ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জিয়াউল আহসানের বাসায় অভিযান চালাচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন


জিয়াউল আহসানের বাসায় অভিযান চালাচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন

আলোচিত সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল (বহিষ্কৃত) জিয়াউল আহসানের বাড়ির মালামাল ক্রোকের অংশ হিসেবে তালিকা তৈরির কাজ (ইনভেন্টরি) শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

আদালতের অনুমতিসাপেক্ষে সোমবার সকাল থেকে দুদকের উপ-পরিচালক মো. হাফিজুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি টিম জিয়াউল আহসানের ঢাকার বাড়িতে ইনভেন্টরির কার্যক্রম চালায়।

গত বছরের ২৪ এপ্রিল জিয়াউল আহসানের ১৫ কোটি ৭৭ লাখ ৬৫ হাজার টাকা মূল্যের স্থাবর সম্পত্তি ক্রোকের আদেশ দেন ঢাকার একটি আদালত।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

এসব সম্পত্তি ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, বরিশাল ও ঝালকাঠি জেলায় অবস্থিত। সম্পত্তিগুলোর মধ্যে জমি, কৃষিজমি, বাগানবাড়ি ও ফ্ল্যাট রয়েছে।

এছাড়া, জিয়াউল আহসানের নামে ৯টি ব্যাংক হিসাবে থাকা ১ কোটি ২৮ লাখ টাকা অবরুদ্ধের আদেশ দেন আদালত।

এর আগে, গতকাল রবিবার ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদের গুলশানের দুটি ফ্ল্যাটে ইনভেন্টরি শুরু হয়, যার মূল্য প্রায় ১৮ কোটি টাকা। প্রথম দিনের কার্যক্রমে তিন শতাধিক কোট, ৫৩২টি টাই, শতাধিক কামিজ, ৮টি ওয়াচ বক্স (রোলেক্স ৪), বিলাসবহুল গাড়ির চাবি, মুক্তার সেট তিনটি, ঝাড়বাতি চারটি, বেড ও সোফা তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৮ পিস ইয়াবাসহ আটক এনসিপি নেতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:১৫ পি.এম


৮ পিস ইয়াবাসহ আটক এনসিপি নেতা

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে ৮ পিস ইয়াবাসহ আটক হয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) এক নেতা, যিনি শাকিল মিয়া ওরফে শাকিল খান (২৬) নামে পরিচিত।

সোমবার (২০ জুলাই) দুপুরে সুন্দরগঞ্জ থানার কঞ্চিবাড়ী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মো. সেলিম রেজা গণমাধ্যমকে এই ঘটনা নিশ্চিত করেছেন। আটক শাকিল উপজেলাটির চন্ডিপুর ইউনিয়নের পশ্চিম সীচা (হাজীপাড়া) গ্রামের বাসিন্দা এবং তিনি এনসিপির সুন্দরগঞ্জ উপজেলা সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, রোববার (১৯ জুলাই) দিনগত রাত পৌনে ১টার দিকে উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের ধর্মপুর বাজারে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছিল। এই অভিযানের সময় পুলিশের সদস্যরা গোপন সংবাদ পেয়ে জানতে পারেন, ধর্মপুর বাজারের জোবেদা ফিলিং স্টেশনের ক্যাশ কাউন্টারের পাশের ফাঁকা জায়গায় মাদক কেনাবেচা হচ্ছে। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছালে শাকিল পুলিশকে দেখে পালানোর চেষ্টা চালান। এরপর তাকে আটক করা হয় এবং তার প্যান্টের পকেট থেকে একটি সাদা পলিথিনে মোড়ানো ৮ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. নওশের আলী বাদী হয়ে সুন্দরগঞ্জ থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেন।

কঞ্চিবাড়ী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মো. সেলিম রেজা বলেন, ‘মাদকবিরোধী অভিযানের সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শাকিল মিয়াকে আটক করা হয়েছে। তার কাছ থেকে ৮ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আদালতের মাধ্যমে দুপুরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’

এ বিষয়ে উপজেলা এনসিপির সদস্য সচিব আশানুর রহমান মন্তব্য করে বলেন, ‘আমরা মাদক ও জুয়াসহ সব ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে। এনসিপি নেতা শাকিল খান ইয়াবাসহ আটক হওয়ায় তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সনাতন পদ্ধতিতে চলছে কুবির কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি, ডিজিটাল যুগেও

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:১৯ পি.এম


সনাতন পদ্ধতিতে চলছে কুবির কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি, ডিজিটাল যুগেও

প্রযুক্তির ছোঁয়া ও উন্নতির মধ্যেও, দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর লাইব্রেরি সেবা যখন আরও আধুনিক ও স্মার্ট হয়ে উঠতে শুরু করেছে, তখন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি সনাতন পদ্ধতিতে আটকে রয়েছে। কাগজের কার্ড ব্যবহার করে সেবা প্রদানের ফলে শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে, এবং তারা দ্রুত ও আধুনিক সুযোগ-সুবিধা থেকেও বঞ্চিত হয়ে পড়ছেন। লাইব্রেরিটিকে আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেওয়া হলেও ইআরপি জটিলতার কারণে তা আলোর মুখ দেখছে না।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি শিক্ষার্থীদের একাডেমিক পড়াশোনা ও গবেষণার প্রধান কেন্দ্র হলেও, এতে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু না হওয়া কারণে শিক্ষার্থীরা হতাশা প্রকাশ করছেন। তাদের মতে, আধুনিক যুগের সাথে সনাতন লাইব্রেরি ব্যবস্থা একেবারেই মানানসই নয়।

তথ্য অনুসন্ধান করে জানা যায়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় (খুবি), জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) সহ অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতোমধ্যে স্মার্ট লাইব্রেরি কার্ড ও পূর্ণাঙ্গ অটোমেশন সিস্টেম সংযোজন করা হয়েছে। কিন্তু কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরি এখনও সনাতন পদ্ধতিতে কাগজের কার্ডের মাধ্যমেই চলছে।

বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী অর্পিতা রায় চৌধুরী বলেন, 'স্মার্ট লাইব্রেরি কার্ড চালু হলে ব্যবহারকারীর তথ্য সংরক্ষণ, বই অনুসন্ধান এবং সর্বমোট ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর হবে। এতে সময় সাশ্রয়ের পাশাপাশি সেবার মানও বৃদ্ধি পাবে।'

রসায়ন বিভাগের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সাদিয়া সুলতানা জানিয়েছেন, 'লাইব্রেরি হল একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণকেন্দ্র। এখানে আধুনিক ব্যবস্থাপনা না থাকাটা সত্যিই দুঃখজনক। কার্ড হারিয়ে গেলে নতুন কার্ড সংগ্রহ করাও একটি ঝামেলার বিষয়। ডিজিটাল কার্ড ব্যবস্থা চালু হলে শিক্ষার্থীরা আরও দ্রুত ও কার্যকর সেবা পাবে।'

বাংলা বিভাগের অপর শিক্ষার্থী রব্বানী হোসেনের মতে, 'দেশের অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে স্মার্ট লাইব্রেরি কার্ড চালু রয়েছে। সেখানে কয়েক সেকেন্ডেই বই ইস্যু ও ফেরত দেওয়া যায়। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়েও এমন ব্যবস্থা চালুর এখন সময়ের দাবি।'

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি লাইব্রেরিয়ান মহিউদ্দিন আলম বলেন, 'লাইব্রেরি কার্ড ডিজিটাল করার জন্য আমরা উদ্যোগ নিয়েছিলাম। এ বিষয়ে আমি আগের উপাচার্য হায়দার আলী স্যারের সাথে একাধিকবার আলোচনা করেছিলাম। তবে তিনি অতীতের লাইব্রেরির জন্য আলাদা কার্ড না করে পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একটি ইউনিক আইডি কার্ড চালুর কথা বলেছিলেন। পরে ইআরপি প্রকল্প বাস্তবায়ন না হওয়ায় সেই পরিকল্পনা এগোয়নি।'

তিনি আরও জানান, 'বর্তমান উপাচার্য অনুমতি দিলে আগামী তিন মাসের ভিতরে শিক্ষার্থীদের স্মার্ট লাইব্রেরি কার্ড প্রদান এবং পুরো লাইব্রেরিকে অটোমেশনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।'

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম বলেন, 'আমরা আগে ইআরপি প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য কাজ করছি। ২০ জুলাই যে প্রতিষ্ঠানকে কাজ দেওয়া হয়েছিল, তারা তাদের প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করবে। এরপর বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।'

প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে অটোমেশন সিস্টেম চালু হলে শিক্ষার্থীরা তাদের নিজ উদ্যোগে বই ইস্যু ও রিটার্ন করতে পারবেন। পাশাপাশি লাইব্রেরিতে কোন বইটি রয়েছে, সেটির অবস্থান, বর্তমানে ইস্যুকৃত বইয়ের অবস্থা এবং ইস্যু থাকলে কবে পুনরায় পাওয়া যাবে, এসব তথ্য সহজেই জানা সম্ভব হবে। এতে লাইব্রেরি সেবার গতি, স্বচ্ছতা এবং কার্যকারিতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিরাপত্তাহীন নির্মাণকাজে প্রাণহানি, কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৩২ পি.এম


নিরাপত্তাহীন নির্মাণকাজে প্রাণহানি, কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্রমাগত নির্মাণাধীন বহু তলা ভবনে কাজ করতে গিয়ে গত কয়েক বছরে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত তিন নির্মাণশ্রমিক। আহত হয়েছেন অনেকেই। প্রতিটি দুর্ঘটনার পর তদন্ত কমিটি গঠন করা হলেও, সেই তদন্তের ফলাফল বা সুপারিশের বাস্তবায়নের তথ্য কোনোভাবেই প্রকাশ্যে আসেনি। ফলে নির্মাণকাজে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এবং ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠে এসেছে।

গত মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) নির্মাণাধীন ১০ তলা ইউটিলিটি ভবন-৪ এ কাজ করার সময় চাঁদপুরের বাসিন্দা রাসেল নিচে পড়ে মারা যান। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে।

এর আগে গত বছরের ২২ মার্চ নির্মাণাধীন আরেকটি ১০ তলা ভবনের ওপর থেকে পড়ে প্রাণ হারান মো. ইব্রাহিম, রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার বাসিন্দা। সহকর্মীদের অভিযোগ ছিল, তাদের প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা সরঞ্জাম ছাড়া কাজ করানো হচ্ছিল।

এছাড়া, ২০১৯ সালের ১৫ মে বিদ্রোহী হলের নির্মাণকাজ চলাকালে অষ্টম তলা থেকে পড়ে মারা যান ২০ বছর বয়সী শ্রমিক হাসান। ওই ঘটনার পরেও তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল, কিন্তু তার প্রতিবেদন এখনো প্রকাশ করা হয়নি।

এদিকে, প্রাণহানির পাশাপাশি বড় ধরনের দুর্ঘটনাও ঘটেছে। ২০২৫ সালের ৩১ জুলাই, একটি ছাত্র হলের নির্মাণাধীন বারান্দার ছাদ ধসে অন্তত ১০ শ্রমিক আহত হন। অভিযোগ রয়েছে, দুর্বল সাপোর্ট ব্যবহারের কারণে ছাদ ধসে পড়ে। সেই ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদনও প্রকাশ হয়নি।

সম্প্রতি নির্মাণাধীন প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করে দেখা যায়, অনেক শ্রমিক অনেক উঁচুতে নিরাপত্তা বেল্ট ছাড়া কাজ করছেন। কারোর মাথায় হেলমেট নেই এবং অনেকের পায়ে সেফটি বুটও নেই। ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম ব্যবহার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে দৃশ্যমান তদারকির অভাব দেখা গেছে।

বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড এবং শ্রম আইন অনুযায়ী, নির্মাণশ্রমিকদের হেলমেট, সেফটি বুট, গ্লাভস, গগলস এবং সেফটি বেল্ট ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক। বিশেষভাবে দুই মিটারের বেশি উচ্চতার কাজের সময় নিরাপত্তা বেল্ট ব্যবহার নিশ্চিত করার নির্দেশনা রয়েছে। নিরাপদ মাচা, সুরক্ষা জাল এবং নিরাপত্তা রেলিং রাখার বিধানও রয়েছে।

তবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের দাবি কিছুটা ভিন্ন। এনএস এন্টারপ্রাইজের দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যানেজার ওয়াশিম জানান, শ্রমিকদের জন্য প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা সরঞ্জাম দেওয়ার দাবি করেছেন, কিন্তু ভবনের আভ্যন্তরীণ শেষ পর্যায়ের কাজে অনেকে নিজেরা সেফটি বেল্ট ব্যবহার করছেন না।

ইউটিলিটি ভবন-৪–এর নির্মাতা প্রতিষ্ঠান খান অ্যান্ড সন্স বিডি লিমিটেডের প্রকৌশলী জসিম বলেন, নিহত শ্রমিককে সেফটি বেল্ট দেওয়া হয়েছিল, তবে তিনি সেটি ব্যবহার করেননি। এ তথ্য তারা তার সহকারী শ্রমিকের কাছ থেকে জানতে পেরেছেন। তবে সেই সহকারী শ্রমিকের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ দেওয়া হয়নি।

প্রকল্প পরিচালক সৈয়দ মোফাছিরুল ইসলাম বলেন, প্রকৌশলীরা নিয়মিত কাজ তদারকি করেন এবং ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে নিরাপত্তা বিধি মানতে বলেছিলেন। তার দাবি, অনেক সময় শ্রমিকরাই নিরাপত্তা সরঞ্জাম ব্যবহার করতে আগ্রহী হন না।

পরিকল্পনা, উন্নয়ন ও ওয়ার্কস দপ্তরের পরিচালক মো. হাফিজুর রহমান বলেন, তদন্তে যদি কোনো অনিয়ম পাওয়া যায়, তাহলে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি জানান, প্রচলিত বীমা ব্যবস্থায় মৃত্যুর ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণের পরিমাণ যথেষ্ট নয়, নিহত শ্রমিকের পরিবারের দায়িত্ব ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকেই নিতে হবে।

একের পর এক দুর্ঘটনা, তদন্তের ফলাফল প্রকাশ না হওয়া এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা সংক্রান্ত দৃশ্যমান ঘাটতি—এসব মিলিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান নির্মাণকাজে শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টি আবারও সামনে এসেছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের কঠোর অবস্থান, কোনো প্রশ্রয় দেওয়া হবে না: নিপুন রায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৩৫ পি.এম


মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের কঠোর অবস্থান, কোনো প্রশ্রয় দেওয়া হবে না: নিপুন রায়

মাদকের বিস্তার রোধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে আহ্বান জানিয়ে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট নিপুন রায় চৌধুরী বলেছেন, সরকার মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে এবং কোনোভাবেই মাদককে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না।

এটি জানিয়ে সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় ঝিনাইদহ জেলা পরিষদ চত্বরে বৃক্ষরোপণ, গাছের চারা ও আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নিপুন রায় বলেন, গত ১৭ বছরে দেশে মাদকের বিস্তার ঘটিয়ে তরুণ সমাজকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। সেই পরিস্থিতি থেকে দেশকে বের করে আনতে হলে সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করা প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, মাদক নিয়ন্ত্রণে শুধু আইন প্রয়োগ যথেষ্ট নয়। সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি, তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং খেলাধুলার পরিবেশ নিশ্চিত করাও অত্যাবশ্যক। সরকার প্রতিটি ইউনিয়নে খেলার মাঠ তৈরির পরিকল্পনা নিয়েছে। যুবসমাজ যখন খেলাধুলায় সম্পৃক্ত থাকবে তখন তারা মাদক থেকে দূরে থাকবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ইমাম ও পুরোহিতদের উদ্দেশ্যে নিপুন রায় বলেছেন, মসজিদের বয়ান এবং মন্দিরের ধর্মীয় আলোচনায় মাদকের ভয়াবহতা তুলে ধরে মানুষকে সচেতন করতে হবে, যাতে প্রতিটি পরিবার এ বিষয়ে সতর্ক হয়।

তিনি উপসংহারে বলেন, শুধু বৃক্ষরোপণ নয় বরং নতুন নার্সারি উদ্যোক্তা তৈরি করেও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে হবে।

ঝিনাইদহ জেলা পরিষদের প্রশাসক এম এ মজিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে পুলিশ সুপার মিয়া মোহাম্মদ আশীষ বিন হাছান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ বিলাল হোসেন, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা, সহসভাপতি অ্যাডভোকেট মুন্সি কামাল আজাদ পান্নু, আনোয়ারুল ইসলাম বাদশা, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মজিদ বিশ্বাস এবং স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক রথীন্দ্র নাথ রায় উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%