বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৬:২৯ পি.এম
নগরীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার অনিয়ন্ত্রিত চলাচল নিয়ন্ত্রণে কুমিল্লা সিটি করপোরেশন (কুসিক) নতুন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। বর্তমানে নগরীতে প্রায় ৪৮ হাজার ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচল করলেও নিবন্ধনের মাধ্যমে সর্বাধিক ১০ হাজার অটোরিকশাকে অনুমোদন প্রদান করা হবে। নির্ধারিত সংখ্যার বাইরে অথবা মিথ্যা লাইসেন্স প্লেট ব্যবহার করে অটোরিকশা চালালে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আজ দুপুরে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প-সংক্রান্ত এক মতবিনিময় সভায় এসব তথ্য জানিয়েছেন কুসিক প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু।
তিনি বলেন, আগামী সপ্তাহ থেকেই অটোরিকশা নিবন্ধনের কার্যক্রম শুরু হবে। নিবন্ধিত প্রতিটি অটোরিকশার জন্য চীন থেকে আমদানি করা বিশেষ লাইসেন্স প্লেট যুক্ত করা হবে। এসব প্লেটে অন্তত আটটি আধুনিক নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য (সিকিউরিটি ফিচার) থাকবে, যার ফলে জালিয়াতি বা নকল প্লেট ব্যবহারের সুযোগ থাকবে না।
প্রশাসক বলেন, যদি কেউ প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে ভুয়া লাইসেন্স প্লেট ব্যবহার করেন, তাহলে তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিকভাবে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, নগরীতে অতিরিক্ত সংখ্যক ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার কারণে যানজট দিন দিন তীব্র হয়ে উঠছে। একই সঙ্গে বেপরোয়া গতিতে চলাচলের ফলস্বরূপ প্রায় প্রতিদিনই দুর্ঘটনা ঘটছে। এর ফলে অনেক মানুষ আহত হয়েছেন, কেউ কেউ স্থায়ীভাবে পঙ্গুত্ববরণ করছেন। এমনকি প্রাণহানির ঘটনাও ঘটছে। জনভোগান্তি কমাতে এবং সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে অটোরিকশার সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
গণমাধ্যমকর্মীদের এক প্রশ্নের জবাবে ইউসুফ মোল্লা বলেন, অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণের এই উদ্যোগে কোনো রাজনৈতিক চাপ বা প্রভাব নেই। এটি সম্পূর্ণরূপে নগরবাসীর স্বার্থ ও জনকল্যাণ বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। তিনি মন্তব্য করেন, নগর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে মানুষকে হাঁটার অভ্যাস গড়ে তুলতেও উৎসাহিত করতে হবে।
কুসিক প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু মতবিনিময় সভাটি পরিচালনা করেন। এতে কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মামুন এবং নির্বাহী প্রকৌশলী আবু সায়েম ভূঁইয়াসহ বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
টানা চার দিনের বৈরী আবহাওয়া, ভারী বর্ষণ এবং উত্তাল সাগরের প্রভাবে কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে দেশের প্রধান পর্যটনকেন্দ্র কক্সবাজার। পর্যটকশূন্য সমুদ্রসৈকতের কারণে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা থেকে শুরু করে হোটেল-রিসোর্টের মালিকরা সবাই পড়েছেন চরম লোকসানে। এই সময়ের মধ্যে প্রায় ৫০ হাজার পর্যটক তাদের হোটেল বুকিং বাতিল করেছেন।
সৈকতের নিকটবর্তী প্রায় কয়েকশ দোকানপাট এবং পর্যটননির্ভর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোও বন্ধ হয়ে গেছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, চার দিনের এই সময়ে কক্সবাজারের পর্যটন খাতে প্রায় শত কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়ে গেছে।
কক্সবাজার হোটেল-মোটেল-গেস্টহাউস মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম সিকদার জানিয়েছেন, টানা বৈরী আবহাওয়ার কারণে কক্সবাজার-ঢাকা রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। পাশাপাশি মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতা ও যানজটের কারণে বাস যোগাযোগও বিঘ্নিত হচ্ছে। গত চার দিনের মধ্যে জেলার পাঁচ শতাধিক হোটেল, মোটেল এবং রিসোর্টে প্রায় ৫০ হাজার পর্যটকের রুম বুকিং বাতিল হয়ে গেছে। বর্তমানে কক্সবাজারে প্রায় ১০ হাজার পর্যটক থাকলেও বিরূপ আবহাওয়ার কারণে তাদের অনেকেই নির্ধারিত সময়ের আগেই ফিরে যাচ্ছেন।
বৃহস্পতিবার লাবণী পয়েন্টে ঘুরে দেখা যায়, টানা বৃষ্টির ফলে পুরো সৈকতজুড়ে থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে। পর্যটকের উপস্থিতি ছিল খুবই কম। যারা এসেছেন, তারাও বৃষ্টির কারণে দীর্ঘ সময় সৈকতে অবস্থান না করে দ্রুত হোটেলে ফিরে যাচ্ছেন। সৈকতের অধিকাংশ দোকানপাট বন্ধ রয়েছে। যে দোকানগুলো খোলা রয়েছে, সেখানেও ক্রেতার চলাচল নেই। ঝালমুড়ি, চটপটি, বিচ বাইক, কিটকট (চেয়ার-ছাতা), ঘোড়ায় চড়াসহ প্রায় সমস্ত ধরনের পর্যটননির্ভর ব্যবসা স্থবির হয়ে পড়েছে। একই চিত্র দেখা গেছে সুগন্ধা ও কলাতলী সৈকত পয়েন্টেও।
ঢাকার মোহাম্মদপুর থেকে পরিবার নিয়ে ঘুরতে আসা ব্যবসায়ী আবিদ হাসান জানিয়েছেন, স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে কয়েক দিনের জন্য কক্সবাজারে এসেছিলেন। কিন্তু টানা বৃষ্টির কারণে তারা হোটেল থেকেও বের হতে পারছেন না। পরিবারের সদস্যদের অনুরোধে কিছুক্ষণ আগে সৈকতে এলেও বেশিক্ষণ থাকতে পারছেন না।
বিচ বাইক চালক হাফিজ উদ্দিন বলেছেন, সমুদ্রসৈকতে বিচ বাইক চালনোর মাধ্যমেই তার সংসার চলে। কিন্তু ভারী বর্ষণ এবং ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেতের কারণে পর্যটক নেই বললেই চলে। তিনদিন পর সৈকতে এলেও আজ তার কোনো আয় হয়নি।
কিটকট ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আমিন জানিয়েছেন, কিছু পর্যটক সৈকতে এলেও টানা বৃষ্টির কারণে তারা বেশিক্ষণ থাকছেন না। ফলে সারাদিন চেয়ার-ছাতাগুলো প্রায় ফাঁকা পড়ে থাকে। ব্যবসা একেবারে বন্ধ হওয়ার উপক্রম।
কক্সবাজরে চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির মুখপাত্র আবিদ আহসান সাগর বলেছেন, টানা চার দিনের বৈরী আবহাওয়ার ফলে কক্সবাজারে পর্যটকের আগমন আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। এর প্রভাব পড়েছে হোটেল-রিসোর্ট, রেস্তোরাঁ, পরিবহন, সৈকতকেন্দ্রিক ক্ষুদ্র ব্যবসাসহ পুরো পর্যটন শিল্পের ওপর। গত চার দিনে কক্সবাজারের পর্যটন খাতে প্রায় শত কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে আশ্রয় নেওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্প্রতি ভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেছেন, এ বছরই দেশে ফিরছেন তিনি। সাক্ষাৎকারটি প্রকাশের পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে দেশে-বিদেশে। এবার এ নিয়ে প্রশ্নের সম্মুখীন হয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
জবাবে শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক এ বার্তা নিয়ে নিজের এবং সরকারের ভাবনা ও পদক্ষেপ তুলে ধরেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে সাংবাদিকরা শামা ওবায়েদকে প্রশ্ন করেন, শেখ হাসিনা দেশে ফেরার কথা বলছেন এবং সময়ের উল্লেখ করেছেন। তাহলে তাকে ফেরাতে বাধা কোথায়?
জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের আদালত একজনকে সাজা দিয়েছে। সাজাপ্রাপ্ত আসামি যিনি বাংলাদেশে অনেক অন্যায়, অত্যাচার ও কুকর্ম করে বিদেশে পালিয়ে আছেন, তিনি কী বলছেন, না বলছেন সেটা প্রাসঙ্গিক না; একেবারেই প্রাসঙ্গিক না।
তিনি বলেন, বিদ্যমান বন্দি বিনিময় চুক্তির আওতায় শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে ভারতের সঙ্গে প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক উদ্যোগ ও আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ বজায় রাখা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে সরকারের পক্ষ থেকে কূটনৈতিক তৎপরতায় কোনো ঘাটতি নেই।
শামা ওবায়েদ বলেন, এখানে যে অন্যায়গুলো হয়েছে; যে দুর্নীতি, খুন, গুম হয়েছে, সেগুলোর একটি সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ বিচার বাংলাদেশের মাটিতে হবে। আমাদের যে প্রক্রিয়া সেটা ভারতের সরকারের সঙ্গে চলমান আছে। এখন যিনি আসামি তার বক্তব্য প্রাসঙ্গিক না। তাকে ফেরানোর প্রক্রিয়া চলমান আছে। প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে, সেটা চলমান আছে। কূটনীতির কোনও ঘাটতি নেই। এটা শুধু পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিষয় না, এখানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিষয় আছে; তারা এটা নিয়ে কাজ করছে।
শেখ হাসিনাকে ফেরাতে ভারতের সহযোগিতার অভাব বা আইনি জটিলতা আছে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আইনি জটিলতা আছে কি নাই, সেটা আইন মন্ত্রণালয় এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় খুঁটিয়ে দেখবে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আমাদের যে প্রক্রিয়া চালানো দরকার, সেটা আমরা চালাচ্ছি। সেটাতে কোনও ঘাটতি আমি দেখছি না।
এদিকে, গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে শামা ওবায়েদ বলেন, গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে নিয়মিত কূটনৈতিক সংলাপ চলছে। বাংলাদেশ বিশ্বাস করে, পারস্পরিক স্বার্থ, আঞ্চলিক সহযোগিতা এবং বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের গুরুত্ব বিবেচনা করে ভারত এ বিষয়ে ইতিবাচক ভূমিকা নেবে এবং দ্রুতই একটি প্রগতিশীল অগ্রগতি সম্ভব হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান জানিয়েছেন, ২০২৮ সালের নভেম্বর-ডিসেম্বরের মধ্যে বর্জ্য থেকে ৪২.৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করার পরিকল্পনা রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাজধানীর মিরপুরের মধ্য পীরেরবাগে পানির পাম্প স্থাপনের স্থান পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এই তথ্য জানান।
শফিকুল ইসলাম খান জানান, সিটি করপোরেশন ২০২৮ সালের নভেম্বর-ডিসেম্বরের মধ্যে বর্জ্য থেকে ৪২ দশমিক ৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা নিয়েছে।
এ সময় তিনি আরও বলেন, এক সপ্তাহের মধ্যে এখানে পানির পাম্প নির্মাণের কাজ শুরু হবে, যা এই এলাকার পানি সংকট অনেকটাই সমাধান করবে।
ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে শফিকুল ইসলাম খান দাবি করেন, অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর মশার উপদ্রব অনেকাংশে কমে গেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ইরানের বুশেহর পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রের কাছে যুক্তরাষ্ট্র বিমান হামলা চালিয়েছে। অপরদিকে, জর্ডানে আটটি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে দিয়েছে তেহরান। তবে জানা গেছে, ওই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো আটকে দেওয়া হয়েছে।
রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আইআরএনএ-কে ইরানের স্থানীয় কর্মকর্তা এহসান জাহানিয়ান জানিয়েছেন, বুশেহরে দুপুরের দিকে যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালায়। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড কার্যক্রম শেষের ঘোষণা দেওয়ার কয়েক ঘণ্টা পরের এই হামলা ঘটে। যুক্তরাষ্ট্র এখনও এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। মেহের নিউজ জানাচ্ছে, বুশেহরে বিস্ফোরণের আওয়াজ শোনা গেছে। তবে তেহরান পরমাণু স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্রের টুকরো পড়ার খবর অস্বীকার করেছে।
বিশ বছর আগে রুশ কর্মীদের সহযোগিতায় বুশেহর কেন্দ্রীকরণটি প্রতিষ্ঠিত হয়। যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েল যুদ্ধের সময় নাতাঞ্জ, ফোরদো ও ইসফাহানে হামলা করলেও বুশেহর নিরাপদ ছিল। সেই স্থানে এখনও রুশ কর্মীরা অবস্থান করছেন। তেহরান নিশ্চিত করেছে যে, পরমাণু কেন্দ্রটির কোনো ক্ষতি হয়নি।
ফারস নিউজ জানিয়েছে, উত্তরের গোলেস্তান প্রদেশের আক তাকেহ খান রেলসেতুর উপরেও মার্কিন হামলা হয়েছে। এই সেতুটি মূলত প্রধান বাণিজ্য সহযোগী চীন এবং অবরুদ্ধ সময়ে রাশিয়ার সাথে পণ্য পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ পথ। সেতুটিকে সঙ্গে সাথে মেরামত করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে, যা তুর্কমেনিস্তান ও কাজাখাস্তান হয়ে চীনে চলে যায়।
এদিকে, জর্ডানের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা উল্লেখযোগ্যভাবে সারা দেশে সাইরেন বাজার পর আকাশে ইরানের আটটি ক্ষেপণাস্ত্র আটকে দিয়েছে। এই ঘটনায় কোনো হতাহত বা আর্থিক ক্ষতির সংবাদ নেই।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ