০৪:৫৬ পি.এম
ভারতের ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ঘোষিত ‘লং মার্চ টু পার্লামেন্ট’ কর্মসূচিকে ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজধানী নয়াদিল্লি। সোমবার (২০ জুলাই) নিষেধাজ্ঞা ও নিরাপত্তা ব্যারিকেড অতিক্রম করে হাজারো শিক্ষার্থী ও তরুণ বিক্ষোভে অংশ নিলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে।
এই আন্দোলন মূলত মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষা ‘নিট’-এ অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে সিজেপি ডেকেছিল।
সোমবার (২০ জুলাই) সকাল থেকেই সেন্ট্রাল দিল্লির প্রধান বিক্ষোভস্থল যন্তর মন্তরে জড়ো হতে থাকেন হাজার হাজার তরুণ আন্দোলনকারী। এ সময় মিছিল নিয়ে তারা পার্লামেন্টের দিকে এগোতে চাইলে একাধিক স্থানে বসানো নিরাপত্তা ব্যারিকেড ভেঙে ফেলার চেষ্টা শুরু করে। এর ফলে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি থেকে যায়। এই ঘটনায় বেশ কয়েকজন আন্দোলনকারী ও পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।
আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কেন্দ্রীয় দিল্লির বেশকিছু এলাকায় সাময়িকভাবে মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে ককরোচ জনতা পার্টির পক্ষ থেকে সমর্থকদের শান্ত ও অহিংস থাকার আকুল আবেদন জানানো হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, 'আপনাদের যদি বিভিন্ন পয়েন্টে আটকে দেওয়া হয়, তবুও শান্ত থাকুন ও শান্তি বজায় রাখুন। আমরা কেবল শান্তি ও ভালোবাসার পথেই জয়ী হতে পারবো।'
এর আগে রোববারই (১৯ জুলাই) দিল্লি পুলিশ এই পদযাত্রার অনুমতি বাতিল করে এবং পুরো এলাকায় পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির যে কোনো ধরনের জমায়েতের ওপর ১৪৪ ধারা জারি করে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) দিল্লি পুলিশের পক্ষ থেকে একটি বার্তা প্রকাশ করা হয়। সেখানে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়, অনুমোদিত যন্তর মন্তর এলাকা ছাড়া কোথাও মিছিল, শোভাযাত্রা বা বিক্ষোভ সমাবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। কোনো ব্যক্তি এই নির্দেশ অমান্য করলে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দিল্লি পুলিশ দেশের সব নাগরিককে আইন মেনে চলতে ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সহযোগিতার আহ্বান জানাতে থাকে।
আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন