০৫:২৫ পি.এম
ইরানের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের হরমোজগান প্রদেশে একটি পানি শোধনাগারে সংঘটিত মার্কিন হামলার ফলস্বরূপ অন্তত ১০ হাজার মানুষ বিশুদ্ধ পানির সংকটে পড়েছে। আজ শনিবার (১৮ জুলাই) প্রাদেশিক এক কর্মকর্তা এ তথ্যটি জানিয়েছেন।
ইরানের বিভিন্ন সামরিক ও কৌশলগত স্থাপনাকে লক্ষ্য করে টানা সপ্তম রাতের মতো বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, শুক্রবার (১৭ জুলাই) রাতের অভিযানে যুদ্ধবিমান, ড্রোন এবং যুদ্ধজাহাজ ব্যবহার করে ইরানের নজরদারি কেন্দ্র, সামরিক সরবরাহ অবকাঠামো, ভূগর্ভস্থ অস্ত্রাগার এবং সামুদ্রিক সক্ষমতার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোতে আঘাত হানা হয়েছে।
আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ
তবে ইরানি গণমাধ্যমগুলোর তথ্যমতে, বেসামরিক অবকাঠামোতেও হামলা চালানো হয়েছে। দেশটির আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম জানাচ্ছে, মার্কিন হামলায় হরমোজগান প্রদেশের উপকূলীয় বুনজি গ্রামের পানি শোধনাগার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে আশপাশের ২০টি গ্রামের সুপেয় পানির সরবরাহ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে।
হরমোজগান পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘এই হামলার ফলে প্রায় ১০ হাজার মানুষের বসবাসকারী ২০টি গ্রামে নিরাপদ পানির সরবরাহ পুরোপুরি ব্যাহত হয়েছে।’
তিনি আরও জানান, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো বর্তমানে তীব্র পানি সংকটের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছে এবং জরুরি ভিত্তিতে বিকল্প উপায়ে পানি সরবরাহের চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
এদিকে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার কারণে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বেড়ে গেছে। উভয় দেশই একে অপরের সামরিক ও কৌশলগত স্থাপনাকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।
আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা
উল্লেখ্য, চলতি বছরের জুনে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুদ্ধ বন্ধ এবং স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই করেছিল ওয়াশিংটন ও তেহরান। তবে সেই সমঝোতার পরও দুই দেশের মধ্যে সংঘাত ফের আক্রমণাত্মক আকার নিয়ে উঠেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন