ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

জনগণের কল্যাণে পুলিশকে নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে হবে: ডিএমপি কমিশনার


জনগণের কল্যাণে পুলিশকে নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে হবে: ডিএমপি কমিশনার

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় প্রত্যেক পুলিশ সদস্যকে নিজ নিজ প্রতি অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে। অপরাধীর কোনো দল, মত বা সামাজিক শ্রেণি নেই। পুলিশকে কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা দলের নয়, জনগণের কল্যাণে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

তিনি জানান, সোমবার ডিএমপি হেডকোয়ার্টার্সের সম্মেলনকক্ষে জুন-২০২৬ মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় উপস্থিত ডিএমপির ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি এসব কথা বলেন।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, থানা এলাকায় অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, ছিনতাইকারী, মাদক কারবারি ও চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করতে হবে। কোনো ধরনের অপরাধ যাতে থানা এলাকায় সংঘটিত হতে না পারে, সেই লক্ষ্যে সবাইকে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও পেশাদারির সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

আরও বলেন, তিনি আশা রাখেন, ভালো কাজের স্বীকৃতি হিসেবে পুরস্কার প্রদান করা হবে। অন্যদিকে দায়িত্বে অবহেলা, শৃঙ্খলাভঙ্গ কিংবা পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়, এমন কোনো কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ডিএমপি কমিশনার উল্লেখ করেন, আশা করছি, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ রাজধানীর আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় ভবিষ্যতে আরো সামনের দিকে এগিয়ে যাবে।

মাসিক অপরাধ সভায় জুলাই মাসে ঢাকা মহানগরের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও জননিরাপত্তা বিধানসহ উত্তম কাজের স্বীকৃতি হিসেবে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ডিএমপির বিভিন্ন পদমর্যাদার কর্মকর্তাগণকে পুরস্কৃত করেন ডিএমপি কমিশনার।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বগুড়ায় যমুনার পানি বাড়ছে, তীব্র নদীভাঙনে বিলীন হচ্ছে ফসলি জমি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৫৩ পি.এম


বগুড়ায় যমুনার পানি বাড়ছে, তীব্র নদীভাঙনে বিলীন হচ্ছে ফসলি জমি

উজানের পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টির প্রভাবে বগুড়ায় যমুনা নদীর পানি ক্রমাগতভাবে বাড়ছে। পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে জেলার সারিয়াকান্দি, ধুনট ও সোনাতলা উপজেলায় তীব্র নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে শত শত একর ফসলি জমি, গাছপালা ও বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। ফলে নদীতীরবর্তী এলাকার মানুষ চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।

সোমবার (১৩ জুলাই) সরেজমিনে দেখা যায়, সারিয়াকান্দি উপজেলার হাটশেরপুর ইউনিয়নের চকরতিনাথ, কামারপাড়া, কাজলা ইউনিয়নের চরঘাগুয়া এবং কামালপুর ইউনিয়নের ইছামারা ও গোদাখালি এলাকায় যমুনার পানি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এসব এলাকায় নদীভাঙনের ফলে বসতবাড়ি ও আবাদি জমি নদীগর্ভে চলে যাচ্ছে।

এ ছাড়া সোনাতলা উপজেলার বালুয়াপাড়া, সুজাতপুর, তোকানিচুকাইনগর, ভিগনেরপাড়া, আমতলী ও আচারেরপাড়া এবং ধুনট উপজেলার ভান্ডারবাড়ী ইউনিয়নের শহরাবাড়ী এলাকায়ও তীব্র নদীভাঙন দেখা দিয়েছে।

স্থানীয়দের মতে, যমুনা নদীর বুকে নতুন চর জেগে ওঠায় পানির তীব্র স্রোত তীরের দিকে ধাবিত হচ্ছে। এতে সরাসরি আঘাত হানছে তীরবর্তী ফসলি জমি ও বসতভিটায়। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন চরাঞ্চলের কৃষকরা।

নদীপাড়ের বাসিন্দারা জানান, পানি বৃদ্ধি ও অব্যাহত নদীভাঙনে তারা চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন। ভাঙন রোধে দ্রুত স্থায়ী প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন তারা। তাদের ভাষ্য, স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে প্রতিবছরই নদীভাঙনে ঘরবাড়ি ও কৃষিজমি হারাতে হবে।

এদিকে ভাঙন ঠেকাতে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা সমূহে বালুভর্তি জিও-ব্যাগ ফেলছে বগুড়া পানি উন্নয়ন বোর্ড। তবে স্থানীয়দের দাবি, সাময়িক এই ব্যবস্থা নদীভাঙন রোধে যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আরও শক্তিশালী সৃজনশীল অর্থনীতি গড়ে তুলতে কপিশপের উদ্যোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৫৫ পি.এম


আরও শক্তিশালী সৃজনশীল অর্থনীতি গড়ে তুলতে কপিশপের উদ্যোগ

দেশে আরও শক্তিশালী সৃজনশীল অর্থনীতি গড়ে তোলার লক্ষ্যে সফলভাবে সম্পন্ন হলো কপিশপের নিয়মিত মেন্টরিং সিরিজ ‘কপিকলরব’-এর ১৪তম আয়োজন। এবারের আয়োজনে মূল বক্তা ছিলেন অ্যানোনিমা-এর চিফ ক্রিয়েটিভ অফিসার আসিফ আকবর খান।

বাংলাদেশের যোগাযোগ খাতের পেশাজীবীদের জন্য আয়োজিত এই তিন ঘণ্টাব্যাপী সেশনের মূল বিষয়বস্তু ছিল ‘ব্র্যান্ড জেনারেটিভ আইডিয়াস’। সেশনে আসিফ আকবর খান তাঁর দীর্ঘ কর্মজীবনের অভিজ্ঞতার আলোকে নিজস্ব ‘ব্র্যান্ড জেনারেটিভ আইডিয়া’ তত্ত্ব তুলে ধরেন। তিনি আলোচনা করেন, কীভাবে কেবল প্রচলিত ক্যাম্পেইন বাস্তবায়নের পরিবর্তে আইডিয়াভিত্তিক চিন্তার মাধ্যমে দীর্ঘস্থায়ী ব্র্যান্ড গড়ে তোলা সম্ভব। হাস্যরস, বাস্তব অভিজ্ঞতা ও ভবিষ্যৎমুখী দৃষ্টিভঙ্গির সমন্বয়ে প্রভাবশালী ব্র্যান্ড তৈরিতে সৃজনশীলতার পরিবর্তনশীল ভূমিকা নিয়েও তিনি বিস্তারিত আলোকপাত করেন।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা, ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর, ব্র্যান্ড কাস্টডিয়ান, ক্লায়েন্ট, তরুণ শিক্ষানবিশ, সাংবাদিক, শিক্ষক ও যোগাযোগ খাতের পেশাজীবীরা অংশগ্রহণ করেন। উপস্থিতিদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে আলোচনাটি ফলে প্রাণবন্ত ও বহুমাত্রিক হয়ে ওঠে।

মূল পর্বের আগে অনুষ্ঠানের শুরুতে ব্রেইন ফরোয়ার্ড বাংলাদেশ (বিএফবি)-এর প্রতিষ্ঠাতা ফারহাদ হক একটি ‘ইন্টার‌্যাকটিভ ব্রেইন এক্সারসাইজ’ সেশন পরিচালনা করেন। কপিশপ ও বিএফবি-এর এই যৌথ উদ্যোগ অংশগ্রহণকারীদের সৃজনশীল চিন্তা ও মানসিক দক্ষতা বাড়াতে ব্যবহারিক কৌশলগুলোর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়।

আয়োজনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সান কমিউনিকেশনস-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ও কপিকলরব-এর প্রথম পর্বের মেন্টর তানভীর হোসেন, মিডিয়াকমের এক্সিকিউটিভ ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর তৌফিক মাহমুদ, ব্র্যাক ব্যাংকের চিফ মার্কেটিং অফিসার ইন্দ্রনীল চট্টোপাধ্যায় এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটের (আইবিএ) শিক্ষক সানিয়া মাহমুদ। তাঁদের সক্রিয় অংশগ্রহণ সমসাময়িক সৃজনশীল যোগাযোগ ও আইডিয়াভিত্তিক ব্র্যান্ড নির্মাণের আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করে।

কপিশপের কিউরেটর ও ঢাকা অ্যাডভার্টাইজিং স্কুলের (ড্যাডস) প্রতিষ্ঠাতা মুশফিকুর রহমান বলেন, ‌‘দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বে প্রাসঙ্গিক থাকতে সৃজনশীল দক্ষতাকে নিয়মিত শাণিত করতে হবে। কপিকলরবের মেন্টরিং সেশন এবং ঢাকা অ্যাডভার্টাইজিং স্কুলের শিল্পখাত-নেতৃত্বাধীন প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের মাধ্যমে আমরা বাংলাদেশের জন্য আরও শক্তিশালী ও ভবিষ্যৎ-প্রস্তুত সৃজনশীল কর্মশক্তি গড়ে তুলছি। এই যাত্রা মাত্র শুরু হয়েছে এবং আমরা এটিকে আরও বৃহৎ পরিসরে নিয়ে যেতে চাই।”

উল্লেখ্য, ‘কপিকলরব’ হলো কপিশপের একটি চলমান মেন্টরিং উদ্যোগ। বিজ্ঞাপন, ব্র্যান্ডিং, স্টোরিটেলিং ও সৃজনশীল যোগাযোগ বিষয়ে জ্ঞান বিনিময়ের মাধ্যমে অভিজ্ঞ শিল্পনেতাদের সঙ্গে উদীয়মান সৃজনশীল প্রতিভাদের সংযুক্ত করে এই প্ল্যাটফর্ম। ঢাকা অ্যাডভার্টাইজিং স্কুলের সঙ্গে যৌথভাবে ব্যবহারিক শিক্ষা, মентরশিপ ও পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর মাধ্যমে বাংলাদেশের সৃজনশীল ইকোসিস্টেমকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে উদ্যোগটি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নামছে বন্যার পানি, স্পষ্ট হচ্ছে ক্ষয়ক্ষতির চিহ্ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৫৬ পি.এম


নামছে বন্যার পানি, স্পষ্ট হচ্ছে ক্ষয়ক্ষতির চিহ্ন

কক্সবাজারে বৃষ্টির পরিমাণ কমছে, ফলে প্লাবিত এলাকার পানি কিছু পরিমাণে নামতে শুরু করেছে; একইসঙ্গে ক্ষত চিহ্নগুলোও ভেসে উঠতে শুরু করছে। গত ৯ দিনের টানা অধিক বৃষ্টির ফলে প্লাবিত এলাকার ক্ষয়-ক্ষতির প্রাথমিক বিবরণী সংগ্রহের কাজ শুরু করেছে জেলা প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের ক্ষয়-ক্ষতির প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে, ৪ জুলাই থেকে ১২ জুলাই ৯ দিনে কক্সবাজারে ৮২৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে। এর ফলে কক্সবাজার জেলার ৭১টি ইউনিয়নের মধ্যে ৫টি পৌরসভার ৭০টি ইউনিয়ন ও ৪টি পৌরসভার ৪৯ শতাংশ এলাকা প্লাবিত হয়ে অন্তত আড়াই লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছিল।

এদিকে, পাহাড় ধস এবং পানিতে ভেসে ১৩ রোহিঙ্গাসহ ৩০ জন নিহত হয়েছে। এই ৯ দিনের সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত বসতবাড়ির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬১৩টি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৩০টি, ক্ষতিগ্রস্ত ২০৪৮ কিলোমিটার সড়ক এবং ৭৯টি সেতু ও কালভার্টের ক্ষতি হয়েছে।

জেলা প্রশাসন থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, চকরিয়ার ১০ ইউনিয়ন এবং এক পৌরসভার ৮০ শতাংশ এলাকা প্লাবিত হয়েছে, যেখানে ছয়জন নিহত এবং একজন নিখোঁজ হয়েছেন। এই উপজেলায় ক্ষতিগ্রস্ত বসতবাড়ির সংখ্যা ৩০০টি, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৩৫০ কিলোমিটার সড়ক এবং ২০টি সেতু ও কালভার্টও।

মাতামুহুরি উপজেলার ৭ ইউনিয়নে ৮৫ শতাংশ এলাকা প্লাবিত হয়েছে এবং সেখানে একজন নিহত হয়েছেন। এই উপজেলায় ক্ষতিগ্রস্ত বসতবাড়ির সংখ্যা ১৯০টি এবং ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১৯০ কিলোমিটার সড়ক ও ২০টি সেতু ও কালভার্ট।

পেকুয়া উপজেলার ৭ ইউনিয়ন ও এক পৌরসভার ৯৫ শতাংশ এলাকা প্লাবিত হয়ে দুজন মারা গেছেন। এখানে ক্ষতিগ্রস্ত বসতবাড়ির সংখ্যা ৪৫০টি, ১৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ২৩০ কিলোমিটার সড়ক এবং দুটি সেতু ও কালভার্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

মহেশখালী উপজেলার আট ইউনিয়ন ও এক পৌরসভার ৫০ শতাংশ প্লাবিত হয়ে একজন নিহত হয়েছেন। এই উপজেলায় ক্ষতিগ্রস্ত বসতবাড়ির সংখ্যা ২০০টি এবং ১২০০ কিলোমিটার সড়ক ও দুটি সেতু ও কালভার্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

কুতুবদিয়া উপজেলার ৬ ইউনিয়ন ৬৫ শতাংশ প্লাবিত হয়ে একজন মারা গেছেন। এখানে ২৫০টি বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, ১৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ৯ কিলোমিটার সড়ক এবং দুটি সেতু ও কালভার্টও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

কক্সবাজার সদরের ৫ ইউনিয়ন ২৫ শতাংশ প্লাবিত হয়ে তিনজন মারা গেছেন। এখানে ক্ষতিগ্রস্ত বসতবাড়ির সংখ্যা ১৮টি, ২০ কিলোমিটার সড়ক এবং ৪টি সেতু ও কালভার্টেও ক্ষতি হয়েছে।

রামু উপজেলার ১১ ইউনিয়ন ৩৫ শতাংশ প্লাবিত হয়ে দুজন মারা গেছেন। এখানে ক্ষতিগ্রস্ত বসতবাড়ির সংখ্যা ২৫টি, ৫০ কিলোমিটার সড়ক এবং ৫টি সেতু ও কালভার্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ঈদগাঁও উপজেলার ৫ ইউনিয়ন ৫ শতাংশ এলাকা প্লাবিত হয়ে গেছে। এখানে ৩০টি বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং ৫ কিলোমিটার সড়কও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

উখিয়া উপজেলার ৫ ইউনিয়ন ২৫ শতাংশ প্লাবিত হয়েছে। এখানে ১৩ রোহিঙ্গাসহ ১৪ জন নিহত হয়েছেন। এই উপজেলায় ক্ষতিগ্রস্ত বসতবাড়ির সংখ্যা ৫০টি, ৬ কিলোমিটার সড়ক এবং ১২টি সেতু ও কালভার্টও ক্ষতি হয়েছে।

টেকনাফ উপজেলার ৬ ইউনিয়ন এবং এক পৌরসভার ২৫ শতাংশ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এখানে ১০০টি বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, ৫ কিলোমিটার সড়ক এবং ১৫টি সেতু ও কালভার্ট ক্ষতি হয়েছে।

এ বিষয়ে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান জানান, ৯ দিনে জেলার ৬১৮টি আশ্রয় কেন্দ্রে ১৫৮০ জন মানুষ আশ্রয় নিয়েছে। প্লাবিত এলাকার জনগণের জন্য ৭৭৯০ প্যাকেট শুকনো খাবার এবং ২৯৮ মেট্রিক টন চাল ত্রাণ হিসেবে বিতরণ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে ত্রাণের চাহিদা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

এ দিকে, কক্সবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধীনে ৩৮১ কিলোমিটার বেড়িবাঁধের মধ্যে বাঁকখালী ও মাতামুহুরী নদীর পানি সমতল বিপদসীমা অতিক্রম করায় বিভিন্ন এলাকায় মোট ৪৪টি স্থানে বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে চকরিয়া উপজেলার কোনাখালী ইউনিয়নে পুরুত্যাখালী পূর্বপাড়া এলাকায় ২৫ মিটার অংশে বেড়িবাঁধ ভেঙে গেছে বলে জানা গেছে।

ওদিকে, কক্সবাজার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক বিমল কুমার প্রামাণিক জানান, ৯ দিনে কৃষি ক্ষেত্রে ৪২১২ হেক্টর ফসল নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে আউশ ধানের পরিমাণ ২৬২০ হেক্টর, আমান বীজ তলা ৪৭০ হেক্টর, শাক-সবজি ৯৯৫ এবং পান বরজ ১৬৬ হেক্টর। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের সংখ্যা ৪৩২১০ জন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চুয়াডাঙ্গায় বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারাল শিশুর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৬:৫৭ পি.এম


চুয়াডাঙ্গায় বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারাল শিশুর

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় বাসের ধাক্কায় নিহত হয়েছে সিয়াম আলী (৩) নামে এক শিশু।

সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুরে দামুড়হুদা উপজেলার ধান্যঘরা ক্লাব মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত সিয়াম আলী হলো একই গ্রামের পলাশ উদ্দীনের ছেলে।

স্থানীয়দের বরাতে জানা যায়, দুপুরে কার্পাসডাঙ্গা থেকে দাদির সঙ্গে শিশুটি বাড়ি ফিরছিল। বাসায় ফেরার সময় ধান্যঘরা ক্লাব মোড় এলাকায় পৌঁছানোর পর যখন রাস্তা পার হতে যায়, তখন একটি দ্রুতগামী যাত্রীবাহী বাস তাকে ধাক্কা দেয়। পরে স্থানীয়রা শিশুটিকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় তার মৃত্যু হয়।

দর্শনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম জানিয়েছেন, দুর্ঘটনা ঘটার পর বাসটি আটক করা হয়েছে এবং থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%