর লড়াই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:০৭ পি.এম


প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাস ও সিএমএইচে চিকিৎসা: নতুন আলোয় জুলাই-যোদ্ধা মিতুর লড়াই

/ মো. তানভীর হায়াত খান /

নেত্রকোণা, ১২ আগস্ট, ২০২৬ : 'আমি সেদিন বাসা থেকে বের হয়েছিলাম পুরোপুরি জীবনের অনিবার্য ঝুঁকি নিয়েই- হয় মরবো, না হয় বাঁচবো মাথা উঁচু করে।' ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের উত্তাল দিনগুলোর স্মৃতি স্মরণ করে নিজের অদম্য মানসিকতার কথা এভাবেই ব্যক্ত করেন নেত্রকোণার তরুণী সোমাইয়া আক্তার মিতু।

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে ৪ আগস্ট নেত্রকোণা শহরের কুরপাড় এলাকায় একদফা দাবিতে অংশ নিয়ে মারাত্মক হামলার মুখে পড়েন ২৪ বছর বয়সী এই তরুণী। আত্মরক্ষার্থে দৌড়ে একটি দোকানে আশ্রয় নিতে গেলে ওপর থেকে পড়ে যাওয়া শাটারের তীব্র আঘাতে তার কোমর ও মুখের চোয়াল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। চিকিৎসকদের মতে, কোমরের পিএলআইডি (PLID) এবং চোয়ালের জয়েন্টের জটিলতার পাশাপাশি থ্যালাসেমিয়া মাইনরজনিত শারীরিক সমস্যার কারণে বর্তমানে হুইলচেয়ারেই থমকে গেছে তার স্বাভাবিক চলাচল। তবে শারীরিক প্রতিবন্ধকতা ও দীর্ঘ চিকিৎসার চরম আর্থিক ভোগান্তি সত্ত্বেও অসীম আত্মত্যাগের বিনিময়ে পাওয়া নতুন বাংলাদেশে বৈষম্যহীন ও মানবিক সমাজ গড়ার স্বপ্নে অবিচল রয়েছেন তিনি।

নেত্রকোণা শহরের বাসিন্দা প্রয়াত মোফাজ্জল হোসেন ও রেহেনা খানমের সন্তান সোমাইয়া আক্তার মিতু। ৮ বোন ও ৫ ভাইয়ের বিশাল পরিবারে বেড়ে ওঠা মিতু ২০১৭ সালে দত্ত উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং ২০১৯ সালে নেত্রকোণা সরকারি মহিলা কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। শৈশবে চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন থাকলেও পিতৃহীন পরিবারের আর্থিক বাস্তবতায় তা সম্ভব হয়নি।

পরে ২০২১ সালে সরকারি নার্সিং ইনস্টিটিউটে ভর্তি হয়ে সফলভাবে সম্পন্ন করেন 'ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স অ্যান্ড মিডওয়াইফারি' কোর্স। মানুষের সেবায় আত্মনিয়োগের লক্ষ্য নিয়ে তৈরি হওয়া এই তরুণী ২০২৪ সালের জুলাইয়ে আন্দোলনে শহীদ আবু সাঈদ ও ওয়াসিম আকরামের রক্তাক্ত ছবি দেখে ঘরে বসে থাকতে পারেননি। পড়াশোনার পাঠ চুকিয়ে রাজপথ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সোচ্চার হয়ে ওঠেন তিনি।

প্রতিবাদের এই কঠিন যাত্রায় নানা হুমকি ও ছাত্রলীগের হেনস্তার মুখে পড়লেও পরিবারের সদস্যরা একপর্যায়ে মিতুর পাশে এসে দাঁড়ান। মিতুর এই দূরন্ত পথচলার বিষয়ে তার সহোদর বড় বোন কবি, লেখক ও উন্নয়নকর্মী তহুরা আক্তার বলেন, 'মিতু শুধু আমার ছোট বোন নয়; সে আমাদের পরিবার ও নতুন প্রজন্মের সাহস ও প্রতিবাদের এক জীবন্ত প্রতীক। আন্দোলন চলাকালে ওর নিরাপত্তা নিয়ে চরম উদ্বেগ ছিল, নানা হুমকি-ধমকিও এসেছে। কিন্তু ওর অদম্য জেদ আর সত্যের পক্ষে দাঁড়ানোর মানসিকতা দেখে আমরা পিছু হটতে পারিনি। আমরা ওকে বলেছিলাম- 'তুমি সবার মতো ন্যায্য প্রতিবাদ চালিয়ে যাও।' আজ হুইলচেয়ারে থমকে গেলেও ওর চিন্তার স্বাধীনতা ও স্বপ্নের জায়গায় ও একটুও হারেনি। আমরা চাই সে দ্রুত সুস্থ হয়ে আবার নিজের পায়ে দাঁড়াক।'

একইসাথে মিতু জানান, তার বড় বোন তহুরা আক্তারের নিবিড় ছায়ার পাশাপাশি তহুরার স্বামী কবি, প্রাবন্ধিক ও সাংবাদিক স্বাধীন চৌধুরীর মুক্তচিন্তা, সততা, প্রগতিশীলতা ও মানবিক মূল্যবোধের শিক্ষা তার অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর নৈতিক শক্তিকে আরও মজবুত করেছে।

২০২৪ এর ৪ আগস্ট জেলা শহরের কুরপাড় এলাকায় গুরুতর আঘাত পাওয়ার পর থেকে ধীরে ধীরে মিতুর স্বাভাবিক চলাফেরার সক্ষমতা কমতে থাকে। এ পর্যন্ত চিকিৎসায় পরিবারের প্রায় ৬ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। ৫ আগস্টের পর সহযোদ্ধাদের সঙ্গে শহরের বিভিন্ন দেয়ালে গ্রাফিতি আঁকা ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানে অংশ নিলেও পরবর্তীতে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতিকে পুঁজি করে ব্যক্তিগত সুবিধা নিতে চাওয়া সুযোগসন্ধানী ভুয়া আন্দোলনকারীদের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে কথা বলায় নতুন করে সাইবার বুলিং ও হেনস্তার শিকার হতে হয় তাকে। অন্যায়ের প্রতিবাদ করায় সাবাবা হক ও প্রাপ্তিসহ তাদের মতো সক্রিয় নারী শিক্ষার্থীদের ওপর চালানো অপপ্রচারের বিষয়ে স্থানীয় সেনাক্যাম্পে লিখিত অভিযোগ জানালে কর্তৃপক্ষ অভিযুক্তদের ডেকে এনে মিতুর সামনে ক্ষমা চাওয়ায় এবং ভবিষ্যতে হেনস্তা না করার লিখিত অঙ্গীকার নেয়।

নিজের শারীরিক কষ্ট ও আন্দোলনের অবদানকে কোথাও বিক্রি না করে নীরব থেকে চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া এবং জুলাইয়ের আত্মত্যাগকে ব্যক্তিগত স্বার্থে ব্যবহার না করার এই বিরল দৃষ্টান্ত সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুলে ধরেন নিশাত তাবাসসুম প্রাপ্তি।

বিষয়টি সিএমএইচে আহতদের প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্বরত সিনিয়র প্রতিনিধি নুসরাত জাহানের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে পৌঁছালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিশেষ নির্দেশে এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধানের সরাসরি তত্ত্বাবধানে সিএমএইচে মিতুর উন্নত চিকিৎসার সুব্যবস্থা করা হয়।

এ বছর ২০২৬ এর ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ আমন্ত্রণে যোগ দিলে সময়সূচির কারণে বক্তব্য বাদ পড়লেও বিষয়টি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজে প্রত্যক্ষ করেন এবং পরবর্তীতে মিতুকে ডেকে নেন।

প্রধানমন্ত্রী তার শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিয়ে বলেন, 'সোমাইয়া, তোমার শরীরের কী অবস্থা এখন? তোমার কথা তো অনেক শুনলাম!' জবাবে মিতু বলেন, 'খানিকটা উন্নতি হলে আবার অবনতি হয়, এভাবেই চলছে সিএমএইচে চিকিৎসা। দেখা যাক, আল্লাহ ভরসা।' তখন প্রধানমন্ত্রী তাকে আশ্বস্ত করে বলেন, 'আমি সেনাপ্রধানকে বলে দিয়েছি তোমার সকল প্রকার চিকিৎসা যেন সঠিকভাবে চলে সে ব্যবস্থা নিতে। তোমার উন্নত চিকিৎসার জন্য দেশের বাহিরে যেতে হলে আমি আমার নিজের অর্থায়নে বাহিরে পাঠাবো, চিন্তা করো না।'

প্রধানমন্ত্রীর এই আশ্বাসের জবাবে মিতু নিজের ব্যক্তিগত সুবিধার চেয়ে দেশ ও নারীদের নিরাপত্তার কথা তুলে ধরে বলেন, 'ধন্যবাদ স্যার, লাগবে না। আপনাদের দোয়া চাই এবং একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে, একজন নারী হিসেবে আমাদের নিরাপত্তা চাই।

তিনি আরও বলেন, ৫ আগস্টের পর নতুন বাংলাদেশ তো আমরা এমন চাইনি, যেখানে নারীদের নিরাপত্তা দিন দিন কমতে শুরু করবে কিংবা অন্যায়ের প্রতিবাদ করলেই সাইবার বুলিংয়ের শিকার হতে হবে। আমরা নারীদের নিরাপত্তার পাশাপাশি খেটে খাওয়া দিনমজুর মানুষের খাদ্য, বস্ত্র ও বাসস্থানের নিশ্চয়তাটুকু চাই।' উত্তরে প্রধানমন্ত্রী আশ্বস্ত করে বলেন, 'ইনশাআল্লাহ, সব হবে। তোমার চিকিৎসা তো একটা লম্বা প্রসেস, তাই এমআইএস (গওঝ) প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে হবে। এটা লাগবেই। আগে তুমি সুস্থ হও, এরপর আবার একসাথে বসে তোমার কথা শুনবো।'

সাক্ষাৎকালে এক অনন্য হৃদ্যতাপূর্ণ মুহূর্তের সৃষ্টি হয়, যখন প্রধানমন্ত্রীর কন্যা জাইমা রহমান বসা থেকে উঠে দাঁড়িয়ে মিতুর সঙ্গে অত্যন্ত আন্তরিক ও সহজ-সরলভাবে কুশল বিনিময় করেন। প্রধানমন্ত্রীর এই মানবিক উদ্যোগ ও খোঁজখবর রাখার বিষয়ে মিতু বলেন, 'যে বৈষম্যহীন মানবিক বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলাম, তা এখনো পুরোপুরি হয়ে ওঠেনি। আমি সেই বাংলাদেশের অপেক্ষাতেই আছি।' সিএমএইচে চিকিৎসাধীন মিতু সুস্থ হয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ, চাকরি এবং পিছিয়ে পড়া নারীদের কল্যাণে কাজ করার অদম্য প্রত্যয় নিয়ে আজও পথচেয়ে আছেন সেই স্বপ্নের বাংলাদেশের দিকে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাতিয়ায় ৩ মাছধরা ট্রলার ডুবি বৈরী আবহাওয়ায়, ৪৮ জেলে উ/দ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:১৫ পি.এম


হাতিয়ায় ৩ মাছধরা ট্রলার ডুবি বৈরী আবহাওয়ায়, ৪৮ জেলে উ/দ্ধার

নোয়াখালী, ১২ আগস্ট, ২০২৬ : জেলার হাতিয়ায় বৈরী আবহাওয়ার কারণে ৩টি মাছধরার ট্রলার ডুবে গেছে। আজ বুধবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত উপজেলার নিঝুমদ্বীপের কাছাকাছি বঙ্গোপসাগরে এই দুর্ঘটনা ঘটে। তবে ট্রলারে থাকা ৪৮ জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। ৩টি ট্রলারের মধ্যে দুইটি পুরোপুরি তলিয়ে গেছে, আর একটি এখনো আংশিক ভাসমান অবস্থায় রয়েছে।

ট্রলারগুলো হাতিয়ার জাহাজমারা ইউনিয়নের আমতলী ঘাটের নাসির মাঝি, জহির মাঝি ও জাহেদ মাঝির। জহির মাঝির ট্রলারের মালিক নিশান চৌধুরী জানিয়েছেন, সকালে হঠাৎ বৈরী আবহাওয়ায় সাগর উত্তাল হয়ে পড়ে। ফলে নিঝুমদ্বীপের কাছাকাছি ৩টি ট্রলার দুর্ঘটনা কবলিত হয়। পরে কাছাকাছি থাকা অন্যান্য ট্রলারের সহযোগিতায় ডুবে যাওয়া ট্রলারের মাঝি-মাল্লারা তীরে চলে আসেন। সাগর উত্তাল থাকায় দুর্ঘটনাকবলিত তিনটি ট্রলারের মধ্যে দুইটি সম্পূর্ণ তলিয়ে গেছে। নাসির মাঝির ট্রলারটি এখনো ভাসছে এবং ওই ট্রলারটি উদ্ধারের চেষ্টা করা হচ্ছে।

হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাসেল ইকবাল বাসস’কে জানিয়েছেন, বৈরী আবহাওয়ার কারণে তিনটি ট্রলার ডুবির খবর পেয়েছেন। ৩টি ট্রলারে থাকা সকল মাঝিমাল্লাকে উদ্ধারের বিষয়টি স্থানীয় জেলেরা নিশ্চিত করেছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মালদ্বীপে বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের সুযোগ আরও সম্প্রসারণের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:২৩ পি.এম


মালদ্বীপে বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের সুযোগ আরও সম্প্রসারণের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা

মালদ্বীপে বাংলাদেশিদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ আরও বৃদ্ধি করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।

বুধবার (১২ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ঢাকায় নিযুক্ত মালদ্বীপের হাইকমিশনার শিউনিন রাশীদের সঙ্গে এক সাক্ষাতে তিনি এই আহ্বান জানান।

সাক্ষাৎকালে তারা দুদেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। এ সময় পর্যটন, মানবসম্পদ ও বিনিয়োগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর গুরুত্বের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়।

পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির মালদ্বীপে বাংলাদেশি জনশক্তির কর্মসংস্থানের সুযোগ আরও সম্প্রসারণের বিষয়ে অনুরোধ করেন।

উভয়পক্ষ বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও জোরদার করতে তাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নোয়াখালীর হাতিয়ায় একটি বলগেট ডুবির ঘটনা ঘটেছে,

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:২৮ পি.এম


নোয়াখালীর হাতিয়ায় একটি বলগেট ডুবির ঘটনা ঘটেছে,

নোয়াখালীর হাতিয়ায় একটি বলগেট ডুবির ঘটনা ঘটেছে, যা লবণবোঝাই ছিল এবং এর ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়। এই ঘটনায় সাতজনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হলেও মো. সাবের (৬৫) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু ঘটেছে।

বুধবার (১২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে হাতিয়া ও সন্দ্বীপের মাঝামাঝি ভাসান চরের পশ্চিমে বঙ্গোপসাগরের জাহাজ চ্যানেলে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত মো. সাবের চট্টগ্রামের কর্ণফুলী থানার আবু আলীর ছেলে। এই বৃদ্ধ ডুবে যাওয়া বলগেটের বার্বুচি ছিলেন।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্গো ট্রলার শ্রমিক ইউনিয়নের অর্থ সম্পাদক আব্দুল কাদের জানান, ‘বুধবার ভোর ৪টার দিকে চট্টগ্রাম থেকে লবণবোঝাই ‘এমভি তানিম’ হাতিয়ার উদ্দেশে রওনা দেয়। কিন্তু হাতিয়া-সন্দ্বীপের মাঝামাঝি রোহিঙ্গা চরের পশ্চিমে বঙ্গোপসাগরের জাহাজ চ্যানেলে পৌঁছালে বলগেটটির ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়। ফলে বলগেটটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ডুবে যায়।

পরে কাছাকাছি থাকা মাছ ধরার ট্রলার তাদের সাহায্যে বলগেটে থাকা আট মাঝি-মাল্লাকে উদ্ধার করে তীরে আনতে সক্ষম হয়। তবে সাগরের উত্তাল অবস্থার কারণে দুর্ঘটনাকবলিত বলগেটটি সম্পূর্ণরূপে তলিয়ে যায়। দুপুরের দিকে বার্বুচি মো. সাবেরকে চট্টগ্রামে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে নলচিরা নৌ পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) মাসুদ ফয়সাল বলেন, ‘দুর্ঘটনার বিষয়টি তাদের জানানো হয়নি। তবে তারা খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।’

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%