ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নিখোঁজের একদিন পর হলুদ ক্ষেতে মিলল ব্যবসায়ী সুপ্রভাত মদকের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ


নিখোঁজের একদিন পর হলুদ ক্ষেতে মিলল ব্যবসায়ী সুপ্রভাত মদকের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ

পাবনার বেড়ায় নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর হলুদ ক্ষেতে পুলিশ সুপ্রভাত মদক নামে এক ব্যবসায়ীর ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকালে উপজেলার আমিনপুর থানার আহম্মদপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের একটি হলুদের ক্ষেত থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত সুপ্রভাত মদক সত্য চন্দ্র মদকের পুত্র। তিনি কাশীনাথপুরের দাদাভাই খবার হোটেলের ব্যবসা পরিচালনা করতেন।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সোমবার (৫ অক্টোবর) ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে অবস্থানকালে সুপ্রভাত কাউকে কিছু না বলে বের হয়ে যান। এরপর রাতে বাড়িতে ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা আত্মীয়স্বজনসহ বিভিন্ন স্থানে তার সন্ধান করেন। কোথাও তার সন্ধান না পেয়ে পরে আমিনপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন তারা। অভিযোগ পাওয়ার পর আমিনপুর থানার পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তির সাহায্যে সুপ্রভাতের মোবাইল ফোনের অবস্থান শনাক্ত করার চেষ্টা শুরু করে। রাত ১২টার দিকে তার মোবাইল ফোনটি চালু অবস্থায় পাওয়া যায়, কিন্তু একাধিকবার ফোন করার পরও তিনি কল ধরেননি। পরে তার নম্বর থেকে আবারও ফোন এলেও অবস্থান নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।

এরপর মঙ্গলবার সকালে স্থানীয়রা বাড়ির পেছনের হলুদ ক্ষেতে সুপ্রভাতের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ পাবনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।

এ বিষয়ে আমিনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা জানান, সুপ্রভাতের মৃত্যু কিভাবে হয়েছে এবং এ ঘটনায় কারা জড়িত, তা তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সখীপুরে নিখোঁজ ১৪ বছরের সবুজের সন্ধান ১০ দিনেও মেলেনি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:১২ পি.এম


সখীপুরে নিখোঁজ ১৪ বছরের সবুজের সন্ধান ১০ দিনেও মেলেনি

টাঙ্গাইলের সখীপুরে একটি ব্যাটারিচালিত ভ্যান নিয়ে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হয়ে যাওয়া ১৪ বছর বয়সী সবুজের সন্ধান ১০ দিন ধরে মেলেনি।

গত ২৬ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টার দিকে অটোভ্যান নিয়ে বের হওয়ার পর থেকে সে নিখোঁজ রয়েছে। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি।

নিখোঁজ সবুজের বাবা সিরাজ মিয়া (৪৫) নিজেও অটোভ্যান চালান। তিনি পরিবারসহ সখীপুর পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের কাহারতা পশ্চিম এলাকায় ভাড়া থাকেন। সবুজ সখীপুর ও আশপাশের এলাকায় অটোভ্যান চালানোর কাজ করতেন।

এই ঘটনার পর পরিবারের পক্ষ থেকে সখীপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। এরপর গত ২৭ সেপ্টেম্বর গোপালপুর উপজেলার কালীবাড়ী বাজার এলাকা থেকে সবুজের অটোভ্যানটি উদ্ধার করে পুলিশ। কিন্তু অটোভ্যানটি উদ্ধার হলেও নিখোঁজ সবুজের সন্ধান এখনও মেলেনি।

ছেলের সন্ধান না পেয়ে গত ২৯ সেপ্টেম্বর সখীপুর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে পরিবার। ওই সময় তারা সবুজকে দ্রুত খুঁজে বের করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা কামনা করেন।

সখীপুর থানার এসআই তাজ উদ্দিন জানান, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নিখোঁজ কিশোরকে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। সখীপুর ও গোপালপুর থানা পুলিশ যৌথভাবে কাজ করছে। অটোভ্যানটি উদ্ধার করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় দুইজনকে আটক করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

সখীপুর থানার ওসি (তদন্ত) আজহারুল ইসলাম বলেন, “ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নিখোঁজ কিশোরকে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।”

এদিকে, ১০ দিন ধরে ছেলের সন্ধান না পেয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন সবুজের মা-বাবা ও স্বজনরা। সন্তানের ছবি হাতে নিয়ে বিভিন্ন এলাকায় খোঁজ করছেন তারা। পরিবারের একমাত্র চাওয়া, যেকোনোভাবে সবুজের সন্ধান পাওয়া এবং তাকে নিরাপদে ফিরে পাওয়া।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পরিবর্তনে সংবিধানে ফিরছে গণভোটের বিধান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:০৮ পি.এম


তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পরিবর্তনে সংবিধানে ফিরছে গণভোটের বিধান

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা সংবিধানে পুনর্বহালের পাশাপাশি ভবিষ্যতে এ ব্যবস্থা পরিবর্তন করতে হলে জনগণের অনুমোদন নেওয়ার বিধান ফিরিয়ে আনা হবে।

মন্ত্রী উল্লেখ করেন, সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদে গণভোটের যে বিধান ছিল, তা পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাতিল করা হয়েছিল। আদালতের রায়ে ওই বাতিলের সিদ্ধান্তকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হয়েছে, ফলে সংশোধিত সংবিধানে গণভোটের বিধান পুনরায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) জাতীয় সংসদে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহতদের পরিবারের প্রতিনিধি ও ‘জুলাই যোদ্ধা’দের সঙ্গে সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা বলেন তিনি।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘যে সংশোধনীটা আমরা সামনে গ্রহণ করব—সে জায়গায় এমন কিছু আর্টিকেলের পরিবর্তন, সংশোধন সংযোজন আসবে; যেগুলো পরিবর্তনে সংশোধনের পূর্ববর্তী রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরের আগে গণভোটের ব্যবস্থা করতে হবে। সেটা হচ্ছে সাংবিধানিক গণভোট। আগে যে গণভোট হয়েছে সেটা আইনি গণভোট। এই সাংবিধানিক গণভোটটা আমাদের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা।’

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘যে সংশোধনটা আমরা সামনে আনব—সেখানে প্রস্তাবনা, রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসহ মৌলিক বিষয়গুলোতে পরিবর্তন আসবে। আর্টিকেল ৪৮ ও ৫৬-এ আসবে, তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে আমরা কেন ধারণ করব, সেই বিষয়গুলো আসবে।’

তিনি বলেন, ‘আর্টিকেল ১৪২-এ যেখানে গণভোট ছিল না, শেখ হাসিনার ফ্যাসিস্ট সরকার সেটা উড়িয়ে দিয়েছিল। সেখানে আবার সেটা আমাদের ধারণ করতে হবে।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা সংবিধানে পুনরায় অন্তর্ভুক্ত করা হলে ভবিষ্যতে যাতে সহজে কেউ তা পরিবর্তন করতে না পারে, সে বিষয়েও সাংবিধানিক সুরক্ষা রাখতে হবে।

তিনি বলেন, ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনরায় আমরা সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করলে সেটা যাতে ভবিষ্যতে কেউ সহজে পরিবর্তন করতে না পারে, সেজন্য আমরা ওইটা পরিবর্তন করলেও ভবিষ্যতে জনগণের কাছে যাতে যেতে হয়, সেটায় গণভোটের বিধান রাখতে হবে। সেজন্য এই পরিবর্তনগুলো এবং এই সাংবিধানিক সংশোধনীগুলো আমরা সংবিধানে নিয়ে আসলে সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা অনুসারে আমাদের গণভোট দিতে হবে।’

সংবিধানে বর্তমানে গণভোটের বিধান নেই—এমন বক্তব্যের বিষয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘আমি দুই-এক জায়গায় শুনছি, কেউ কেউ বলছেন—সংবিধানে তো গণভোট নাই। আমরা কেন গণভোটের কথা বলছি? সংবিধান সংশোধনের পরে। তারা সঠিক কথা বলছেন না।’

এ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘পঞ্চদশ সংশোধনের মাধ্যমে আর্টিকেল ১৪২ থেকে যে গণভোটের বিধানটা তুলে দেওয়া হয়েছিল, সেটার বৈধতা ছিল না। এবং সেটাকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করে ইতোমধ্যে হাইকোর্ট থেকে রায় দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ আগে যা ছিল, তাই সঠিক।’

এ প্রসঙ্গে ‘ডকট্রিন অব ইক্লিপস’-এর কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘অনেকে বলছেন, সেটা তো অটোমেটিক বহাল হয় না। এখানে আমার বক্তব্য হচ্ছে, সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় একটা ডকট্রিন আছে। এটা হচ্ছে ডকট্রিন অব ইক্লিপস।’

বিষয়টি ব্যাখ্যা করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এটা যারা আইনে প্রফেসরি করেন, আইনের ছাত্র তারা জানেন। চন্দ্রগ্রহণ যখন হয়, গ্রহণটা সরে গেলে চাঁদটা আবার আলো দেখা যায়। এটাকে বলা হয় ডকট্রিন অব ইক্লিপস। ওই সংবিধানের যে বিধানটা পরিবর্তন করে গণভোট বাতিল করে দিয়েছিল, সেটাকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করেছে হাইকোর্ট। সুতরাং আগেরটা বহাল হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এখানে একটা আইনের জটিল প্রশ্ন আছে। সেটা যতদিন পার্লামেন্টে আবার সংবিধানে ধারণ না করবে, ততদিন পূর্ণাঙ্গভাবে প্রতিস্থাপিত হয়েছে বলা যাবে না। তবে বিচার বিভাগ তাদের যে রায় দিয়েছে, সেই রায় অনুসারে সংবিধানে আমরা এই সংশোধনীতে সেটা ধারণ করব।’

গণভোটের বিধান সংবিধানে পুনরায় যুক্ত করার বিষয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘সুতরাং ইট ইজ দেয়ার। এটা অসাংবিধানিক যদি কেউ বলে, যদি বলে—এখন তো সংবিধানে গণভোটের বিধান নাই, গণভোটের বিধান বহাল হয়েছে—আমরা এটা যখন সংবিধানে নিয়ে আসব, তখন সেটা আমাদের মানতে হবে। সেই হিসাবে সাংবিধানিক ভোটটা।’

তিনি আরও বলেন, ‘তাছাড়া প্রস্তাবনা, রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসহ অন্যান্য মৌলিক বিষয়গুলো যেগুলোতে পরিবর্তন হলে সাংবিধানিক গণভোট দেওয়ার কথা, সেই ১৪২ অনুসারে সেটা তো আছেই এবং আমরা যুক্ত করব। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ব্যবস্থা যে আমরা সংবিধানে আনছি, সেটা যাতে ভবিষ্যতে পরিবর্তন যদি কেউ করতে চায়, তখনও যাতে গণভোটের বিধান বহাল থাকে, জনগণের কাছে যেতে হয়—এইভাবে আমরা একটা সমৃদ্ধ সাংবিধানিক সংশোধনী আনব।’

উল্লেখ্য, ১৯৭৯ সালে সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে ১৪২ অনুচ্ছেদে গণভোটের বিধান প্রথম অন্তর্ভুক্ত করা হয়। পরে ২০১১ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের আনা পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে এ বিধান সংবিধান থেকে বাদ দেওয়া হয়। একই সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থাও সংবিধান থেকে বাতিল করা হয়েছিল।

২০২৬ সালের ৯ জুলাই সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ পঞ্চদশ সংশোধনীর মূল অংশগুলো অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া রায় বহাল রাখেন। ফলে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ও গণভোটের বিধান বাতিলের বিষয়টি নতুন করে সাংবিধানিক আলোচনায় আসে।

আদালতের পূর্ণাঙ্গ রায়ের অনুলিপি পাওয়ার পর আইন মন্ত্রণালয় সংবিধানের সংশোধিত রূপ বা একটি টেক্সট প্রকাশ করবে বলে জানা গেছে। সেখানে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাদ পড়া ১৪২ অনুচ্ছেদে গণভোটের বিধান এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারসংক্রান্ত বিধানগুলো পুনঃস্থাপনের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিক্ষক নিয়োগে আইনি জটিলতা কেটেছে, ১৩ হাজার ৫৫৯ পদে নিয়োগের সুখবর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:১৭ পি.এম


শিক্ষক নিয়োগে আইনি জটিলতা কেটেছে, ১৩ হাজার ৫৫৯ পদে নিয়োগের সুখবর

এমপিওভুক্ত স্কুল, কলেজ ও মাদরাসায় প্রতিষ্ঠানপ্রধান নিয়োগের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি জটিলতা সমাধান হয়েছে। আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত, অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষসহ ১৩ হাজার ৫৫৯ পদে নিয়োগের জন্য ১৮ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা সংক্রান্ত হাইকোর্টের রায় স্থগিত করেছেন।

এখন, লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের জন্য আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে শুরু হতে যাওয়া মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে আর কোনো আইনি বাধা নেই।

মঙ্গলবার (০৬ অক্টোবর) শিক্ষা সচিবের আবেদনের প্রেক্ষিতে, আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হক এই আদেশ প্রদান করেন।

তবে, আদালত হাইকোর্টে রিটকারী ৪৬ শিক্ষকের জন্য ৪৬টি পদ সংরক্ষণ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। এর ফলে, এই পদগুলো বাদে অন্যান্য পদগুলোর নিয়োগপ্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল জানান, চলতি বছরের ২৫ মার্চ সংশোধনীর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানপ্রধান নিয়োগের জন্য প্রয়োজনীয় শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা ১৮ বছর নির্ধারণ করা হয়। পূর্বে ২০২১ সালের জনবল কাঠামোয় সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে তিন বছরসহ মোট ১৫ বছরের অভিজ্ঞতার বিধান ছিল। পাশাপাশি সরাসরি নিয়োগের ব্যবস্থাও ছিল।

নতুন এই শর্তের বিরুদ্ধে ৪৬ শিক্ষক হাইকোর্টে রিট দাখিল করেন। শুনানি শেষে, হাইকোর্ট ১৮ বছরের অভিজ্ঞতার বিধান বাতিল করে রুল অ্যাবসোলিউট ঘোষণা করেন। পরবর্তীতে, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) পক্ষ থেকে আপিল করা হলে, চেম্বার আদালত হাইকোর্টের রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত করেন।

এদিকে, ১৩ হাজার ৫৫৯টি পদের জন্য লিখিত পরীক্ষা ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। আদালতের স্থগিতাদেশের কারণে, ১৮ বছরের অভিজ্ঞতার শর্তে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরা নির্ধারিত সময়েই ভাইভায় অংশ নিতে পারবেন। অর্থাৎ, দীর্ঘদিন ধরে আইনি জটিলতায় আটকে থাকা নিয়োগপ্রক্রিয়া আবার গতিশীল হচ্ছে।

আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে ভাইভা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। তাই, রিটকারী ৪৬ শিক্ষকের জন্য সংরক্ষিত পদ বাদে অন্যান্য পদগুলোতে নিয়োগপ্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে সরকারের সামনে আপাতত কোনো আইনগত বাধা নেই।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পরকীয়া প্রেমের জেরে ভাবি ও ভাতিজাকে হত্যা, দেবরকে ১০ বছরের কারাদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১১:১৭ পি.এম


পরকীয়া প্রেমের জেরে ভাবি ও ভাতিজাকে হত্যা, দেবরকে ১০ বছরের কারাদণ্ড

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় পরকীয়া প্রেমের কারণে ভাবি ও ভাতিজাকে হত্যা করার অভিযোগে দেবর সোলাইমান হোসেনকে (৩৪) ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছেন আদালত।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দুপুর ৪ টার দিকে মানিকগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এস. কে. এম. তোফায়েল হাসান এই রায় ঘোষণা করেন।

২০২০ সালের জানুয়ারি মাসে মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার উত্তর কাউন্নারা গ্রামে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা সংঘটিত হয়।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, আসামি সোলাইমান হোসেনের সঙ্গে তার ভাবি পারভীনের একটি পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এক পর্যায়ে পারভীন সোলাইমানকে বিয়ের জন্য চাপ দিতে শুরু করেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হলে পারভীনের ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। এ ঘটনার সাক্ষী হয়ে ওঠায় পারভীনের শিশু সন্তান ভাতিজা আব্দুন নূরকেও হত্যা করে সোলাইমান।

এই ঘটনার পর পুলিশ দেবর সোলাইমান হোসেনকে গ্রেপ্তার করে এবং তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী প্রদান করেন।

মানিকগঞ্জ জেলা জজ কোর্টের পি পি আ. ফ. ম. নুরতাজ আলম দীর্ঘ ছয় বছর পর মামলার এই রায় ঘোষণার পর অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, "দোষীর জন্য এই সাজা অপর্যাপ্ত।" তিনি আরও জানান, বাদীপক্ষ এই রায়ে মোটেও খুশি নয় এবং উচ্চ আদালতে আপিল করার পরিকল্পনা রয়েছে।

অপরদিকে, আসামির পক্ষের আইনজীবী মাহবুবুল ইসলাম মন্তব্য করেন, "মামলার আইও এর তদন্তের উপরে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে, এখানে ন্যায় বিচার হয়নি।" তিনি জানান, যে ছুরি দিয়ে হত্যা করা হয়েছে, সেই ছুরির ফরেনসিক টেস্টের ফল আদালতে উপস্থাপন করা হয়নি। তাই এই রায়ে তিনি সংক্ষুব্ধ এবং ন্যায় বিচার পেতে উচ্চ আদালতে আপিল করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%