মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:৫৩ পি.এম
পাকিস্তানের তরুণ পেসার রাজাউল্লাহকে দেওয়া জাঁকজমকপূর্ণ সংবর্ধনা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কিংবদন্তি সাবেক পেসার ওয়াসিম আকরাম।
রাজাউল্লাহর আন্তর্জাতিক অভিষেক ঘটে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে। সিরিজের প্রথম দুই টেস্টে পরাজয়ের পর পাকিস্তান দলে একাধিক পরিবর্তন এনে তাকে সুযোগ দেয়।
অভিষেক ম্যাচে তরুণ এই ক্রিকেটার দারুণ পারফরম্যান্স প্রদর্শন করেন। ইংল্যান্ডের প্রথম ইনিংসে তিনি চার উইকেট নেন এবং পাকিস্তানের দ্বিতীয় ইনিংসে ৮১ রানের আক্রমণাত্মক ইনিংস খেলেন। তার এই নৈপুণ্যে পাকিস্তান ইনিংস ব্যবধানে হার এড়াতে সক্ষম হয়।
ম্যাচ শেষে দেশে ফেরার পর রাজাউল্লাহকে বীরের সংবর্ধনা দেওয়া হয়। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ইসলামাবাদ বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানাতে প্রায় পাঁচ হাজার মানুষ জড়ো হয়েছিল।
তবে ওয়াসিম আকরাম এমন আয়োজনের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ম্যানচেস্টারে একটি দাতব্য অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে আকরাম বলেন, "রাজাউল্লাহ নিঃসন্দেহে প্রতিভাবান এবং অভিষেকে চমৎকার পারফরম্যান্স করেছেন। কিন্তু পাকিস্তান যখন সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে হেরেছে, তখন একজন খেলোয়াড়কে ঘিরে এত বড় উদযাপন কতটা যুক্তিযুক্ত, তা ভেবে দেখা দরকার।"
তিনি আরও বলেন, "ইংল্যান্ড শুধু পাকিস্তানকে হারায়নি, বরং পুরো সিরিজে আধিপত্য দেখিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে একজন ক্রিকেটারকে ফুলের মালা পরিয়ে বিপুল জনসমাগমের মাধ্যমে সংবর্ধনা দেওয়ার বিষয়টি প্রশ্নের জন্ম দেয়।"
ওয়াসিম আকরাম আরও যোগ করেন, "সিরিজে বড় ধরনের পরাজয়ের পর কোনো ব্যক্তিগত সাফল্যকে অতিরিক্ত গুরুত্ব দিলে পাকিস্তান ক্রিকেট সম্পর্কে ভুল বার্তা যেতে পারে। এতে এমন ধারণা তৈরি হতে পারে যে দলটি বড় অর্জনের বদলে ছোটখাটো সাফল্য নিয়েই সন্তুষ্ট হয়ে পড়ছে।"
তবে কঠিন এক সিরিজে রাজাউল্লাহর অভিষেক পাকিস্তানের জন্য উজ্জ্বল একটি মুহূর্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে। চার উইকেট ও ৮১ রানের ইনিংস ছিল পুরো সিরিজে পাকিস্তানের জন্য পাওয়া অল্প কয়েকটি ইতিবাচক দিকের অন্যতম।
সূত্র: সামা টিভি
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যুবদল নেতা রবিউল ইসলাম নয়নের একটি বক্তব্যের ফটোকার্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যা জ্বালানি তেলের দাম নিয়ে।
ফটোকার্ডে উল্লেখ করা হয়েছে যে, তারেক রহমান যদি ভর্তুকি না দিতেন, তাহলে তেলের দাম লিটারপ্রতি ৭০০ টাকা হয়ে যেত। তবে নয়নের বক্তব্য হলো, ফটোকার্ডে থাকা তথ্যটি বর্তমান সময়ের নয়, বরং কয়েক বছর আগে একটি নির্দিষ্ট প্রেক্ষাপটে দেওয়া বক্তব্যের অংশ।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) যুবদলের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম নয়ন বিষয়টি নিজের ফেসবুক পোস্টে ব্যাখ্যা করেন।
নয়ন বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গিয়েছিল। তিনি দাবি করেন, ওই পরিস্থিতিতে তারেক রহমান জ্বালানি তেলে ভর্তুকি দিয়ে দেশের বাজারে দাম স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করেছিলেন।
নয়নের ভাষ্য, ওই সময় তিনি বলেছিলেন, ভর্তুকি না দিলে দেশের বাজারে তেলের দাম লিটারপ্রতি ৭০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারত। তার মতে, সেই সময়ের বক্তব্যের ফটোকার্ডই বর্তমানে নতুন করে প্রচার করা হচ্ছে।
নিজের ফেসবুক পোস্টে নয়ন আরও দাবি করেন, একটি গোষ্ঠী অসৎ উদ্দেশ্যে পুরোনো বক্তব্যকে বর্তমান সময়ের বক্তব্য হিসেবে প্রচার করছে। তিনি জানান, বর্তমানে তিনি কোথাও ওই বক্তব্য দেননি এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ফটোকার্ড নিয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।
নয়ন আরও বলেন, কিছু গণমাধ্যমেও ফটোকার্ডের ভিত্তিতে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। তার দাবি, বক্তব্যটি বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে নয়; বরং আগের একটি নির্দিষ্ট প্রেক্ষাপটে দেওয়া হয়েছিল।
তিনি বলেন, দুর্ভাগ্যের বিষয়, দেশের প্রথম শ্রেণির কিছু গণমাধ্যমের ‘গুপ্ত সাংবাদিক’ এটি নিয়ে সংবাদ প্রচার করেছে এবং নির্লজ্জ মিথ্যাচার করছে। গণমাধ্যম রাষ্ট্র ও সমাজের দর্পণ। যদি সেখানে এমন মিথ্যা ও ভুয়া ফটো কার্ড ভেসে ওঠে, তাহলে সেটি লজ্জাজনক। তিনি সকলকে এমন ভুয়া ফটো কার্ডের ব্যাপারে সতর্ক ও সজাগ থাকার আহ্বান জানান। তিনি দৃঢ় কণ্ঠে বলেন, এটি পূর্বের প্রেক্ষাপটের ভিত্তিতে দেওয়া বক্তব্য এবং তিনি বর্তমানে কোথাও এই বক্তব্য দেননি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশস্থ ব্রিটিশ হাইকমিশনের ডেপুটি হাই কমিশনার জেমস গোল্ডম্যান জানিয়েছেন, এলডিসি থেকে উত্তোরণের পরবর্তী সময়ে ৩ বছর ৯৯ দশমিক ৮ শতাংশ বাংলাদেশি পণ্যের জন্য ব্রিটিশ বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার প্রদান করা হবে।
ট্রানজিশনাল পিরিয়ডের পরেও ব্রিটিশ বাজারে প্রায় ৯২ শতাংশ বাংলাদেশি পণ্য শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাবে। বাংলাদেশি ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের ব্রিটিশ পণ্য, সেবা বা প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার জন্য ব্রিটিশ সরকার ২ বিলিয়ন পাউন্ডের একটি তহবিল গঠন করেছে। এই তহবিলের সহায়তায় বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা ব্রিটেনে তাদের পণ্যের বাজারকে আরও সম্প্রসারিত করার সুযোগ পাবেন।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম নগরীর ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে দি চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ আমিরুল হকের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাতের সময় তিনি এই তথ্য জানান। এ সময় ব্রিটিশ হাই কমিশন শীঘ্রই চিটাগাং চেম্বারে একটি কর্মশালা আয়োজন করবে, যেখানে যুক্তরাজ্যের বাজারে প্রবেশের জন্য বিভিন্ন আনুষঙ্গিক ধারণা ও পদ্ধতি সম্পর্কে চেম্বার সদস্যদের অবহিত করা হবে।
চিটাগাং চেম্বার প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ আমিরুল হক মন্তব্য করেন, চট্টগ্রামকে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক বিনিয়োগ ও লজিস্টিক হাব হিসেবে গড়ে তোলার সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর ও বিমান বন্দরসহ সামগ্রিক লজিস্টিক খাতে অধিকতর বিনিয়োগ অত্যন্ত জরুরি। তিনি লালদিয়া টার্মিনালে বিদেশি বিনিয়োগের পাশাপাশি অন্যান্য বৃহৎ অবকাঠামো নির্মাণ ও পরিচালনার জন্য ব্রিটিশ বিনিয়োগ প্রত্যাশা করেন।
চট্টগ্রামের কৌশলগত সহায়ক ভৌগোলিক অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে এশিয়া ও বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলের বাজারে প্রবেশের জন্য ফার্মাসিউটিক্যাল, স্টিল, টেক্সটাইল, গ্রিন এনার্জিসহ অন্যান্য বৃহৎ শিল্পখাতে বাংলাদেশে বিনিয়োগের জন্য ব্রিটিশ ব্যবসায়ীদের উৎসাহিত করার অনুরোধ জানান তিনি।
সৌজন্য সাক্ষাতে চেম্বারের সাবেক সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আলী আহমেদ ও আমীর হুমায়ূন মাহমুদ চৌধুরী, সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. আমজাদ হোসেন চৌধুরী, সাবেক সহ-সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ তানভীর, হাই কমিশনের ডাইরেক্টর অব ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট সাকিব এরশাদসহ চেম্বার কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বজুড়ে এবং উপমহাদেশের বিভিন্ন দেশে হৃদরোগের কারণে মৃত্যুর হার অত্যন্ত উদ্বেগজনক। বিশ্ব হার্ট ফেডারেশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে ভারতের মধ্যে কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ বা হৃদরোগের কারণে ৩১ লাখেরও বেশি মানুষের মৃত্যু ঘটেছে। উপমহাদেশের অন্যান্য দেশগুলিতেও হৃদরোগে মৃত্যুর সংখ্যা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে, যদি কেউ বাড়িতে একা থাকার সময় হার্ট অ্যাটাকের শিকার হন, তাহলে কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানানো উচিত, সে বিষয়ে জরুরি কিছু পরামর্শ প্রদান করেছেন আমেরিকার প্রখ্যাত হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ড. জেরেমি লন্ডন।
ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্টে, ড. জেরেমি উল্লেখ করেছেন যে, বাড়িতে একা থাকাকালীন হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চারটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।
অ্যাসপিরিনের ব্যবহার
জরুরি সেবা চাওয়ার পাশাপাশি, আরামে বিশ্রাম নেওয়া এবং পরিবারের সদস্য বা বন্ধুকে বিষয়টি জানিয়ে রাখা উচিত। সাহায্য আসার অপেক্ষায় থাকার সময়, একটি সাধারণ (নন-এন্টেরিক প্রলিপ্ত) অ্যাসপিরিন চিবিয়ে খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
তবে, অ্যাসপিরিন গ্রহণের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অ্যালার্জি না থাকলে, রক্তক্ষরণের সমস্যা না থাকলে এবং চিকিৎসকের নিষেধ না থাকলে এটি নিরাপদে গ্রহণ করা যেতে পারে।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) (এসিল্যান্ড) মোহাম্মদ নিয়ামত উল্ল্যাকে দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র ২০ দিনের মাথায় প্রত্যাহার করা হয়েছে।
এটি ঘটেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিয়ামত উল্ল্যার রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা নিয়ে বিভিন্ন পোস্ট ও অভিযোগ ছড়িয়ে পড়ার পর, সংশ্লিষ্ট সূত্রে এমন তথ্য জানা গেছে।
গৌরীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আফিয়া আমিন সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার দিকে জানান, রোববার সকালে মোহাম্মদ নিয়ামত উল্ল্যাকে তাৎক্ষণিক বদলি করা হয়েছে। আদেশে সরকারি জনস্বার্থে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রথম আদেশে তাকে বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছিল। পরে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করার আদেশ হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন। সোমবার সন্ধ্যায় এসিল্যান্ড কর্ম এলাকা ত্যাগ করেছেন নিয়ামত উল্ল্যা।
ইউএনও জানিয়েছেন, কী কারণে তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানেন না। তার ভাষ্য অনুযায়ী, বিষয়টি বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় থেকে জানা যাবে। ২০২১ সালে সরকারি চাকরিতে যোগদান করেন মোহাম্মদ নিয়ামত উল্ল্যা। গত ১ সেপ্টেম্বর গৌরীপুর উপজেলা এসিল্যান্ড হিসেবে যোগদান করেন তিনি। এর আগে তিনি ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে কর্মরত ছিলেন।
নিয়ামত উল্ল্যার রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া পোস্টের বিষয়ে ইউএনও জানান, তিনি নিয়ামত উল্ল্যার সঙ্গে কথা বলেছেন। নিয়ামতের ভাষ্য অনুযায়ী, চাকরিজীবনে তিনি নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করেছেন। ওই সময় তার কর্ম এলাকায় বিএনপির প্রার্থী বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছিলেন। এ ছাড়া টাঙ্গাইলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের একটি সফরের সময় তাকে খাবার ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল বলেও তিনি জানিয়েছেন।
তবে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন পোস্টে নিয়ামত উল্ল্যার বিরুদ্ধে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ তোলা হয়েছে। তার ছাত্রজীবনের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা এবং ছদ্মনামে ব্লগে লেখালেখি নিয়েও নানা দাবি করা হয়েছে। এসব অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, মোহাম্মদ নিয়ামত উল্ল্যা ২০২১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে যোগ দিয়ে কর্মজীবন শুরু করেন। পরে ২০২৪ সালের ১ মে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এবং ২০২৬ সালের ১ জুন ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে যোগ দেন। সর্বশেষ গত ১ সেপ্টেম্বর গৌরীপুর উপজেলা এসিল্যান্ড হিসেবে দায়িত্ব নেন তিনি।
ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক সাইফুর রহমান বলেন, গৌরীপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ নিয়ামত উল্ল্যাকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বিভিন্ন ধরনের তথ্য ও পোস্ট প্রকাশিত হয়েছে। এসব বিষয় কর্তৃপক্ষের নজরে আসার পর তাকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে।
তবে কী ধরনের তথ্য বা অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলতে পারছেন না বলে জানান। তিনি বলেন, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের বিষয়। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষই জানাবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ