শুক্রবার, ৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১২:১১ এম
যুক্তরাষ্ট্রের নারীমুক্তি আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব, প্রখ্যাত সাংবাদিক ও নারীবাদী অধিকারকর্মী গ্লোরিয়া স্টেইনেম আর বেঁচে নেই। তার বয়স ছিল ৯২ বছর মৃত্যুর সময়।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্ক সিটিতে নিজের বাসভবনে তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। সামাজিক মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে স্টেইনেমের প্রতিষ্ঠিত ফাউন্ডেশন নিশ্চিত করেছে যে, তার জীবনের শেষ মুহূর্তে স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীরা তার পাশে ছিলেন।
লেখক, সাংবাদিক এবং সাময়িকী সম্পাদক হিসেবে পাঁচ দশকেরও বেশি সময়ের কর্মজীবনে নারীদের সামাজিক ও রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় তিনি আপসহীন ভূমিকা পালন করেছেন। যৌন বৈষম্য দূরীকরণের লক্ষ্যে তিনি গড়ে তুলেছিলেন 'উইমেনস অ্যাকশন অ্যালায়েন্স'। পরবর্তীতে নারী অধিকার এবং বৈষম্যবিরোধী সাংবাদিকতাকে নতুন মাত্রা দিতে তিনি সহপ্রতিষ্ঠাতা হিসেবে প্রকাশ করেন ঐতিহাসিক 'মিস' ম্যাগাজিন। এই প্রকাশনা প্রচলিত গৃহস্থালি বা রূপচর্চাবিষয়ক আলোচনার বাইরে এসে রাজনীতি, সমাজ এবং নারীর স্বতন্ত্র পরিচয়ের গল্প তুলে ধরার জন্য বিশ্বজুড়ে সমাদৃত হয়।
বিশেষ করে সত্তর দশকে নারীর প্রজনন স্বাধীনতা ও গর্ভপাতের অধিকার রক্ষার লড়াইয়ে তিনি ছিলেন অগ্রণী কণ্ঠস্বর। ২২ বছর বয়সে লন্ডনে আইনি জটিলতার মুখোমুখি হয়ে গর্ভপাত করানোর যে তিক্ত অভিজ্ঞতা তিনি লাভ করেছিলেন, তা তাকে এ বিষয়ে আজীবন সোচ্চার করে রেখেছিল। ১৯৭৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টের ঐতিহাসিক 'রো বনাম ওয়েড' রায়ে গর্ভপাতের সাংবিধানিক স্বীকৃতি পাওয়ায় তিনি উল্লাস প্রকাশ করেছিলেন। তবে ২০২২ সালে সেই রায় বাতিল হওয়ার ঘটনাও নিজের জীবদ্দশায় প্রত্যক্ষ করেন এই বিদগ্ধ নারী।
নারীবাদে সীমাবদ্ধ না থেকে, কর্মক্ষেত্রে সমান মজুরি, সমলিঙ্গের বিয়ের আইনি স্বীকৃতি, মৃত্যুদণ্ড প্রথা বিলোপ এবং নারী যৌনাঙ্গ বিকৃতি রোধে বিশ্বজুড়ে চলা সচেতনতামূলক আন্দোলনে স্টেইনেম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।
সামাজিক সমতা অর্জনে কয়েক দশকের একনিষ্ঠ নিবেদনের মাধ্যমে আমেরিকান সমাজব্যবস্থায় নারী অধিকার আন্দোলনের প্রধান অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছিলেন গ্লোরিয়া স্টেইনেম। তার প্রয়াণে বিশ্বজুড়ে নারী অধিকার কর্মীদের মাঝে এক গভীর শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ দল সিরিয়ার কাছে অসহায় আত্মসমর্পণ করেছে, যা উজবেকিস্তানের পর AFC অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে তাদের দ্বিতীয় পরাজয়। এই পরাজয়ের ফলে লাল-সবুজদের মূল পর্বে খেলার সম্ভাবনা অনেকটাই সংকুচিত হয়ে পড়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) উজবেকিস্তানের তাসখন্দের দোস্তলিক স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ৩-০ গোলে সিরিয়ার কাছে পরাজিত হয়। এই পরাজয়ের ফলে তারা টানা দুই হারে শূন্য পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপের তলানিতে অবস্থান করছে।
প্রথম ম্যাচে ভারতের কাছে ১-০ গোলে হারের পর সিরিয়া শুরু থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয়। ১৭তম মিনিটে তারা প্রথম বড় সুযোগ তৈরি করে। বাইলাইন থেকে সতীর্থের কাটব্যাক পাসে শট নেন আবদুল্লাহ আলনাজ্জার, কিন্তু বাংলাদেশ গোলরক্ষক রাজ চৌধুরী দারুণ দক্ষতায় বল ক্রসবারের ওপর দিয়ে পাঠিয়ে দেন।
বাংলাদেশ পাল্টা আক্রমণ শাণাতে ব্যর্থ হওয়ায় সিরিয়া তাদের চাপ ধরে রাখে। ২৩তম মিনিটে আবারও সুযোগ হাতছাড়া করেন আবদুল্লাহ। আধা ঘণ্টার মাথায় বাংলাদেশ সিরিয়ার ডি-বক্সে কিছুটা ভীতি ছড়াতে সক্ষম হয়। জয় আহমেদের আদায় করা ফ্রি-কিক থেকে বক্সে বল ফেলেন শেখ সংগ্রাম, যা হেডের মাধ্যমে কর্নারের বিনিময়ে ক্লিয়ার করেন সিরিয়ার এক ডিফেন্ডার।
সেই কর্নার থেকে সুবিধাজনক জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকা অধিনায়ক আবদুল রিয়াদ ফাহিম বল ঠিকমতো হেড করতে ব্যর্থ হন। কিছুক্ষণ পর ফাহিমের একটি কোণাকুণি শট ঠেকিয়ে দেন সিরিয়ার গোলরক্ষক ইসমাইল হাদি। পরবর্তী ক্রসেও দারুণ দক্ষতায় দলকে বিপদমুক্ত রাখেন তিনি।
৪২তম মিনিটে বক্সের ভেতর থ্রু বল পেয়েও ফাঁকায় দাঁড়িয়ে থাকা এক ফরোয়ার্ড বারের ওপর দিয়ে মেরে সিরিয়াকে হতাশ করেন। তবে ৪৪তম মিনিটে বাংলাদেশের রক্ষণভাগ ভেঙে যায়। দূরপাল্লার পাস দারুণ দক্ষতায় নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আবদুল্লাহ ব্যাকহিলে বল দেন অ্যালান মামোকে।
তার নিচু ও জোরালো শট জালে জড়িয়ে সিরিয়া ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়ানোর আগেই, বক্সের প্রান্ত থেকে মারিওস আলহেরেকে দুর্দান্ত এক শটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন।
দ্বিতীয়ার্ধে বাংলাদেশ কিছুটা গতিশীল ফুটবল খেললেও সিরিয়ার ওপর চাপ তৈরির জন্য তা যথেষ্ট ছিল না। উল্টো শেষদিকে সিরিয়া আরও গোলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। ৭৩তম মিনিটে আমের আম্মারের বাঁকানো ফ্রি-কিক এবং ৮৫তম মিনিটে মামোর শট দুর্দান্ত ডাইভে ঠেকিয়ে দিয়ে গোলরক্ষক রাজ চৌধুরী ব্যবধান বাড়তে দেননি।
তবে এরপরই বাংলাদেশ এক অদ্ভুত গোলের শিকার হয়ে ম্যাচ থেকে পুরোপুরি ছিটকে যায়। বক্সের বেশ বাইরে পাওয়া এক ফ্রি-কিক থেকে সিরিয়ার এক খেলোয়াড় আলতো টোকায় বল দেন আলনাজ্জারকে। তার নেওয়া ধীরগতির নিচু শটটি সবাইকে বোকা বানিয়ে জালে জড়ালে হতবাক হয়ে যান বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জয়পুরহাট পৌর এলাকার পূর্ব ধানমন্ডি এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ স্বামী-স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে। তাদের কাছে পাওয়া গেছে ১০১ পিস ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট ও একটি স্মার্টফোন।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান এই তথ্যটি প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন—জয়পুরহাট পৌরসভার পূর্ব ধানমন্ডি গ্রামের মৃত আশরাফ ইসলামের ছেলে পাপ্পু (৩০) এবং তাঁর স্ত্রী রিনা আক্তার (২২)।
জয়পুরহাট জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার রাতে ডিবি পুলিশের একটি চৌকস দল মাদক ও অনলাইন জুয়াবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় পাপ্পুকে অনলাইন জুয়া খেলা অবস্থায় এবং তাঁর স্ত্রী রিনা আক্তারকে মাদক বিক্রির সময় হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে একটি স্মার্টফোন ও ১০১ পিস নিষিদ্ধ ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে জয়পুরহাট সদর থানায় দুটি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা মিরপুর বিভাগ রাজধানীর মিরপুর এলাকা থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি রিভলবার এবং ৪ রাউন্ড গুলিসহ এক কুখ্যাত সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করেছে।
গ্রেপ্তারকৃতের নাম মো. জামিল হোসেন, যিনি শ্যুটার জাকির, মো. জাকির এবং খালাতো নামেও পরিচিত। তার বয়স ৪৮ বছর।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক ১১:২০ টার দিকে গোয়েন্দা মিরপুর বিভাগের একটি আভিযানিক দল মিরপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাকে আটক করে।
অভিযানের সময় তার হেফাজত থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, পিস্তলের ম্যাগজিনে থাকা ২ রাউন্ড গুলি, একটি কালো রঙের বিদেশি রিভলবার, রিভলবারের চেম্বারে থাকা ২ রাউন্ড গুলি এবং একটি খালি ম্যাগজিন উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, জাকির একজন পেশাদার সন্ত্রাসী এবং অস্ত্রধারী শ্যুটার। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মিরপুর এলাকায় ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আধিপত্য বিস্তার করে আসছিলেন। পুলিশের তথ্যমতে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় তিনি কথিত শীর্ষ সন্ত্রাসী তানভীর ইসলাম জয়ের সহযোগী হিসেবে মিরপুর এলাকায় কাজ করতেন। জয় নিহত হওয়ার পর অপরাধীচক্রের আরেক সদস্য তাজকীরের সহযোগী হিসেবে তার কার্যক্রম অব্যাহত ছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে।
উল্লেখ্য, গত ৭ জুলাই ২০২৬ রাত আনুমানিক ৯:০০ ঘটিকায় মিরপুর মডেল থানাধীন সেনপাড়া পর্বতা এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও ভাগ-বাটোয়ারাকে কেন্দ্র করে মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সাইফুল ইসলাম সিজু (৩৮)-কে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি করার ঘটনা ঘটে।
ওই ঘটনায় জাকির পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও তার সহযোগী শ্যুটার মো. কাওছার ভুইয়া, যিনি শান্ত ওরফে এসবি (২৪) নামে পরিচিত, অস্ত্র ও গুলিসহ মিরপুর মডেল থানা পুলিশ দ্বারা গ্রেপ্তার হন।
ঘটনার পর মিরপুর মডেল থানায় দুটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়। এর মধ্যে একটি মামলায় হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা ও গুরুতর আঘাতের অভিযোগ এবং অপরটি অস্ত্র আইনে মামলা। বর্তমানে মিরপুর মডেল থানা পুলিশ মামলা দুটি তদন্ত করছে।
গ্রেপ্তার জাকিরের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পাকিস্তান দল বর্তমানে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টানা দুই ম্যাচে পরাজয়ের ফলে পিছিয়ে রয়েছে। তৃতীয় ম্যাচে মাঠে নামার পূর্বে ব্রিটেনের রাজা চার্লসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার সুযোগ পেয়েছিলেন পাকিস্তানি ক্রিকেটাররা। কিন্তু, পাকিস্তানের একজন ক্রিকেটার এই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।
সম্প্রতি দ্য টেলিগ্রাফের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, দলের নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও প্রতিবাদের অংশ হিসেবে ওই ক্রিকেটার ক্ল্যারেন্স হাউজে উপস্থিত হননি।
দ্বিতীয় টেস্টে লর্ডসে ইংল্যান্ডের কাছে হারের পর, পাকিস্তানের স্কোয়াড থেকে বাদ পড়া সাত ক্রিকেটারকেও চার্লসের সঙ্গে সাক্ষাৎ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। মোহাম্মদ আওয়াইজ জাফর, আমির জামাল, খুররম শাহজাদী ও আলী উসমান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
তবে, আরও দুজন ক্রিকেটার সেখানে যাওয়ার প্রতি অনীহা প্রকাশ করেন। তাদের মধ্যে একজন প্রতিবাদের অংশ হিসেবে শেষ পর্যন্ত অনুষ্ঠানে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন বলে সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে।
অন্যদিকে, অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকা ক্রিকেটারদের সঙ্গে চার্লসের সাক্ষাৎ ছিল অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ। হতাশাজনক টেস্ট সিরিজের মাঝেও তিনি পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের উৎসাহিত করেন।
পাকিস্তানের অধিনায়ক বাবর আজম রাজাকে স্বাক্ষর করা একটি ব্যাট উপহার দেন। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান মোহসিন নাকভিও রাজাকে একটি উপহার প্রদান করেন।
এদিকে, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম দুই টেস্টে বড় ব্যবধানে পরাজয়ের পর পাকিস্তানের টেস্ট দলে ব্যাপক পরিবর্তন আনা হয়েছে। তৃতীয় ও শেষ টেস্টের আগে প্রায় অর্ধেক স্কোয়াড পরিবর্তন করা হয়েছে।
একই সঙ্গে প্রধান কোচ সরফরাজ আহমেদ এবং বোলিং কোচ উমর গুলকেও দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। পরিবর্তিত দলে পাঁচজন আনক্যাপড ক্রিকেটার অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
তাদের সঙ্গে সাইম আইয়ুব ও আবদুল্লাহ ফজল যুক্ত হয়েছেন। নতুন পাঁচ ক্রিকেটার হলেন- আরাফাত মিনহাজ, মোহাম্মদ ইমরান জুনিয়র, সাদ বেগ, মোহাম্মদ ইমরান রান্ধাওয়া এবং রাজাউল্লাহ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ