ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ঢাকার বর্জ্য থেকে প্রতিদিন ৪২ মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদিত হবে’


ঢাকার বর্জ্য থেকে প্রতিদিন ৪২ মেগাওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদিত হবে’

প্রতিদিন ঢাকার বর্জ্য ব্যবহার করে ৪২ দশমিক ৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হওয়ার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য প্রকাশ করেন।

তিনি জানান, প্রকল্পটি ২০২৮ সালের আগস্টের মধ্যে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করবে বলে আশা করা হচ্ছে। আগামী ২৫ বছর ধরে এ প্রকল্পের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হবে।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

ডা. জাহেদ উর রহমান আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) আমিনবাজার ও দক্ষিণ সিটির মাতুয়াইলে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের দুটি প্রকল্প নিয়ে বৈঠক করেছেন। রোববার সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে উল্লেখ করা হয় যে, চীনের সিএমইসি গ্রুপ আমিনবাজারে একটি বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র নির্মাণ করবে।

তিনি জানান, নগরের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমকে আধুনিক, স্বচ্ছ ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) “ক্লিন কেয়ার” নামে একটি ডিজিটাল ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম চালু করেছে। সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম মঙ্গলবার নগর ভবন অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই অ্যাপের উদ্বোধন করেন।

এই অ্যাপের মাধ্যমে নগরবাসী পরিচ্ছন্নতা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে সরাসরি অভিযোগ জানাতে পারবেন।

অন্যদিকে আমিনবাজর থেকে হেমায়েতপুর পর্যন্ত মহাসড়কের দুই পাশ দীর্ঘদিন ধরে বর্জ্য ও অব্যবস্থাপনার কারণে অপরিচ্ছন্ন অবস্থায় ছিল। বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর নজরে আসার পর তার নির্দেশে ঢাকা জেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে ওই এলাকায় বর্জ্য অপসারণ, পরিবেশ পরিচ্ছন্নকরণ এবং মহাসড়কের দুই পাশে নিমগাছের চারা রোপণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও জানান উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান。

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাহাড়খেকোদের বিরুদ্ধে ক-ঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার ঘোষণা: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৫৬ পি.এম


পাহাড়খেকোদের বিরুদ্ধে ক-ঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার ঘোষণা: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত জানিয়েছেন, আপনারাও জানেন যে পাহাড়খেকোরা যতোই প্রভাবশালী হোক, তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) কক্সবাজারে ক্ষয়ক্ষতির চিত্র সরেজমিনে দেখতে গিয়ে তিনি জেলার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করার পর এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেছেন, অতীতে যেভাবে নির্বিচারে পাহাড় কাটা হয়েছিল, বর্তমান সরকারের সময় তা আর চলবে না। পাহাড়খেকোরা যতই প্রভাবশালী হোক, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। যদি কোথাও স্লুইসগেট বন্ধ রেখে কৃত্রিম জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করে থাকে, তাহলে বিষয়টি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাসও তিনি প্রদান করেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ সকল ধরনের অবকাঠামো সংস্কার করা হবে। একইসাথে, কৃষি, মৎস্য, গবাদিপশু ও বসতবাড়ির ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত পুনর্বাসনের আওতায় আনা হবে।

তিনি জানান, বন্যার পানি সম্পূর্ণ নেমে যাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো ক্ষয়ক্ষতির চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেবে। সেই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পূর্ণাঙ্গ পুনর্বাসন কার্যক্রম শুরু হবে। এ সময় কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফর রহমান কাজল, জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান, পুলিশসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পরিদর্শন শেষে কক্সবাজার সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়নের চান্দের পাড়ায় শতাধিক ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন তিনি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বান্দরবানে বন্যায় ৭০ শতাংশ এলাকা প্লাবিত, ক্ষতিগ্রস্ত ১২ হাজার ৫০০ পরিবার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:০১ পি.এম


বান্দরবানে বন্যায় ৭০ শতাংশ এলাকা প্লাবিত, ক্ষতিগ্রস্ত ১২ হাজার ৫০০ পরিবার

বান্দরবানের পার্বত্য জেলা বন্যায় আক্রান্ত হয়েছে, কারণ এখানে টানা অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল, পাহাড়ধস ও জলাবদ্ধতার কারণে প্রায় ৭০ শতাংশ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ১২ হাজার ৫০০ পরিবার পানিবন্দি হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্রের মধ্যে বর্তমানে ৬৭টিতে ২ হাজার ৫৮২ জন আশ্রয় নিয়েছেন। দুর্যোগের কারণে লামা উপজেলায় পাহাড়ধসে মারা গেছেন ৫ জন এবং পানিতে ডুবে মারা গেছেন আরও ২ জন।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে জেলা প্রশাসক মো. সানিউল ফেরদৌস এসব তথ্য প্রদান করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে জেলা প্রশাসক আরও জানান, ৬ থেকে ১৩ জুলাই পর্যন্ত বান্দরবানে মোট ৫১৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড করা হয়েছে মাত্র ২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত। বর্তমানে বৃষ্টিপাত কমে আসায় নদীর পানিও কমতে শুরু করেছে। মঙ্গলবার সকালের তথ্য অনুযায়ী, সাংগু নদীর পানি বিপৎসীমার ৫ দশমিক ৪৮ মিটার নিচে এবং মাতামুহুরী নদীর পানি ৩ দশমিক ৭১ মিটার নিচে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে বন্যার ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে এখনও সময় প্রয়োজন।

এছাড়াও, সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, চলমান দুর্যোগে জেলার বিভিন্ন স্থানে মোট ৪৭টি ভূমিধস ঘটেছে, যার মধ্যে ১১টি বড় আকারের। পাহাড়ধস এবং গাছ পড়ে ২১টি স্থানে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে, কিন্তু সড়ক ও জনপথ বিভাগ, ফায়ার সার্ভিস এবং সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় সেগুলি সচল করা হয়েছে।

এ পর্যন্ত সড়ক ও জনপথ বিভাগের ৬১ কিলোমিটার এবং এলজিইডির ৯০ কিলোমিটার সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া ৪টি ব্রিজ ও কালভার্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার মধ্যে একটি সচল করা হয়েছে এবং বাকি তিনটির সংস্কার কাজ চলছে।

কৃষি খাতেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এখন পর্যন্ত ২ হাজার ১০৪ হেক্টর কৃষিজমি ও বাগান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৩৬৮ হেক্টর জমির ফসল সম্পূর্ণভাবে নষ্ট হয়েছে, যা প্রায় ৫ হাজার ৩২৩ জন কৃষকের ক্ষতি করেছে।

ত্রাণ কার্যক্রম নিয়ে জেলা প্রশাসক জানিয়েছেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে ৪০০ টন চাল, ২০ লাখ টাকা এবং প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে আরও ২০ লাখ টাকা পাওয়া গেছে। এ পর্যন্ত ৮ হাজার ৫৬০ ব্যাগ ত্রাণ, ৮৭৫ প্যাকেট শিশুখাদ্য এবং ৩ লাখ টাকা নগদ সহায়তা বিতরণ করা হয়েছে। বান্দরবান পৌরসভার উদ্যোগে প্রতিদিন দুবার করে প্রায় ৮০ হাজার ৫০০ জন দুর্গত মানুষকে রান্না করা খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে। বর্তমানে আরও ৩ হাজার ব্যাগ ত্রাণসামগ্রী মজুত রয়েছে।

তিনি জানান, দুর্যোগ মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনসহ পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিজিবি, আনসার, ফায়ার সার্ভিস, পৌরসভা, সড়ক ও জনপথ বিভাগ, বিদ্যুৎ বিভাগ, রেড ক্রিসেন্ট, ব্র্যাক, গ্রাউস, ওয়ার্ল্ড ভিশনসহ বিভিন্ন সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করছে। অতিরিক্ত বিজিবি তাদের ক্যাম্পে ১৩০টির বেশি পরিবারকে আশ্রয় দিয়েছে এবং দুর্গত এলাকায় ত্রাণ সহায়তা প্রদান করেছে।

পর্যটন পরিস্থিতি সম্পর্কে জেলা প্রশাসক জানিয়েছেন, বন্যার সময় থানচিতে ১৬৭ জন এবং রুমায় ৩৭ জন পর্যটক আটকা পড়েছেন। সর্বশেষ ৪ জন পর্যটককে আমিয়াখুম থেকে বিজিবির সহায়তায় উদ্ধার করা হয়েছে। পর্যটকদের নিরাপত্তার স্বার্থে আগামী ১৫ জুলাই পর্যন্ত জেলার সব পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ থাকবে।

আগামী পরিকল্পনার বিষয়ে জেলা প্রশাসক জানান, আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা মানুষকে দ্রুত বাড়িতে ফেরানো হবে। প্রত্যাবর্তনের সময় তাদের অন্তত দুই দিনের খাদ্য সহায়তা দেওয়া হবে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য ১ হাজার ২০০ বান্ডিল ঢেউটিন এবং প্রতিটি পরিবারকে ৩ হাজার টাকা গৃহ মেরামত সহায়তা দেওয়ার জন্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ে বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। একইসাথে বন্যা পরবর্তী পানিবাহিত রোগ প্রতিরোধে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ, পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট বিতরণ এবং স্বাস্থ্যসেবা জোরদারের পরিকল্পনা গৃহীত হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকায় পুলিশি বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ১৯ জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:০৩ পি.এম


ঢাকায় পুলিশি বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ১৯ জন

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী ও তুরাগ থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ১৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের যাত্রাবাড়ী ও তুরাগ থানার পুলিশ।

যাত্রাবাড়ী থানা সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (১৩ জুলাই) যাত্রাবাড়ী থানার পুলিশ অত্র থানার বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকার মধ্যে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন ওয়াশিম (৪০), মো. পারভেজ হোসেন (২০), মো. সাইফুল ইসলাম (৩৪), আশেক মাহমুদ (২৬), দ্বীপ ইসলাম (২৫), মো. রোকন ব্যাপারী (৩০), হাবিবুর রহমান (৪৫), মো. তানজিলম (২৮) ও রাহাত (২৭)।

অপরদিকে, তুরাগ থানা সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (১৩ জুলাই) তুরাগ থানা পুলিশ অত্র থানার অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে ১০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ছিলেন হৃদয় (২১), আদিল মাহমুদ শাকিল, মো. ইমরান (৩০), হযরত আলী (২৮), মো. রিফাত আলী (১৯), মো. মামুন (৪৫), মো. নাজমুল হক সাগর (২২), মো. হাবিবুর রহমান (২৫), মো. নিজামুল ইসলাম (২২) এবং মো. রাজন (২১)।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িত অপরাধী এবং নিয়মিত ও পরোয়ানাভুক্ত মামলার আসামিরাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাঝ নদীতে আটকা ফেরি, যাত্রী সংখ্যা ২ শতাধিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:০৯ পি.এম


মাঝ নদীতে আটকা ফেরি, যাত্রী সংখ্যা ২ শতাধিক

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার চেয়ারম্যান ঘাট-নলচিরা ঘাটে চলাচলকারী ফেরি ‘মহানন্দা’ মেঘনা নদীর মাঝ চরে আটকা পড়েছে।

এতে যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। চেয়ারম্যান ঘাট থেকে নলচিরা ঘাট যাওয়ার পথে মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকালে ৮টার দিকে ফেরিটি মেঘনা নদীর মাঝে ডুবে থাকা চরে আটকা পড়ে বলে জানিয়েছেন ফেরিটির মাস্টার মো. করিম।

তিনি জানান, এ সময় ফেরিটিতে দুই শতাধিক যাত্রী ও পণ্যবাহী ১৬টি যানবাহন রয়েছে। নদীতে নাব্যতা সংকট এবং ফেরি সময়মতো না ছাড়ার কারণে এমন পরিস্থিতির মধ্যে পড়তে হয়েছে যাত্রীদের। তারা সীমাহীন দুর্ভোগে পড়েছেন। বাধ্য হয়ে কেউ কেউ কাঠের নৌকায় করে গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। তবে নারী, শিশু, বয়স্ক ও রোগীদের ভোগান্তির শেষ নেই।

যাত্রীরা জানান, দ্রুত নদী ড্রেজিং করে নাব্যতা সংকট দূর করা না হলে বর্ষার পর এ ধরনের পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে। ফেরির মাস্টার মো. করিম জানান, ঘাটে নাব্যতা সংকটসহ নানা কারণে ফেরি ছাড়তে প্রায় ১০ মিনিট দেরি হয়েছে। সকালে ৭টা ৪০ মিনিটের দিকে ভাটার শেষ সময়ে ফেরি ছাড়ার পর এ সমস্যায় পড়তে হয়েছে। দুপুরে জোয়ার এলে ফেরিটি ভাসমান হলে ছেড়ে দেওয়া হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%