ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নওগাঁ সদর হাসপাতালে দালালদের দৌরাত্ম্য বৃদ্ধি পাচ্ছে


নওগাঁ সদর হাসপাতালে দালালদের দৌরাত্ম্য বৃদ্ধি পাচ্ছে

নওগাঁ সদর হাসপাতালে, যা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট, দালালদের দৌরাত্ম্য আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

এই সরকারি চিকিৎসাকেন্দ্রে চিকিৎসা নিতে আসা প্রান্তিক ও দূর-দূরান্তের অসহায় রোগীদের ফুসলিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য এক শক্তিশালী সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে। রোগীদের সেবার সংকট এবং অব্যবস্থাপনার ভয় দেখিয়ে নিজেদের ক্লিনিকের দিকে টেনে নেওয়া এবং অপ্রয়োজনীয় ডায়াগনস্টিক টেস্টের নামে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার কাজই এই চক্রের মূল লক্ষ্যে পরিণত হয়েছে।

অভিযোগ এসেছে যে, হাসপাতালের কিছু অসাধু চিকিৎসকের পরোক্ষ মদদে দিন দিন এই দালাল গোষ্ঠী আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

এদিকে, প্রতিদিন গড়ে প্রায় ২২ শত থেকে ২৫ শত মানুষ চিকিৎসার আশায় নওগাঁ সদর হাসপাতালে ভিড় করেন। সকালে ডাক্তারের চেম্বারের সামনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা রোগীদের দীর্ঘ লাইন জমে থাকলেও চিকিৎসা পেতে তাদের সামনে চরম ভোগান্তি চলে আসে। এই সুযোগটিকেই কাজে লাগায় দালালরা।

সকাল ১০টার পর থেকেই হাসপাতাল প্রাঙ্গণে নারী ও পুরুষ দালালদের আনাগোনা বেড়ে যায়। চিকিৎসকদের অবহেলা এবং প্রশাসনিক তদারকির অভাবে দালালরা নির্বিঘ্নে সাধারণ রোগীদের বিভ্রান্ত করার সুযোগ পাচ্ছে।

হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে চরম হয়রানি এবং প্রতারণার চিত্র উঠে এসেছে। পোরশা থেকে আসা রহিমা বেগম (৪৫) ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, 'সকাল আটটায় আইসা লাইনে দাঁড়াইছি। ডাক্তার দেখাইতে পারি নাই, এর মধ্যেই এক নারী আইসা কয়, হাসপাতালে আইসিইউ খালি নাই, টেস্টের মেশিন নষ্ট। ভালো চিকিৎসা পাইতে চাইলে পাশের ক্লিনিকে যান, ওইখানে ভালো ডাক্তার বসছে। পরে তাদের কথায় বিশ্বাস কইরা ক্লিনিকে গিয়া তিন গুণ টাকা খরচ কইরা ধরা খাইছি।'

আরেক ভুক্তভোগী করিম শেখ জানান, 'জরুরি বিভাগের সামনে থিকাই দালালরা পিছে লাগে। ফ্রিতে ভালো সুবিধা দেওয়া কথা কইয়া হামাক প্রাইভেট ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়া যায়। সেখানে হাজার হাজার টাকার অপ্রয়োজনীয় পরীক্ষা করায়। আমরা গরিব মানুষ, সরকারি হাসপাতালে আইসাও যদি এভাবে প্রতারিত হইতে হয়, তাইলে কই যামু?'

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ২৫০ শয্যার এই চিকিৎসাকেন্দ্রে ৫৬ জন চিকিৎসকের অনুমোদিত পদের বিপরীতে বর্তমানে মাত্র ৩১ জন কর্মরত আছেন। পর্যাপ্ত জনবলের এই ঘাটতিকে পুঁজি করেই মূলত দালাল সিন্ডিকেট তাদের জাল বিস্তার করেছে।

নওগাঁ জেলায় বর্তমানে ২৯২টি বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার রয়েছে, যার একটি বড় অংশই সরকারি হাসপাতালের রোগীদের ওপর নির্ভর করে ব্যবসা পরিচালনা করছে।

হাসপাতালে দালালদের তৎপরতা এবং জনবল সংকটের কথা স্বীকার করে প্রতিষ্ঠানটির তত্ত্বাবধায়ক ডা. আক্তারুজ্জামান আলাল জানান, পর্যাপ্ত জনবল না থাকায় অনেক সময় সার্বক্ষণিক তদারকি করা কঠিন হয়ে পড়ে। তবে দালাল চক্রের বিরুদ্ধে খতিয়ে দেখে দ্রুত কঠোর প্রশাসনিক এবং আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন: ফ্লোরিডার মহাসড়কে পাঁচ গাড়ির সংঘর্ষে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও তার সন্তান নিহত

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জনগণ মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তিকে আর সুযোগ দেবে না: রিজভী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৩১ পি.এম


জনগণ মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তিকে আর সুযোগ দেবে না: রিজভী

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এবং বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী মন্তব্য করেছেন যে, জনগণ মুক্তিযুদ্ধবিরোধী কোনো শক্তিকে আর সুযোগ দেবে না।

তিনি আরো বলেন, বুধবার (১২ আগস্ট) সকালে বনানীতে প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর ৫৭তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে এই কথা বলেন।

রিজভী বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় শেখ হাসিনা পাকিস্থানীদের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে ছিলেন। এই কারণে তিনি স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমানের পরিবার নিয়ে নানামুখী ষড়যন্ত্র করছেন।

তিনি উল্লেখ করেন, ফ্যাসিবাদের চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশে মারা যান আরাফাত রহমান কোকো। পলাতক দণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনা একটি পরিবারকে নানাভাবে বিপর্যস্ত করার জন্য কোনো কিছু বাদ রাখেননি।

রিজভী দাবি করেন, মুক্তিযোদ্ধা পরিবার হিসেবে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উত্তরসূরিদের পরিকল্পিতভাবে ধ্বংস করার চেষ্টা করেছে ফ্যাসিবাদী সরকার। হাসিনা কোনোভাবেই জিয়া পরিবারের দেশপ্রেম বরদাশত করেননি। বর্তমানে তিনি জনগণের ধাওয়া খেয়ে পালিয়ে গেছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্রে ক্রেডিট কার্ড ঋণ বেড়ে ১ দশমিক ২৬ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৩৪ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্রে ক্রেডিট কার্ড ঋণ বেড়ে ১ দশমিক ২৬ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে

যুক্তরাষ্ট্রে ক্রেডিট কার্ড ঋণ বৃদ্ধি পেয়ে ১ দশমিক ২৬ ট্রিলিয়ন ডলারে এসে দাঁড়িয়েছে। চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে দেশের ক্রেডিট কার্ড ঋণ ২১ বিলিয়ন ডলার বেড়েছে।

মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউইয়র্কের প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

নতুন এই ঋণের পরিমাণ গত বছরের চতুর্থ প্রান্তিকে রেকর্ড করা ১ দশমিক ২৮ ট্রিলিয়ন ডলারের সর্বোচ্চ মাত্রার খুব কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রে ভোক্তাদের ব্যয় বৃদ্ধি ক্রেডিট কার্ড ঋণের বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। এর পাশাপাশি, খাদ্যপণ্য ও জ্বালানির মত নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে বহু পরিবার দৈনন্দিন খরচ মেটাতে ক্রেডিট কার্ডের ওপর বেশি নির্ভর করছে।

এ অন্যদিকে, ক্রেডিট কার্ডের বকেয়া পরিশোধে অনিয়মও বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২২ সালের মাঝামাঝি থেকে ২০২৬ সালের শুরুর দিকে ৯০ দিনের বেশি সময় ধরে বকেয়ে থাকা ক্রেডিট কার্ড ঋণের হার ৭ দশমিক ৬ শতাংশ থেকে বেড়ে ১২ দশমিক ৮ শতাংশে পৌঁছেছে।

নিউইয়র্ক ফেডের গবেষকরা জানান, অনেক পরিবার মাসিক আয়ের ওপর নির্ভর করে জীবন যাপন করছে। তাই হঠাৎ আর্থিক সংকট দেখা দিলে তারা ঋণের কিস্তি পরিশোধে পিছিয়ে পড়তে পারে। তবে গবেষকরা আলোচনা করেছেন যে, বর্ধিত বকেয়া ঋণের একটি অংশ নতুন করে ঋণখেলাপির পরিবর্তে পুরোনো বকেয়া ঋণের কারণে ঘটেছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, দ্বিতীয় প্রান্তিকে যুক্তরাষ্ট্রে গাড়ি ঋণ ও হোম ইকুইটি লাইন অব ক্রেডিটের পরিমাণ বেড়েছে, তবে শিক্ষাপ্রধান ঋণ ও মর্টগেজ ঋণের পরিমাণ কমেছে।

সর্বমোট যুক্তরাষ্ট্রের পারিবারিক ঋণের পরিমাণ এখন ১৮ দশমিক ৮ ট্রিলিয়ন ডলার।

ঋণের খাতভিত্তিক পরিমাণ: বন্ধকী ঋণ: ১৩.১২ ট্রিলিয়ন ডলার, গাড়ির ঋণ: ১.৭১ ট্রিলিয়ন ডলার, শিক্ষার্থীদের ঋণ: ১.৬৫ ট্রিলিয়ন ডলার, ক্রেডিট কার্ডের ঋণ: ১.২৬ ট্রিলিয়ন ডলার, হোম ইক্যুইটি লাইনস অফ ক্রেডিট: ৪৫৯ বিলিয়ন ডলার।

ইতিমধ্যে, গাড়ি ঋণের পরিমাণ ১ দশমিক ৭১ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছে নতুন রেকর্ড তৈরি করেছে।

ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউইয়র্কের প্রতিবেদনটি ইকুইফ্যাক্সের ক্রেডিট রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে, যেখানে জাতীয় পর্যায়ে প্রতিনিধিত্বশীল এবং বেনামি তথ্য ব্যবহার করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নরসিংদীর শিবপুরে মোবাইল কোর্টের অভিযানে দুই শতাধিক আবাসিক বাড়ির অবৈধ গ্যাস লাইন বিচ্ছিন্ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৩৮ পি.এম


নরসিংদীর শিবপুরে মোবাইল কোর্টের অভিযানে দুই শতাধিক আবাসিক বাড়ির অবৈধ গ্যাস লাইন বিচ্ছিন্ন

নরসিংদীর শিবপুরে মোবাইল কোর্টের একটি বিশেষ অভিযানে দেখা গেছে, দুই শতাধিক আবাসিক বাড়ির অবৈধ গ্যাস লাইন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। অবৈধভাবে গ্যাস ব্যবহারের কারণে, গত ৫ বছরে রাষ্ট্রীয় কোষাগারের প্রায় ১ কোটি ৩০ লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতি হওয়ার তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত শিবপুর উপজেলার কারারচর মদিনা জুটমিল এলাকায় এই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানের নেতৃত্ব দেন সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এফএম. নাঈম হাসান শুভ। অভিযানের সময় তিতাস গ্যাস নরসিংদী অফিসের কর্মকর্তারা এবং আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

অবৈধ গ্যাস সংযোগের অভিযোগে বিভিন্ন বাড়ির মালিকদের জরিমানা করা হয়। জরিমানার মধ্যে আওয়াল ভূইয়াকে ২ লাখ, রোসন আক্তারকে ৪০ হাজার, মোঃ মুসলেম মিয়াকে ১ লাখ টাকা এবং মুক্তাকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

তিতাস গ্যাস নরসিংদী কার্যালয়ের ব্যবস্থাপক (ইমারজেন্সি) আহম্মদ উল্লাহ জানান, কারারচর মদিনা জুটমিল এলাকার বিভিন্ন বাড়িতে বিপুল সংখ্যক অবৈধ গ্যাস সংযোগ রয়েছে। এমন একটি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিকেলে অভিযানটি চালানো হয়। অভিযানটি শুরু হয়ে ওই এলাকার বিভিন্ন বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে দুই শতাধিক অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয় এবং লাইনগুলো স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়।

তিনি আরও জানান, এসব বাড়ির মালিকরা দীর্ঘ বছর ধরে কোনো রকম বৈধ অনুমোদন ছাড়াই সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে গোপনে গ্যাস সংযোগ নিয়ে ব্যবহার করে আসছিলেন। প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, গত প্রায় ৫ বছর ধরে তারা এই অবৈধ গ্যাস সংযোগের মাধ্যমে সরকারকে প্রায় ১ কোটি ৩০ লাখ টাকার বিশাল ক্ষতি সাধন করেছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঠাকুরগাঁওয়ে দুর্বৃত্তরা আব্দুর রহমান নামের এক নৈশ প্রহরীকে পিটিয়ে হত্যা করেছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১২:৫৯ পি.এম


ঠাকুরগাঁওয়ে দুর্বৃত্তরা আব্দুর রহমান নামের এক নৈশ প্রহরীকে পিটিয়ে হত্যা করেছে

ঠাকুরগাঁওয়ে দুর্বৃত্তরা আব্দুর রহমান নামের এক নৈশ প্রহরীকে পিটিয়ে হত্যা করেছে। এই হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) রাত ৭টার দিকে, জেলা শহরের জগন্নাথপুর এলাকায় টাটা সার্ভিস সেন্টারের একটি ভবনের চত্বরে।

পুলিশ এবং স্থানীয়রা জানিয়েছেন, আব্দুর রহমান সকাল থেকে ওই প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালন করছিলেন। সন্ধ্যার পর তার পরিবার সদস্যরা তাকে ফোন করে পাচ্ছিলেন না।

পরে, পরিবারের সদস্যরা তার সন্ধানে যখন ওই প্রতিষ্ঠানের ভেতরে প্রবেশ করার চেষ্টা করেন, তখন তারা দেখতে পান ভেতর থেকে গেইট বন্ধ ছিল। সে কারণে তারা প্রাচীর ডিঙ্গিয়ে ভিতরে প্রবেশ করার পর আব্দুর রহমানের লাশ দেখতে পান। এই ঘটনায় পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনার স্থান থেকে মরদেহ উদ্ধার করেন। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। সেখান থেকে উদ্ধার করা হয় রশি, কুড়ালসহ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত বেশকিছু আলামত। নিহতের বাড়ি জেলা শহরের হাজীপাড়ায় বলে পুলিশ জানিয়েছে।

ঠাকুরগাঁও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাজাহান আলী জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে এবং অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%