প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
বাংলাদেশ দল সিরিয়ার কাছে অসহায় আত্মসমর্পণ করেছে, যা উজবেকিস্তানের পর AFC অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে তাদের দ্বিতীয় পরাজয়। এই পরাজয়ের ফলে লাল-সবুজদের মূল পর্বে খেলার সম্ভাবনা অনেকটাই সংকুচিত হয়ে পড়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) উজবেকিস্তানের তাসখন্দের দোস্তলিক স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ৩-০ গোলে সিরিয়ার কাছে পরাজিত হয়। এই পরাজয়ের ফলে তারা টানা দুই হারে শূন্য পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপের তলানিতে অবস্থান করছে।
প্রথম ম্যাচে ভারতের কাছে ১-০ গোলে হারের পর সিরিয়া শুরু থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয়। ১৭তম মিনিটে তারা প্রথম বড় সুযোগ তৈরি করে। বাইলাইন থেকে সতীর্থের কাটব্যাক পাসে শট নেন আবদুল্লাহ আলনাজ্জার, কিন্তু বাংলাদেশ গোলরক্ষক রাজ চৌধুরী দারুণ দক্ষতায় বল ক্রসবারের ওপর দিয়ে পাঠিয়ে দেন।
বাংলাদেশ পাল্টা আক্রমণ শাণাতে ব্যর্থ হওয়ায় সিরিয়া তাদের চাপ ধরে রাখে। ২৩তম মিনিটে আবারও সুযোগ হাতছাড়া করেন আবদুল্লাহ। আধা ঘণ্টার মাথায় বাংলাদেশ সিরিয়ার ডি-বক্সে কিছুটা ভীতি ছড়াতে সক্ষম হয়। জয় আহমেদের আদায় করা ফ্রি-কিক থেকে বক্সে বল ফেলেন শেখ সংগ্রাম, যা হেডের মাধ্যমে কর্নারের বিনিময়ে ক্লিয়ার করেন সিরিয়ার এক ডিফেন্ডার।
সেই কর্নার থেকে সুবিধাজনক জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকা অধিনায়ক আবদুল রিয়াদ ফাহিম বল ঠিকমতো হেড করতে ব্যর্থ হন। কিছুক্ষণ পর ফাহিমের একটি কোণাকুণি শট ঠেকিয়ে দেন সিরিয়ার গোলরক্ষক ইসমাইল হাদি। পরবর্তী ক্রসেও দারুণ দক্ষতায় দলকে বিপদমুক্ত রাখেন তিনি।
৪২তম মিনিটে বক্সের ভেতর থ্রু বল পেয়েও ফাঁকায় দাঁড়িয়ে থাকা এক ফরোয়ার্ড বারের ওপর দিয়ে মেরে সিরিয়াকে হতাশ করেন। তবে ৪৪তম মিনিটে বাংলাদেশের রক্ষণভাগ ভেঙে যায়। দূরপাল্লার পাস দারুণ দক্ষতায় নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আবদুল্লাহ ব্যাকহিলে বল দেন অ্যালান মামোকে।
তার নিচু ও জোরালো শট জালে জড়িয়ে সিরিয়া ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়ানোর আগেই, বক্সের প্রান্ত থেকে মারিওস আলহেরেকে দুর্দান্ত এক শটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন।
দ্বিতীয়ার্ধে বাংলাদেশ কিছুটা গতিশীল ফুটবল খেললেও সিরিয়ার ওপর চাপ তৈরির জন্য তা যথেষ্ট ছিল না। উল্টো শেষদিকে সিরিয়া আরও গোলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। ৭৩তম মিনিটে আমের আম্মারের বাঁকানো ফ্রি-কিক এবং ৮৫তম মিনিটে মামোর শট দুর্দান্ত ডাইভে ঠেকিয়ে দিয়ে গোলরক্ষক রাজ চৌধুরী ব্যবধান বাড়তে দেননি।
তবে এরপরই বাংলাদেশ এক অদ্ভুত গোলের শিকার হয়ে ম্যাচ থেকে পুরোপুরি ছিটকে যায়। বক্সের বেশ বাইরে পাওয়া এক ফ্রি-কিক থেকে সিরিয়ার এক খেলোয়াড় আলতো টোকায় বল দেন আলনাজ্জারকে। তার নেওয়া ধীরগতির নিচু শটটি সবাইকে বোকা বানিয়ে জালে জড়ালে হতবাক হয়ে যান বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন